Connect with us

রাজনীতি

জামায়াত থেকে নারী প্রার্থী হচ্ছেন ৫ জন, থাকছে অমুসলিম ও উপজাতি প্রার্থী

Published

on

চলতি বছরের শুরুতে সবার আগে ৩০০ আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এর মাধ্যমে দলটি নির্বাচনি মাঠে আগেভাগেই অবস্থান নিতে সক্ষম হয়। দলীয় এসব প্রার্থীর মাঠে জোরালো তৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে। কেন্দ্র থেকে শুরু করে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড এবং ভোটকেন্দ্রভিত্তিক নির্বাচনি কমিটিও তারা ইতোপূর্বে গঠন করেছে। তবে আট দলের শরিকদের জন্য আসন ছাড়া এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে প্রার্থী তালিকায় আসছে বড় ধরনের পরিবর্তন। দলীয় সূত্রমতে, ডাকসু, চাকসু, রাকসু, জাকসুতে দলটির ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সফলতার পর তারা জাতীয় নির্বাচনেও একইভাবে ইনক্লুসিভ বা সর্বজনীন প্রার্থী তালিকা দিতে যাচ্ছে। জামায়াত এবং তাদের আন্দোলনের সহযোগীদের সমন্বিত নির্বাচনি টিম এ নিয়ে কাজ করছে। ইতোমধ্যে পাঁচজন বিশিষ্ট নারী নেত্রী এবং পাঁচজন অমুসলিম বিশিষ্ট ব্যক্তির নাম আলোচনায় এসেছে। এসব তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছে। তবে জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়ের এসব তালিকা চূড়ান্ত নয় বলে জানিয়েছেন।জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপিকা নুরুন্নিসা সিদ্দিকার নাম এসেছে আলোচনায়। তবে কোন আসন থেকে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তা জানা যায়নি। বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যায়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ ঢাকা-১৮ আসন থেকে প্রার্থী হতে পারেন বলে একটি টেলিভিশন টকশোতেও উঠে এসেছে। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য সাবেক এমপি ডা. আমিনা রহমানের নামও এসেছে আলোচনায়। তার আসন সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ মহিলা বিভাগ জামায়াতের সিনিয়র সদস্য কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য সাবেক এমপি শাহান আরা বেগম এবং সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ও জামায়াতের মহিলা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি ব্যারিস্টার সাবিকুন্নাহারের নামও আলোচনায় এসেছে। তাদেরও ঢাকার কোনো আসনে বা ঢাকার বাইরেও প্রার্থী করা হতে পারে।

