Connect with us

জাতীয়

‘গত ১৬ বছরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাস্তান তৈরি হয়েছে’

Published

on

পতিত সরকারের আমলে কেবল উন্নয়নের গালভরা গল্প করা হয়েছে, কিন্তু শিক্ষাক্ষেত্রে কোনো উন্নয়ন হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, গত ১৫-১৬ বছরে ছাত্র রাজনীতির নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাস্তান তৈরি করা হয়েছে।

রোববার (৫ অক্টোবর) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, আমরা যদি শিক্ষাব্যবস্থায় এমন একটি কাঠামো গড়ে তুলতে পারতাম যেখানে শিক্ষকদের প্রচুর প্রশিক্ষণ থাকত, তাহলে তারা ছাত্রদের জ্ঞানচর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে পারত—বিজ্ঞান ও সাহিত্য চর্চার ক্ষেত্রেও। কিন্তু বিগত সময়ে প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি হয়নি, শুধু লোক দেখানো কাজ করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা একটি দুঃসহ পরিস্থিতি পার করে এসেছি। এখন সেই স্বপ্ন পূরণ করতে হবে—যারা রেসিং কার তৈরি করেছে, তাদের মননের মধ্যে যে স্বপ্ন রয়েছে সেটি বাস্তবায়ন হলে তাহলেই এই দেশ সমৃদ্ধশালী হবে।’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত, সড়ক অবরোধ পরীক্ষার্থীদের

Published

on

By

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে স্থগিত হওয়ার পর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পরীক্ষার্থীরা।

শনিবার (১০ অক্টোবর) পরীক্ষা শুরুর নির্ধারিত সময়ের আগে এ সিদ্ধান্ত জানানো হলে ক্ষোভে সড়কে নামেন চাকরিপ্রার্থীরা। এতে কয়েকটি এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়।

সকাল ১১টায় অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (১১তম গ্রেড) পদের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ সামনে আসায় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা স্থগিত করে।

এরপর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, সাতমসজিদ রোড, বাংলা কলেজ ও খিলগাঁওসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ শুরু করেন পরীক্ষার্থীরা। তারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার ব্যাখ্যা ও দায়ীদের জবাবদিহি দাবি করেন।

মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে অবরোধের বিষয়টি নিশ্চিত করে শেরেবাংলা নগর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. লোকমান হোসেন বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে আন্দোলনকারীরা আড়ং সিগনালে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেছেন।

তিনি জানান, আসাদগেট থেকে ধানমন্ডিগামী সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে ধানমন্ডি থেকে আসাদগেটমুখী সড়কে অবস্থান নিয়েছেন পরীক্ষার্থীরা।

বিক্ষোভের সময় চাকরিপ্রার্থীদের ‘প্রশ্ন ফাঁস হলো কেন, প্রশাসন জবাব চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।

May be an image of one or more people, crowd and text

কেন্দ্রে পৌঁছেও পরীক্ষা দিতে পারেননি প্রার্থীরা
পরীক্ষায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকায় এসেছিলেন হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থী। নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত হওয়ার পর পরীক্ষা স্থগিতের খবর পেয়ে তারা বিপাকে পড়েন। অনেকের অভিযোগ, আগে থেকে কোনো ঘোষণা না দিয়েই পরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

রাজধানীর মাদারটেকের এ আজিজ স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে আসা ঈমান জানান, তারা কেন্দ্রে প্রবেশ করে নির্ধারিত আসনে বসার পর পরিদর্শক এসে জানান, পরীক্ষা হবে না। কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা স্থগিত করেছে।

কেন পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে না, তা জানতে চাইলে ঈমান মোল্লা বলেন, কেন্দ্র থেকে কোনো কারণ জানানো হয়নি। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে বলে তারা শুনেছেন। তিনি ফরিদপুর থেকে পরীক্ষা দিতে ঢাকায় এসেছিলেন।

একই কেন্দ্রের আরেক পরীক্ষার্থী মো. তামিম জানান, তাদের কেন্দ্রেও একইভাবে পরীক্ষা স্থগিতের কথা জানানো হয়।

