Connect with us

ক্যাম্পাস

চবির প্রশাসনিক ভবনে তালা, ছাত্রদল-বামদের সঙ্গে শিবিরের মুখোমুখি অবস্থান

Published

on

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খানের পদত্যাগ দাবিতে দুপুর ১টার দিকে প্রশাসনিক ভবনে তালা দেয় শাখা ছাত্রদলসহ বামপন্থী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এতে টানা প্রায় ৮ ঘন্টা ধরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন দুই উপ-উপাচার্যসহ প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা। 

আজ সোমবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুর ১টার ভবনের প্রধান গেইটে তালা দেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এসময় তাদের সঙ্গে সংহতি জানায়, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ছাত্র ইউনিয়নসহ কয়েকটি সংগঠন।

এর আগে গতকাল রবিবার বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে উপাচার্যের দপ্তরে আয়োজিত আলোচনা সভায় বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নিয়ে বলতে গিয়ে চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. শামীম খান বলেন, আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে এ দেশকে আরেকটা দেশের করতরাজ্যে পরিণত করার জন্য বুদ্ধিজীবীদের ষড়যন্ত্রমূলক হত্যা করা হয়েছে। পাকিস্তানি বাহিনী যখন দেশ থেকে পালানোর জন্য চেষ্টা করছিল, তখন তারা জীবিত থাকবে না মৃত থাকবে, সে বিষয়ে কোনো ফয়সালা হয়নি, সে সময় পাকিস্তানি যোদ্ধারা বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করবে, এটি আমি মনে করি রীতিমতো অবান্তর। এই হত্যাকান্ড একটি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ ছিলো। 

এ বক্তব্যের পরপরই গতকাল রাতে বিক্ষোভ মিছিল করে শাখা ছাত্রদল। আজ উপ-উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে প্রশাসনিক ভবনে তালা দেয় তারা। আজ দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে তালা দেওয়ার ৪ ঘন্টা পরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে উপস্থিত হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচিত প্রতিনিধিরা। এ সময় ছাত্রদলের নেতা কর্মীদের সঙ্গে চাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বাকবিতণ্ডা হয়। 

চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম রনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যের একটি বক্তব্যকে ঘিরে প্রশাসনিক ভবনে তালা দেওয়া হয়েছে। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হয়েছে বলে আমাদের চাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিদেরকে জানিয়েছেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি সৃষ্টি করা কোনো ছাত্র সংগঠনের কাজ হতে পারে না।

পরে বিকেল সাড়ে পাঁচটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের পাশে এসে বিক্ষোভ মিছিল করেন শাখা ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। পরে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির নেতা কর্মীদের মাঝে পাল্টাপাল্টি বাক্য বিনিময় হলে উত্তপ্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন। এবং শিবিরের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের উভয় পাশে এসে জড়ে হয়ে বিক্ষোভ করেন।

প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলানোর বিষয়ে চবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় চলে সাধারণ জনগণের ট্যাক্সের টাকায়। জামাতিদের টাকায় নয়। গতকাল বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় উপ-উপাচার্য শামীম উদ্দিন খান স্যার পাকিস্তানিদের যোদ্ধা বলেছে। অথচ এই পাকিস্তানি বাহিনী এদেশের জনগণকে হত্যা করেছে। আমাদের মা বোনদের ইজ্জত নষ্ট করেছে। তার এ বক্তব্যর জন্য ক্ষমা চেয়ে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে। পদত্যাগ ছাড়া আমরা তালা খুলব না

এ সময় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মোহাম্মদ পারভেজ বলেন, ছাত্রদল পুরনো সংস্কৃতিতে ফিরছে। তারা চবি প্রশাসনকে জিম্মি করে চাঁদা দাবি করছে। ছাত্রদলের এরূপ ঘৃণ্য কাজকে আমরা মন থেকে ঘৃণা করি। তারা যদি এই সংস্কৃতি থেকে ফিরে না আসে তাহলে ছাত্রশিবির তাদেরকে কঠোরভাবে প্রতিহত করবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড.  মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, বক্তব্যটির ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। আমরা সবার সাথে বসে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি। জানতে চাইলে চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেন, আমি একটি মিটিংয়ে আছি তাই বিষয়ে মন্তব্য করা সম্ভব হচ্ছে না।