জামায়াতের প্রার্থী তালিকায় সবচেয়ে বড় চমক আসছে অমুসলিমদের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে। হিন্দুসহ অন্তত পাঁচজন অমুসলিম এবং কমপক্ষে একজন উপজাতিকে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী হিসাবে। এর মধ্যে আলোচনায় এসেছে শ্রীকৃষ্ণ নন্দী মহাশয়ের। তিনি দীর্ঘদিন থেকেই জামায়াতের রাজনীতির সাথে জড়িত এবং জামায়াতে ইসলামী অমুসলিম শাখা খুলনার জেলা সভাপতি বলে জানা গেছে। খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনে প্রার্থী হতে পারেন কৃষ্ণনন্দী। বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী পরেশকান্তি সাহা জামায়াতে ইসলামী অমুসলিম শাখা মাগুরার জেলা সভাপতি এবং প্রথিতযশা চিকিৎসক। তিনি মাগুরা-২ আসনে প্রার্থী হতে পারেন বলে আলোচনায় এসেছে। বিপুলসংখ্যক অমুসলিম অধ্যুষিত এই আসনে বিএনপি অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরীর মোকাবেলায় জামায়াত এমনটি চিন্তা করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আবার মাগুরা-১ আসনে বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. শুশান্তকে মনোনয়ন দেওয়ার কথা অনেক আগে থেকেই আলোচনায় আছে। পঞ্চগড়-১ আসনে প্রার্থী হতে পারেন বিশিষ্ট শিক্ষক ও সমাজসেবক শ্রী তপনমোহন চক্রবর্তী। জাতীয় হিন্দু মহাজোটের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শ্রী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক বৃহত্তর ইসলামী ঐক্য সমর্থিত নির্দলীয় প্রার্থী হিসাবে যে কোনো আসনে প্রার্থী হতে পারেন- এমনটিও আলোচনায় আছে।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়ের যুগান্তরকে বলেন, এসব তালিকা আমরাও দেখেছি, তবে তা সঠিক নয়। আলোচনায় অনেকেই আছেন। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না। জামায়াত দেশ পরিচালনার জন্য একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রার্থী তালিকা দেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, আমাদের সাথে পাঁচ দফা দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনে যারা আছেন তাদের মধ্যে যোগ্যতা এবং জনপ্রিয়তা বিবেচনা করে মনোনয়ন দেওয়া হবে। জোটের শরিক সংখ্যা বেড়ে আট থেকে ১০ বা ১১ তে পৌঁছাতে পারে। শরিক দলের শীর্ষ নেতারাসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের আমরা সংসদে নিয়ে আসতে চাই। তিনি বলেন, ছাত্র প্রতিনিধি, জুলাই যোদ্ধা, বিশিষ্ট নাগরিকদের নির্বাচনে অন্তর্ভুক্ত করার চিন্তা করা হচ্ছে। অমুসলিম তো বটেই, হিন্দু ছাড়াও অন্য ধর্মের প্রতিনিধিত্বও থাকবে। আরও থাকবেন উপজাতীয় প্রার্থী। তবে কারওই নাম বলার মতো সময় আসেনি।

জামায়াত সূত্র জানায়, দলের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারকে সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ ও নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহকে সেক্রেটারি করে আট সদস্যের একটি নির্বাচনি কমিটি আগে থেকেই কাজ করছে। কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন-নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহম্মদ তাহের, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুর রব, মোহম্মদ মোবারক হোসাইন ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ইয়াসিন আরাফাত। এই কমিটি প্রার্থী চূড়ান্ত করার জন্য শরিকদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করছে। শিগগিরই জামায়াত ও তাদের সমর্থিত জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা আসবে, যাতে থাকবে বড় ধরনের চমক।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ছাড়ল খেলাফত মজলিস

Published

on

By

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন এগারো দলীয় জোট ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। আজ শনিবার দলটির কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। 

বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের সব ধরনের কর্মসূচি থেকে বিরত থাকবে খেলাফত মজলিস। তবে ভবিষ্যতে বৃহত্তর কোনো রাজনৈতিক ঐক্যের প্রয়োজন দেখা দিলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুল হাফিজ খসরু এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১১ দলীয় ঐক্য ছিল মূলত নির্বাচনি সমঝোতা। নির্বাচন শেষ হয়ে যাওয়ায় এ ঐক্যের কার্যকারিতা বস্তুত শেষ হয়ে যায়। তবুও নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ১১ দলীয় কিছু কর্মসূচিতে খেলাফত মজলিস অংশ নেয়। এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের যাবতীয় কর্মসূচি থেকে খেলাফত মজলিস বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভবিষ্যতে দেশ, জাতি ও ইসলামের জন্য প্রয়োজন হলে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার প্রয়াস-প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

এর আগে, গত ১৩ জুন চট্টগ্রামে ১১ দলীয় জোটের বিভাগীয় সমাবেশের পর খেলাফত মজলিস আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেয়, ভবিষ্যতে কোনো সমাবেশের ব্যানার বা প্রচারণায় দল বা নেতাদের নাম যেন ব্যবহার না করা হয়।

কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে শনিবার সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ। 

মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফরিদ, অধ্যাপক সিরাজুল হক, মাওলানা সাইয়্যেদ ফেরদাউস বিন ইসহাক, মুফতি আবদুল হামিদ, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, এ বি এম সিরাজুল মামুন, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক মো. আবদুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান, মুফতি আবুল হাসান এমপিসহ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের অন্যান্য সদস্য ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্যরা।