পরীক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ৩০০টি পদের কথা উল্লেখ ছিল। এসব পদের বিপরীতে সারা দেশ থেকে লক্ষাধিক প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেন তারা।

জানা গেছে, রাজধানীর কয়েকটি কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র বিতরণের পর পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়।

এ দিকে মানিক মিয়া এভিনিউতে রাস্তা অবরোধকারীদের পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি জানানো হয়েছে।

দাবিগুলো হলো:

১. প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

২. দূর থেকে পরীক্ষা দিতে আসা পরীক্ষার্থীদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে

৩. আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা নিতে হবে

দাবি বাস্তবায়নের ঘোষণা না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান বলেন, আমরা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা কিছু দাবি জানিয়েছে। আন্দোলনকারীদের বাইরে কেউ যেনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সে বিষয় খেয়াল রাখা হচ্ছে।

Continue Reading

top1

অটোরিকশার পক্ষে কথা বলা নেতারই ৭০০ অটোরিকশা রয়েছে: ডিএনসিসি প্রশাসক

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলের পক্ষে বক্তব্য দেওয়া একটি বড় রাজনৈতিক দলের সেক্রেটারি জেনারেলের নিজেরই ৭০০টি অটোরিকশা রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকায় মেট্রোরেলের পিলারে জুলাই আন্দোলনের গ্রাফিতি আঁকার কার্যক্রম উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ অভিযোগ করেন।

শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, সাধারণ মানুষ অটোরিকশা চলাচলের পক্ষে আন্দোলন করবে—এমনটা তিনি মনে করেন না। অথচ একটি বড় রাজনৈতিক দলের সেক্রেটারি জেনারেল প্রকাশ্যে অটোরিকশা চলাচলের দাবি মেনে নেওয়ার কথা বলছেন। পরে খোঁজ নিয়ে ওই নেতার ৭০০টি অটোরিকশা থাকার তথ্য পেয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

রাজধানীর ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ঢাকার প্রতিটি এলাকার ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে। দোকানের সামনে কিংবা ফুটপাতে যাতে কেউ অবৈধভাবে বসতে না পারে, সে বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। নগরবাসী যা চাইবে না, সিটি করপোরেশন তা করবে না।

ফুটপাত দখলমুক্ত করার পাশাপাশি সৌন্দর্যবর্ধন ও সবুজায়নের কাজ চলছে জানিয়ে মিল্টন বলেন, যেসব এলাকার ফুটপাত ভেঙে গেছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলো সংস্কার করে পথচারীবান্ধব ও দৃষ্টিনন্দন করে তোলা হচ্ছে।

এ সময় একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে ফুটপাতের হকারদের উসকানিমূলক পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগও করেন ডিএনসিসি প্রশাসক। তিনি বলেন, জনস্বার্থের বিরুদ্ধে কেউ নতুন করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হলে নগরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে তা প্রতিহত করতে প্রস্তুত রয়েছে সিটি করপোরেশন।

Continue Reading

top1

পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার দাবি

Published

on

By

ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান পাঠাওয়ের প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য নিজেদের কাছে থাকার দাবি করেছে একটি সাইবার অপরাধী চক্র। এসব তথ্যের মধ্যে ফোন নম্বর, ই-মেইল ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর, ড্রাইভিং লাইসেন্স, অবস্থান, ফেসবুক পরিচিতি ও বাসার ঠিকানা রয়েছে বলে দাবি করেছে চক্রটি। তথ্য প্রকাশ না করার বিনিময়ে পাঠাওয়ের কাছে ৪ লাখ ডলার দাবি করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ডেইলি ডার্ক ওয়েব বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এ-সংক্রান্ত একটি পোস্ট প্রকাশ করে।

