Connect with us

জাতীয়

‘না’ ভোট জিতেছে যে চারটি আসনে

Published

on

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একইদিনে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যমতে গণভোটে ‘না’ জয়ী হয়েছে চারটি আসনে। আসনগুলো হলো- বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম-১৩।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের ফলাফল শিট থেকে এমন তথ্য জানা গেছে। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

ইসি জানিয়েছে, বান্দরবানে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৭১ হাজার ৪১৭টি, ‘না’ ভোট পড়েছে ৯০ হাজার ১৫৬টি। মোট ভোটার ৩ লাখ ১৫ হাজার ৪২২ জন। চট্টগ্রাম-১৩ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৮০ হাজার ৫৮০টি। বিপরীতে ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২৪ হাজার ৬২৯টি। মোট ভোটার ৩ লাখ ৯৫ হাজার ২৪৬ জন। রাঙামাটিতে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৭১ হাজার ৬৯৯টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮০৫টি। মোট ভোটার ৫ লাখ ৯ হাজার ২৬৭ জন। এ ছাড়া খাগড়াছড়িতে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৫৫টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৯৪২টি। মোট ভোটার ৫ লাখ ৫৪ হাজার ১১৩ জন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

রোববার থেকে শুরু হবে হামের টিকাদান কর্মসূচি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Published

on

By

দেশে হাম পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেওয়ায় আগামী রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে উপজেলা পর্যায়ে রোগটির টিকাদান কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে সরকার।

বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, বেশি আক্রান্ত এলাকায় আগে টিকা দেওয়া হবে। আগামী দুই দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকায় টিকা পৌঁছে যাবে। স্বাস্থ্যকর্মীদের সবধরনের ছুটি বাতিল করেছে সরকার।

সম্প্রতি দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ—এই ছয় জেলায় হাম বেশি ছড়িয়েছে। ইতোমধ্যে সাত শতাধিক মানুষ হামে আক্রান্ত হয়েছে। মারা গেছে পঞ্চাশের বেশি।

হামের টিকাদানে অন্তর্বর্তী সরকারের গাফিলতি ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন বিলম্ব না করে সরকারের ত্বরিত কর্মসূচি হাতে নেওয়া উচিত। গুরুত্ব না দিলে হাম ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি আছে। একজন রোগী ১৬ থেকে ১৮ জনের মধ্যে হাম ছড়াতে পারে।

দেশে হামের টিকা শিশুদের সাধারণত দুইভাবে দেওয়া হয়। দেশের প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টিকাকেন্দ্রে নিয়মিত এই টিকা দেওয়া হয়। গ্রামাঞ্চলে সরকারের মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীরা এই টিকা দেন। সিটি করপোরেশন ও অন্যান্য শহর এলাকায় এই টিকা দেন সিটি করপোরেশনের টিকা কর্মীরা (ভ্যাকসিনেটর) এবং এনজিও কর্মীরা।

এর বাইরে কয়েক বছর পরপর জাতীয় ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে দেশব্যাপী কয়েক দিনের মধ্যে সব শিশুকে টিকা দেওয়া হয়। নিয়মিত কর্মসূচিতে ৯ মাস বয়সী শিশুকে হামের টিকার প্রথম ডোজ এবং ১৫ মাস বয়সী শিশুকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়। জাতীয় ক্যাম্পেইনের সময় ৯ মাস বয়স থেকে শুরু করে ১০ বছর বয়স পর্যন্ত সব শিশুকে টিকা দেওয়া হয়। দেশে সর্বশেষ জাতীয় ক্যাম্পেইন হয়েছিল ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে।