স্থানীয় বিএনপি-ছাত্রদল কর্মীদের অবস্থান, প্রধান ফটক বন্ধউপ-উপাচার্যের বক্তব্যকে ঘিরে একদিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিবির-ছাত্রদলের মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে প্রধান ফটকে স্থানীয় বিএনপি-ছাত্রদল কর্মীরা অবস্থান গ্রহণ করেছে। 

প্রধান ফটকে অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি তকিবুল হাসান চৌধুরী তকীকে বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে গতকাল ছাত্রদল প্রতিবাদ জানিয়েছে। আমরাও প্রতিবাদ জানাচ্ছি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আশে-পাশে শিবিরের অবস্থানের কথা জানতে পেরে আমরা এখানে এসেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আমাদের সম্পৃক্ততা নেই।  আমরা এখনই চলে যাচ্ছি।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

ইবিতে ইদ বোনাস পাচ্ছেন জুলাই বিপ্লব বিরোধীরা, প্রশাসন বলছে ‘মানবিক’

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে মানবিক বিবেচনায় চলতি মাসের পূর্ণ বেতন ও আসন্ন ঈদ বোনাস পাচ্ছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলাই বিপ্লব বিরোধীতাকারীরা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্রে জানা যায়, সাময়িকভাবে বরখাস্তকৃত ১৭ জন শিক্ষক ও ১১ জন কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পবিত্র মাহে রমজান ও ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ফেব্রুয়ারি মাসের পূর্ণ বেতন এবং ঈদ বোনাস দেওয়ার বিষয়টি কর্তৃপক্ষ অনুমোদন দিয়েছেন। এর আগে বরখাস্ত হওয়ার পর থেকে তাঁরা শুধুমাত্র জীবনধারণ ভাতা পেয়ে আসছিলেন। তবে আগামী মাস থেকে পুনরায় পূর্বের ন্যায় শাস্তির আওতায় আসবে বলে জানা যায়।

একাধিক সিন্ডিকেট সদস্যের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ অভিভাবক মানবিক বিবেচনায় বিষয়টি আমলে নিতে পারেন। তবে পূর্বে নির্ধারিত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হলে সিন্ডিকেটে পাশ করা লাগবে। যেহেতু তাদের (অভিযুক্তদের) বিষয়ে পূর্বে সিন্ডিকেটে সিদ্ধান্ত হয়েছে। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত এককভাবে পরিবর্তনের সুযোগ নাই। সম্ভবত পরবর্তী সিন্ডিকেটে বিষয়টা এজেন্ডাভুক্ত থাকবে।

এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ গণমাধ্যমকে জানান, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে মানবিক বিবেচনায় তাদেরকে এক মাসের (ফেব্রুয়ারি) পূর্ণবেতন এবং ঈদ বোনাস প্রদান করা হবে। তবে শাস্তি মাফ করা হয়নি৷ পরের মাস অর্থাৎ মার্চ মাস থেকে পুনরায় পূর্বের ন্যায় শাস্তিমূলক জীবনধারণ ভাতা পাবেন৷

উল্লেখ্য, এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭১তম সিন্ডিকেট সভায় ১৯ শিক্ষক ও ১১ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে মানবিক বিবেচনায় দুই শিক্ষককে শাস্তি থেকে অব্যহতি দেয় প্রশাসন।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

রাবি সায়েন্স ক্লাবের ১২তম কার্যনির্বাহী পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাবের (আরইউএসসি) ১২তম কার্যনির্বাহী পূর্ণাঙ্গ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজিত ‘আরইউএসসি ইফতার মাহফিল ২০২৬’ অনুষ্ঠানে এই নতুন কমিটি প্রকাশ করা হয়।

কমিটি ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ, ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. আমিরুল ইসলাম এবং পরিবহন দপ্তরের প্রশাসক প্রফেসর ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক সরকার।

এছাড়াও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-এর নেতৃবৃন্দের মধ্যে সহ-সভাপতি (ভিপি) মো. মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার, সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) এস. এম. সালমান সাব্বির,

তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক বি. এম. নাজমুছ সাকিব, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: তোফায়েল আহমদ তোফা (যিনি ক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি) উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাবের ১২তম কার্যনির্বাহী কমিটির পূর্ণাঙ্গ তালিকা:

১. খালিদ মাহমুদ – সভাপতি

২. মো. আবু জুবায়ের – সহ-সভাপতি

৩. সোহরাব উদ্দিন – সহ-সভাপতি

৪. দিগন্ত দে – সহ-সভাপতি

৫. ইফতিয়ান আহমেদ – সাধারণ সম্পাদক

৬. আহসানুল হক দিনার – যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

৭. মাইশা খানম – যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

৮. মো. ইয়াসিন খন্দকার ইমন – যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

৯. সুলাইমান – কোষাধ্যক্ষ

১০. সাদিয়া জামিল দিয়া – সাংগঠনিক সম্পাদক

১১. মাশরাফি জামান চৌধুরী – সাংগঠনিক সম্পাদক

১২. মো. শাফিন সানিয়ান সাদ – সাংগঠনিক সম্পাদক

১৩. মহজাবিন সুলতানা অন্তে – যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক

১৪. মো. সাব্বির আহমেদ – যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক

১৫. মো. সাইদুর রহমান রেমন – যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক

১৬. আবদুল্লাহ আল মাসুদ নাবিল – দপ্তর সম্পাদক

১৭. নূরজাহান আরা মৌ – শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক

১৮. দেব চন্দ্র শীল – শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক

১৯. মোছা. মনিরা খাতুন – যুগ্ম-শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক

২০. মো. সাগর সরকার – যুগ্ম-শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক

২১. মোসাম্মৎ সুমাইয়া আক্তার – যুগ্ম-শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক

২২. সুপ্তিকা আচার্য – যুগ্ম-শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক

২৩. শম্ম ঘোষ – প্রকাশনা সম্পাদক

২৪. মো. আসাদুজ্জামান – প্রকাশনা সম্পাদক

২৫. মো. জহির রহিম – আইটি সম্পাদক

২৬. মো. তাসরিফুল ইসলাম – আইটি সম্পাদক

২৭. শোহান আহমেদ – মিডিয়া সম্পাদক

২৮. ফাহমিদা আক্তার – মিডিয়া সম্পাদক

২৯. মো. নয়ন উদ্দিন – যোগাযোগ সম্পাদক

৩০. রাহাতুন নেসা – যোগাযোগ সম্পাদক

৩১. শেখ রায়হান – প্রচার সম্পাদক

৩২. মো. শোহান তানভীর – প্রচার সম্পাদক

৩৩. আবদুল্লাহ আল মামুন অন্তু – সমাজকল্যাণ সম্পাদক

৩৪. আলিম মিয়া – সমাজকল্যাণ সম্পাদক

৩৫. নুসরাত জাহান নূপুর – সাংস্কৃতিক সম্পাদক

৩৬. কাজী মো. ওজায়ের – সাংস্কৃতিক সম্পাদক

৩৭. মোছা. নাবিলা নুসরাত – যুগ্ম-সাংস্কৃতিক সম্পাদক

৩৮. মোছা. সুমাইয়া জাহান সিনথি – যুগ্ম-সাংস্কৃতিক সম্পাদক

৩৯. মিম আক্তার – সায়েন্স ফ্যান সম্পাদক

৪০. তামান্না তালুকদার – কার্যনির্বাহী সদস্য

৪১. ইমরান হাসান জুয়েল – কার্যনির্বাহী সদস্য

৪২. জান্নাতুল ফেরদৌস হিমা – কার্যনির্বাহী সদস্য

৪৩. ইবনাত আমিন রিদিতা – কার্যনির্বাহী সদস্য

৪৪. এইচ. এম. ফজলুল কবির রায়হান – কার্যনির্বাহী সদস্য

৪৫. মো. মাহফুজুর রহমান রেদওয়ান – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৪৬. শাহরিয়ার মাহমুদ – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৪৭. মো. হাবিবুল বাশার – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৪৮. থাসিন ইশরাক – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৪৯. আরিফ আকরাম – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৫০. মোছা. হুমায়রা কবির – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৫১. আশিকা আক্তার রিয়া – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৫২. মোছা. আলহেরা বৃষ্টি – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৫৩. সাইমন আহমেদ শিহাব – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৫৪. ইয়াসির আরাফাত শিকদার – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৫৫. মুকুল লাল রায় – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৫৬. মো. রায়হান খান – সাধারণ সদস্য

