Connect with us

রাজনীতি

জামায়াত-এনসিপি বাদ, ঈদে শাড়ি-থ্রি-পিস পাচ্ছেন বিএনপি জোটের ২১৫ এমপি

Published

on

আসন্ন ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে দেশের ২১৫টি সংসদীয় এলাকার অসহায়, গরীব ও দুস্থদের জন্য ত্রাণসামগ্রী বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে-শাড়ি, স্ত্রী-পিস ও হাজী রুমাল। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর এসাইনমেন্ট অফিসার-২ এসএম পারভেজ স্বাক্ষরিত বরাদ্দপত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে শুধুমাত্র সরকারি দলের (বিএনপি ও জোট) সংসদ সদস্যদের (এমপি) জন্য প্রতিটি সংসদীয় এলাকায় এসব ত্রাণসামগ্রী বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে, ৩০০টি আসনের মধ্যে বাকি জামায়েত ইসলামী-এনসিপি জোটসহ স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের জন্য এই বরাদ্দ না রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। 

বিষয়টি কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ও ১১ দলীয় জোটসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ ফেসবুকে লেখেন, আমরা কি তাহলে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এর পরিবর্তে ‘সবার আগে বিএনপি নীতিতে’ যাচ্ছি। স্লোগান কি শুধু রেটরিক? প্রধানমন্ত্রী কি শুধু ৫০% লোকের? আমাদের এলাকার মানুষ মনে হয় ট্যাক্স ভ্যাট দেয় না? জাতি এই বৈষম্য মনে রাখবে।

এদিকে, বিএনপির এক সংসদ সদস্যে সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ ত্রাণসামগ্রী সরাসরি তাদের কাছে আসার কথা না। স্ব স্ব উপজেলা প্রশাসন সেটি দেখছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

বরাদ্দপত্রে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডার ২১৫ নির্বাচনী এলাকায় ৭০০ করে সিনথেটিক শাড়ি, ১০০ করে থ্রি-পিস ও ৫০টি করে হাজী রুমাল বরাদ্দ প্রদান করা হল। ২১৫ নির্বাচনী এলাকা ঘেটে দেখা গেছে, এসব আসন সরকারি দলের (বিএনপি ও জোট) সংসদ সদস্যদের। এখানে জামায়েত ইসলামী-এনসিপি জোটসহ স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের জন্য এই বরাদ্দ রাখা হয়নি।

বরাদ্দপত্রের নির্দেশনায় বলা হয়েছে- বরাদ্দকৃত ত্রাণসামগ্রী (শাড়ি, থ্রী-পিস ও হাজী রুমাল) সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকগণ, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার, তেজগাঁও, ঢাকা থেকে সংগ্রহপূর্বক নির্বাচনী এলাকার মাননীয় সংসদ সদস্যের পরামর্শক্রমে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার অসহায়, গরীব ও দুঃস্থ জনসাধারণের মাঝে বিতরণ ও হিসাব সংরক্ষণ করবেন; বিশেষ পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসকদের পক্ষে ত্রাণসামগ্রী সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে বিলম্বের আশঙ্কা থাকলে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যগণ নিজ দায়িত্বে ত্রাণসামগ্রী প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডার, তেজগাঁও, ঢাকা হতে তা সংগ্রহপূর্বক সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে বিতরণ করতে পারবেন।

এতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় সম্মতি রয়েছে বলে এতে উল্লেখ করা হয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

সরকারি সাইকেল নাতনিকে উপহার, সমালোচনার মুখে ফেরত দিলেন জামায়াত নেতা

Published

on

By

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে হতদরিদ্রদের জন্য সরকারি বরাদ্দের একটি বাইসাইকেল অন্য একজনের নামে গ্রহণ করে নিজের নাতনিকে উপহার দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা জামায়াতের আমির ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার জন্ম দিলে শেষ পর্যন্ত সাইকেলটি উপজেলা প্রশাসনের কাছে ফেরত দেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বুধবার উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে ২৪টি বাইসাইকেলসহ ছাগল, স্প্রে মেশিন, সেলাই মেশিন, ফুটবল ও হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দীপা রানী সরকারের উপস্থিতিতে এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, এ সময় এক মাদ্রাসাছাত্রের নামে বরাদ্দ থাকা একটি সাইকেল নিজেই স্বাক্ষর করে গ্রহণ করেন তাজুল ইসলাম। পরে সেটি তিনি তার নাতনি মারিয়াকে উপহার দেন।

ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। পরে ঝিনাইদহ-৩ আসনের জামায়াত-সমর্থিত সংসদ সদস্য মতিয়ার রহমানের হস্তক্ষেপে বুধবার দুপুরে সাইকেলটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ফেরত দেওয়া হয়।

পরে সাইকেলটি প্রকৃত উপকারভোগী সুমাইয়া খাতুনের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, তার ছেলে বেকার এবং আর্থিক সংকটে থাকায় তিনি সাইকেলটি নাতনি মারিয়াকে দিয়েছিলেন। তবে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর সেটি ফেরত দিয়েছেন।

কোটচাঁদপুরের ইউএনও দীপা রানী সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সাইকেল বিতরণে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ ওঠার পর স্থানীয় সংসদ সদস্যের পরামর্শে সেটি ফেরত নেওয়া হয়। পরে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী প্রকৃত উপকারভোগী সুমাইয়া খাতুনকে সাইকেলটি দেওয়া হয়েছে।

