Connect with us

ক্যাম্পাস

‘জুলাই বিপ্লবের স্মৃতিকথা’

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

১৯৭১ সালের স্বাধীনতা অর্জনের পরে দেশের প্রথম প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসমাজ জুলাই চব্বিশের আন্দোলনে সরব ও সতর্ক ছিলেন। ছাত্র জনতার নেতৃত্বে আন্দোলনে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। সেই সময় শিক্ষার্থীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মহাসড়কে সক্রিয় অবস্থান নেন।

জুলাই অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এই অবিনাশী চেতনা স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় “জুলাই স্মৃতিকথা” নামে একটি স্মারক প্রকাশিত হয়। যার— সম্পাদনায় ছিলেন, অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হাসান, অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান, জুলাই যোদ্ধা এস এম সুইট, সাদিক আহমদ, ইমতিয়াজ আহমেদ ইমন ও চয়ন হোসেন।

‘জুলাই স্মৃতিকথা’ স্মারকে ৫৩টি শিক্ষক-শিক্ষার্থীর লেখা স্থান পেয়েছে। তন্মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ইইই বিভাগের (২০২০-২১) শিক্ষার্থী খালিদ সাইফুল্লাহ তাহমিদের লেখা ‘জুলাই বিপ্লবের স্মৃতিকথা’ পাঠকদের সুবিধার্থে ইবি প্রতিনিধি হুবহু তুলে ধরেছেন।

ইতিহাস তার পক্ষেই সাক্ষ্য দেয় যার হাতে সে রচিত হয়। জুলাই বিপ্লবের জন্য ইতিহাস বর্তমান তরুণ প্রজন্মের পক্ষে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য। তরতাজা স্মৃতিটাকে ডাইরি-বন্দি করার ক্ষুদ্র প্রয়াসে লিপ্ত হচ্ছি।

জুলাই মাসের শুরুতে ঢাবিসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে “কোটা না মেধা? মেধা মেধা, জনে জনে খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে” এসব স্লোগানে চলছে কোটা বিরোধী আন্দোলন। তারই ধারাবাহিকতায় ইবিতেও ডাক দেয়া হয় কোটাবিরোধী আন্দোলনের। ইবির ডায়না চত্বরে ১ম দিনের আন্দোলনে লোকবল খুবই কম ছিল। যেন গা ছাড়া একটা তুচ্ছ আন্দোলন। শশরীরে উপস্থিত ছিলাম ১ম দিনের মানবন্ধনে।

এভাবে প্রতিদিনই চলতে থাকে কোটা বিরোধী আন্দোলন। ক্রমশ লোকসংখ্যা ও মিডিয়া কভারেজ বাড়তে থাকে। আন্দোলনে তখনও রাজনৈতিক কিংবা প্রশাসনিক প্রভাব আসেনি। বেশিরভাগেরই ভাবনা এমন যে কিছুদিন আন্দোলন করবে আবার ক্লাসে ফিরে যাবে। প্রশাসন, ছাত্রলীগ কেউই তখনও কোনো ফোর্স করছে না। তবে পোস্টধারী কিছু ছাত্রলীগ নেতারা এই আন্দোলনের সরাসরি বিরোধিতা করছে। ইবিতেও সেটা লক্ষ করছি। ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে আরও লোকসমাগম।

ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে শিক্ষকদের স্ট্রাইক। এক সময় সরকার বুঝতে পারল আন্দোলন এখন বৃহৎ আকার ধারণ করছে। মন্ত্রী ও নেতাদের বক্তব্যে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে উঠে। ১৪ জুলাই থেকে ঢাবিসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপর শুরু হয় বর্বর আক্রমণ। পুলিশ, প্রশাসন, ছাত্রলীগ সব একসাথে হয়ে আক্রমন করে ছাত্রদের উপর। একটা করে স্ক্রল করতাম আর দুঃসংবাদ আসতো। এমনও রাত গিয়েছে চোখের পানিতে টলমল করেছে কিন্তু ঘুম হয়নি।

পুরো নিউজফিডে এসব খবরই আসে। সাক্ষী হলাম রক্তাক্ত ১৫ জুলাই রাতের। ইতোমধ্যে আবু সাইদকে গুলি করে মারার ভিডিয়োটা বাংলাদেশের সবার মনে দাগ কাটে। এটা যে সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নিবে তা তখনও আন্দাজ করতে পারিনি। এরপর সারাদেশেই পালিত হয় বাংলা ব্লকেড কর্মসূচি। আমরা ইবির মেইন গেইটের সামনে খুলনা রাজশাহী মহাসড়ক আটকে রাখি। বৃষ্টির মধ্যে ভিজে রোদে পুরে আন্দোলন করি সবাই খেয়ে না খেয়ে। সবার মনে একটাই চেতনা শহীদের রক্ত বৃথা যেতে দেবো না।

