Connect with us

top1

টানা ৩৫ দিনের ছুটিতে দেশের সকল স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা

Published

on

মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রমজানের প্রথম দিন থেকেই ছুটি শুরু হচ্ছে। নানা আলোচনার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা প্রথম দিন থেকেই রোজা ও ইবাদতের পরিবেশে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পাবে।

এর আগে মাদ্রাসা ও কলেজের ছুটির তালিকা ও বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, পুরো রমজান বন্ধ থাকার কথা বলা হয়েছিল। এসব প্রতিষ্ঠানেও ক্লাস শুরু হবে ২৯ মার্চ।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ছুটির তালিকা সংশোধন করে নতুন সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসব বিদ্যালয় ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত অর্থাৎ টানা ৩৫ দিন বন্ধ থাকবে। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস হওয়ায় দিনটি সরকারি ছুটি হিসেবে গণ্য হবে। পরবর্তী দুই দিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় শিক্ষক-কর্মচারীরা কার্যত ২৮ মার্চ পর্যন্ত ছুটি ভোগ করতে পারবেন।

রমজানের ছুটি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছিল। অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে রোজার সময়সূচি ও শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ছুটি শুরুর দাবি জানানো হয়। এসব আলোচনা ও পর্যালোচনার পর অবশেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রমজান মাসে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পড়াশোনা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা এবং ধর্মীয় অনুশীলনের সুবিধার কথা বিবেচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই ছুটির ফলে দেশের সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। তবে ছুটি শেষে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আবারও পাঠদান কার্যক্রম শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি নিয়ে এখনো কেন জটিলতা?

রমজান মাস মুসলমানদের জন্য আত্মসংযম, আত্মশুদ্ধি ও ইবাদতের মাস। তাই শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় চর্চা ও শারীরিক সক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে এ ছুটি অনেকের কাছেই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

১৪ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ

Published

on

By

দেশের ১৪টি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। জেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪-এর ক্ষমতাবলে দেশের ১৪ জেলা পরিষদে এই নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব খোন্দকার ফরহাদ আহমদ স্বাক্ষরিত এই আদেশে বলা হয়েছে, নিয়োগকৃত প্রশাসকরা পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট জেলা পরিষদের পূর্ণকালীন দায়িত্ব পালন করবেন।

নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন— ফরিদপুর জেলা পরিষদে মো. আফজাল হোসেন খান পলাশ, ঢাকা জেলা পরিষদে মো. ইয়াছিন ফেরদৌস, গাজীপুর জেলা পরিষদে চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী, ফেনী জেলা পরিষদে অধ্যাপক এম এ খালেক, নীলফামারী জেলা পরিষদে মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, লালমনিরহাট জেলা পরিষদে এ কে এম মমিনুল হক, পাবনা জেলা পরিষদে মোহাম্মাদ জহুরুল ইসলাম, নড়াইল জেলা পরিষদে মো. মোস্তাফিজুর রহমান আলেক, বরগুনা জেলা পরিষদে মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা, জামালপুর জেলা পরিষদে মো. সিরাজুল হক, মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদে জামিলুর রশিদ খান, নরসিংদী জেলা পরিষদে তোফাজ্জল হোসেন, হবিগঞ্জ জেলা পরিষদে আহমেদ আলী এবং চাঁদপুর জেলা পরিষদে এ কে এম সলিম উল্যা সেলিম।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিয়োগকৃত প্রশাসকগণ জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। তারা বিধি মোতাবেক নির্ধারিত ভাতা পাবেন। জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

Continue Reading

top1

কোভিড প্রকল্পে দুর্নীতি : সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ৬ মামলার সুপারিশ

Published

on

By

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীন কোভিড-১৯ সংক্রান্ত প্রকল্পে ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ছয়টি পৃথক মামলা দায়েরের সুপারিশ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধান দল। এতে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও একাধিক ঠিকাদারসহ মোট ১৩ জনকে আসামি করার সুপারিশ করা হয়েছে। দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়, কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড পেন্ডামিক প্রিপারেডেনস্ প্রকল্পের বিভিন্ন প্যাকেজের আওতায় মালামাল ক্রয় ও সেবা গ্রহণে অনিয়মের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ১২০বি ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করার সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রথম মামলায় সুরক্ষা সামগ্রী (KN95, N95 মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস) ক্রয়ের প্যাকেজে ৩ কোটি ৪৭ লাখ ৯৯ হাজার ১৫০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলায় আসামি করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক ডা. ইকবাল কবীর, ডা. তাহমিনা জোহরা, ADG (Plan & Dev.), অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, জাহিদ মালেক, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী, কাজী শামীমুজ্জামান, Proprietor, jadid automobiles, ডা. মো. শরীফুল হাসান, সহকারী পরিচালক (প্লানিং) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ডা. মো. আনোয়ার সাদাত, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (কো অর্ডিনেশন), প্লানিং, মনিটরিং অ্যান্ড রিসার্চ কর্মসূচি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং ডা. অনির্বান সরকার, মেডিকেল অফিসার (প্লানিং), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা।

