Connect with us

ক্যাম্পাস

চট্টগ্রামে বন্যার্তদের মাঝে ইবি’র ‘হ্যান্ডস ফর হিউম্যানিটি’র ত্রাণ বিতরণ

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়নে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত স্বেচ্ছাসেবী মানবিক সংগঠন ‘হ্যান্ডস ফর হিউম্যানিটি’। শনিবার (১৮ জুলাই) সংগঠনটির উদ্যোগে অধিকতর ক্ষতিগ্রস্ত ৫৫টি পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

সংগঠন সূত্রে জানা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত অসহায়দের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রতিটি পরিবারের জন্য প্রায় ১০ কেজি ওজনের একটি খাদ্যসামগ্রীর প্যাকেট প্রস্তুত করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ছিল ৫০০ টাকা। প্রতিটি প্যাকেটে চাল, ডাল, চিনি, আলু, পেঁয়াজ, ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী ছিল।

এ সম্পর্কে সংগঠনের সদস্য সচিব রায়হান কবির বলেন, “আমাদের কার্যক্রম শুধু ফিলিস্তিনকেন্দ্রিক নয়। মানবতা যেখানে বিপর্যস্ত হবে, সেখানেই আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী ছুটে যাওয়ার চেষ্টা থাকবে, ইনশাআল্লাহ। সাতকানিয়ার বন্যাদুর্গত মানুষের দুর্দশার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। মানবতার সেবাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

সংগঠনের আহ্বায়ক আমির ফয়সাল বলেন, “বন্যাকবলিত মানুষের দুর্ভোগ আমাদের গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। তাই সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও আমরা তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও দেশের যেকোনো মানবিক সংকটে মানুষের পাশে থাকার এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”

উল্লেখ্য, হ্যান্ডস ফর হিউম্যানিটি দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনের গাজায় বিভিন্ন মানবিক সহায়তা প্রকল্প বাস্তবায়ন করে আসছে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তা এবং ইবি ক্যাম্পাসভিত্তিক বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগ পরিচালনার মাধ্যমে সংগঠনটি সামাজিক দায়বদ্ধতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে শাবিপ্রবি ছাত্রদলের হল, অনুষদ ও বিভাগ কমিটি গঠন উদ্যোগ

Published

on

By

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদল সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করতে আবাসিক হল, অনুষদ এবং বিভাগভিত্তিক নতুন কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে পদপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) আহ্বান করা হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যায় শাবিপ্রবি ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক শামসুজ্জামান প্রিন্স স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের নির্দেশনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আওতাধীন সব আবাসিক হল, অনুষদ ও বিভাগের কমিটি পুনর্গঠন করা হবে। এতে ত্যাগী, সক্রিয় ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির ছাত্রনেতাদের আবেদন করতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

আবেদনের ক্ষেত্রে জীবনবৃত্তান্তে ছাত্রদলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে পূর্বের অবদানের সংক্ষিপ্ত বিবরণ এবং সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আলোকচিত্র সংযুক্ত করতে হবে। এছাড়া পূরণকৃত সদস্য ফরম, জন্মনিবন্ধনের কপি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়পত্রের (স্টুডেন্ট আইডি) ফটোকপি জমা দিতে হবে।

আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে জীবনবৃত্তান্তের হার্ডকপি শাবিপ্রবি ছাত্রদলের দপ্তরে জমা দিতে বলা হয়েছে।

আবেদন-সংক্রান্ত তথ্যের জন্য দপ্তর সম্পাদক শামসুজ্জামান প্রিন্স এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

‎‎কুবিতে প্রথমবারের মতো শিক্ষকদের ফাউন্ডেশন ট্রেনিং শুরু

Published

on

By


কুবি প্রতিনিধি

‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) উদ্যোগে শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতি এবং একাডেমিক মানোন্নয়নের লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো ‘ফাউন্ডেশন ট্রেনিং ফর টিচার্স’ বিষয়ক শীর্ষক ৭ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। যা শেষ হবে আগামী ২৪ জুলাই।

‎শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে (বার্ড) এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়।

‎প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের মোট ৩০ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেছেন। তন্মধ্যে ২৬ জন প্রভাষক, ৩ জন সহকারী অধ্যাপক এবং ১ জন সহযোগী অধ্যাপক রয়েছেন।

‎উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাকির ছায়াদউল্লাহ খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং আইকিউএসি এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান।

‎প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে শিক্ষকদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রত্যাশা ছিল মেধাভিত্তিক নিয়োগ, আর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষকরা সেই নীতিতেই নিয়োগ পেয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ও শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণে শিক্ষকদের গবেষণামুখী, যুগোপযোগী ও সুশৃঙ্খল শিক্ষাদান নিশ্চিত করতে হবে। শুধু তথ্য প্রদান নয়, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল চিন্তা, সমস্যা সমাধান ও বাস্তব জীবনে জ্ঞান প্রয়োগে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি এআই, এলএমএস, ব্লেন্ডেড লার্নিংসহ আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতি গ্রহণেও গুরুত্ব দিতে হবে।”

