Connect with us

top3

নতুন প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে অফিস করবেন বুধবার

Published

on

বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা। শপথ নিয়েছেন বিএনপি নেতৃত্বাধীন দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ এবং নতুন মন্ত্রিসভার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম কর্মদিবসেই ব্যস্ত সময় পার করবেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। বুধবার সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু করবেন নতুন সরকার।

সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম কার্যদিবস অতিবাহিত করবেন তারেক রহমান। এদিন তিনি মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের সঙ্গে বিশেষ বৈঠক এবং সরকারের শীর্ষ আমলাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি দুপুর সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ে পৌঁছাবেন। সেখানে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ করা দপ্তরে তিনি প্রথম অফিস করবেন। সচিবালয়ে প্রথম দিন প্রধানমন্ত্রী একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সভায় অংশ নেবেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর শুরুতেই তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হবেন এবং সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন।

বুধবার সচিবালয়ে মধ্যাহ্নভোজ শেষে বেলা ৩টায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে বিশেষ বৈঠকে বসবেন তিনি। যদিও এই বৈঠকের কোনো সুনির্দিষ্ট এজেন্ডা রাখা হয়নি, তবে এটি হবে নতুন সরকারের প্রথম আনুষ্ঠানিক নীতি-নির্ধারণী আলোচনা।

অপরদিকে বিকেল ৪টায় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হবেন প্রধানমন্ত্রী। আমলাতন্ত্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এই সভায় তিনি নতুন সরকারের অগ্রাধিকার ও জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে দিকনির্দেশনা দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯৭ আসনের ফল গেজেট আকারে ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপি আসন পেয়েছে ২০৯টি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী; ৬৮টি। বাকি আসনগুলোতে বিভিন্ন জোট, দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থিরা জয় পেয়েছেন। এবারের নির্বাচনে বিজয়ীদের মধ্যে প্রায় ১৫০ জন এর আগে কখনো সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হননি।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ইবিতে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় হল কর্তৃপক্ষের তদন্ত কমিটি

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শহীদ জিয়াউর রহমান হলে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হল কর্তৃপক্ষ।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) শহীদ জিয়াউর রহমান হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. সেলিম রেজা স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, শহীদ জিয়াউর রহমান হলে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে দুইটায় হলের ২জন আবাসিক শিক্ষার্থীর মধ্যে সংগঠিত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য অত্র হলের আবাসিক শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম তালুকদারকে আগামী ৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের করতে বলা হলো।

এদিকে একইদিনে ঘটনার তথ্য চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তিও দিয়েছে হল কর্তৃপক্ষ। এতে বলা হয়, কারো কাছে কোনো তথ্য থাকলে তা লিখিতভাবে ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে মীর মশাররফ হোসেন ভবনের ১০৯ নম্বর কক্ষে জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়। তথ্য সত্য, নিরপেক্ষ ও যথাসম্ভব বিস্তারিতভাবে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় ও দেওয়া তথ্যের সর্বোচ্চ গোপনীয়তা রক্ষার কথা বলা হয়েছে। প্রয়োজনে তথ্যদাতার সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ বা আলোচনার জন্য নাম ও মোবাইল নম্বর দেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। আরও বলা হয়, প্রয়োজনে তদন্ত কমিটি তথ্য প্রদানকারীর সাথে সাক্ষাৎ বা আলোচনা করে অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহ করতে পারে।

প্রসঙ্গত, গতকাল (শনিবার) দুপুরে শহীদ জিয়াউর রহমান হলে ছাত্রদল নেতা আলিনূর রহমান বাঁধন কর্তৃক ছাত্রশিবির নেতা কাজী জুহায়েরকে থাপ্পড়ের ঘটনায় উত্তাল হয় ক্যাম্পাস। হলেই এক দফা হট্টগোলের পরে ছাত্রশিবির জিয়া মোড়ে এবং ছাত্রদল মেইন গেটে অবস্থান নেয়। এসময় উভয় দলের হাতে লাঠিসোঁটা দেখা যায়। এদিকে ছাত্রদলের মিছিলে আসা বহিরাগত অনেককে হাতে রামদা, কিরিচ, চাপাতি-সহ দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিতে দেখা যায়। গভীর রাত পর্যন্ত উত্তেজনার পরে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটে পুলিশের অবস্থান দেখা যায়। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা জোরদারে বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞাও দিয়েছে ইবি প্রশাসন।

