Connect with us

top1

দক্ষিণ ইরানে মার্কিন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বেসামরিক স্থাপনা

Published

on

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

টানা ষষ্ঠ রাতের মতো দক্ষিণ ইরানে বড় ধরনের হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, হামলায় বন্দর আব্বাসের বিদ্যুৎ স্থাপনা, রেলস্টেশনসহ একাধিক বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে

শুক্রবার (১৭ জুলাই) ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে দেশটির স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

বন্দর আব্বাসের কর্মকর্তাদের দাবি, হামলায় গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে হতাহত বা ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা বাহরাইনে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটির বিমান লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

একই সময়ে কুয়েতের সেনাবাহিনী জানায়, সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মোকাবিলায় তারা প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা জোরদার করেছে।

এদিকে ইরানের সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র বলেছেন, চলমান সংঘাতের পর হরমুজ প্রণালি আর আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানের ওপর আরোপিত অবরোধ কার্যকর করতে ওমান উপসাগরে একটি জাহাজে অভিযান চালিয়ে সেখানে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ পরিবারকে নতুন ঘর দেবেন প্রধানমন্ত্রী

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার সাম্প্রতিক বন্যায় গৃহহীন হয়ে পড়া ১০০ পরিবারের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী রোববার (৯ আগস্ট) কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সফরের অংশ হিসেবে বাঁশখালীতে আয়োজিত এক সমাবেশে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছে ঘরগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করার কথা রয়েছে।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, স্থানীয় সরকার বিভাগের অর্থায়নে নির্মিত ঘরগুলোর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নির্ধারিত সময়েই সেগুলো হস্তান্তর করা হবে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বাঁশখালী পৌরসভা ও উপজেলার নয়টি ইউনিয়ন থেকে বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এবং নতুন করে ঘর নির্মাণের সামর্থ্য নেই—এমন ১০০টি পরিবারকে বাছাই করা হয়েছে।

প্রতিটি ঘর ১৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১২ ফুট প্রস্থের। এতে দুটি কক্ষ ও একটি সংযুক্ত শৌচাগার রয়েছে। বন্যাসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আরসিসি পিলার, কাঠ ও টিন ব্যবহার করে দুর্যোগ-সহনীয় নকশায় ঘরগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে।

সরকারি উদ্যোগে নতুন ঘর পাওয়ার খবরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দ ফিরে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে ঘরের চাবি তুলে দেবেন—এমন প্রত্যাশায় তারা অপেক্ষা করছেন।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে বাঁশখালীর বাহারছড়া সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন অনুষ্ঠানস্থলে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা অনুষ্ঠানস্থল, মঞ্চ, প্যান্ডেল, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং নির্মাণাধীন ঘরগুলো পরিদর্শন করেছেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সার্বিক প্রস্তুতি দ্রুত এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে নির্মাণাধীন ঘরগুলোর মান ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব কাজ সম্পন্ন করা যায়।

Continue Reading

top1

ঢাকায় মহাসমাবেশসহ লং মার্চের ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের

Published

on

By

অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, সকল গণহত্যার বিচার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ এবং বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাস সংকট নিরসনের দাবিতে বৃহত্তর গণআন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকায় মহাসমাবেশ ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লং মার্চের ঘোষণা দিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর গুলিস্তান মুক্তাঙ্গনে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

কর্মসূচি ঘোষণা করে শফিকুর রহমান জানান, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ২ অক্টোবর খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া হয়ে এবং ২৪ অক্টোবর সিলেট অভিমুখে লং মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।

সিলেটে রেলপথে যাত্রার সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সড়কপথের দুরবস্থার কারণে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ এড়াতেই রেলপথ বেছে নেওয়া হয়েছে।’

এছাড়া আগামী ১৪ নভেম্বর রাজধানীতে সারা দেশ থেকে মানুষকে নিয়ে একটি মহাসমাবেশেরও ঘোষণা দেন বিরোধীদলীয় নেতা। এদিন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মানুষকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান শফিকুর রহমান।

জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশ ও জনগণের স্বার্থে ঘোষিত এসব কর্মসূচি সফল করতে সর্বস্তরের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছে ১১ দলীয় ঐক্য।

Continue Reading

top1

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা, ভোটগ্রহণ ২০ আগস্ট

Published

on

By

দেশের ২৪তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ তপশিল ঘোষণা করেন। ঘোষণা অনুযায়ী, নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে ২০ আগস্ট। মনোনয়নপত্র দাখিল ১৩ ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৮ আগস্ট।

এর আগে ত্রয়োদশ সংসদের সদস্যদের নাম সংবলিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠায় সংসদ সচিবালয়। ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, কমিশন আজ ভোটার তালিকা পেয়েছে। সংসদ থেকে এ তালিকা পাঠানো হয়েছে।

গত ২১ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। সংবিধানের ক্ষমতাবলে, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান আছে।

কীভাবে নির্বাচিত হবেন নতুন রাষ্ট্রপতি
গণভোটে অনুমোদিত জুলাই জাতীয় সনদে প্রস্তাব করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন সংসদের উভয় কক্ষের সদস্যদের (এমপি) গোপন ভোটে। বর্তমান ব্যবস্থায় ৩৫০ জন এমপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেন। ফলে এমপিরা দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিতে পারেন না। বিদ্যমান ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে ভোট দিলে এমপি পদ বাতিল হবে।

এ নিয়মের কারণে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীর রাষ্ট্রপতি হওয়া অবধারিত। বাংলাদেশে সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছে একবারই- ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর। ওই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। জামায়াতে ইসলামীর ১৮ এমপি তাঁকে ভোট দেন। আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী ৯২ ভোট পান। পরের সাতটি নির্বাচনে সরকারি দলের প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার জয় ঠেকাতে জুলাই সনদে প্রস্তাব করা হয়, এমপিদের গোপন ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। যে ৩০টি সংস্কার প্রস্তাবে কোনো দলেরই নোট অব ডিসেন্ট ছিল না, এর একটি এই প্রস্তাব। তবে এখনও সংবিধান সংশোধন না হওয়ায় এই প্রস্তাব কার্যকর হয়নি। আবার সংসদের উচ্চকক্ষও গঠিত হয়নি সংবিধান সংশোধন না হওয়ায়। যদিও বিএনপির রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফায় ৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তনের কথা বলা আছে, যাতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের প্রার্থীকে ভোট দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। 

প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে জুলাই সনদে ছয় প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের একক ক্ষমতা রাষ্ট্রপতিকে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। এতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়াই মানবাধিকার কমিশন, তথ্য কমিশন, প্রেস কাউন্সিল, আইন কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিয়োগ দিতে পারবেন রাষ্ট্রপতি। বিএনপি এ প্রস্তাবের একাংশে নোট অব ডিসেন্ট দেয়। দলটি রাষ্ট্রপতিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে নিয়োগের ক্ষমতা দিতে রাজি হয়নি। গণভোটে অনুমোদিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশে যে ৯টি সংস্কার প্রস্তাবে নোট অব ডিসেন্ট অনুযায়ী সংস্কারের কথা বলা হয়েছে, এর একটি এটি। 

Continue Reading

Trending