দ্বিতীয় মামলায় হাসপাতালের বৈদ্যুতিক বেড ক্রয়ে অনিয়মের মাধ্যমে ১ কোটি ৪৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এই মামলায় আসামি হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক ইকবাল কবির, ডা. তাহমিনা জোহরা, অবসরপ্রাপ্ত, এডিজি (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন), মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, Proprietor, মেসার্স INSHA TRADE CORPORATION. ডা. মো. শরীফুল হাসান, সহকারী পরিচালক (প্লানিং) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ডা. মোহা. আনোয়ার সাদাত, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (কো অর্ডিনেশন), প্লানিং, মনিটরিং অ্যান্ড রিসার্চ কর্মসূচি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং ডা. অনির্বান সরকার, মেডিকেল অফিসার (প্লানিং), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, তৃতীয় মামলায় KN95 মাস্ক ক্রয়ের ক্ষেত্রে ৯৩ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে। এই মামলায় আসামি করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. ইকবাল কবীর, ডা. তাহমিনা জোহরা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, মহাপরিচালক (দায়িত্বে), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, জাহিদ মালেক, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী, মো. সাইফুর রহমান, Proprietor, SRS DESIGN & FASHIN LTD, ডা. মো. শরীফুল হাসান, সহকারী পরিচালক(প্লানিং) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা, ডা. মোহা. আনোয়ার সাদাত, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (কো অর্ডিনেশন), প্লানিং, মনিটরিং অ্যান্ড রিসার্চ কর্মসূচি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং ডা. অনির্বান সরকার, মেডিকেল অফিসার (প্লানিং), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

চতুর্থ মামলায় জনসচেতনতা বিষয়ক টিভিসি প্রচার না করেও বিল দেখিয়ে ৬২ লাখ ৭৩ হাজার ৪৭০ টাকা অতিরিক্ত উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। এই মামলায় আসামি করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. ইকবাল কবীর, ডা. তাহমিনা জোহরা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, মহাপরিচালক (দায়িত্বে), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

পঞ্চম মামলায় চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ের ক্ষেত্রে ২ কোটি ১৬ লাখ ৯৭ হাজার ৬১৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলায় আসামি হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. ইকবাল কবীর, ডা. তাহমিনা জোহরা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, মহাপরিচালক (দায়িত্ব) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মো. মোস্তফা মনোয়ার, ম্যানেজিং পার্টনার, সিম করপোরেশন, ডা. মো. শরীফুল হাসান, সহকারী পরিচালক (প্লানিং) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ডা. মোহা. আনোয়ার সাদাত, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (কো অর্ডিনেশন), প্লানিং, মনিটরিং অ্যান্ড রিসার্চ কর্মসূচি, ডা. অনির্বান সরকার, মেডিকেল অফিসার (প্লানিং), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ষষ্ঠ মামলায় করোনা অ্যাপ ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন সংক্রান্ত সেবা ক্রয়ে ৩ কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা অতিরিক্ত পরিশোধের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলায় আসামি হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. ইকবাল কবীর, ডা. তাহমিনা জোহরা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, মহাপরিচালক (দায়িত্বে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, রইসুল কবির, Proprietor, BRAIN STATION 23 LTD, মো. মোস্তফা মনোয়ার, ম্যানেজিং পার্টনার, সিম করপোরেশন।

অনুসন্ধান টিম তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারণা ও যোগসাজশের মাধ্যমে নির্ধারিত প্রক্রিয়া লঙ্ঘন করে এসব অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। সূত্র জানায়, অনুসন্ধান টিমের দাখিল করা প্রতিবেদনের সুপারিশের ভিত্তিতে ছয়টি পৃথক মামলা দায়েরের জন্য কমিশনের অনুমোদনের উদ্দেশ্যে নথি উপস্থাপন করা হয়েছে। দুদকের পরবর্তী কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে এই মামলাগুলো করা হবে।

Continue Reading

top1

সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার সৌজন্য সাক্ষাৎ

Published

on

By

জাতীয় সংসদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে বেলা ১২টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সহধর্মিণী দিলার হাফিজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে জানাজায় অংশ নেন। জানাজা শেষে দুই নেতা একসঙ্গে হেঁটে সংসদ ভবনের দিকে যাওয়ার সময় ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার আগ্রহ প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিক তাকে সংসদ সচিবালয়ে নিজের কার্যালয়ে আমন্ত্রণ জানান।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, দুই নেতার মধ্যে প্রায় ২০ মিনিটব্যাপী সংক্ষিপ্ত ও হৃদ্যতাপূর্ণ আলোচনা হয়। আলাপ শেষে ডা. শফিকুর রহমান বিদায় নিতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী তাকে নিজ কার্যালয় থেকে খানিকটা পথ এগিয়ে দিয়ে সৌজন্য প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রীর এই শিষ্টাচার ও রাজনৈতিক সৌজন্যবোধ উপস্থিত সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী সবসময়ই যথাযথ সম্মান ও শিষ্টাচার বজায় রাখেন। জাতীয় নির্বাচনের আগে এবং সরকার গঠনের পর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার এই মার্জিত আচরণ সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে। আজকের এই সৌজন্য সাক্ষাৎ তারই একটি প্রতিফলন।”

সাক্ষাৎ শেষে ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ত্যাগ করে নিজ দপ্তরে ফিরে যান।

Continue Reading

Trending