৫৭. নিশাত তাসনিম – সাধারণ সদস্য

৫৮. প্রিয়া মন্ডল – সাধারণ সদস্য

অনুষ্ঠানে ক্লাবের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সভাপতি মো: আশরাফুল আলম ও মো: আব্দুল লতিফসহ সাবেক সহ-সভাপতি মো: আব্দুর রহিম, কারিমা খাতুন ও নাজনীন আরা নিশু উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সাবেক বিভিন্ন সম্পাদকীয় পদে দায়িত্ব পালন করা নেতৃবৃন্দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানটিকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

ক্লাবের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ইফতিয়ান আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সভাপতি খালিদ মাহমুদ। অনুষ্ঠানে নতুন কমিটির সাংগঠনিক কাঠামো, দায়িত্ব বণ্টন এবং আগামীর কর্মপরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরা হয়।

পরিশেষে, দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে দেশ, জাতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক মঙ্গল কামনা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। নতুন এই কমিটির হাত ধরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাব তাদের বিজ্ঞানমনস্ক সমাজ গড়ার লক্ষ্য ও সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

রাজশাহী ইউনিভার্সিটি এডুকেশন ক্লাবের নেতৃত্বে সাদী-জেবা

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী ইউনিভার্সিটি এডুকেশন ক্লাব-এর ২০২৫–২৬ সেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি হয়েছেন সাদ উদ্দিন সাদী এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন জেবা আনিকা চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মমতাজ উদ্দিন আহমদ ভবনের ২০৬ নম্বর কক্ষে আয়োজিত বার্ষিক সাধারণ সভায় নতুন এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।

নবঘোষিত কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আলিম খান ফারহান, তাজনিন হাসান তনু, ফারদিনা সরকার, জেমিমা রশিদ ও কামরুজ্জামান ফাহাদ। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মো. রিফাত, তানিমুল ইসলাম, ফেরদৌস ইসলাম শুভ, শরীফুল ইসলাম ও তামান্না আক্তার।

এ ছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে সামিয়া ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক জাকিয়া রোজা, পরিকল্পনা সম্পাদক মিস কারিমা, জনসংযোগ সম্পাদক সজীব শেখ, গবেষণা সম্পাদক সুমাইয়া আফরিন তিশা, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ফাহিমা ফেরদৌস কথিকা, তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক আবদুল মতিন এবং সমাজকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে নৌশিন তাবাসসুম অর্পা দায়িত্ব পালন করবেন।

বার্ষিক সাধারণ সভায় ক্লাবের উপদেষ্টা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়-এর ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মির্জা আ ফ ম রাশিদুল হাসান, ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. আজিজুর রহমান শামীম এবং নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কামাল পাশা উপস্থিত ছিলেন। তারা নতুন কমিটির সদস্যদের অভিনন্দন জানান এবং ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও গবেষণাভিত্তিক করার আহ্বান জানান।

‘এডুকেশন, ইনোভেশন ও রিসার্চ’—এই তিন মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে ২০১৯ সালে যাত্রা শুরু করে ক্লাবটি। সংশ্লিষ্টরা জানান, এটি দেশের প্রথম স্বতন্ত্র শিক্ষা বিষয়ক ক্লাব হিসেবে পরিচিত। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি শিক্ষার্থী ও তরুণদের মধ্যে গবেষণা, উদ্ভাবন ও শিক্ষাবিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে আসছে।

এ বছর ক্লাবটির পঞ্চম কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া ২০২৫ সালে ক্লাবটি জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর-এর অধীনে সরকারি নিবন্ধন লাভ করেছে, যা এর কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

Continue Reading

Trending