Connect with us

top3

ববিতে নারী শিক্ষার্থীকে কেন্দ্র করে দুই বিভাগের রাতভর সংঘর্ষ, অ্যাম্বুলেন্স চালককে মারধর

Published

on

ববি প্রতিনিধি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) ইংরেজি বিভাগের এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অর্থনীতি বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্তের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের রাতভর দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় বিভাগের কমপক্ষে ১০জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে বলে জানাগেছে। 

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের সামনে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়ে রাতভর  দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে। এ-সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্স চালক তারেককে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এতে আজ অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ রেখেছে চালকরা এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন অসুস্থ শিক্ষার্থীরা।

রাত নয়টায় সংঘর্ষ শুরু হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উপস্থিত হয়ে প্রাথমিকভাবে তাদের দুই বিভাগকে নিভৃত করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে বসে বিষয়টি সমাধান করা হবে বলে জানান। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের এম্বুলেন্সে করে অর্থনীতি বিভাগের কিছু আহত শিক্ষার্থীদের হসপিটালে নেয়ার সময় ভিসি গেটের সামনে এম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে মারধর করে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা। অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ইংরেজি বিভাগের কিছু শিক্ষার্থী এবং ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমানসহ  ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী তাদেরকে অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে মারধর করেছে। 

অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. তারেককেও মারধর করেছে কতিপয় শিক্ষার্থী। এতে সকল ড্রাইভাররা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলের ম্যানেজারের কাছে এই ঘটনার বিচার চাইবেন বলে জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রাইভার মো. শহিদ বলেন, আমাদের তারেককে মারধর করা হয়েছে আমরা রেজিস্ট্রার ও পরিবহন পুল ম্যানেজারের কাছে যাচ্ছি বিচারের জন্য।

ঘটনার সূত্রপাত যেভাবে, ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের মুসা নামের এক শিক্ষার্থী অর্থনীতি বিভাগের ১৫তম ব্যাচের এক নারী শিক্ষার্থীকে নবীন বরনের দিন প্রেমের প্রস্তাব দেন। পরবর্তীতে ওই প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় ঐ নারী শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ উঠে মুসার বিরুদ্ধে। বিষয়টি ১৫তম ব্যাচের অর্থনীতি  বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাদের সিনিয়রদের জানালে তারা মুসাকে ভিসি গেটের অপজিটে অবরুদ্ধ করে। এ সময় সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পরে ইংরেজি বিভাগের মুসা নামের ওই শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা ঘটে। মারধরে তার মুখ দিয়ে রক্ত পড়তে দেখা যায়, এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। হাতাহাতি রাত ১০ টার দিকে একবার থামলেও পরবর্তীতে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফের শুরু হয় আরে ধাপে। এসময় একটি বিভাগ অবস্থান নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিগেটের ভিতরে আরেকটি বিভাগ গেটের বাইরে রাস্তায়। দু’পক্ষই একে অপরের দিকে ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি করে।  বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত হয়েও শিক্ষার্থীদের থামাতে পারছিলেন না। আধাঘন্টা সময় ধরে চলে ১১টার দিকে থামে সংঘর্ষ। 

এবিষয়ে অর্থনীতি বিভাগের ১২ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আব্দুল আজিজ বলেন, আমাদের বিভাগের জুনিয়র  এক মেয়েকে র‍্যাগিংয়ের কায়দায় উত্ত্যক্ত করে প্রেমের প্রস্তাব দেয় ইংরেজি বিভাগের মুসা। মেয়ে রাজি ন হওয়ায় আটকে রাখে মুসা   বিষয়টি জানতে পেরে সিনিয়র-জুনিয়র শিক্ষার্থীরা আজকে ভিসি গেটের অপজিটে জড়ো হন। একপর্যায়ে ইংরেজি বিভাগের ১৩ তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থী আকস্মিকভাবে হাত চালালে হাতাহাতির সূত্রপাত হয় এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

সংঘর্ষ থামিয়ে দেয়ার পর এম্বুলেন্সে করে আহত শিক্ষার্থীদের হসপিটালে নেয়ার পথে ইংরেজি বিভাগের কিছু শিক্ষার্থী হামলা করে। অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করছেন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মীসহ ইংরেজি বিভাগের কিছু শিক্ষার্থী।

অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে মারধরের ঘটনার পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ঘটনাস্থলে আসলে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েন প্রক্টর। এসময় প্রক্টরকে বলতে শোনা যায়, সবার বিচারের আওতায় আনা হবে। তখন এক শিক্ষার্থী বলেন, কি বিচার হবে স্যার প্রক্টর বলেন, বিধিমোতাবেক বিচার করা হবে।”

ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান বলেন, আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয়পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেছি। দুই বিভাগের শিক্ষার্থী উত্তেজিত ছিলো। মারধরে অংশ নেয়ার ঘটনাটি মিথ্যা দাবি করেন তিনি। 

ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছাত্রদল সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আশিক বলেন, আমরা মারামারি ঠেকাতে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছি। কেউ কাউকে মানতে চায় না সবাই উত্তেজিত, দুই বিভাগই ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি করেছে আমার শরীরে দুই টুকরো ইট আঘাত হেনেছে৷ তিনি বলেন দোষীদের তদন্তপূর্বক শাস্তির আওতায় আনা উচিত। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মো. মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন, “আমরা সারারাত ক্যাম্পাসে উপস্থিত ছিলাম দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদেরকে নিভৃত করার চেষ্টা করেছি। বিষয়টি নিয়ে আজকে আমরা প্রক্টরিয়াল টিম বসবো কেন বারবার শিক্ষার্থীরা এমন সংঘাতে জড়াচ্ছে এবং তার সমাধান খুঁজে বের করার জন্য।”

