Connect with us

top1

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে : সিইসি

Published

on

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে আয়োজিত মক ভোটিং পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নির্বাচনের সার্বিক পরিবেশ ভালো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সেটা আমরা নিশ্চিত করব ইনশাআল্লাহ।’

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আজকের এই অ্যাসেসমেন্টের ভিত্তিতে আমরা ঠিক করব, ভোটকেন্দ্র যে ৪২ হাজার ৫০০টির বেশি ঠিক করেছি, এটা আমাদের জন্য পর্যাপ্ত কি না। বাস্তব পরিস্থিতি দেখে, বিশ্লেষণ করে আমরা পরবর্তী পরিকল্পনা করব। তাহলে আমরা একটা হিসাব করতে পারবো, সেন্টার যদি বাড়াতে হয়- বাড়াবো। যদি বুথ বাড়িয়ে চলে, সেটা করব। বর্তমানে বাক্স যেগুলো কিনেছি, তা যদি পর্যাপ্ত হয়- হবে। আর যদি না হয়, আর কী কী কিনতে হবে, সেগুলো আমরা সেরে ফেলবো।’

নির্বাচনে ‘কোনো অসুবিধা হবে না’ এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে সিইসি বলেন, ‘আমরা সবাই মিলে যে ওয়াদা জাতিকে দিয়েছি, সেটা আমরা ইনশাআল্লাহ ডেলিভার করব। আমি বারবার বলে যাচ্ছি, এভাবে উন্মুক্তভাবে- আজকে মক ভোটিংটা যে রকম হলো, আমরা সেইভাবে একটা ইলেকশন উপহার দিতে চাই।’

ভোটকেন্দ্রে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশ প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, ‘আপনারা দেখলেন, একটা রুমের মধ্যে এজেন্ট আছে, পোলিং অফিসার আছে, প্রিসাইডিং অফিসার আছে, ভোটার ঢুকছেন, আবার দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক আসবে। এখন সাংবাদিক ভাইয়েরা যদি ওখানে ঢুকে ধাক্কাধাক্কি করেন, অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন, তাহলে একটা হ-য-ব-র-ল অবস্থা সৃষ্টি হবে। এটা এড়াতে আমরা বলছি, আপনারা একটু নিজেদের বিবেক কাজে লাগিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ সেরে বেরিয়ে যাবেন। এটা কিন্তু আপনাদের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার জন্য নয়।’

ভোটাররা এখনো জানেন না গণভোট কীভাবে দিতে হয়- এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘জানার কথাও না। আমরা গণভোট নিয়ে প্রচারণা এখনো ওইভাবে শুরু করিনি। সরকার ও নির্বাচন কমিশন মিলে গণভোট নিয়ে ব্যাপক প্রচারণা চালাবে। গণভোটের যে বিষয়গুলো, এটা আমাদের প্রচারণার বিশাল অংশজুড়ে থাকবে। প্রচারণাটা যখন শুরু হবে, তখন বোঝা যাবে যে মানুষ জানলো নাকি জানলো না।’

তিনি বলেন, ‘গত মঙ্গলবার মাত্র অধ্যাদেশটা হলো, আইনটা হলো। আইন হওয়া মানে হচ্ছে, ইলেকশন কমিশনকে অথরাইজ করা।’

দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীদের প্রচারণায় হামলা হচ্ছে, কমিশনের কঠোর অবস্থান জাতি দেখবে কি না- গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে নাসির বলেন, ‘আমি সেদিন বলেছিলাম ৫ আগস্ট ২০২৪ রাতে তো ঘুমাতে পারিনি। কোনো থানা সক্রিয় ছিল না, আমাদের নিজেদের নিরাপত্তায় থাকতে হয়েছে। এখন কি সেই অবস্থা আছে? পরিস্থিতি আগের থেকে অনেক ভালো হয়েছে। সবাই বাড়িতে শান্তিতে ঘুমাতে পারছেন। আপনি শান্তিতে আসছেন এ পর্যন্ত। আপনার ক্যামেরা কি কেউ পথে ছিনতাই করেছে? করেনি।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কখনো পারফেক্ট ছিল না। বলে তো লাভ নাই! চুরি-ছিনতাই, মারামারি- এগুলো কি আগে ছিল না? আগেও ছিল। সব সময়ই ছিল।’

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক ভালো অবস্থানে আছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রতিনিয়ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করছি। তাদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছি। তাদেরও প্রশিক্ষণ হচ্ছে।’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

জামায়াতের সঙ্গে বৈঠককে স্বাভাবিক কূটনৈতিক যোগাযোগ বলছে ভারত

Published

on

By

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ভারতের একজন কূটনীতিকের বৈঠক নিয়ে সম্প্রতি আলোচনা শুরু হয়। এ বিষয়ে এবার আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের অবস্থান জানিয়েছে ভারত। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ ধরনের বৈঠককে নিয়মিত কূটনৈতিক যোগাযোগের অংশ হিসেবেই দেখা উচিত।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হয় মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালকে। জবাবে তিনি জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে এবং ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক পক্ষের সঙ্গে সংলাপে অংশ নেন। তিনি বলেন, জামায়াতের সঙ্গে হওয়া বৈঠকটিও সেই ধারাবাহিকতার মধ্যেই পড়ে।

এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান জানান, চলতি বছরের শুরুতে তিনি ভারতের একজন কূটনীতিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। তিনি বলেন, অন্য দেশের কূটনীতিকেরা প্রকাশ্যে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেও ওই ভারতীয় কর্মকর্তা বৈঠকটি গোপন রাখার অনুরোধ করেছিলেন।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য একে অপরের সঙ্গে খোলামেলা যোগাযোগ জরুরি এবং এ ক্ষেত্রে বিকল্প কোনো পথ নেই।