Continue Reading

top1

শূন্য হচ্ছে রাষ্ট্রপতির পদ, উত্তরসূরি হিসেবে আলোচনায় মির্জা ফখরুল

Published

on

By

বিশেষ প্রতিনিধি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করছেন—এমন গুঞ্জন এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে তুঙ্গে। উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যেই থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সফর সংক্ষিপ্ত করে আজই দেশে ফিরছেন। এর ফলে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়টি আরও জোরদার রূপ নিয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

উত্তরসূরি হিসেবে যাদের নাম আলোচনায়

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে তার স্থলাভিষিক্ত কে হচ্ছেন—তা নিয়ে চলছে নানা সমীকরণ। বিএনপির চার প্রবীণ নেতা ও স্থায়ী কমিটির সদস্য—ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-এর নাম ব্যাপকভাবে উচ্চারিত হচ্ছে। এছাড়া প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এক চুক্তিভিত্তিক সচিবের নামও গুঞ্জনে রয়েছে।

তবে রাজনৈতিক ত্যাগ, গ্রহণযোগ্যতা ও সার্বিক বিবেচনায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকেই পছন্দের শীর্ষে রাখা হচ্ছে বলে দলীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

মির্জা ফখরুল কেন এগিয়ে?

বিশ্লেষকদের মতে, মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে এগিয়ে রাখার পেছনে প্রধানত তিনটি কারণ কাজ করছে:

১. রাজনৈতিক ত্যাগ ও আনুগত্য: বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অসংখ্য মামলা ও কারাবরণ সত্ত্বেও দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং নেতৃত্বের প্রতি অবিচল আনুগত্যের কারণে তিনি জনপ্রিয়তার শীর্ষে।

২. পরিচ্ছন্ন ইমেজ ও সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা: পরিচ্ছন্ন ও সজ্জন রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, সুশীল সমাজ ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কাছেও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

৩. আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা: সাবেক শিক্ষা ক্যাডারের এই কর্মকর্তা এর আগে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কাজ করেছেন। কূটনৈতিক মহল ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার ইতিবাচক ভাবমূর্তি দেশের জন্য সহায়ক হবে।

সংবিধান যা বলে

অনুচ্ছেদ ৫০(৩): রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন।

অনুচ্ছেদ ৫৪: পদ শূন্য হলে বা অসুস্থতাহেতু দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার দায়িত্ব পালন করবেন।

অনুচ্ছেদ ১২৩: পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

তড়িঘড়ি ফিরছেন স্পিকার

চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গত ১৯ জুলাই থাইল্যান্ডের ব্যাংককে যান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। ২৬ জুলাই তার দেশে ফেরার কথা থাকলেও রাষ্ট্রপতি পদ সংক্রান্ত জরুরি পরিস্থিতিতে সফর সংক্ষিপ্ত করে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে আজ দুপুরেই তিনি ঢাকায় পৌঁছাচ্ছেন।

Continue Reading

top3

নৈতিক স্খলনের প্রমানিত, জামায়াতের এমপি নজরুল ইসলাম বহিষ্কার

Published

on

By

নিজস্ব প্রতিবেদক

নৈতিক স্খলনের অভিযোগে সাংগঠনিক তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে জানানো হবে বলে দল জানিয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) বিকেল ৪টায় রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

দলীয় সূত্র জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে সাংগঠনিক তদন্ত চালানো হয়। তদন্তে তার বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ।

বৈঠক শেষে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ঘটনাগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় তদন্ত পরিচালনা করা হয়। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দলের গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বহিষ্কারের বিষয়টি অবিলম্বে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে জানানো হবে।

এদিকে দলীয় সিদ্ধান্তের পর সংসদ সদস্য হিসেবে গাজী নজরুল ইসলামের সাংবিধানিক অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনি অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

Continue Reading

Trending