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

স্টেশনে রাবি শিক্ষার্থী মারধরের ঘটনায় জড়িতদের স্থায়ী বহিষ্কারসহ ৫ দাবি  

Published

on

By

​রাবি প্রতিনিধি: 

স্টেশনে ​রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কয়েকজন শিক্ষার্থীকে হেনস্থা ও মারধরের ঘটনায় জড়িতদের স্থায়ী বহিষ্কার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছে একদল শিক্ষার্থী। ​বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে এক সংবাদ সম্মেলন করে এসব দাবি জানান তারা। 

​তাদের অন্য চার দাবি হচ্ছে—অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন রেলওয়ে স্টেশনটি চালু করা; চলন্ত ট্রেন থেকে পরপর দুইদিন রাবি শিক্ষার্থীদের উপর হামলার ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার করা এবং এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে তা নিশ্চিত করা; রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের চলমান বিরোধের স্থায়ী সমাধান করা; ভবিষ্যতে রেলওয়ের কোন সদস্য কর্তৃক কোন শিক্ষার্থীকে হেনস্থার ঘটনা ঘটলে তার দ্রুত জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা করা। 

​সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা বলেন, ট্রেনের টিকিটের সীমাবদ্ধতা থাকায় কখনো কখনো শিক্ষার্থীরা টিকিট কাটতে পারে না। তখন তারা টিটিইদের টাকা দেয়ার সময় সেই টাকার ভাউচার চায়। ফলে তাদের দুর্নীতির রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। সেই থেকেই শিক্ষার্থীদের উপর রেলের দুর্নীতিগ্রস্ত সদস্যদের ক্ষোভ। 

​স্টেশন ভাঙচুরের বিষয়ে তারা বলেন, এ ঘটনার দায় রেলওয়ে নিরাপত্তাকর্মীদের। তারা সময়মতো ব্যবস্থা নিলে এ ঘটনা ঘটতো না। দীর্ঘ সময় ধরে রেলওয়ে সদস্য দ্বারা শিক্ষার্থীদের বারবার হেনস্থার ঘটনায় ক্ষোভ থেকেই এ ঘটনা ঘটে। 

​তারা আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি হলে তা আরও ভালো উপায়ে প্রতিস্থাপন করা যেতে পারে। তবে একজন শিক্ষার্থীর জীবন গেলে তা ফিরিয়ে আনা সম্ভব না। পরপর দুই দিন যেভাবে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে এমন ঘটনা আবারও ঘটলে আমরা আরও কঠিন কর্মসূচি ঘোষণা করব। ​এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের রেলমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ এবং দ্রুত পদক্ষেপ দাবি করেন শিক্ষার্থীরা।  

এর আগে গত রোববার রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনার জেরে সেদিন রাতে রেলস্টেশন কার্যালয়ে গিয়ে জানালার কাঁচ ও চেয়ার ভাঙচুর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনার পরে জরিত সন্দেহে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্যকে সাময়িক বহিস্কারের আদেশ জারি করে করে রেল কতৃপক্ষ। এদিকে গতকাল রাতে বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনবাজার সংলগ্ন রেলপথ দিয়ে যাওয়ার সময় ট্রেন থেকে পাথর নিক্ষেপের ঘটনার অভিযোগ ওঠে৷ এতে একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আহত হন বলে জানা গেছে। এর আগেও একদিন ট্রেন থেকে এমন পাথর নিক্ষেপ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

Continue Reading

top3

বেরোবি এবং আইসিএমএবি এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি

শিক্ষা, গবেষণা এবং পেশাগত উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এবং দ্য ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (ICMAB)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভাকক্ষে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী। বেরোবি বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ নুর আলম সিদ্দিক এবং
আইসিএমএবি-এর সহ-সভাপতি এস. এম. জহির উদ্দিন হায়দার এফসিএমএ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় হিসাববিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা শিক্ষা প্রসারে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ, শিক্ষার্থীদের আইসিএমএবি কোর্স ওয়েভারসহ বিভিন্ন পেশাগত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। এর মাধ্যমে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আইসিএমএবি-এর সুযোগ-সুবিধা ও পেশাগত দিকগুলো আরও গভীরভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ পাবেন।

Continue Reading

top3

ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাকৃবি রোভার স্কাউটের পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি

Published

on

By

বাকৃবি প্রতিনিধি:

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও ক্যাম্পাসের মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) রোভার স্কাউটের দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের উদ্যোগে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি-২০২৬’ শীর্ষক এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম রোভার স্কাউটের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অংশ নেন। বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের সম্পাদক কৃষিবিদ ড. মো. জহিরুল আলমের সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে বিভিন্ন বর্ষের রোভার স্কাউট শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

কর্মসূচিতে অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম বলেন, রোভার স্কাউটিং তরুণদের মধ্যে নেতৃত্ব, সময়ানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ, দলগত সহযোগিতা ও মানবিকতার মতো গুণাবলি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর মাধ্যমে তরুণরা আদর্শ, দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে অনুপ্রাণিত হয়। দেশের বিভিন্ন দুর্যোগকালীন সময়ে বাকৃবির রোভার স্কাউটরা দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশের সেবায় নিয়োজিত থাকে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোভার স্কাউটের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করেন। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি, মশার প্রজননস্থল শনাক্ত ও ধ্বংস এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

আয়োজকেরা জানান, রোভার স্কাউটের ডেন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রতি সোমবার ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে। এর মাধ্যমে ক্যাম্পাসের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

Continue Reading

Trending