Continue Reading

top3

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘রবীন্দ্র-নজরুল বিষয়ক সেমিনার’ অনুষ্ঠিত

Published

on

By

মাফিদুল হাসান, ববি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে ‘রবীন্দ্র-নজরুল বিষয়ক সেমিনার’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কীর্তনখোলা হলে বাংলা বিভাগের আয়োজনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান ড. শারমিন আক্তারের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মামুন অর রশিদ।

সেমিনারে ‘রবীন্দ্রনাথ ও রবীন্দ্র সাহিত্যের প্রাসঙ্গিকতা’ বিষয়ে মূল্যবান আলোচনা উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. ভীষ্মদেব চৌধুরী। এছাড়া ‘নজরুল মানস ও নজরুলবিশ্বে বাংলাদেশ’ বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নজরুল গবেষক ও প্রাবন্ধিক, কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন নির্বাহী পরিচালক এ এফ এম হায়াতুল্লাহ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন ড. মোহাম্মদ আবদুল বাতেন চৌধুরী। সেমিনারে বক্তারা বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের অসামান্য অবদান, সাহিত্যচিন্তা, মানবতাবাদ, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার দিকগুলো বিশ্লেষণ করেন এবং সমকালীন সমাজে তাঁদের দর্শনের প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মামুন অর রশিদ বলেন, “বাংলা আমাদের মাতৃভাষা হলেও সাহিত্য ও সংস্কৃতির জগতে সবার বিচরণ সমান নয়। তবে সাহিত্য মানুষের চিন্তা ও জীবন পরিবর্তনের শক্তি রাখে।” নজরুল ও রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যকর্ম মানবতা, শোষিত-বঞ্চিত মানুষের অধিকার এবং মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “তাঁদের লেখনি আমাদের জন্য আজও পাথেয় হয়ে আছে। তাঁদের একটি লেখা যেমন একজন মানুষের জীবন পরিবর্তন করতে পারে, তেমনি একটি প্রজন্মকেও পরিবর্তনের পথে এগিয়ে নিতে পারে।”

উক্ত সেমিনারে বাংলা বিভাগসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

top3

শাবিপ্রবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রদল নেতার বহিরাগতের নিয়ে হলে শোডাউন

Published

on

By

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকা ছাত্রদলের এক নেতা বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে শোডাউন দিয়েছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেদের আবাসিক হল ও ক্যাম্পাসে প্রধান সড়কে এ রাজনৈতিক শোডাউন করেন বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা।

এসময় তারা ১২ থেকে ১৫টি মোটরসাইকেল নিয়ে প্রায় ৩০ জনের মত বহিরাগতদের একটি দল ছাত্রদলের স্লোগানে এ কর্মসূচি করেন।

গত দেড় মাসে আগে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে আগামী দুই বছরের জন্য সব ধরনের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ হওয়া ছাত্রদলের বহিষ্কৃত নেতা হাসিবুর রহমানের নেতৃত্বে এ শোডাউন হয় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী ও নিরাপত্তাকর্মীরা। একই সাথে তাকে ( হাসিব)
আগামী দুই বছরের জন্য ক্যাম্পাসে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আদেশ জারি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

অভিযুক্ত হাসিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক (বহিষ্কৃত) ছিলেন।

এ সময় তারা ‘জিয়ার সৈনিক এক হও, লড়াই কর’, ‘কে বলে রে জিয়া নাই, জিয়া সারা বাংলায়’ এবং ‘এক জিয়া লোকান্তরে, লক্ষ জিয়া ঘরে ঘরে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। তবে শোডাউনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের অধিকাংশকেই বহিরাগত বলে মনে করছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

অভিযোগের বিষয়ে হাসিবুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায় নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও তার ক্যাম্পাসে প্রবেশের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মুখলেসুর রহমান বলেন, “যদি এটা করে থাকে, তাহলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আবাসিক হলে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ থাকার পরও শোডাউন করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “হলের বাইরে শোডাউন দেওয়া নিষিদ্ধ নয়। তবে যদি হলের ভেতরে কিংবা সামনে করে থাকে, তাহলে বিষয়টি যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য গত বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে ছাত্ররাজনীতি, শোডাউন, মিছিল ও সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ রেখে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি চালুর সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

Continue Reading

Trending