Connect with us

সারাদেশ

পুঠিয়ায় জেলা যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

Published

on

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় জেলা যুবলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলার সেনভাগ বাজার এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম নাসির উদ্দিন উইলিয়াম (৫২)। তিনি রাজশাহী জেলা যুবলীগের শিক্ষা ও প্রকাশনা সম্পাদক। পাশাপাশি তিনি সেনভাগ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

এ ছাড়া তিনি রাজশাহী জেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং পুঠিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

জানা যায়, নাসির উদ্দিন উইলিয়াম পুঠিয়া উপজেলার বারইপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত মনির উদ্দিনের ছেলে। অতীতে তিনি পুঠিয়া উপজেলা ছাত্রলীগ ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

পুঠিয়া থানার পুলিশ জানায়, নাসির উদ্দিন উইলিয়াম দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সংগঠিত করার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিগত সরকারের সময় উইলিয়াম এলাকায় প্রভাবশালী ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। নাশকতার প্রস্তুতিকালে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’ গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

নড়াইলে জুলাই যোদ্ধাদের মারতে পুরস্কার ঘোষণা, থানায় অভিযোগ

Published

on

By

নড়াইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী এবং আহত ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ হত্যার উদ্দেশ্যে ফেসবুকে দেড় লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় সোমবার (৬ জুলাই) রাতে নড়াইল সদর থানায় ১১ জনকে আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জুলাই মাসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনে সক্রিয় ছাত্র ও যোদ্ধাদের ওপর হামলার জন্য নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের পলাতক কিছু নেতাকর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই প্রলোভন ও হুমকি প্রদান করে। বিষয়টি নজরে আসার পর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে ভুক্তভোগীরা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।

অভিযুক্ত ১১ জন হলেন মো. মিজানুর রহমান নয়ন, সৌরভ কর্মকার, মো. সজিবুল ইসলাম হৃদয়, শাহাদাত হোসেন রায়হান, ইমন শিকদার, মো. মিলন জমাদ্দার, মো. ইস্রাফিল, মো. সজীব চৌধুরী, এস কে আসলাম, মো. আব্দুল্লাহ আল জাবের লোটাস এবং মো. জুবায়ের শেখ।

এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম বলেন, জুলাই মাস আসায় আত্মগোপনে থাকা অভিযুক্তরা এ ধরনের উসকানিমূলক হুমকি দিচ্ছে। কিছুদিন আগেও তার ওপর হামলার গুজব ছড়িয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান এবং ন্যায়বিচার না পেলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল্লাহ আল জাবের লোটাস তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি দাবি করেন, অভিযোগে উল্লিখিত অধিকাংশ ব্যক্তিকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন না এবং অভিযোগকারীর সাথেও তার কোনো পরিচয় বা যোগাযোগ নেই। তিনি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেন, অভিযোগের সপক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলে তা প্রকাশ করা হোক। তিনি আইনকে শ্রদ্ধা করেন এবং তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ ইতিমধ্যে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের উসকানিমূলক প্রচারণার ঘটনায় নড়াইলের সাধারণ ছাত্র ও নাগরিকদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, পুলিশি তদন্তে প্রকৃত সত্য কতটা বেরিয়ে আসে।

Continue Reading

top1

ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, ৪ ভাই গ্রেপ্তার

Published

on

By

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির জেরে মো. রুবেল (৩২) নামে এক ভাড়াটিয়াকে ঘরে ঢুকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাড়িওয়ালার চার ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত চার ভাই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— রহমত (৩০), জনি (২৮), রকি (২৬) ও ইমরাজ (১৮)। তারা নগরীর রামকৃষ্ণ মিশন রোড এলাকার বাসিন্দা।

সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, নিহত রুবেল এলাকায় মাদকসেবী ও মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি রামকৃষ্ণ মিশন রোড এলাকায় পারুল বেগম নামে এক নারীর বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। ওই বাসায় নিয়মিত মাদকের আসর বসায় বাড়িওয়ালা পারুল তাকে বাসা ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

পুলিশ সুপার বলেন, “রবিবার সকালে রুবেল বাসা ছাড়বেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন। এ নিয়ে পারুল বেগমের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রুবেল ওই নারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করেন। পারুলের ছেলে জনি বিষয়টি দেখে বাকি তিন ভাইকে খবর দেন।”

পিবিআই জানায়, মায়ের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে চার ভাই মিলে রুবেলের ঘরে ঢোকেন। প্রথমে তাকে বাঁশ দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয় এবং পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে তারা পালিয়ে যান।

পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় রুবেলকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে রুবেলের হামলায় আহত বাড়িওয়ালা পারুল বেগম বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Continue Reading

সর্বশেষ

ভালুকায় বাবাকে জিম্মি করে সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ মেয়ের

Published

on

By

জাহাঙ্গীর আলম, ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহের ভালুকায় অসুস্থ বৃদ্ধ বাবা মো. নুরুল ইসলামকে স্বজনদের ‘জিম্মিদশা’ থেকে উদ্ধার, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তাঁর একমাত্র মেয়ে নাজমিন আক্তার লিজা। তবে তাঁর আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত চাচাতো ভাই আপেল মিয়া।

সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ১১টায় ভালুকা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠের মাধ্যমে এই অভিযোগ করেন লিজা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নাজমিন আক্তার লিজা অভিযোগ করেন, তাঁর বাবা মো. নুরুল ইসলাম দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার পর দেশে ফিরে আসেন। এরপর তাঁর চাচা শামছুদ্দিন, চাচাতো ভাই আপেল ও আপেলের স্ত্রী নিপু কৌশলে তাঁর বাবাকে একাধিক মাছের ফিশারি ও মুরগির খামারে এক কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করেন। পরবর্তীতে ওই বিনিয়োগের হিসাব চাইলে তাঁর বাবার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। এই নির্যাতনের কারণেই তিনি স্ট্রোক করে পক্ষাঘাতগ্রস্ত (প্যারালাইজড) হয়ে পড়েন বলে লিজা দাবি করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বাবার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে অভিযুক্তরা তাঁর জমিজমা, পাসপোর্টসহ গুরুত্বপূর্ণ সমস্ত কাগজপত্র নিজেদের দখলে নিয়েছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন বিনিয়োগ ও ব্যাংক হিসাব থেকে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

লিজা বলেন, “বাবাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিতে গেলে অভিযুক্তরা প্রতিনিয়ত বাধা দেয়। গত ১৮ মার্চ ও ১৪ এপ্রিল আমি বাবাকে দেখতে গেলে আমাকেও একটি ঘরে আটকে রাখা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে ভালুকা মডেল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আমাকে উদ্ধার করে।” এই ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বাবার বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে লিজা বলেন, বর্তমানে নুরুল ইসলামকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে না এবং পরিবারের সদস্যদেরও তাঁর সঙ্গে দেখা করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি লিজা ও তাঁর স্বামীকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, বর্তমানে নুরুল ইসলামের টিপসই নিয়ে তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রির পাঁয়তারা চলছে।

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে লিজা আরও বলেন, একাধিকবার অভিযোগ দেওয়ার পরও ভালুকা মডেল থানা পুলিশ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। পরবর্তীতে গত ৩০ জুন আদালতের মাধ্যমে সার্চ ওয়ারেন্ট (তল্লাশি পরোয়ানা) নেওয়া হলেও তাঁর বাবাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সর্বশেষ গত ৫ জুলাই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা অবস্থান করলেও নুরুল ইসলামকে উদ্ধার না করেই ফিরে আসে বলে দাবি করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি তাঁর বাবাকে দ্রুত উদ্ধার, চিকিৎসা নিশ্চিতকরণ এবং প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এদিকে সংবাদ সম্মেলনে আনা সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত আপেল মিয়া। মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “নুরুল ইসলামকে আটকে রাখার কোনো প্রশ্নই আসে না। গত ১১ মাস ধরে আমরাই তাঁর যাবতীয় চিকিৎসার দায়িত্ব পালন করছি। এই দীর্ঘ সময়ে লিজা একদিনের জন্যও তাঁর বাবার খোঁজ নেননি।”

আপেল মিয়ার দাবি, প্রায় সাত মাস আগে লিজার স্বামী তাঁর কাছে একটি প্রস্তাব নিয়ে এসেছিলেন। প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, নুরুল ইসলামের জমিজমা লিজার নামে রেজিস্ট্রি করে দিলে আপেলকেও কিছু সম্পত্তি দেওয়া হবে। আপেল মিয়ার ভাষ্যমতে, বর্তমান বিরোধের মূল কারণই হলো সম্পত্তি লোভ।

তিনি আরও যোগ করেন, তাঁরা নুরুল ইসলামের কোনো সম্পত্তি নিজেদের নামে নেননি বা বিক্রি করেননি। এ পর্যন্ত চিকিৎসার পেছনে প্রায় ১১ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে এবং সেই খরচের জোগান দিতে নুরুল ইসলামের কিছু সম্পত্তি লিজ (ইজারা) দিয়ে সেই অর্থ চিকিৎসায় ব্যয় করা হচ্ছে।

Continue Reading

Trending