Continue Reading

top1

মির্জা ফখরুলের বাসায় যুবদলের পদবঞ্চিতরা, সাক্ষাৎ চান প্রধানমন্ত্রীর

Published

on

By

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করেছেন যুবদলের পদবঞ্চিত নেতারা। এ সময় তারা তাকে দলের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে স্মারকলিপি দেওয়ার ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানান।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ৮টা ৪০ থেকে ৯টা পর্যন্ত হেয়ার রোডের নিজ বাসায় পদবঞ্চিতদের সঙ্গে বৈঠক করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। যুবদলের পদবঞ্চিত ৩০ থেকে ৩৫ জন নেতা এতে অংশ নেন।

এর আগে গত ৪ জুন যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তবে এ ঘোষণায় ক্ষুব্ধ হন পদবঞ্চিতরা। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) তারা হাজির হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাসায়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, পদবঞ্চিত নেতারা মূল দলের মহাসচিবের কাছে তাদের ক্ষোভের বিষয়টি তুলে ধরেন। বিশেষ করে দলের অভিভাবক তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে একটি স্মারকলিপি দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে তার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ধৈর্য সহকারে তাদের কথা শোনেন এবং বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যারা

যুবদল ও ছাত্রদলের সাবেক এবং সদ্য সাবেক কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটের শীর্ষস্থানীয় নেতারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন যুবদলের সদ্য সাবেক কমিটির গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম রিয়ন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান অলি উদ্দিন সুমন ও গোলাম ফারুক, সাবেক সহ-শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আসাদুল আলম টিটু, সহ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক বি এম আমান উল্লাহ বিপুল, সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বাছেদুর রহমান সোহেল, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহিম, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম হিমেল প্রমুখ।

সদ্য সাবেক কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সরকার মামুন, শাহিনুজ্জামান মিন্টু, সেলিম হোসাইন মুন্না আকন্দ, মিজান খান ও দুলাল হোসেনও বৈঠকে অংশ নেন।

স্থানীয় নির্বাচনে যেসব যোগ্যতায় মিলবে বিএনপির সবুজ সংকেত

সাবেক ছাত্রদল নেতারা

ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক ও জাকির হোসেন খান; সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন উজ্জ্বল, আবুল হাসান, মাহফুজুর রহমান, মিজানুর রহমান সোহাগ; সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মেজবাউল আলম, ইসমাইল হোসেন খান শাহীন, মুজাহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আরিফ, আনোয়ার জাহিদ, সুমন চৌধুরী, ফজলুল হক নিরব; সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ সরকার, গোলাম আজম সৈকত, সবুর খান সাগর, জাহাঙ্গীর আলম, শফিউল আজম বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

আরও অংশ নেন ছাত্রদলের সাবেক ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক মিরাজ আজিম, সাবেক জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক স্বপন মন্ডল, সাবেক সহ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম মাসুম, সাবেক সহ-ক্রীড়া সম্পাদক রবিউল হাসান আরিফ, সাবেক বেসরকারি বিষয়ক সম্পাদক ইয়াকুব রাজু এবং সাবেক সদস্য মহিবুল্লাহ জয়, খলিলুর রহমান জনি ও এম কামরুল হাসান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম নাহিদ, সাবেক সহ-সভাপতি ফরিদ খান, শরিফ আল ফরহাদ দীপু ও বিশ্বজিৎ ভদ্র; জহুরুল হক হলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি খসরু আহমেদ হিরন এবং সাবেক ছাত্রনেতা কবির আহমেদ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

যুবদল মহানগর উত্তর ও অন্যান্য ইউনিট

যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান হাফিজ ও মাহমুদ খান; ছাত্রদল পূর্বের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দুলাল মাতব্বর; জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সাবেক বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার আমিনুল হক কাকন, সাবেক ছাত্রনেতা এমদাদুল হক পারভেজ, ইমদাদুল হক, জাহিদ হাসান হিরন, নজরুল ইসলাম বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া সাবেক ছাত্রনেতাদের মধ্যে মো. হুমায়ুন কবির, শাহীন আকন্দ, সেলিম রেজা, মাসুদ রানা, মানিক হোসেন, মহিউদ্দিন বেগ সুজন, আমির হোসেন বাদশা এবং হাসান জাহিদ হিরনসহ যুবদলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

পদবঞ্চিত নেতাদের দাবি, দলের ক্রান্তিলগ্নে দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয় থাকা সত্ত্বেও তাদের মূল্যায়ন করা হয়নি। তাই তারা সরাসরি দলীয় হাইকমান্ডের কাছে তাদের বক্তব্য তুলে ধরতে চান।

জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিবের এপিএস ইউনুস আলী এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘যুবদলের পদবঞ্চিতরা মহাসচিব স্যারের কাছে এসেছিলেন। তাদের কাছে স্যার আবেদনপত্র চেয়েছেন। সেটি পেলে যাছাই বাছাই করে চেয়ারম্যান।

Continue Reading

রাজনীতি

গণভোট না মানার কারণে রাজনীতিতে সংকট তৈরি হয়েছে

Published

on

By

বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোট না মানার কারণে রাজনীতিতে সংকট তৈরি হয়েছে। বুধবার সকালে ঢাকা-১৫ আসনের জনদুর্ভোগ নিরসনের লক্ষ্যে নাগরিক সমাবেশ, মতবিনিময় সভা তিনি একথা বলেন।

বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেমন ধারণা করেছিলাম তার কাছাকাছি হয়েছে এবারের বাজেট।

বিজ্ঞাপন

শফিকুর রহমান বলেন, সরকার, বিরোধী দল ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগেই এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে পুলিশকে সহযোগিতা এবং পরিবার থেকেই সন্তানদের চলাফেরা ও সঙ্গী সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

Continue Reading

Trending