Connect with us

জাতীয়

ঢাকা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা পেছানোর দাবি নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

Published

on

ভারি বৃষ্টি ও বৈরি আবহাওয়ার কারণে ঢাকা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন কিছু শিক্ষার্থী। এ বিষয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘আজকে আমরা গভীর পর্যবেক্ষণে আছি এবং কিছুক্ষণের মধ্যে আবারও বসবো। চেষ্টা করব কীভাবে এই সমস্যার সমাধান করা যায়।’

তিনি বলেন, ‘আমরা লেটেস্ট ওয়েদার রিপোর্ট এখনো পাইনি। এটার জন্যই অপেক্ষা করছি। কারণ, ঢাকাতেও ভারি বৃষ্টি বর্ষণ হয়েছে। কিছুক্ষণ আগেও বিষয়গুলো নিয়ে উপদেষ্টা এবং সচিবের সঙ্গে আলোচনা করছিলাম।’

রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

মন্ত্রী বলেন, ‘৬৪ জেলার ডিসি এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ড চেয়ারম্যানদের সঙ্গে কথা বলে কোথায় কি হচ্ছে না হচ্ছে সেগুলো মনিটরিং করে আমরা পরীক্ষা নেওয়া না নেওয়ার সিদ্ধান্তগুলো নিচ্ছি। শিডিউলগুলো নিয়মিত আপডেট করছি এবং যে সব পরীক্ষাগুলো পিছিয়ে যাবে; সে পরীক্ষাগুলো নেওয়ার পরিকল্পনা করছি।’

তিনি আরও জানান, ‘কোথাও পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে তা স্থগিত করা হবে। পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।’ 

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

‘পাকিস্তান ভাঙতে চাননি শেখ মুজিব, তাই স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি’

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক:

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, ১৯৭১ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের লক্ষ্য পাকিস্তানকে ভেঙে দেওয়া ছিল না। সে কারণেই ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযান শুরুর আগে তাজউদ্দিন আহমেদের অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি।

শনিবার (১১ জুলাই) ‘রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)’ আয়োজিত ‘দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন বলেন, তাজউদ্দিন আহমেদ শেখ মুজিবুর রহমানকে জানিয়েছিলেন যে পাকিস্তানি বাহিনী আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং জনগণ স্বাধীনতা চায়। কিন্তু শেখ মুজিব নাকি তখন বলেছিলেন, তিনি বিচ্ছিন্নতাবাদী হতে চান না এবং পাকিস্তান ভাঙার সঙ্গে নিজের নাম জড়াক—সেটিও তিনি চান না। এ কারণেই তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি।

তিনি দাবি করেন, পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা ও দমন-পীড়নের মুখে যখন দেশবাসী দিশেহারা হয়ে পড়েছিল, তখন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট প্রতিরোধ গড়ে তোলে। একই সময়ে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে মানুষকে সাহস ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল। তার ভাষায়, এটিই প্রকৃত ইতিহাস।

স্পিকার আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ কোনো একক রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না; এটি ছিল সমগ্র জনগণের মুক্তির সংগ্রাম। স্বাধীনতার পর একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী ইতিহাস বিকৃত করে শুধু ৭ মার্চের ভাষণের ওপর ভিত্তি করে স্বাধীনতার কৃতিত্ব নেওয়ার চেষ্টা করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

রাজনীতিবিদদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, অন্যের অবদান নিজেদের নামে নেওয়ার প্রবণতা রাজনীতিতে প্রায়ই দেখা যায় এবং অনেকেই নিজের দলের নেতার বাইরে অন্য কাউকে কৃতিত্ব দিতে চান না।

ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ভূমিকা তুলে ধরে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন বলেন, সে সময় পূর্ব পাকিস্তানে রেজিমেন্টটির মাত্র পাঁচটি ব্যাটালিয়ন ছিল। বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্টে তারা পূর্বপরিকল্পনা ছাড়াই পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে এবং সাধারণ মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানায়। তার মতে, এই প্রতিরোধই পরবর্তী নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি তৈরি করেছিল।

নিজের সেনাজীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, মূলত ফুটবলের প্রতি আগ্রহ থেকেই তিনি সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। পরে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমানের উৎসাহে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি জিয়াউর রহমান, মেজর আব্দুল গনি এবং ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকারী ব্রিগেডিয়ার মাহমুদুর রহমান মজুমদারের অবদানের কথাও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