শুরু হয় গণ-গ্রেফতার কর্মসূচি। সাথে ছাত্রলীগের হুমকি ধামকি আর অত্যাচার। ১৮ তারিখ রক্তের বন্যা বয়ে যায়। জুলাই শহীদের তালিকা দীর্ঘতর হয়। বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়। সবাই বাড়ি চলে যায়, আমি থেকে যাই।

বাশের কেল্লাসহ কিছু অনলাইন মিডিয়ায় ছবি, ভিডিও এবং নিউজও পাঠাতাম। নির্ভয়ে হল বন্ধ কর দেয়া হয়। ঢাবি, জাবি উত্তাল হয়। ইতোমধ্যে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বেফাস বক্তব্য ছাত্রসমাজকে ক্ষেপিয়ে তুলল। পাখির মতো গুলি করে মানুষ মারতে থাকলো শেখ হাসিনা। ফলে স্কুল, কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা রাস্তায় নেমে আসলো। দেশ অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। আমি সিদ্ধান্ত নিলাম বাড়ি যাবার। সেদিন ইবিতে ছাত্রলীগের অফিস ভাঙচুর করা হয়। রেট হয়েছে মেসগুলোতে।

ময়মনসিংহের সব বন্ধুদের সাথে মিলে নতুন উদ্যোমে শুরু করলাম আন্দোলন। ময়মনসিংহে আওয়ামীলীগের বেশ আধিপত্য ছিল। ৯ দফা দাবিকে সামনে রেখে নতুন করে শুরু হলো আন্দোলন।

সরকার আন্দোরন দমনে বদ্ধপরিকর। পুলিশ গুলি করে, একজন গুলি খায় আরেক জন সামনে এসে দাড়ায়। গুলি খেতে কোনো দ্বিধা নেই, নেই কোনো মরার ভয়। ৯ দফা পরিণত হলো ১ দফায়। “দফা এক দাবি এক, শেখ হাসিনার পদত্যাগ।”

পরদিন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও আওয়ামীলীগ পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি দেয়। ৪ঠা আগষ্ট সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আন্দোলন করি আমরা। দুপুরের পর রাস্তায় নামে আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ। হঠাৎ করেই ডাক আসে লং মার্চ টু ঢাকার। প্রথমে ৬ তারিখের কথা বলা হলেও আবার কিছুক্ষণ পরই পরিবর্তন করে পরদিনই অর্থাৎ ৫ আগষ্ট লং মার্চ টু ঢাকার ডাক দেয়া হয়। এটা ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে সেরা সিদ্ধান্ত।

৫ তারিখ সকাল বেলা। অপেক্ষা করছি ঢাকায় কি ঘটছে তা শোনার জন্য। ইন্টারনেট তখনও বন্ধ হয়নি। সকাল ৯ টায় হঠাৎ করে ইন্টারনেট বন্ধ করে দিলো। নিউজফিডে খবর ভাসছে শেখ হাসিনা পালাচ্ছে। তার কিছুক্ষণ পর নিশ্চিত হলাম হাসিনা পদত্যাগ করেছে। আল্লাহর কাছে সিজদায় লুটিয়ে পড়লাম।

খুশিতে চারদিক মাতোয়ারা। যাকে ইচ্ছা ফোন দিয়ে স্বাধীনতা মোবারক জানাচ্ছি। একাত্তরের স্বাধীনতার স্বাদ না পেলেও স্বাধীন হওয়ার স্বাদ কেমন হয় তা ৫ তারিখ টের পেয়েছিলাম। আমরা পেয়ে গেলাম ঐতিহাসিক ৩৬ জুলাই। এরপর আনন্দ মিছিল, মিষ্টিমুখ আরো কত কি। তবে আজও কষ্ট হয় যারা হারিয়ে গেছে তারা ফিরবে না কোনো শুভ প্রভাতে। তাদের ঋণ এ জাতি কোনো দিন ভুলবে না। ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে প্রতিটি আত্মদানের কাহিনি।

লেখক: খালিদ সাইফুল্লাহ তাহমিদ 

শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনির্মিত প্রকৌশল ভবনের উদ্বোধন

Published

on

By

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত প্রকৌশল ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (০৬ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় ফিতা কেটে ভবনটির শুভ উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, “বাংলায় একটি প্রবাদ আছে—’কামারের ভাঙা দা আর ছুতারের ভাঙা নাও’। তারা নিজেরা জিনিস তৈরি করে বলে অনেক সময় জোড়াতালি দিয়ে কাজ চালায়। ঠিক একইভাবে বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকৌশল দপ্তরগুলো খুব একটা গোছানো বা সুন্দর হয় না। তবে আমরা এর ব্যতিক্রম করতে চাই; প্রকৌশল দপ্তরকে একটি আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন দপ্তর হিসেবে দেখতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, “শুধুমাত্র একটি অবকাঠামো তৈরি করাই শেষ কথা নয়, বরং এর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ করাটাই সবচেয়ে বড় বিষয়। ভবনটিকে নিজেদের বাড়ির মতো করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং এর দীর্ঘস্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে যা যা প্রয়োজন, তার সবকিছুই করতে হবে।”

