Connect with us

top3

নিজের গোপন ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন প্রভা

Published

on

প্রায় ১৬ বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রল ও সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়ে আসছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা।

দীর্ঘদিন এ বিষয়ে নীরব থাকলেও এবার তিনি মুখ খুলেছেন নিজের অভিজ্ঞতা ও মানসিক যন্ত্রণার বিষয়ে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় প্রভা সাইবার বুলিংকারীদের মানসিকতা, অনলাইন হয়রানির ভয়াবহতা এবং সমাজে প্রচলিত ভিকটিম ব্লেমিং বা ভুক্তভোগীকেই দায়ী করার প্রবণতার কঠোর সমালোচনা করেন। একই সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সহ্য করা অপমান ও মানসিক চাপের কথাও তুলে ধরেন।

প্রভা বলেন, আমি এখন কিছু জ্বালাময়ী সত্যি কথা বলব। হাই- আমি অনেকদিন সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ব্যাপার নিয়ে কথা বলি না। কিন্তু ভেবেছিলাম- কথা বলেও তো আসলে কোনো লাভ নাই। কিন্তু আসলে নিজের দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে মনে হয়- কিছু জিনিস চোখ বন্ধ করে আসলে থাকা যায় না।

চলেন আপনাদের একটা কথা বলি। আপনারা আপনাদের নিজের যোগ্যতা, নিজের স্থান, নিজের সৌন্দর্য, নিজের কোয়ালিফিকেশন এ সবকিছুর প্রতি আসলে আপনাদের ইনসিকিউরিটি থাকার জন্যই তো আসলে আপনারা মানুষকে মুখ করেন। এটা আমার কথা না। এটা হিউম্যান সাইকোলজি। এগুলো সাইকিয়াট্রিস্টরা এগুলো পড়াশোনা করে বের করেছেন। এগুলা একদম আমার কথা না।

তিনি বলেন, যারা মানুষের ব্যাপারে এত অ্যাগ্রেসিভলি জাজ করে এবং বুলি করে এবং মক করে; সোশ্যাল মিডিয়াতে- ভারবালি অ্যাবিউস করে। এরা আসলে নিজেদের নিয়ে যেহেতু অনেক বেশি স্যাটিসফাইড না এবং তারা দুঃখী। আমরা প্রত্যেকেই প্রত্যেকের জায়গাতে কোন না কোন জায়গায় দুঃখী। কিন্তু যারা ইনসিকিউর যারা ব্যাপারটাকে মানতে পারে না, যারা নিজের যোগ্যতাটা নিয়ে অনেক বেশি ইনসিকিউরড আমি বলব- এরাই আসলে ম্যাক্সিমাম টাইমে বিভিন্ন সোশ্যাল প্লটফর্মগুলো সেলিব্রেটিদের বা ইনফ্লুয়েন্সার বা আর্টিস্ট সবাইকে বুলিং করে। তো আমার বুলিং তো আসলে ইটস বিন অলমোস্ট ১৬ বছর- আমাকে বুলিং করা হয়। আমার কথা হচ্ছে- আপনারা আপনাদের জায়গা থেকে আমাকে বুলিং করে মজা পান; এতে আপনাদের পৈশাচিক আনন্দ হয়- আই টোটালি আন্ডারস্ট্যান্ড; কিন্তু ঠিক যতটুকু আমাকে বুলিং করছেন তার যদি ৫০% মানে আমি ওরফে ব্র্যাকেটে ভিকটিম আমাকে ৫০% করে বাকি ৫০% ক্রিমিনালটাকে খুঁজে বের করে ওকে যদি এরকম বুলিং করতেন; ওকে নিয়ে যদি লেখালেখি করতেন; ওর চেহারাটা যদি বারবার মানুষের সামনে মানে প্রকাশ্যে আনতেন যে ও ক্রিমিনাল।

এই অভিনেত্রী বলেন, যারা আরেকটা মানুষের ক্ষতি করে তাদের কনসেন্ট ছাড়া তাদের প্রাইভেসি ডিসক্লোজ করে এবং সেটা একটা গুরুতর ক্রাইম। সেই মানুষগুলোকে আপনারা বুলিং না করে আপনারা যে ভিকটিমকে বুলিং করছেন ডে বাই ডে; আই আন্ডারস্ট্যান্ড। আমাকে বুলিং না করে যদি ক্রিমিনালকে করতেন তাহলে পৃথিবীতে তন্ময়ের জন্ম হত না

