Connect with us

রাজনীতি

খালেদা জিয়ার জানাজার সময় নিয়ে যা জানাল

Published

on

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে নিশ্চিত করেছেন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন।

খালেদা জিয়ার মৃত্যুর সময় হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন তাঁর বড় ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান, নাতনি জাইমা রহমান, প্রয়াত ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান, নাতনি জাহিয়া রহমান ও জাফিয়া রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা। এ ছাড়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার জানাজা আগামীকাল (বুধবার) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হতে পারে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে।

দীর্ঘদিন ধরেই নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন খালেদা জিয়া। মুক্তি পাওয়ার পর চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি তিনি লন্ডনে চিকিৎসা নেন এবং কিছুটা সুস্থতাও অনুভব করেন। তবে বয়সজনিত জটিলতা ও দীর্ঘ রোগভোগের কারণে তাঁর শারীরিক অবস্থা ধীরে ধীরে অবনতি ঘটে।

সর্বশেষ গত ২৩ নভেম্বর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে এক মাসের বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি আর চিকিৎসায় সাড়া দেননি।

‘দেশনেত্রী’ ও ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিত খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এদিকে, বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং এক বার্তায় জানায়, মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার জানাজার সময়সূচি পরবর্তী সময়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

জামায়াতের জোট থেকে দলগুলোকে বেরিয়ে আসতে চরমোনাই পীরের আহ্বান

Published

on

By

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোট থেকে অন্যান্য ইসলামী দলগুলোকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের জোটে না যাওয়ার ঘোষণা দেন ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান। এ সময় তিনি এ আহ্বান জানান।

গাজী আতাউর রহমান বলেন, জামায়াত শরিয়াহ আইনে রাষ্ট্র পরিচালনা নীতি থেকে সরে এসেছে। তাই ১১ দলীয় জোট থেকে অন্যান্য ইসলামী দলগুলোকেও বেরিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

ইসলামপন্থী দলগুলোর জন্য আলোচনার দরজা খোলা আছে, বলেও জানান তিনি।

ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র আরও অভিযোগ করেন, জামায়াতের আমির বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে জাতীয় সরকার গঠনের কথা বলছেন, যার অর্থ দাঁড়ায়, সমঝোতার নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে জামায়াত।

দীর্ঘ সময় পর দেশের মানুষ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের আশায় ছিলেন, এর ফলে সেই প্রত্যাশা পূরণ পূরণ হওয়া নিয়ে সন্দেহ থেকে যায়।

ইসলামের নীতি থেকে জামায়াত সরে এসেছে দাবি করে একলা পথে গিয়ে ২৬৮টি আসনে লড়ার কথা জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন।
বাকি আসনগুলোতে বিএনপি কিংবা জাতীয় পার্টির সাথে আসন সমঝোতার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন চরমোনাই পীরের দল।

Continue Reading

রাজনীতি

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ

Published

on

By

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন (এনপিএ) নামে নতুন একটি প্ল্যাটফর্ম আত্মপ্রকাশ করেছে। রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শুক্রবার বিকাল ৪টায় আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে প্ল্যাটফর্মটি।

‘জনগণের শক্তি, আগামীর মুক্তি’এই স্লোগান সামনে রেখে যাত্রা শুরু করা প্ল্যাটফর্মটির পাঁচটি মূলনীতি নির্ধারণ করা হয়েছে।

মূলনীতিগুলো হলো- গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং প্রাণ ও প্রকৃতি সুরক্ষা। আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে জনগণপন্থী রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তুলতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দুপুর থেকে প্ল্যাটফর্মটির নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। অনুষ্ঠানের জন্য সেখানে মঞ্চ ও প্যান্ডেল প্রস্তুত করা হয়। বিকাল নাগাদ শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে জমে ওঠে জনসমাগম।

এ সময় প্ল্যাটফর্মটির অন্যতম উদ্যোক্তা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক শিক্ষার্থী মীর হুযাইফা আল মামদূহ জানান, এনপিএর ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কাউন্সিল হবে। তিনি ৯৯ জন সদস্যের নাম ঘোষণা করেন। অন্য নামগুলো পরামর্শের ভিত্তিতে পরে ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।

১০১ সদস্যের মধ্যে রয়েছেন- জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করা অনিক রায়, অলীক মৃ, তুহিন খান, ঢাবি শাখা ছাত্র ইউনিয়নের (একাংশ) সভাপতি মেঘমল্লার বসু, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক নাজিফা জান্নাত, অধিকারকর্মী ফেরদৌস আরা রুমি, তাসলিমা মিজি প্রমুখ।

এনপিএ’র পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের বিদ্যমান শাসনকেন্দ্রিক ক্ষমতাকাঠামো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনগণের পরিবর্তে শাসকগোষ্ঠীর অনুগত করে তুলেছে। ফলে জনগণের রক্ষক প্রতিষ্ঠানগুলোই ক্ষমতাচর্চা ও সম্পদ আহরণের অংশীদারে পরিণত হয়েছে। এ অবস্থার পরিবর্তনে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহকে জনগণের অধিকার রক্ষা ও সেবাভিত্তিক কাঠামোতে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে চায় প্ল্যাটফর্মটি।