Continue Reading

top1

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাসের সিদ্ধান্ত

Published

on

By

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের কারণে পড়াশোনার গতি সচল রাখতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এখন থেকে সপ্তাহে তিন দিন হবে অনলাইনে এবং বাকি তিন দিন সরাসরি শ্রেণিকক্ষে ক্লাস হবে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে হওয়া এক যৌথসভায় এ সিদ্ধান্ত নেন। যে কোনো সময় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সপ্তাহে মোট ছয় দিন ক্লাস হবে। এর মধ্যে তিন দিন শিক্ষার্থীরা সরাসরি (অফলাইন) স্কুলে উপস্থিত হয়ে ক্লাস করবে এবং বাকি তিন দিন ইন্টারনেটের মাধ্যমে (অনলাইন) পাঠদান চলবে। ক্লাসের দিন নির্ধারণে জোড়-বিজোড় তারিখ বা রোল নম্বর পদ্ধতি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তবে অনলাইন ক্লাসের দিনগুলোতেও শিক্ষকদের সশরীরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সেখান থেকেই পাঠদান পরিচালনা করতে হবে। বিজ্ঞানসহ অন্যান্য বিষয়ের ব্যবহারিক বা প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসগুলো অবশ্যই অফলাইনে ল্যাবে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দীর্ঘ ছুটির কারণে শিক্ষার্থীদের যে শিখন ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা পুষিয়ে নিতেই সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত। তবে জ্বালানি সংকট ঘনীভূত হওয়ায় যাতায়াত ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে তিন দিন অনলাইন মাধ্যমকে বেছে নেওয়া হয়েছে। আপাতত এটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে।

রমজান, ঈদ ও বিশেষ ছুটি মিলিয়ে দীর্ঘ ৪০ দিন পর গত রোববার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেও প্রথম দিনে উপস্থিতির হার ছিল আশঙ্কাজনকভাবে কম। বিশেষ করে ধানমন্ডি, গুলশান ও উত্তরার মতো অভিজাত এলাকার স্কুলগুলোতে, যেখানে শিক্ষার্থীরা ব্যক্তিগত গাড়িতে যাতায়াত করে, সেখানে উপস্থিতি ছিল বেশ হতাশাজনক।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাজেদা খাতুন জানিয়েছেন, জ্বালানি সংকটে গাড়ি বের করতে না পেরে অনেক অভিভাবক আগেই স্কুল কর্তৃপক্ষকে ছুটির কথা জানিয়েছিলেন।

ঈদের ছুটি শেষে স্কুল খোলার পর পরিস্থিতি সামলাতে তিনটি বিকল্প পরিকল্পনা রাখে সরকার। এক- সংকট তীব্র হলে পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ক্লাস, দুই- সরাসরি ও অনলাইন—উভয় মাধ্যম খোলা রাখা (হাইব্রিড) এবং সমন্বিত রুটিনের মাধ্যমে সপ্তাহের দিনগুলো ভাগ করে ক্লাস নেওয়া।

মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক বি এম হান্নান জানান, শিক্ষামন্ত্রী সভাপতিত্বে সভায় এখন থেকে হাইব্রিড পদ্ধতিতে শিক্ষাক্রম পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনও সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানান যে, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় অনলাইন ও অফলাইন—উভয় মাধ্যমকে সমন্বিত করার চিন্তাভাবনা করছে সরকার।

Continue Reading

জাতীয়

৫৫ শতাংশ মানুষ চাচ্ছে অনলাইনে ক্লাস, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার: শিক্ষামন্ত্রী

Published

on

By

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, ইতিমধ্যে আমি পরিসংখ্যান করেছি ৫৫ শতাংশ মানুষ চাচ্ছে যেন অনলাইনে ক্লাস যায়। আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে। সেখানে আলোচনা হবে তারপর সিদ্ধান্ত আসবে।

আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি তেল সংকটের সময় স্কুল পর্যায়ে ক্লাস নিয়ে দুই ব্যবস্থা নিয়েই আলোচনা চলছে।’

তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমি পরিসংখ্যান করেছি ৫৫ শতাংশ মানুষ চাচ্ছে যেন অনলাইনে ক্লাস যায়। কিন্তু সম্পূর্ণ অনলাইনে যদি যায় তাহলে আমরা আবার অসামাজিক হয়ে যাব।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে স্কুল পর্যায়ে অনলাইন-সশরীরে এই দুই ব্যবস্থা সমন্বয়ে ক্লাস বিষয়ে আলোচনা চলছে।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে।’

Continue Reading

Trending