Connect with us

top2

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘লজ্জাহীন পতিতালয়’ মন্তব্যে ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনা

Published

on

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল সংসদের সাহিত্য সম্পাদক ও হল ছাত্রদলের সাহিত্য সম্পাদক রায়হান আহম্মেদ সিব্বির ওরফে সুহৃদ রায়হান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে (ঢাবি) নিয়ে আবমাননাকর মন্তব্য করেছেন। তার মন্তব্যে ঢাবিকে তিনি ব্রোথেল অর্থাৎ পতিতালয়ের সঙ্গে তুলনা করেন। বেশকিছু দিন আগে করা এ মন্তব্য করলেও, সম্প্রতি বিষয়টি ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনা ও তোলপাড় চলছে।

তার ভাষ্য, ‘এটা (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) একটা নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান। মাদ্রাসা, কিন্ডারগার্টেন বললেও কম হবে। এটি পরিণত হইছে একটা লজ্জাহীন ব্রোথেল-এ (পতিতালয়)। এইখানের কাস্টমার এবং রিটেইলার একই কিসিমের।’ যদিও তার দাবি, বক্তব্যে তিনি মেটাফোর ব্যবহার করেছেন। 

বরগুনা-২ (বামনা-পাথরঘাটা-বেতাগী) আসনে জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিয়ে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি শামীম আহসান ডাকসু ও নারীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। এর জেরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ ঘটনার রেশ না কাটতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে গত ৩০ ডিসেম্বর করা এ ছাত্রদল নেতার অবমাননাকর মন্তব্যটি ছড়িয়ে পড়েছে।

জানা গেছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সাবেক চেয়ারম্যান বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর তারিখ নিয়ে ডাকসুর স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মিনহাজ ‘জকসু নির্বাচনকে ভয় পেয়েই কি আজকে ভোরে খালেদা জিয়ার মৃত্যু ঘোষণা?’ শীর্ষক একটি বিতর্কিত ফেসবুক পোস্ট করেন, যেটি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয় এবং এক পর্যায়ে তিনি ক্ষমা চান। এসময় তার পোস্টটি শেয়ার করে এবং প্রতিবাদ জানিয়ে একটি পোস্ট করেন এই ছাত্রদল নেতা রায়হান আহম্মেদ সিব্বির। এতেই তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়কে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন, যা নিয়ে বর্তমানে সমালোচনা হচ্ছে।

৩০ ডিসেম্বর দেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের এ শিক্ষার্থী তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, আমি যদি বলি, ঢাবির ম্যাজোরিটি মূর্খ যারা এদের ভোট দিয়ে জিতাইছে, যাদের মিনিমাম কার্টেসি নাই। ভদ্রতা সমবেদনা নাই। আমি ভুল বলব? না। ঢাবি সময়ের পরিক্রমায় জ্ঞানহীন, বিচক্ষণহীন এক স্কুলে পরিণত হইছে। এইখানে কোন জ্ঞান চাষ হয় না। যা হয়, যতটুকু হয়, সেইটা পপুলিজম, সেইটা কোনমতে পাস করার একটা পথ। একটা নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান। মাদ্রাসা, কিন্ডারগার্টেন বললেও কম হবে। এটি পরিণত হইছে একটা লজ্জাহীন ব্রোথেল-এ (পতিতালয়)। এইখানের কাস্টমার এবং রিটেইলার একই কিসিমের।

এদিকে, তার মন্তব্যের সমালোচনা করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ডাকসুর নির্বাচিত সদস্য মেফতাহুল হোসাইন আল মারুফ ফেসবুকে লেখেন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য,বর্তমানে জিয়া হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক, একই সাথে জিয়া হল সংসদের ছাত্রদল মনোনীত ও নির্বাচিত সাহিত্য সম্পাদক রায়হান আহমেদ শিব্বির ওরফে সুহৃদ রায়হান বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিণত হয়েছে একটি লজ্জাহীন বেশ্যালয়ে (ব্রোথেল)। কারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভোট দিয়ে ছাত্রশিবিরের সমর্থিত প্যানেলকে অধিকাংশ পদগুলোতে বিজয়ী করেছে। শিক্ষার্থীরা এইখানে খদ্দের এবং বিক্রেতা।

মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল সংসদের কার্যনির্বাহী সদস্য শাহেদ হোসাইন ইমন বলেন, তিনি (সুহৃদ রায়হান) সরাসরি ঢাবিকে নিয়ে এমন বাজে মন্তব্যগুলো করেছেন। ঢাবিকে কিন্ডারগার্টেন, বেশ্যাখানা বলে উল্লেখ করেছেন। একই সাথে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন। কদিন আগে জামায়াতের এক নেতা ডাকসুকে বেশ্যাখানা বলে বক্তব্য দেয়। যার ফলশ্রুতিতে তার বিরুদ্ধে ঢাবি প্রশাসন বিবৃতি দেয় এবং জামায়াত তাকে বহিষ্কার করে। এই বক্তব্য যে লিখেছে সে ঢাবির শিক্ষার্থী, ভেবেচিন্তে লিখেছে। জিয়া হল সংসদের একজন সদস্য হিসেবে এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং ঢাবি প্রশাসনের নিকট তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

আমিনুল ইসলাম সোহান ফেসবুকে লেখেন, হেমা চাকমারা এখন চুপ থাকবেন, প্রয়োজনে মায়া কান্না কেঁদে ভিক্টিম কার্ড প্লে করবেন। ঘটনা অন্যদিকে নিয়ে যাবেন। এটাতে হেমা চাকমার কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। হেমারা চুপ থাকবেন কারণ ঢাবিকে ইংরেজিতে ‘বেশ্যাখানা’ বলা ভাইটি ঢাবি ছাত্রদলের পদস্থ নেতা এবং হাসিনা রেজিমে ছিলেন সোশাল সায়েন্স শাখা ছাত্রলীগের পদস্থ নেতা। কুশপুত্তলিকা দাহন হবে কাঠালপাড়ার জামাতের মুরব্বির আর এই বাম সুশিল পদস্থ ভাইটি ‘মাদ্রাসা’কে অবমাননা করেও বেঁচে যাবেন, কারণ তিনি হেমা চাকমার সহযোদ্ধা। ছাত্রলীগের পদ থেকে ছাত্রদলে ম্মুথ ট্রানজিশান হয়েছে এই বাম করার কারণে।

অন্যদিকে, নতুন করে সমালোচনার জবাবে ছাত্রদল নেতা রায়হান গতকাল মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে নিজ অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। এ পোস্টে তিনি লেখেন, ম্যাডামের ডেথ বা অন্য যে কারো মৃত্যু নিয়ে যারা নোংরামি করতে পারে, তাদের সাথে ব্রোথেল ম্যাটাফর জুড়ে দেওয়া বেশি অযৌক্তিক? আমি মনে করি না। এইখানে কোন এক্সকিউজ নাই। শব্দের অলঙ্কার নাই। যারা প্রোপাগাণ্ডা ক্যামপেইন করতেছে, তাদের বলি, ঢাবি আসলেই দিনদিন একটা জ্ঞানহীন বিদ্যাপিঠে পরিণত হইছে। জ্ঞানের চাষ না। ঘৃণার হয়। পপুলিজমের চর্চা হয়। মবোক্রেসির ক্যান্টনমেন্ট হয়। এইটার পরিবেশ তো যে কোন প্রাইমারি স্কুলের চাইলে ভালো। এটাই সত্য। তার উদাহরণ আমারে নিয়া এক মাস আগের ভিন্ন কনটেক্সের একটা ক্যাপশন নিয়া বটঝড়। মিডিয়া ট্রায়াল। এরা ভাত খাইয়াইয়া চুর সন্দেহে মানুষ পিটায়া মারে। বিচার হয় না।

তিনি আরও লেখেন, এরা ভোট দিয়া গান্ডু নির্বাচিত করে, যারা স্লাটমেশিং করে, মৃত্যু নিয়ে মসকারা করে, মোরাল পুলিশিং করে, যারা না বুঝে ইউরেনিয়াম না বুঝে চারুকলা। এরা না বুঝে কবিতা। না বুঝে আর্ট কালচার। একবার নিৎসে সাহেব বলছিলেন, গড ইজ ডেড। তখন যদি ভুলেও শিবিরের রাহবাররা বেঁচে থাকতো, বলতো, নিৎসের গোষ্ঠীকে আজ বারোটা বাজাইয়া দিব। নিৎসে একজন ইসলামোফোব, বাম গোসলহীন মানব। এজন্য বলি, আল্লাহ তুমি তাদের জ্ঞান বাড়াইয়া দিতে সূদুর চীন দেশ প্রেরণ কর।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, চাঁদাবাজির অভিযোগ নাকচ পুলিশের

