Connect with us

top1

ভর্তি পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় ইবি ছাত্রদলের ‘হেল্প ডেস্ক’

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) বিশ্ববিদ্যালয়-সমূহের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ‘বি’ ইউনিটের ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সহায়তায় হেল্প ডেস্ক স্থাপন করেছে শাখা ছাত্রদল। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে স্থাপিত এই ডেস্কের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছা সহ বিভিন্ন সহযোগিতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

এদিন হেল্প ডেস্কে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ডেস্ক থেকে পরীক্ষার্থীদের মাঝে কলম, সুপেয় পানি এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এসময় সেখানে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ, সদস্য সচিব মাসুদ রুমি মিথুন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ, যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান হাবিব, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নুর উদ্দিন ও রাফিজ আহমেদসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সার্বিক কার্যক্রমের বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ বলেন, ‘২০২৫-২৬ সেশনের ভর্তি পরীক্ষার নেতৃত্ব দিচ্ছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। আজকের ভর্তি কার্যক্রমকে সহজতর করার জন্য আমরা এখানে অভিভাবক কর্নার করেছি। যেখানে অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আমরা সুপেয় পানি, প্রাথমিক ওষুধ এবং কলমের ব্যবস্থা করেছি। আমরা চাই একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সুশৃঙ্খলভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার আজকের কার্যক্রম যেন সমাপ্ত হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আমাদের দেশে একটি সুন্দর শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষিত জাতি দেখতে চাই। আর এর জন্য প্রয়োজন নকলমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে শিক্ষামন্ত্রী এমনই একটি নকলমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলবেন।’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

কলেজে ঢুকে শিক্ষিকাকে জুতাপেটা করলেন বিএনপি নেতা

Published

on

By

রাজশাহীর দুর্গাপুরে দাওকান্দি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ঢুকে এক শিক্ষিকাকে জুতাপেটা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা আকবর আলীর বিরুদ্ধে। এসময় কলেজে ভাঙচুর ও অন্য শিক্ষককেও মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় অন্য বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কলেজের অধ্যক্ষ ও নারী শিক্ষকসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।

পরীক্ষাকেন্দ্র হওয়ায় কলেজ ও আশপাশের ১০০ গজ এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি ছিল এবং সকাল থেকেই পুলিশ মোতায়েন ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বলেন, দুপুরের দিকে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাকের কক্ষে গিয়ে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়ান। বিশেষ করে আগের অধ্যক্ষের সময়ে কলেজের আয়-ব্যায়ের হিসাব চান তারা। এ নিয়ে তাদের মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।

এক পর্যায়ে তারা প্রভাষক আলেয়া খাতুন হীরাকে মারধর করেন। এর কিছুক্ষণ পর বিএনপির নেতাকর্মীরা গিয়ে অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাকসহ কয়েকজন শিক্ষকের ওপর হামলা চালান। এসময় অফিস কক্ষে ব্যাপক ভাঙচুরও করা হয়।
হামলায় আহতদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক, প্রভাষক আলেয়া খাতুন হীরা, অধ্যাপক রেজাউল করিম আলমসহ আরও দুই কর্মচারী।

তাদের কয়েকজনকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’
প্রভাষক আলেয়া খাতুন হীরা বলেন, ‘বিভিন্ন সময় কলেজে এসে তারা হিসাব চাইতেন, মূলত চাঁদার দাবিই ছিল তাদের। অধ্যক্ষের পাশে থেকে প্রতিবাদ করায় আমিও হামলার শিকার হয়েছি।’

স্থানীয় বিএনপি নেতা আকবর আলী দাবি করেন, কলেজের আগের বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির হিসাব চাইতে গেলে উল্টো তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়। তার অভিযোগ, শিক্ষক আলেয়া খাতুন হীরা প্রথমে আমাদের ওপর হামলা করেন।

পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাকের অভিযোগ, চার মাস আগে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেওয়ার পর থেকেই বিএনপির বিভিন্ন গ্রুপ তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। তিনি এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করায় বিরোধের সূত্রপাত ঘটে।

দুর্গাপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আশঙ্কায় পুলিশ আগে থেকেই সেখানে উপস্থিত ছিল এবং উভয় পক্ষকে নিবৃত করার চেষ্টা করা হয়। তবে কিছু লোক জোরপূর্বক প্রবেশ করে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে

Continue Reading

top1

জুবায়েরের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন ছাত্রদলের শিপন

Published

on

By

রাজধানীর শাহবাগ থানায় বৃহস্পতিবার রাতে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপত্তিকর ছবি পোস্ট করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এই অনাকাঙ্ক্ষিত উত্তেজনার সৃষ্টি হয় । সংঘর্ষের এক পর্যায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের ও সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ ছবি পোস্টের প্রতিবাদে এবং এ বিষয়ে মামলা করতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শাহবাগ থানায় উপস্থিত হন। খবর পেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির ও ডাকসুর কয়েকজন প্রতিনিধিও ঘটনাস্থলে পৌঁছান। থানায় জিডি করা বা আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে পরিস্থিতির অবনতি হয়। দুই পক্ষই একে অপরের মুখোমুখি অবস্থান নিলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক এবং এ বি জুবায়ের হামলার শিকার হন। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের রক্ষার চেষ্টা করেন এবং ঢাল হয়ে দাঁড়ান। সংঘর্ষ ও উত্তেজনার কারণে থানা এলাকা জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে পুলিশ। রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনা নিয়ে তীব্র সমালোচনা ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে

Continue Reading

top1

লাস্ট আপডেট বেঁচে আছি এখনও, নাও থাকতে পারতাম

Published

on

By

প্রধানমন্ত্রীর এডিটেড ছবি নিয়ে শাহবাগ থানায় জিডি করতে গেলে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) হামলার পরে  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দেন।

নিজ ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে জুবায়ের বলেন, ‘বেঁচে আছি এখনো। একটা ভুয়া স্ক্রিনশটকে কেন্দ্র করে আমাদের এক শিক্ষার্থীর ওপরে চড়াও হয় ছাত্রদল। তাকে সহযোগিতা করতে যাওয়া আরো কয়েকজন শিক্ষার্থীকে সেখানে আটকে রাখা হয়। সূর্যসেন হল সংসদের সদস্য ছোটভাই আলভিকে মারধর করে সন্ত্রাসীরা।’

তিনি বলেন, আমরা ডাকসুর প্রতিনিধি। শিক্ষার্থীদের বিপদে-আপদে আমাদের একটা রেসপনসেবলিটি আছে। মুসাদ্দিক, জুমা, উম্মে সালমাসহ ডাকসুর কয়েকজন প্রতিনিধি সেখানে যাই প্রশাসনের সাথে কথা বলে আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে আসতে। থানায় ঢুকার মুখে গেইট থেকেই আমাদের মারধর শুরু করে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা। দুই শতাধিক স’ন্ত্রাসী ঘিরে ধরে বৃষ্টির মতো ঘুসি, কিল, লাত্থি…বাকিটা দেখলেনই! লাস্ট আপডেট বেঁচে আছি এখনো, নাও থাকতে পারতাম হয়তো। আল্লাহর ইচ্ছা। গা-ভর্তি ব্যথা নিয়ে শুয়ে আছি হাসপাতালের বেডে। 

যাইহোক, এসব করে আমাদের দমিয়ে রাখা যাবে না। সন্ত্রাস, সহিংসতা, গণরুম, গেস্টরুমের কালচার যারাই ফিরিয়ে আনতে চাইবে তাদের সামনেই ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে যাবো। কি আর করবেন? মেরেই ফেলবেন নাহয়!! মারেন অসুবিধা নাই। বাট মেরে ফেলার আগ পর্যন্ত এ লড়াই চলবেই ইনশাআল্লাহ।

Continue Reading

Trending