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ক্যান্সার আক্রান্ত শিক্ষার্থীর বাবার পাশে দাঁড়ালেন বেরোবি ছাত্রদল নেতা রাফি

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি:

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী কফিল হোসেনের ক্যান্সার আক্রান্ত বাবার চিকিৎসায় মানবিক সহায়তার হাত (আর্থিক) বাড়িয়ে দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: রিফাত হোসেন রাফি।

মঙ্গলবার (২৮শে জুলাই) তিনি চিকিৎসার প্রাথমিক খরচ মেটাতে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নগদ ১৫ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান দেন।

আর্থিক সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে শিক্ষার্থী কপিল হোসেন বলেন, আমার বাবার ক্যান্সারে আক্রান্ত। অপারেশনের জন্য আড়াই লক্ষ টাকার দরকার।এই অবস্থায় চিকিৎসার খরচ চালানো আমাদের নিম্নবিত্ত পরিবারের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই কঠিন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাই ও সহপাঠীরা যেভাবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন, তা আমি কখনো ভুলব না।
বেরোবি ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাফি ভাই আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে যে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তার জন্য আমি এবং আমার পরিবার উনার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। সবার এই ছোট ছোট সহযোগিতা আমার বাবাকে সুস্থ করে তুলতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি আমার বাবার জীবন বাঁচাতে সবার কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”

অনুদান প্রদানের পর বেরোবি ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিফাত হোসেন রাফি বলেন, শিক্ষার্থীবান্ধব ছাত্ররাজনীতি সবসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকে। আমাদের সহপাঠী বা কোনো শিক্ষার্থীর পরিবার যখন সংকটে পড়ে, তখন তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। কপিল আমাদেরই ভাই। তার বাবার চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। আমাদের ছোট ছোট সাহায্যই পারে একটি জীবন বাঁচাতে।

জানা গেছে কপিল হোসেনের বাবার ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুরা আর্থিক সহায়তার জন্য তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেন। এরই ধারাবাহিকতায় মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে পাশে দাঁড়ালেন এই ছাত্রদল নেতা।

Continue Reading

top3

কুবিতে আদিবাসী ছাত্র সংসদের নেতৃত্বে উচিং-মংক্যএ

Published

on

By

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আদিবাসী ছাত্র
সংসদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি মনোনীত হয়েছেন ফার্মেসি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী উচিং মার্মা এবং সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মংক্যএ মার্মা।

মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) সদ্য বিদায়ী কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

নবগঠিত কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ক্যামেলিয়ন চাকমা, ক্লোরিন চাকমা, অর্কিড চাকমা, উর্মি তঞ্চঙ্গ্যা, বৈশাখী চাকমা, কাস্পিয়ান দেওয়ান, অঞ্জনা ত্রিপুরা, সুকন্যা রুথড্রং এবং ময়ুরী ত্রিপুরা।

এ ছাড়া সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ত্রিলোচন ত্রিপুরা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অর্পিত তালুকদার, অর্থ সম্পাদক হিসেবে ডওয়াংনু মার্মা, সহ-অর্থ সম্পাদক হিসেবে কিকিউ মার্মা, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে শ্রাবন্তী সিনহা, দপ্তর সম্পাদক হিসেবে ক্যক্যসাইন মার্মা, সহ-দপ্তর সম্পাদক হিসেবে মনিরাম ত্রিপুরা, প্রচার বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে রেমি চাকমা, সহ-প্রচার বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে অডিথ চাকমা, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে প্রিয়াঙ্কা ত্রিপুরা ও জুঁই চওলা বর্মন, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে কল বিকাশ ত্রিপুরা ও দ্বীপ সাংমা, শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দিখনজয় ত্রিপুরা ও বিশ্বজয় ত্রিপুরা এবং সাহিত্য ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে জমেনজয় ত্রিপুরা ও চেংগ্যহ্লা মার্মাকে মনোনীত করা হয়েছে। এছাড়াও কমিটিতে একাধিক কার্যনির্বাহী সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
 