প্ল্যাটফর্মটির ঘোষণায় আইন বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের কার্যকর ও পূর্ণ পৃথকীকরণের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে শক্তিশালী, আর্থিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং কেন্দ্রের প্রভাবমুক্ত স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এনপিএ লুটপাট, দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটনির্ভর ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের কথা জানিয়েছে। তাদের লক্ষ্য স্বনির্ভর, উৎপাদনমুখী ও জনকল্যাণভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলা। কৃষিতে উৎপাদন ব্যয় কমানো, সহজ কৃষিঋণ, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ভর্তুকি এবং শিল্পশ্রমিকদের জন্য সম্মানজনক মজুরি কাঠামোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রগতিশীল করব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে বৈষম্য হ্রাস ও রাষ্ট্রীয় আয় বাড়ানোর কথা জানানো হয়।

পরিবেশ ও জলবায়ু সংকট নিয়েও অবস্থান তুলে ধরে প্ল্যাটফর্মটি। এনপিএ জানায়, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশে অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও মেগা প্রকল্প প্রাণ-প্রকৃতি ও পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। নদী দখল, বন উজাড়, দূষণ ও অনিয়ন্ত্রিত নগরায়নের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার প্ল্যাটফর্মটি।

এছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তাকে রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে এনপিএ জানায়, জাতি, ধর্ম, লিঙ্গ ও শ্রেণি নির্বিশেষে সকল নাগরিকের জন্য সমান অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত করতে তারা কাজ করবে। মতপ্রকাশ ও ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষার পাশাপাশি জান-মালের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়।

Continue Reading

top1

২৬৮ আসনে এককভাবে নির্বাচন করবে চরমোনাইয়ের দল

Published

on

By

জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের যে নির্বাচনি ঐক্য হয়েছে তা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটি ২৬৮টি আসনে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও দলের মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এই ঘোষণা দেন।

গাজী আতাউর রহমান জানান, তাদের প্রার্থীরা ২৭০টি আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। তবে দুটি আসনে প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। বাকি ২৬৮ জন প্রার্থী এখনো কাজ করছেন। তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে তাদের একজনও প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করেন।

তিনি আরো বলেন, আমরা এ দেশের ইসলামপন্থি জনতার আবেগের সঙ্গে কিছুতেই প্রতারণা করতে পারি না। আমরা ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য, ইসলামের সুমহান আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য, ইসলামের আলোকে কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্যে দীর্ঘদিন যাবৎ এখানে কাজ করে আসছি। আমরা এ থেকে বিচ্যুত হতে পারি না। এজন্য আপনারা লক্ষ্য করেছেন যে, গতকালকে ১১ দলীয় জোটের ব্যানারে যেখানে আমরাও ছিলাম, সেখানে একটি সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। সেখানে আসন বণ্টন হয়েছে। সেখানে আমাদের দীর্ঘদিনের পথ চলা, ৫ আগস্ট পরবর্তী সারা দেশে আমরা ইসলামপন্থি শক্তি একসঙ্গে করার জন্য যে চেষ্টা-সাধনা করেছিলাম। আমরা দেখেছি শেষ পর্যায়ে এসে আমাদের যে লক্ষ্য ছিল, সেই লক্ষ্য অর্জিত না হওয়ার একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। লক্ষ্য অর্জিত না হওয়ার একটা শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই শঙ্কা থেকে আমরা চিন্তা করলাম, আমাদের ইসলামের পক্ষের একটি বাক্সকে আমাদের হেফাজত করতে হবে।

ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র বলেন, এখানে জামায়াতে ইসলামী একটি বড় শক্তি ছিল। অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তাদের শক্তি-সামর্থ্য অনেক বেশি। কিন্তু আমরা আদর্শিকভাবে, নৈতিকভাবে কারো চেয়ে দুর্বল নই।

গাজী আতাউর রহমান বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, তারা ক্ষমতায় গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করবে। তিনি খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন, সেই খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের একজন সম্মানিত নারী, তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে আমরা আশ্বস্ত হয়েছি, জামায়াতের আমির শরিয়া প্রতিষ্ঠা, শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠা করবেন না। এই ওয়াদা তিনি করেছেন। এজন্য আমরা আশ্বস্ত হয়েছি। এই বিষয়টা যখন আমরা জানতে পারলাম তখন আমরা স্পষ্ট হয়ে গেলাম, আমরা যে লক্ষ্য নিয়ে চলছি সেই লক্ষ্য অর্জিত হবে না। কারণ, আজ যখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়ার মতো একটা পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, এখন যারা প্রধান শক্তি তারাই যদি ইসলামের সমান আদর্শ থেকে ভিন্ন দিকে চলে যায়, যদি ইসলামী আইনের প্রতি তাদের আস্থা না থাকে… তাহলে আমরা যে কর্মী, সমর্থক সারা দেশে ইসলামের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছি। এই স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে।

Continue Reading

Trending