Connect with us

ক্যাম্পাস

চবির প্রশাসনিক ভবনে তালা, ছাত্রদল-বামদের সঙ্গে শিবিরের মুখোমুখি অবস্থান

Published

on

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খানের পদত্যাগ দাবিতে দুপুর ১টার দিকে প্রশাসনিক ভবনে তালা দেয় শাখা ছাত্রদলসহ বামপন্থী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এতে টানা প্রায় ৮ ঘন্টা ধরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন দুই উপ-উপাচার্যসহ প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা। 

আজ সোমবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুর ১টার ভবনের প্রধান গেইটে তালা দেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এসময় তাদের সঙ্গে সংহতি জানায়, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ছাত্র ইউনিয়নসহ কয়েকটি সংগঠন।

এর আগে গতকাল রবিবার বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে উপাচার্যের দপ্তরে আয়োজিত আলোচনা সভায় বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নিয়ে বলতে গিয়ে চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. শামীম খান বলেন, আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে এ দেশকে আরেকটা দেশের করতরাজ্যে পরিণত করার জন্য বুদ্ধিজীবীদের ষড়যন্ত্রমূলক হত্যা করা হয়েছে। পাকিস্তানি বাহিনী যখন দেশ থেকে পালানোর জন্য চেষ্টা করছিল, তখন তারা জীবিত থাকবে না মৃত থাকবে, সে বিষয়ে কোনো ফয়সালা হয়নি, সে সময় পাকিস্তানি যোদ্ধারা বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করবে, এটি আমি মনে করি রীতিমতো অবান্তর। এই হত্যাকান্ড একটি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ ছিলো। 

এ বক্তব্যের পরপরই গতকাল রাতে বিক্ষোভ মিছিল করে শাখা ছাত্রদল। আজ উপ-উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে প্রশাসনিক ভবনে তালা দেয় তারা। আজ দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে তালা দেওয়ার ৪ ঘন্টা পরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে উপস্থিত হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচিত প্রতিনিধিরা। এ সময় ছাত্রদলের নেতা কর্মীদের সঙ্গে চাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বাকবিতণ্ডা হয়। 

চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম রনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যের একটি বক্তব্যকে ঘিরে প্রশাসনিক ভবনে তালা দেওয়া হয়েছে। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হয়েছে বলে আমাদের চাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিদেরকে জানিয়েছেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি সৃষ্টি করা কোনো ছাত্র সংগঠনের কাজ হতে পারে না।

পরে বিকেল সাড়ে পাঁচটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের পাশে এসে বিক্ষোভ মিছিল করেন শাখা ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। পরে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির নেতা কর্মীদের মাঝে পাল্টাপাল্টি বাক্য বিনিময় হলে উত্তপ্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন। এবং শিবিরের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের উভয় পাশে এসে জড়ে হয়ে বিক্ষোভ করেন।

প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলানোর বিষয়ে চবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় চলে সাধারণ জনগণের ট্যাক্সের টাকায়। জামাতিদের টাকায় নয়। গতকাল বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় উপ-উপাচার্য শামীম উদ্দিন খান স্যার পাকিস্তানিদের যোদ্ধা বলেছে। অথচ এই পাকিস্তানি বাহিনী এদেশের জনগণকে হত্যা করেছে। আমাদের মা বোনদের ইজ্জত নষ্ট করেছে। তার এ বক্তব্যর জন্য ক্ষমা চেয়ে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে। পদত্যাগ ছাড়া আমরা তালা খুলব না

এ সময় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মোহাম্মদ পারভেজ বলেন, ছাত্রদল পুরনো সংস্কৃতিতে ফিরছে। তারা চবি প্রশাসনকে জিম্মি করে চাঁদা দাবি করছে। ছাত্রদলের এরূপ ঘৃণ্য কাজকে আমরা মন থেকে ঘৃণা করি। তারা যদি এই সংস্কৃতি থেকে ফিরে না আসে তাহলে ছাত্রশিবির তাদেরকে কঠোরভাবে প্রতিহত করবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড.  মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, বক্তব্যটির ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। আমরা সবার সাথে বসে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি। জানতে চাইলে চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেন, আমি একটি মিটিংয়ে আছি তাই বিষয়ে মন্তব্য করা সম্ভব হচ্ছে না।

স্থানীয় বিএনপি-ছাত্রদল কর্মীদের অবস্থান, প্রধান ফটক বন্ধউপ-উপাচার্যের বক্তব্যকে ঘিরে একদিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিবির-ছাত্রদলের মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে প্রধান ফটকে স্থানীয় বিএনপি-ছাত্রদল কর্মীরা অবস্থান গ্রহণ করেছে। 

প্রধান ফটকে অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি তকিবুল হাসান চৌধুরী তকীকে বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে গতকাল ছাত্রদল প্রতিবাদ জানিয়েছে। আমরাও প্রতিবাদ জানাচ্ছি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আশে-পাশে শিবিরের অবস্থানের কথা জানতে পেরে আমরা এখানে এসেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আমাদের সম্পৃক্ততা নেই।  আমরা এখনই চলে যাচ্ছি।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