Published

on

By

ডিজিটাল রিপোর্ট

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় চাঁদাবাজির কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। পুলিশের দাবি, নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

ডিএমপির ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গিয়াস উদ্দিন ইত্তেফাক ডিজিটালকে বলেন, হামলাটি সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওকে লক্ষ্য করে করা হয়নি। নিউ গিনি প্রপার্টিজের মালিক পক্ষের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের বিরোধের কারণে ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

তিনি বলেন, সালমান মুক্তাদিরের কাছে চাঁদা চাওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক কোনো যোগসূত্রও পাওয়া যায়নি। পুরো বিষয়টি প্রপার্টিজের মালিক পক্ষের ব্যক্তিগত বিরোধ বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। স্টুডিওটি ওই প্রপার্টিজের ভেতরে থাকায় ভাঙচুরের সময় সেটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ধারণা পুলিশের।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউ গিনি প্রপার্টিজে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে স্টুডিওর ক্ষয়ক্ষতির ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি।

ভিডিওতে স্টুডিওর চেয়ার, টেবিল, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন আসবাব ও সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় দেখা যায়। কয়েকজন কর্মীকেও সেখানে কান্নারত অবস্থায় দেখা যায়। ভিডিওতে সালমান জানান, হামলায় তার স্টুডিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ঘটনার পর সালমান মুক্তাদির অভিযোগ করেছিলেন, চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে হামলা চালানো হয়েছে। স্টুডিওর সিসি ক্যামেরা, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও আসবাব ভাঙচুরের পাশাপাশি কিছু মালামাল লুটের অভিযোগও ওঠে।

তবে পুলিশের বক্তব্য, হামলার মূল কারণ ছিল নিউ গিনি প্রপার্টিজের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের বিরোধ। চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটেনি বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। আটক তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হামলার সঙ্গে কারা জড়িত এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ কী, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Continue Reading

top2

সব শর্ত মানলেও পারমাণবিক কর্মসূচিতে ছাড় দেবে না ইরান

Published

on

By

অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র নৌ অবরোধ প্রত্যাহারসহ ইরানের অন্যান্য শর্ত মেনে নিলে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়ার বিষয়ে প্রস্তুত তেহরান। তবে ওয়াশিংটন সব প্রস্তাবে সম্মত হলেও পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রয়টার্সকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সব শর্ত পূরণ না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, তেহরানের প্রস্তাব অনুযায়ী কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হতে পারে। তবে এর জন্য সাত দিনের মধ্যে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, জব্দ করা ইরানি অর্থ ছাড় এবং দেশটির তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে তেহরান।

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত নিরসনের আলোচনায় হরমুজ প্রণালি গুরুত্বপূর্ণ দর-কষাকষির বিষয় হয়ে উঠেছে। তেহরান মার্কিন নৌ অবরোধ থেকে মুক্তি চায়। অন্যদিকে ওয়াশিংটন বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চায়। বর্তমানে প্রণালিটি ইরান কার্যত বন্ধ করে রেখেছে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের এক ফাঁকে গত বৃহস্পতিবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর আশা করছেন তিনি। আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই এমন একটি চুক্তি হতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তেহরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের শর্ত মেনে নিলে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় যেতে প্রস্তুত তারা। তবে ইরানের ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা স্পষ্ট করেছেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অধিকার কিংবা উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠানোর মতো বিষয়ে ইরান ছাড় দেবে না। উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠানো যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দাবি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে। তারা ইরানের ইউরেনিয়াম ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ করার বিষয়টিও তুলে ধরে। তবে তেহরান বরাবরই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

Continue Reading

top2

বাংলাদেশ ডিবেটার্স সোসাইটি আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে “বিডিএস ইনভাইটেশনালস ২০২৬”