সদ্য মনোনীত সাধারন সম্পাদক মংক্যএ মার্মা বলেন, ‘নবগঠিত কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আমার ওপর আস্থা রেখে যারা এ দায়িত্ব দিয়েছেন, তাদের প্রতি ধন্যবাদ জানাই। সকলের সহযোগিতায় আদিবাসী ছাত্র সংসদ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও কার্যকর, ঐক্যবদ্ধ ও শিক্ষার্থীকল্যাণমুখী সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করব। পাশাপাশি আদিবাসী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করব।’

সদ্য মনোনীত সভাপতি উচিং মার্মা বলেন, ‘নবগঠিত কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পেরে আমি আনন্দিত। এই সংগঠন শুধু একটি শিক্ষার্থী সংগঠন নয়, বরং আদিবাসী শিক্ষার্থীদের ঐক্য, নেতৃত্ব ও সাংস্কৃতিক পরিচয় বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। আমরা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে পারস্পরিক সম্প্রীতি, নেতৃত্বের বিকাশ এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে কাজ করব। সবার সহযোগিতা ও অংশগ্রহণেই আমাদের এই পথচলা আরও সমৃদ্ধ হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

Continue Reading

top3

বেরোবির গণিত বিভাগ ছাত্র সংসদের নেতৃত্বে মিতু-মশিয়ার

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি:

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) গণিত বিভাগ ছাত্র সংসদ নির্বাচন-২০২৬ উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোটগ্রহণ শেষে বিভিন্ন পদে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হয়।

নির্বাচনের ফলাফলে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে মনিবুর রহমান মিতু ১৫২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পিয়াল হাসান পান ১০৩ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে মশিয়ার রহমান ১৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। অপর প্রার্থী আহসান হাসান হাবিব সৌরভ পান ১০৮ ভোট।

এছাড়া সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে মো. নাজমুল কাজী ২০২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন এবং উপ-কোষাধ্যক্ষ পদে মহিনুল ইসলাম সিহাব ১৭৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।

দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে রাব্বি হোসেন ১৩১ ভোট এবং শিক্ষা, গবেষণা ও পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক পদে ইফতেখার আমির সম্রাট ১৮৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

উপ-দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে তামজিদুল ইসলাম ১৮১ ভোট এবং ক্রীড়া সম্পাদক পদে সাকিব রেজা রায়হান ১৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।

সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে আকাশ চন্দ্র ১৮২ ভোট এবং উপ-শিক্ষা, গবেষণা ও পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক পদে ইফতেখার আমির সম্রাট ১৮৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

এছাড়া উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে কল্যাণ রায় সৌমেন ১৫৭ ভোট এবং উপ-ক্রীড়া সম্পাদক পদে জাওয়াদ সাজিদ ২০৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

কার্যকরী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন মো. শাহীন আলম (১৯৩ ভোট), মো. রাফে জামান (১৭৩ ভোট), মো. সাইদ আলম (১৬০ ভোট) এবং মহাদেব রায় (১২১ ভোট)।

নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি (ভিপি) মনিবুর রহমান মিতু বলেন, “গণিত বিভাগের শিক্ষার্থীরা আমার ওপর যে আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছেন, তার জন্য আমি সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে শিক্ষার্থীদের অধিকার, একাডেমিক পরিবেশের উন্নয়ন এবং বিভাগীয় বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সবার মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করব। গণিত বিভাগকে আরও ঐক্যবদ্ধ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশে এগিয়ে নিতে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই পথ চলতে চাই।”

নির্বাচন শেষে বিজয়ীরা গণিত বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বিভাগে শিক্ষাবান্ধব, অংশগ্রহণমূলক ও ইতিবাচক পরিবেশ গড়ে তুলতে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। নির্বাচনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরাও আশা প্রকাশ করেন, নবনির্বাচিত নেতৃত্ব শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

Continue Reading

Trending