বেরোবি শাখা তরুণ কলাম লেখক ফোরামের নেতৃত্বে শুভ-রুশাইদ

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ২০২৬-২৭ কার্যকালের নেতৃত্বে এসেছেন শুভ কর্মকার ও রুশাইদ আহমেদ। সভাপতি শুভ কর্মকার বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম এবং সাধারণ সম্পাদক রুশাইদ আহমেদ গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি রুহুল আমিন ও সাধারণ সম্পাদক সাইশা সুলতানা সাদিয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ২০২৬-২৭ কার্যকালের জন্য শুভ কর্মকার ও রুশাইদ আহমেদকে মনোনীত করা হলো। আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রণয়ন করে কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক বরাবর প্রেরণের জন্য নবনিযুক্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নতুন নেতৃত্বকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও তরুণ লেখকদের মধ্যে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হওয়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। নতুন কমিটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের লেখালেখিতে উৎসাহিত করা, তরুণ লেখকদের সৃজনশীলতা বিকাশ এবং বিভিন্ন লেখালেখি ও সাহিত্যভিত্তিক কার্যক্রম জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম বেরোবি শাখার সাধারণ সম্পাদক রুশাইদ আহমেদ নতুন দায়িত্ব পেয়ে বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম তরুণ শিক্ষার্থীদের লেখালেখি এবং বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার যে সংস্কৃতি দেশের শিক্ষাঙ্গনে সৃষ্টি করেছে, সেটিকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উৎসাহী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে আমরা সচেষ্ট। আমি আশা করি সকলে সম্মিলিতভাবে কাজ করে সংগঠনকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখবে।

সভাপতি শুভ কর্মকার বলেন, তরুণ কলাম লেখক ফোরামের সভাপতি হিসেবে আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, এটি আমার জন্য আনন্দের পাশাপাশি একটি বড় দায়িত্বও। আমি একা নই, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ফোরামকে আরও সুন্দর ও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে নিতে চাই।

তিনি বলেন, তরুণদের লেখনী, চিন্তা ও সৃজনশীলতাকে আরও এগিয়ে নিতে আমরা একসঙ্গে করব। আপনাদের সহযোগিতা ও পরামর্শ সবসময় প্রত্যাশা করি।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

শাবিতে পর্দা উঠল ‘আশরাফুলের সহায়তায়’ চ্যারিটি ফুটবল টুর্নামেন্টের

Published

on

By

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) লোক প্রশাসন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী আশরাফুলের চিকিৎসায় সহায়তার লক্ষ্যে শুরু হয়েছে ‘আশরাফুলের সহায়তায়’ পাঁচ-এ-সাইড চ্যারিটি ফুটবল টুর্নামেন্ট।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া সংগঠন স্পোর্টস শাবিপ্রবির উদ্যোগে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক  মো. মোখলেসুর রহমান, স্পোর্টস ক্লাব শাবিপ্রবির সভাপতি হুসাইন ইমাম, সাধারণ সম্পাদক দুর্জয় বণিকসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য।

অনুষ্ঠানে প্রক্টর, সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যৌথভাবে টুর্নামেন্টের ট্রফি উন্মোচন করেন। এ সময় তাঁরা টুর্নামেন্টের সফল আয়োজন ও সমাপ্তি কামনা করেন। 

একই সঙ্গে অসুস্থ আশরাফুলের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তাঁর চিকিৎসায় সহায়তার উদ্যোগ নেওয়ায় স্পোর্টস শাবিপ্রবিকে সাধুবাদ জানান প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মোখলেসুর রহমান।

পরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে ল্যাব রিপোর্ট এফসি ও ম্যাক্রোভার্সের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক খেলা শুরু হয়।

আয়োজকরা জানান, অসুস্থ আশরাফুলের চিকিৎসা ও সুস্থতার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদানই এ চ্যারিটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। টুর্নামেন্টের মাধ্যমে খেলাধুলার পাশাপাশি মানবিক সহায়তার একটি উদ্যোগও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ববি তরুন কলাম লেখক ফোরামের নেতৃত্বে ইমা ও আবদুল কাদের

Published

on

By

ববি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ২০২৬-২৭ কার্যবর্ষের নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের (২০২১-২২সেশন) শিক্ষার্থী ইমা আক্তার এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী (২০২৩–২৪ সেশন) শিক্ষার্থী আব্দুল কাদের জীবন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রণয়ন করে কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক বরাবর প্রেরণের জন্য নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অনুরোধ করা হয়েছে।

নবনির্বাচিত সভাপতি ইমা আক্তার বলেন, বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম সবসময়ই তরুণদের মেধা ও লেখনীর বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে। এই দায়িত্ব পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ এবং অনুপ্রাণিত। আমরা একসাথে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখাকে আরো সক্রিয় ও সৃজনশীল করে তুলব, যেন তরুণ লেখকরা তাদের ভাবনা ও সৃজনশীলতা আরো বিস্তৃত পরিসরে প্রকাশের সুযোগ পান।

অন্যদিকে নতুম দায়িত্বে পেয়ে সাধারণ সম্পাদক বলেন,”লেখালেখির মধ্য দিয়ে সমাজে পরিবর্তন নিয়ে আসার জন্য তরুন কলাম লেখক ফোরামের সৃষ্টি। তরুনদের রাজনীতি, অর্থীনীতি,জলবায়ু সচেতন করতে তুলতে সংগঠনটি কাজ করে যাচ্ছে। বরিশাল
বিশ্ববিদ্যালয়কে লেখালেখিতে দেশের শীর্ষ অবস্থান নিয়ে যাওয়াই হলো এখন আমাদের প্রধান পরিকল্পনা। সকলের দোয়া কামনা করছি।

২০১৮ সালের ২৩ জুলাই ‘সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হোক লেখনীর ধারায়’ প্রতিপাদ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটি তরুণ লেখকদের পরামর্শ, লেখালেখি ও সাংবাদিকতা-সংক্রান্ত কর্মশালা, সেমিনার ও আলোচনাসভা আয়োজনের মাধ্যমে এক নতুন বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলনের দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

Continue Reading

Trending