Published

on

By

আনাস মাহমুদ

বাংলাদেশ ডিবেটার্স সোসাইটি (বিডিএস) কর্তৃক আগামী ২৩-২৪ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো “আন্ত স্কুল-কলেজ” পর্যায়ে আয়োজিত হতে যাচ্ছে “বিডিএস ইনভাইটেশনাল ২০২৬” ডিবেট টুর্নামেন্ট। এশিয়ান পার্লামেন্টরি ঘরনার এই টুর্নামেন্টিতে ২২ টি দলের হয়ে সারা বাংলাদেশের পরিচিত এবং আলোচিত মোট ৬৬ জন বিতার্কিক নিজেদের যুক্তির তীক্ষ্ণতার লড়াইয়ে নামবেন।

এই টুর্নামেন্টে সকল বিতার্কিকদের তিনটি আলাদা Pool-এ বিভক্ত করে প্রত্যেক Pool থেকে একজন বিতার্কিককে নিয়ে দলসমূহ গঠন করা হয়েছে। Pool-A তে আমন্ত্রন জানানো হয়েছে দেশের সুপরিচিত ২২ জন বিতার্কিককে যারা ইতিমধ্যে দক্ষতা এবং বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে নিজেদের অর্জনকে সমাদৃত করেছেন। Pool-B এবং Pool-C তে যোগ্যতা, ব্যক্তিগত অর্জন, এবং আবেদনের ভিত্তিতে ২২ জন করে বিতার্কিককে জায়গা দেয়া হয়েছে। টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী Pool-A এর বিতার্কিকবৃন্দ অকশনের মাধ্যমে Pool-B এবং Pool-C থেকে একজন করে বিতার্কিককে নিজের দলে যুক্ত করতে পারবেন। অর্থাৎ এই টুর্নামেন্টের ২২ টি দলই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার শক্তিমত্তা নিয়ে বিতর্কে নামছেন।

এই টুর্নামেন্টকে ঘিরে বিতর্ক অঙ্গনে বেশ আলোড়ন তৈরী হয়েছে। “আন্ত-স্কুল-কলেজ” এবং “আন্ত বিশ্ববিদ্যালয়” বিতর্ক পদ্ধতির বাইরে গিয়ে স্কুল-কলেজ পর্যায়ে “আমন্ত্রনমূলক” বা “ইনভাইটেশনাল” পদ্ধতিতে বিতর্ক টুর্নামেন্ট আয়োজন এর পূর্বে দেখা যায়নি। এমন টুর্নামেন্টে অংশগ্রহন করতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন বিতার্কিকরা।

বিডিএস এর চেয়ারম্যান জনাব জামান আপেল জানান, “এই টুর্নামেন্টটি বিতর্ক অঙ্গনে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। প্রথমবারের মতো স্কুল-কলেজ পর্যায়ে ইনভাইটেশনাল টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে আমাদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে। এর মাধ্যমে জুনিয়র বিতার্কিকরা নিজেদের আরো শানিত করতে পারবে এবং বৃহৎ স্কেলে নিজেদের প্রমান করার সুযোগ তৈরী হবে। আমরা বিশ্বাস করি, আজকের একজন যুক্তিবাদী বিতার্কিকই আগামী দিনের সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।”

বিডিএস এর ডেপুটি চেয়ারম্যান সৌমিত্র রক্ষিত বলেন, “যুক্তির আলোয় অন্ধকার ভেদ করার নামই বিতর্ক। বিডিএস নিজেদের প্রথম বছরেই একটি ব্যতিক্রমী টুর্নামেন্ট নিয়ে হাজির হয়েছে, এবং এই ধারা চলমান থাকবে। আমরা চাই, প্রতিটি বিতার্কিক যুক্তির শক্তিতে নিজেকে প্রকাশ করুক, ভিন্নমতকে গ্রহণ করতে শিখুক এবং সমাজকে দেখুক আরও গভীর ও প্রশ্নমুখী দৃষ্টিতে। এই টুর্নামেন্ট থেকে জন্ম নিক অসংখ্য চিন্তার স্ফুলিঙ্গ, তৈরি হোক আগামী দিনের যুক্তিবাদী নেতৃত্ব।”

উল্লেখ্য যে, এই টুর্নামেন্টে ৪০ জন বিচারক নিজেদের দক্ষ বিচারকার্য পরিচালনার অভিজ্ঞতা দ্বারা টুর্নামেন্টকে পথ দেখাবেন এবং সকল সমস্যা ত্বরিত সমাধানের জন্য অরগানাইজিং টিম পাশে থাকবে। টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হবে অনলাইনে।

Continue Reading

Trending