এই মন্তব্য প্রকাশের পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়েছিল রয়টার্স। তবে সে সময় কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। প্রায় দুই সপ্তাহ পর ভারতের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য এলো

Continue Reading

top1

জামায়াতের জোট থেকে দলগুলোকে বেরিয়ে আসতে চরমোনাই পীরের আহ্বান

Published

on

By

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোট থেকে অন্যান্য ইসলামী দলগুলোকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের জোটে না যাওয়ার ঘোষণা দেন ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান। এ সময় তিনি এ আহ্বান জানান।

গাজী আতাউর রহমান বলেন, জামায়াত শরিয়াহ আইনে রাষ্ট্র পরিচালনা নীতি থেকে সরে এসেছে। তাই ১১ দলীয় জোট থেকে অন্যান্য ইসলামী দলগুলোকেও বেরিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

ইসলামপন্থী দলগুলোর জন্য আলোচনার দরজা খোলা আছে, বলেও জানান তিনি।

ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র আরও অভিযোগ করেন, জামায়াতের আমির বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে জাতীয় সরকার গঠনের কথা বলছেন, যার অর্থ দাঁড়ায়, সমঝোতার নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে জামায়াত।

দীর্ঘ সময় পর দেশের মানুষ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের আশায় ছিলেন, এর ফলে সেই প্রত্যাশা পূরণ পূরণ হওয়া নিয়ে সন্দেহ থেকে যায়।

ইসলামের নীতি থেকে জামায়াত সরে এসেছে দাবি করে একলা পথে গিয়ে ২৬৮টি আসনে লড়ার কথা জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন।
বাকি আসনগুলোতে বিএনপি কিংবা জাতীয় পার্টির সাথে আসন সমঝোতার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন চরমোনাই পীরের দল।

Continue Reading

top1

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার সব নথি জব্দের দাবি চিকিৎসকদলের প্রধানের

Published

on

By

বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা-সংক্রান্ত বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সব নথিপত্র জব্দ ও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তার বর্তমান চিকিৎসকদলের প্রধান অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী।

শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় তিনি এ দাবি তুলে ধরেন।

ডা. সিদ্দিকী বলেন, ২০২১ সালের ২৭ এপ্রিল কোভিড-১৯–এর জটিলতা নিয়ে খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর বর্তমান মেডিকেল বোর্ড চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়। 

পরীক্ষা-নিরীক্ষার শুরুতেই তারা দেখতে পান, খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত, অথচ বিএমইউর ছাড়পত্রে তাকে রিউমাটয়েড আর্থাইটিসের জন্য ‘মেথোট্রেক্সেট’ নামের ওষুধ নিয়মিত সেবনের নির্দেশ দেওয়া ছিল এবং ভর্তি অবস্থাতেও সেটি খাওয়ানো হয়েছে।

তিনি বলেন, “মেথোট্রেক্সেট সেবনের ক্ষেত্রে নিয়মিত লিভার ফাংশন পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক। পরীক্ষায় অস্বাভাবিকতা ধরা পড়লে ওষুধ বন্ধ করে ন্যূনতম একটি আলট্রাসনোগ্রাম করানো প্রয়োজন। কিন্তু সরকার গঠিত মেডিকেল টিম ম্যাডামের লিভার ফাংশন খারাপ দেখার পরও কোনো আলট্রাসনোগ্রাম করেনি এবং ওষুধটিও বন্ধ করেনি।”

তিনি দাবি করেন, এই অবহেলার কারণেই ফ্যাটি লিভার দ্রুত সিরোসিসে রূপ নেয়। “মেথোট্রেক্সেট তার লিভারের জন্য কার্যত ‘স্লো পয়জন’ হিসেবে কাজ করেছে”—বলেন তিনি।

ডা. সিদ্দিকী আরও বলেন, তৎকালীন চিকিৎসকদের প্রতি আস্থাহীনতার কারণে খালেদা জিয়া সেখানে আলট্রাসনোগ্রাফিতে রাজি হননি, তবে বেডসাইড ‘পয়েন্ট-অব-কেয়ার’ আলট্রাসনোগ্রাম সহজেই করা যেতো।

তিনি অভিযোগ করেন, “চিকিৎসায় এমন অবহেলা খালেদা জিয়ার অবস্থাকে দ্রুত অবনতির দিকে ঠেলে দিয়েছে। এটি ইচ্ছাকৃত অবহেলা কি না বা পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টার অংশ কি না—তা বিশদভাবে তদন্ত করা জরুরি।”

তার ভাষ্য, মেডিকেল বোর্ডের কাছে ডায়াবেটিস ও আর্থাইটিসের চিকিৎসায় অবহেলারও সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে। এজন্য উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন একটি কমিটির মাধ্যমে তিনটি বিষয়ে তদন্ত প্রয়োজন— সরকার গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা কারা ছিলেন, কোন দক্ষতার ভিত্তিতে তারা দায়িত্ব পান, এবং ব্যর্থতার দায় তাদের ওপর বর্তায় কি না; ভর্তিকালে কারা চিকিৎসায় যুক্ত ছিলেন এবং তাদের বিরুদ্ধে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া যায় কি না; বিএমইউতে চিকিৎসার সময় খালেদা জিয়া তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের অন্তর্ভুক্ত করতে আইনজীবীর মাধ্যমে যে অনুরোধ করেছিলেন, তা কেন গ্রহণ করা হয়নি এবং কারা বাধা দিয়েছিল।

ডা. সিদ্দিকী আরও বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে বিএমইউয়ের সব চিকিৎসা-নথি জব্দ এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্টদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত।

Continue Reading

Trending