Connect with us

top1

জামায়াতসহ ১২ দলের সঙ্গে ইসির সংলাপ সোমবার

Published

on

EC to hold dialogue with 12 parties, including Jamaat, on Monday Dhaka জামায়াতসহ ১২ দলের সঙ্গে ইসির সংলাপ সোমবার

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। সংলাপের তৃতীয় দিনে সোমবার (১৭ নভেম্বর) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১২টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবে ইসি। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে এই সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে।
ইসি সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মো. আশাদুল হক জানিয়েছেন, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বাংলাদেশ লেবার পার্টি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএল-এর সঙ্গে সংলাপে বসবে কমিশন।
দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, খেলাফত মজলিস ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-এর সঙ্গে মতবিনিময় হবে।
এর আগে রোববার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত গণফোরাম, গণফ্রন্ট, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির সঙ্গে সংলাপ করবে ইসি। একই দিন দুপুরে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (বাংলাদেশ জাসদ), বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (বাংলাদেশ ন্যাপ), তৃণমূল বিএনপি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সঙ্গে আলোচনা হবে।
ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আলোচ্যসূচিতে থাকছে—
✔ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পূর্বে প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলের করণীয়
✔ আচরণবিধি প্রতিপালন ও অঙ্গীকারনামা সম্পাদন
✔ নির্বাচনী এজেন্ট নিয়োগ ও ব্যবস্থাপনা
✔ মিসইনফর্মেশন ও ডিসইনফর্মেশন প্রতিরোধ
✔ নির্বাচনে এআই-এর অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণ
✔ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা
✔ লিঙ্গ, বর্ণ ও ধর্ম নিয়ে বৈষম্য না করা
✔ ধর্মীয় উপসনালয়কে রাজনৈতিক প্রচারণায় ব্যবহার না করা

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

দোহায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পরোক্ষ আলোচনা শেষ, পরবর্তী বৈঠক খামেনির দাফনের পর

Published

on

By

কাতারের রাজধানী দোহায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যকার দুদিনব্যাপী পরোক্ষ আলোচনা সমাপ্ত হয়েছে। তবে চূড়ান্ত কোনো ঐকমত্যে পৌঁছাতে না পারায় আলোচনা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে উভয় পক্ষ। ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর পরবর্তী বৈঠকের দিনক্ষণ নির্ধারিত হবে, যা ৯ জুলাইয়ের আগে হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে কাতার।

বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে দোহা বৈঠকের সমাপ্তি ঘোষণা করেন কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ মোহাম্মদ আল-আনসারি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, দুদিনব্যাপী চলা এই বৈঠকে হরমুজ প্রণালি সংকট এবং ইরানের আটকে থাকা অর্থ ছাড়ের বিষয়গুলো সর্বাধিক গুরুত্ব পেয়েছে। তবে সব বিষয়ে চূড়ান্ত সমাধান না আসায় দুপক্ষই আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ‘ইরনা’ (IRNA) জানিয়েছে, স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে অমীমাংসিত ইস্যুগুলো নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা ও পরামর্শ চালিয়ে যাবেন। খুব শিগগিরই পরবর্তী বৈঠকের তারিখ নির্ধারণ করা হবে বলেও খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, আগামী ৯ জুলাইয়ের আগে নতুন বৈঠক হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তারা জানান, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরই কেবল পরবর্তী বৈঠকের দিনক্ষণ জানানো হবে।

উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে সংঘাতের একেবারে শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। কিন্তু চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এতদিনেও তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেনি তেহরান।

Continue Reading

top1

বাংলাদেশে উগ্রবাদী শক্তির কোনো জায়গা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

Published

on

By

বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রবাদের কোনো জায়গা নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। এ ব্যাপারে বাংলাদেশের ‘শূন্য সহিষ্ণুতা’ নীতি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেছেন, এ ধরনের শক্তির বাংলাদেশে কোনো স্থান নেই। দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে তাদের কখনোই সুযোগ দেওয়া হবে না।

১০ বছর আগে রাজধানীর গুলশানে হোলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের স্মরণে বুধবার এক অনুষ্ঠানে এ একথা বলেন তিনি। ঢাকায় ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোর বাসভবনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘রাজনৈতিক, ধর্মীয়, আদর্শিক বা অন্য কোনো কারণেই সন্ত্রাসবাদকে কখনো ন্যায্যতা দেওয়া যায় না। সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সর্বক্ষেত্রে মোকাবিলায় সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে কূটনৈতিক কোরের ডিন ও ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস. ওয়াই. রমাদান, ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী, জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি, ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত উপপ্রধান আলবার্ট সিয়া এবং বাংলাদেশ পুলিশের একজন প্রতিনিধি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

বাংলাদেশে ইতালি দূতাবাসের কনস্যুলার শাখার প্রধান লরা স্কেলা অনুষ্ঠানের সূচনা করেন এবং নিহতদের নাম পাঠ করেন। পরে তাদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। নিহতদের স্মরণে উপস্থিত সবাই এক মিনিট নীরবতাও পালন করেন।