সেখানে ডার্ক ওয়েবে দেওয়া একটি পোস্টের স্ক্রিনশটও প্রকাশ করা হয়। তবে তথ্য ফাঁসের পুরো দাবিটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে পাঠাও জানিয়েছে, ‘আমরা জানতে পেরেছি যে দুষ্কৃতকারীরা ব্যবহারকারীদের নাম, ই-মেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বরসহ কিছু পার্সোন্যাল ইনফরমেশন অ্যাকসেস করেছে। ঘটনাটি ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং পাঠাওয়ের সিস্টেম সুরক্ষিত রাখতে এক্সটার্নাল সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্টদের যুক্ত করা হয়েছে।

চলমান তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সার্বিক বিষয় নিশ্চিত হওয়ার পর, নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আপডেট করা হবে। ’
পাঠাওয়ের এক লিখিত বিবৃতিতে বলা হয়, ৪ অক্টোবর পাঠাও প্ল্যাটফর্মের সেবায় সাময়িক সমস্যা দেখা দেয়। একটি সাইবার-সিকিউরিটি সংক্রান্ত ঘটনা শনাক্ত করার পরপরই প্ল্যাটফর্মের সিকিউরিটি ও তথ্য নিরাপদ রাখার আগাম সতর্কতা হিসেবে পাঠাও তাদের গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেমগুলো অফলাইনে নিয়ে যায়। সেবা দ্রুতই চালু করা হয়েছে।

তবে সিস্টেম পুরোপুরি ‘স্ট্যাবল’ করার কাজ চলায় ব্যবহারকারীরা সাময়িকভাবে হালকা কিছু কারিগরি সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন।
এর আগে বুধবার সেবা বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনায় পাঠাওয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ৪ অক্টোবর সাইবার নিরাপত্তাজনিত একটি ঘটনা শনাক্ত হওয়ার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। এতে প্ল্যাটফর্মটির বিভিন্ন সেবা বিঘ্নিত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই সেবাগুলো আবার চালু করা হলেও সিস্টেম পুরোপুরি স্থিতিশীল করার কাজ চলছে।

ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ৪ অক্টোবর সাইবার নিরাপত্তাজনিত একটি ঘটনা শনাক্ত হওয়ার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল।

ঘটনার সময় কিছু ব্যক্তিগত তথ্য, যার মধ্যে নাম, ই-মেইল ঠিকানা ও ফোন নম্বর রয়েছে, দুর্বৃত্তদের হাতে গেছে বলে তারা জানতে পেরেছে।
ডার্ক ওয়েবের ওই পোস্টে দাবি করা হয়েছে, তাদের কাছে পাঠাওয়ের প্রায় ১৩৩ গিগাবাইট তথ্য রয়েছে। এতে প্রায় ২৫ কোটি রেকর্ড এবং ৫৯১টি তথ্যভান্ডার রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় তথ্যভান্ডারে ১ কোটি ৯০ লাখ ৬৩ হাজার ৯১৮টি হিসাবের তথ্য রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

এ ছাড়া ১ কোটি ৯০ লাখের বেশি এনআইডি নম্বর ও মুঠোফোন নম্বর, ১ কোটি ৯০ লাখের বেশি ড্রাইভিং লাইসেন্সের তথ্য, প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর ছবি এবং প্রায় ৫৭ লাখ বাসার ঠিকানা থাকার দাবি করা হয়েছে।

পাঠাওয়ের অভ্যন্তরীণ ও ব্যবসায়িক তথ্যও নিজেদের কাছে থাকার দাবি করেছে ওই গোষ্ঠী। এর মধ্যে কর্মীদের তথ্য, প্রশাসনিক প্রবেশাধিকারের নথি, ব্যবসায়ীদের ব্যাংক হিসাব ও ব্যাংকের শাখা শনাক্তকরণ নম্বর, অর্থ লেনদেনের তথ্য, পণ্য সরবরাহের অবস্থান-সংক্রান্ত তথ্য এবং চালকদের যাত্রার নথি থাকার কথা বলা হয়েছে।

পোস্টে পাঠাওয়ের কাছে চার লাখ ডলার দাবি করা হয়েছে। অর্থ পরিশোধ না করলে এনআইডি, ব্যাংক, কর্মী ও প্রশাসনিক তথ্য প্রকাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে

Continue Reading

Trending