বক্তব্যের শেষাংশে তিনি সেনাবাহিনীতে কর্মকর্তা ও সৈনিকদের পারস্পরিক আস্থা ও ঐতিহ্যবাহী সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার আহ্বান জানান।

Continue Reading

top2

‘আমার মাথায় হেলথ নেই, উনি আছেন’—স্ত্রীকে দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক:

ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’-এর অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য খাত নিয়ে প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে হাস্যরসাত্মক মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশে বসে থাকা তার সহধর্মিণী ও চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমানকে দেখিয়ে দেওয়া সেই মন্তব্যে উপস্থিত চিকিৎসক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাসির রোল পড়ে যায়।

শনিবার (১১ জুলাই) উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে কলেজ অডিটোরিয়ামে ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়নে ডিএমসিয়ানদের ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন এবং উপস্থিতদের প্রশ্নের উত্তর দেন।

আলোচনার একপর্যায়ে একজন অংশগ্রহণকারী প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্বাস্থ্য খাত নিয়ে তার পরিকল্পনা জানতে চান। জবাবে প্রধানমন্ত্রী পাশে বসে থাকা ডা. জুবাইদা রহমানের দিকে ইঙ্গিত করে হেসে বলেন, ‘আমার মাথায় হেলথ নেই, উনি আছেন।’

প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যে অডিটোরিয়ামে উপস্থিত সবাই হাসিতে ফেটে পড়েন। পরে প্রশ্নকারী বলেন, ডা. জুবাইদা রহমান যেহেতু প্রধানমন্ত্রীর পাশে রয়েছেন, তিনি যদি স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে উদ্যোগ নেন, তাহলে সেটি সবার জন্য গর্বের বিষয় হবে।

এর আগে শনিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে পৌঁছে শহীদ মিলন চত্বরে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’-এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠান শেষে তিনি ক্যাম্পাসে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।

Continue Reading

top3

পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে আপিল বিভাগের রায় বৃহস্পতিবার

Published

on

By

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে বহুল আলোচিত মামলায় আপিল বিভাগের রায় বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঘোষণা করা হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ পঞ্চদশ সংশোধনীর কয়েকটি বিধান অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের শুনানি শেষে বুধবার (৮ জুলাই) রায়ের এ দিন ধার্য করেন সর্বোচ্চ আদালত।

প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ টানা তিন দিনের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য বৃহস্পতিবার দিন নির্ধারণ করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। রিটকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া এবং জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।

এর আগে গত বছরের ১৩ নভেম্বর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর কয়েকটি বিধান অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের অনুমতি দেন আপিল বিভাগ। ওই আদেশ দেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।

গত বছরের ৩ নভেম্বর রিটকারী ও সুজনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া লিভ টু আপিল দায়ের করেন। আপিলে পঞ্চদশ সংশোধনীর পুরো আইন বাতিলের আবেদন জানানো হয়।

এর আগে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনীর ২০ ও ২১ অনুচ্ছেদসহ কয়েকটি বিধান সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করে বাতিল করেন। একই সঙ্গে সংবিধানে গণভোটের বিধান পুনর্বহাল করা হয়। তবে আদালত পঞ্চদশ সংশোধনী পুরোপুরি বাতিল করেননি।

রায়ে হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণ দেন, গণতন্ত্র সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অংশ এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে তা বিকশিত হয়। আদালতের মতে, দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত বিগত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেনি এবং সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে জনগণের আস্থার সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

এছাড়া রায়ে সংবিধানের ৭ক, ৭খ ও ৪৪(২) অনুচ্ছেদও বাতিল ঘোষণা করা হয়। আদালত বলেন, গণভোটসংক্রান্ত বিধান বাতিল করে পঞ্চদশ সংশোধনীর ৪৭ ধারার মাধ্যমে সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে অসামঞ্জস্য সৃষ্টি হয়েছে। ফলে সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের বিধান পুনর্বহাল করা হয়।

তবে হাইকোর্ট রায়ে উল্লেখ করেন, পঞ্চদশ সংশোধনীর অন্যান্য বিধান বহাল থাকবে এবং ভবিষ্যতে জাতীয় সংসদ প্রয়োজন হলে আইন অনুযায়ী জনগণের মতামত নিয়ে সেগুলো সংশোধন, পরিমার্জন বা পরিবর্তন করতে পারবে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয়। এর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত করা হয়, শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয় এবং নারী সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৫০ করা হয়।

Continue Reading

Trending