২০১৬ সালের ১ জুলাই রাত প্রায় পৌনে ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশান-২ এলাকার হোলি আর্টিজান বেকারিতে আগ্নেয়াস্ত্র, চাপাতি ও গ্রেনেড নিয়ে ভয়াবহ হামলা চালায় পাঁচ জঙ্গি। হামলাকারীরা ছিলেন মীর সামেহ মোবাশ্বের, রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, নিবরাস ইসলাম, খায়রুল ইসলাম পায়েল এবং শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল।

প্রায় ১২ ঘণ্টাব্যাপী জিম্মি সংকট চলাকালে হামলাকারীরা ২০ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করে। নিহতদের মধ্যে ছিলেন নয়জন ইতালীয় নাগরিক, সাতজন জাপানি নাগরিক, একজন ভারতীয় এবং তিনজন বাংলাদেশি।

জিম্মিদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতির সময় জঙ্গিদের ছোড়া বোমার বিস্ফোরণে নিহত হন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলাম এবং বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহউদ্দিন খান।

পরদিন ভোরে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’-এর মাধ্যমে জিম্মি সংকটের অবসান ঘটে। অভিযানে পাঁচ হামলাকারী নিহত হয় এবং ১৩ জন জিম্মিকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

এ জঙ্গি হামলায় নিহতদের স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘দশ বছর পেরিয়ে গেছে, কিন্তু সেই রাতের ক্ষত এখনো আমাদের জাতীয় চেতনা থেকে মুছে যায়নি। ২০১৬ সালের ১ জুলাই হলি আর্টিজান বেকারিতে সংঘটিত মর্মান্তিক সন্ত্রাসী হামলার ছায়া আজও আমাদের স্মৃতিতে রয়ে গেছে। এটি আমাদের জাতির ইতিহাসের অন্যতম অন্ধকার অধ্যায়।’

নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘হামলাটি ছিল আশা, মানবতা এবং বিভিন্ন দেশের মানুষের অভিন্ন মূল্যবোধকে স্তব্ধ করে দেওয়ার অপচেষ্টা। বাংলাদেশি নাগরিক এবং ভারত, ইতালি, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। আজ আমরা তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। আমরা শুধু তাদের স্মৃতিকেই নয়, তাদের সাহস, দৃঢ়তা ও সংহতিকেও সম্মান জানাই।’

ওই হামলাকে মানবতার ওপর নির্মম আঘাত হিসেবে বর্ণনা করে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘এটি ছিল আমাদের প্রাণবন্ত, সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজে ভয়, ঘৃণা ও বিভাজন সৃষ্টি করার পরিকল্পিত চেষ্টা। কিন্তু এই ভয়াবহ ট্র্যাজেডির মুখেও বাংলাদেশ অসাধারণ দৃঢ়তা প্রদর্শন করেছে।’

তিনি বলেন, ‘এ ঘটনা জাতীয় ঐক্য, সামাজিক সংহতি এবং অভিন্ন মূল্যবোধ রক্ষায় সম্মিলিত সতর্কতার গুরুত্ব আজও স্মরণ করিয়ে দেয়। সেই দিনের বেদনাদায়ক ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, আমাদের অভিন্ন মূল্যবোধ রক্ষায় জাতীয় ঐক্য, সামাজিক সংহতি ও সম্মিলিত সতর্কতা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।’

অনুষ্ঠানে ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো বলেন, ‘নৃশংস ওই সন্ত্রাসবাদ বাংলাদেশে থাকা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ওপর বড় রকমের প্রভাব ফেলেছিল। ওই সন্ত্রাসী হামলা ২৪ জন নিরপরাধ মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছে। যারা বাংলাদেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছিলেন।’

তিনি এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দেন।

Continue Reading

top1

নতুন ৩ উপজেলা ও এক থানার অনুমোদন

Published

on

By

দেশে নতুন আরও তিন উপজেলা ও একটি থানার অনুমোদন দিয়েছে ‘প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)’। উপজেলা তিনটি হচ্ছে চট্টগ্রামের ‘ফটিকছড়ি উত্তর’, কুমিল্লার ‘বাঙ্গরা’ এবং ময়মনিসংহের ‘দক্ষিণ গফরগাঁও’। এছাড়া নতুন অনুমোদন পাওয়া থানা হচ্ছে চট্টগ্রামের ‘হালদা’।

বুধবার (১ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে নিকার ১২১তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) ‘র বৈঠকে এসব উপজেলা ও থানা অনুমোদন হয়।

এছাড়া রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অধীন পূর্বাঞ্চল নতুন শহর প্রকল্প এলাকার নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলা প্রকল্পের অংশগুলো ঢাকা জেলার অন্তুর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব।

নিকার প্রস্তাব অনুযায়ী চট্টগ্রাম জেলা ফটিকছড়ি উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলা, কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলাকে ভাগ করে ‘বাঙ্গরা’ এবং ময়মনসিংহ জেলার গফরাগাঁও উপজেলার পাগলা থানার ৮টি ইউনিয়ন নিয়ে ‘দক্ষিণ গফরগাঁও’ উপজেলা। চট্টগ্রামের হাটাজারি থানাকে বিভক্ত করে গঠন করা হয়েছে ‘হালদা থানা’।

তারেক রহমানের সভাপতিত্বে নিকার এই বৈঠকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, সড়ক যোগাযোগমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, গৃহায়নমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

Trending