Connect with us

সর্বশেষ

গাইবান্ধায় এনসিপি আহ্বায়ককে জুতাপেটা করার হুমকি ছাত্রশক্তি নেতার

Published

on

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গাইবান্ধা জেলা শাখার আহ্বায়ক খাদেমুল ইসলাম খুদিকে প্রকাশ্যে জুতাপেটা করার এবং জেলা থেকে বিতাড়িত করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় ছাত্র শক্তির জেলা সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ বোস্তামি জিম। তার দাবি, এনসিপি নেতা খাদেমুল জেলা ছাত্রশক্তি কমিটির নেতাদের নেশাখোর বলেছেন। খাদেমুলের অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন জিম।

গতকাল বুধবার রাতে ছাত্রশক্তির নেতা জিম নিজের ফেসবুক পেজ থেকে ১৭ মিনিটের একটি লাইভ করেন।

ফেসবুক লাইভে জিম দাবি করেন, রংপুরে আয়োজিত একটি কর্মসূচিতে এনসিপি গাইবান্ধা আহ্বায়ক খুদি কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে অভিযোগ করেছেন যে, গাইবান্ধার নতুন ছাত্রশক্তি কমিটির নেতারা নেশাখোর।

জিম বলেন, “হয় এই অভিযোগের প্রমাণ দিতে হবে, না হয় প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। ক্ষমা না চাইলে খুদিকে গাইবান্ধার রাজপথে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানেই জুতাপেটা করা হবে।’

বক্তব্যের এক পর্যায়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা সারজিস আলমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জিম বলেন, `সংগঠনের রাজনীতি এখন আর আগের মতো চলছে না। যদি আপনারা খুদির মতো লোকদের নিয়ে রাজনীতি করতে চান, তবে গাইবান্ধায় এসে মাঠের প্রকৃত চিত্র দেখে যান। আমি চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি, তাকে নিয়ে গাইবান্ধায় রাজনীতি করার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।’

এই ঘটনার পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গণে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত গাইবান্ধা এনসিপি আহ্বায়ক খাদেমুল ইসলাম খুদির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

দুটি বিমানবাহী রণতরিসহ ২৬ যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

Published

on

By

মধ্যপ্রাচ্য ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের সামরিক নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব আরও সুসংহত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। চলমান ইরান অবরোধ কার্যকর করার লক্ষ্যে ওই অঞ্চলে বর্তমানে দুটি বিমানবাহী রণতরিসহ অন্তত ২৬টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রশাসনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই নজিরবিহীন সামরিক তৎপরতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৩ এপ্রিল থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে কঠোর অবরোধ কার্যকর করতে মাঠে নেমেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এই অভিযানের অংশ হিসেবে কৌশলগত অবস্থান থেকে যুদ্ধজাহাজগুলো মোতায়েন করা হয়েছে। ভারত মহাসাগরসহ বিভিন্ন এলাকায় এ পর্যন্ত অন্তত তিনটি জাহাজে তল্লাশি চালিয়েছে মার্কিন সেনারা, যার মধ্যে দুটি অভিযান পরিচালনা করা হয় পারস্য উপসাগর থেকে প্রায় দুই হাজার মাইল দূরে ভারত মহাসাগরে।

সর্বশেষ বুধবার রাতে ভারত মহাসাগরে নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন একটি তেলবাহী জাহাজে অভিযান চালায় মার্কিন বাহিনী। পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটি ইরান থেকে তেল পরিবহন করছিল।

বর্তমানে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) অধীনে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় ১৯টি শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে। এই বিশাল নৌবহরের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দুটি বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড। তাদের সাথে পাহারায় রয়েছে ইউএসএস বেইনব্রিজ, ইউএসএস টমাস হাডনার, ইউএসএস ফ্রাঙ্ক ই পিটারসেন জুনিয়র, ইউএসএস ডেলবার্ট ডি ব্ল্যাক, ইউএসএস মাইকেল মারফি, ইউএসএস মিটশার, ইউএসএস রাফায়েল পেরাল্টা, ইউএসএস স্প্রুয়েন্স, ইউএসএস মিলিয়াস, ইউএসএস চার্চিল, ইউএসএস ট্রাক্সটন ও ইউএসএস মাহান নামক ১২টি ডেস্ট্রয়ার। এছাড়া এই বহরে যুক্ত রয়েছে ইউএসএস ক্যানবেরা ও ইউএসএস তুলসা নামক দুটি কমব্যাট শিপ এবং ইউএসএস ত্রিপোলি, ইউএসএস নিউ অরলিন্স ও ইউএসএস রাশমোর নিয়ে গঠিত অ্যাম্ফিবিয়াস গ্রুপ।

মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ভারত মহাসাগরের বিস্তীর্ণ এলাকায় আলাদাভাবে টহল দিচ্ছে আরও সাতটি যুদ্ধজাহাজ। এর মধ্যে রয়েছে ইউএসএস জন ফিন, ইউএসএস পিঙ্কনি, ইউএসএস হিগিন্স, ইউএসএস মাস্টিন, ইউএসএস ম্যাকফল, ইউএসএস জন এল. ক্যানলি এবং ইউএসএস সান্তা বারবারা। সিএনএন-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অঞ্চলটিতে মার্কিন বাহিনীর এই বিপুল উপস্থিতি ইরানবিরোধী নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা এবং ওই এলাকায় নিজেদের কৌশলগত আধিপত্য বজায় রাখার প্রচেষ্টারই বহিঃপ্রকাশ।

Continue Reading

top1

জুবায়েরের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন ছাত্রদলের শিপন

Published

on

By

রাজধানীর শাহবাগ থানায় বৃহস্পতিবার রাতে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপত্তিকর ছবি পোস্ট করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এই অনাকাঙ্ক্ষিত উত্তেজনার সৃষ্টি হয় । সংঘর্ষের এক পর্যায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের ও সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ ছবি পোস্টের প্রতিবাদে এবং এ বিষয়ে মামলা করতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শাহবাগ থানায় উপস্থিত হন। খবর পেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির ও ডাকসুর কয়েকজন প্রতিনিধিও ঘটনাস্থলে পৌঁছান। থানায় জিডি করা বা আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে পরিস্থিতির অবনতি হয়। দুই পক্ষই একে অপরের মুখোমুখি অবস্থান নিলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক এবং এ বি জুবায়ের হামলার শিকার হন। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের রক্ষার চেষ্টা করেন এবং ঢাল হয়ে দাঁড়ান। সংঘর্ষ ও উত্তেজনার কারণে থানা এলাকা জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে পুলিশ। রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনা নিয়ে তীব্র সমালোচনা ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে

Continue Reading

top1

লাস্ট আপডেট বেঁচে আছি এখনও, নাও থাকতে পারতাম

Published

on

By

প্রধানমন্ত্রীর এডিটেড ছবি নিয়ে শাহবাগ থানায় জিডি করতে গেলে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) হামলার পরে  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দেন।

নিজ ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে জুবায়ের বলেন, ‘বেঁচে আছি এখনো। একটা ভুয়া স্ক্রিনশটকে কেন্দ্র করে আমাদের এক শিক্ষার্থীর ওপরে চড়াও হয় ছাত্রদল। তাকে সহযোগিতা করতে যাওয়া আরো কয়েকজন শিক্ষার্থীকে সেখানে আটকে রাখা হয়। সূর্যসেন হল সংসদের সদস্য ছোটভাই আলভিকে মারধর করে সন্ত্রাসীরা।’

তিনি বলেন, আমরা ডাকসুর প্রতিনিধি। শিক্ষার্থীদের বিপদে-আপদে আমাদের একটা রেসপনসেবলিটি আছে। মুসাদ্দিক, জুমা, উম্মে সালমাসহ ডাকসুর কয়েকজন প্রতিনিধি সেখানে যাই প্রশাসনের সাথে কথা বলে আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে আসতে। থানায় ঢুকার মুখে গেইট থেকেই আমাদের মারধর শুরু করে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা। দুই শতাধিক স’ন্ত্রাসী ঘিরে ধরে বৃষ্টির মতো ঘুসি, কিল, লাত্থি…বাকিটা দেখলেনই! লাস্ট আপডেট বেঁচে আছি এখনো, নাও থাকতে পারতাম হয়তো। আল্লাহর ইচ্ছা। গা-ভর্তি ব্যথা নিয়ে শুয়ে আছি হাসপাতালের বেডে। 

যাইহোক, এসব করে আমাদের দমিয়ে রাখা যাবে না। সন্ত্রাস, সহিংসতা, গণরুম, গেস্টরুমের কালচার যারাই ফিরিয়ে আনতে চাইবে তাদের সামনেই ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে যাবো। কি আর করবেন? মেরেই ফেলবেন নাহয়!! মারেন অসুবিধা নাই। বাট মেরে ফেলার আগ পর্যন্ত এ লড়াই চলবেই ইনশাআল্লাহ।

Continue Reading

Trending