ভবনটির উদ্বোধনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন এবং চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ-সুখন)।

এছাড়া পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, উপ-প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ মাহবুবুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, প্রকৌশলী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মো. আব্দুল হাকীম।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় দুই তলা ভিত্তির ওপর এই দুই তলা বিশিষ্ট প্রকৌশল ভবনের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

বেরোবিতে ব্রুডার নেতৃত্বে ইরা, শিশির ও শাহিনুর‎

Published

on

By

আনাস মাহমুদ, বেরোবি প্রতিনিধি

‎বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) প্রথম বিতর্ক সংগঠন বেগম রোকেয়া ইউনিভার্সিটি ডিবেট অ্যাসোসিয়েশন-ব্রুডা এর ১৩তম এক্সিকিউটিভ কমিটি (২০২৫–২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৩ জুলাই নতুন এ কমিটির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।

‎ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী সামিয়া হক ইরা, সাধারণ সম্পাদক(বিতর্ক) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ ওবায়দুর রহমান শিশির ও সাধারণ সম্পাদক (প্রসাশন) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোঃ শাহিনুর রহমান। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আইরিন আক্তার লাবণ্য এবং অর্থ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী নাফিউর হাসান।

‎বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বেগম রোকেয়া ইউনিভার্সিটি ডিবেট অ্যাসোসিয়েশন (ব্রুডা) ক্যাম্পাসে বিতর্ক চর্চার প্রসার, যৌক্তিক চিন্তাভাবনার বিকাশ এবং নেতৃত্ব তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। দীর্ঘ সময় ধরে সংগঠনটি বিভিন্ন আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা, প্রশিক্ষণ কর্মশালা, ডিবেট স্কুলিং এবং বুদ্ধিবৃত্তিক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যুক্তি, বিশ্লেষণী চিন্তা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে।

‎সংগঠনটির দীর্ঘদিনের নীতির অংশ হিসেবে নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে সবসময় যোগ্যতা, দক্ষতা এবং সংগঠনের প্রতি অবদানকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

‎নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনটির কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে বিতর্ক চর্চার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা যায়।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচন

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের বার্ষিক ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে উপাচার্যের কার্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক এ কে এম মতিনুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী, ক্যালেন্ডার মুুদ্রণ কমিটির আহ্বায়ক ড. মো. আলীনূর রহমান, সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ ও কমিটির সদস্য সচিব ও তথ্য, প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিসের উপ-পরিচালক মো. রাজিবুল ইসলাম।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, মুদ্রণ কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ আলীনূর রহমান। কমিটির সদস্য হিসেবে ছিলেন হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ মিজানূর রহমান, আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ কামরুল হাসান, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ আবুল কালাম আজাদ এবং তথ্য, প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিসের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সাহেদ হাসান।

এছাড়া কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তথ্য, প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিসের উপ-পরিচালক মোঃ রাজিবুল ইসলাম।

এ বিষয়ে মুদ্রণ কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. আলীনূর রহমান বলেন, ক্যালেন্ডারটির গেটআপ ও সেটআপ যথাসম্ভব সুন্দর করার চেষ্টা করেছি, কোরআনের আয়াত যুক্ত করেছি।

এবারের ক্যালেন্ডারে ছুটির বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ছুটির ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট নির্দেশিকা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু নিজস্ব নীতি ও সরকারি ছুটির বিষয়গুলো বিবেচনা করে এবারের ক্যালেন্ডারে ছুটি যথাসম্ভব কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে। ছুটির বিষয়টি মূলত সিন্ডিকেট বা একাডেমিক কাউন্সিলে পাস হলে ভালো হতো, তবে জরুরি প্রয়োজনে এখনই এটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন মনে করলে ছুটি আরো কমাতে চাইলে এটি সমন্বয় করে নিতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, “ভিসি স্যারের পক্ষ থেকে বার্তা হলো—সবাই যদি ঠিকমতো ক্যালেন্ডারের এই সূচি মেনে চলেন এবং ক্লাস ও পরীক্ষাগুলো যথাসময়ে সম্পন্ন করেন, তাহলে শিক্ষাবর্ষে কোথাও কোনো গ্যাপ বা সেশনজট থাকবে না।”

Continue Reading

Trending