‎তিনি আরও বলেন, “জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান যে আদর্শ ও চেতনার শিক্ষা দিয়েছে, তা ধারণ করে আমরা নিজেদেরকে প্রস্তুত করবো। আমাদের এমন শিক্ষক হতে হবে, যাদের দেখে মানুষ বলতে পারে-জুলাই স্বার্থক।”

‎উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, “জ্ঞানভিত্তিক, উদ্ভাবনী ও টেকসই অর্থনীতি গঠনে বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষকদের এমন একটি শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন করতে উৎসাহিত হবে, নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করবে এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। পাশাপাশি গবেষণা সংস্কৃতি, নৈতিক নেতৃত্ব, প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, আজীবন শেখার মানসিকতা এবং পেশাগত মূল্যবোধ চর্চায় গুরুত্ব দিতে হবে।”

‎তিনি আরও বলেন, “এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির লক্ষ্য হলো নবীন শিক্ষকদের পাঠদান, গবেষণা, শিক্ষার্থী মূল্যায়ন, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম, নৈতিকতা এবং পেশাগত আচরণে দক্ষ করে তোলা। এর মাধ্যমে জ্ঞান, মানবিকতা, গবেষণা, প্রযুক্তি ও সামাজিক দায়বদ্ধতার সমন্বয়ে একটি মানসম্মত বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলাই এই প্রশিক্ষণের লক্ষ্য।”

‎শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “আমরা যদি প্রতিটি শিক্ষার্থীর নাম, সক্ষমতা ও শেখার ধরন জানি, তবে পাঠদান হবে আরও কার্যকর ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক। উদ্ভাবন, এআই ও ডিজিটাল রূপান্তরের এই যুগে আমাদেরও দক্ষতা ও কর্মপদ্ধতি যুগোপযোগী করতে হবে। আশা করি, এই প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজে লাগবে।”

‎শিক্ষার্থীদের সেবা দেওয়া নিয়ে তিনি বলেন, “আমরা ‘স্টুডেন্ট ফার্স্ট’ দর্শনকে সামনে রেখে ‘স্টুডেন্ট সাপোর্ট সার্ভিস ইউনিট’ চালু করতে যাচ্ছি। এই ইউনিটের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সেবা দ্রুত সময়ে নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে খাবারের নিরাপত্তা ও গুণগত মান নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে শিক্ষার্থী-সংশ্লিষ্ট সেবা ইউনিটগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় এনে একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থার মধ্যে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

‎তিনি আরও বলেন, “আমরা আমাদের নতুন ক্যাম্পাসকে একটি ‘গ্রিন ক্যাম্পাস’ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি যাত্রা। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আমরা নানাভাবে পরিবেশের সঙ্গে অন্যায় করে চলেছি। আমাদের কথা, আচরণ ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেও পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় আর্থিক ব্যবস্থাপনা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আমাদের চর্চা, আচরণ ও অভ্যাসে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। আমরা চাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক, শিক্ষণ-শেখনকেন্দ্রিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে।”

Continue Reading

top3

জুলাই শহীদ রুদ্র সেনের মৃত্যুবার্ষিকীতে শাবিতে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ

Published

on

By

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শহীদ রুদ্র সেনের ২য় মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুর দেড়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাভবন বি এর নিচ তলার একটি কক্ষে কেমিক্যাল ও পলিমার সাইন্স বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কিনের পরিচালিত কিন স্কুলের সুবিধাবঞ্চিত ৮০ শিক্ষার্থীর মাঝে এ খাবার বিতরণ করা হয়। এসময় শহীদ রুদ্র সেনের বড় বোনের সহায়তায় স্কুলটির শিক্ষার্থীদের মাঝে খাতা-কলমও বিতরণ করা হয় বলে জানান ঐ বিভাগের শিক্ষার্থী আনন্দ দত্ত।

এসময় বিভাগের অধ্যাপক ইঞ্জিনিয়ার সালমা আখতার, অধ্যাপক জুবায়ের বিন মুখলেস, প্রভাষক ড. নওরিন খানম ও মো. মোহাইমিনুল ইসলাম, কিনের সভাপতি আরিফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ফাইয়াজ আল মুহাইমিন উপস্থিত ছিলেন।

কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড পলিমার সাইন্স বিভাগের শিক্ষার্থী আনন্দ দত্ত বলেন, আজ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র শহীদ রুদ্রের মৃত্যুর দুই বছর পূর্ণ হলো। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, এই দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁর স্মরণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় নি।”

“গত দুই বছরে আমরা বারবার প্রশাসনের কাছে রুদ্রের স্মৃতিকে যথাযথ মর্যাদা দিতে একটি স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের দাবি জানিয়েছি। কিন্তু এখনো এ বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি বা কার্যকর উদ্যোগ আমরা দেখতে পাইনি।”

রুদ্র সেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড পলিমার সাইন্স বিভাগের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২৪ এর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলার সময় ১৮ জুলাই সন্ধ্যায় পুলিশ ও ছাত্রলীগের ধাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন সুরমা আবাসিক এলাকায় একটি খালের পানিতে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়।

Continue Reading

Trending