Connect with us

রাজনীতি

প্রতীক পেয়ে সরে দাঁড়ালেন প্রার্থী, কান্নায় ভেঙে পড়লেন কর্মী-সমর্থক

Published

on

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নাটোর-১ আসনে প্রতীক বরাদ্দের পর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে গৌরীপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে ডা. ইয়াসির আরশাদ জানান, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে ও দলের বৃহত্তর স্বার্থের কথা বিবেচনা করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে তিনি সরে দাঁড়ান। বিএনপিকে শক্তিশালী করতে এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক লড়াইয়ে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ সময় তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের বিভেদ ভুলে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতাকর্মীরা রাজনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান এবং দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

রাজন আরও বলেন, ‘আমি লালপুরে দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে যে ঘোষণা দিয়েছিলাম তা চলমান থাকবে। আমি আপনাদের ছেড়ে যাই নাই, আপনাদের সঙ্গে আছি, আমৃত্যু পর্যন্ত আপনাদের সন্তান রাজন হিসেবে থাকতে চাই। এ পর্যন্ত যারা আমার সঙ্গে থেকে বিএনপির রাজনীতি করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।’

এ সময় তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, দলের হাইকমান্ডকে নেতাকর্মীদের দলে সঠিক মূল্যায়নের ব্যাপারে জানিয়েছি। এ সময় তার কর্মী ও সমর্থকরা আবেগাপ্লুত হয়ে ভেঙে পড়েন।

নাটোর-১ আসনে বিএনপি থেকে সাবেক প্রতিমন্ত্রী মরহুম ফজলুর রহমান পটলের ছোট মেয়ে ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। তারপরও ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন ও তাইফুল ইসলাম টিপু স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন উত্তোলন করেন। কিন্তু মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনেও তারা মনোনয়ন প্রত্যাহার করেনি। অবশেষে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে প্রতীক বরাদ্দের পর দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী, সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মরহুম ফজলুর রহমান পটলের বড় ছেলে ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন। তবে ভোটের মাঠে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এখনও সক্রিয় রয়েছেন বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপুসহ ৮ প্রার্থী।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু শুক্রবার

Published

on

By

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ উপলক্ষে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হচ্ছে শুক্রবার (১০ এপ্রিল)। ওই দিন বেলা ১১টা থেকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হবে, চলবে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী এই তথ্য জানিয়েছেন।

রিজভী জানান, একই দিন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাবে। মনোনয়ন ফরম বিক্রি ও জমার শেষ দিন ১২ এপ্রিল।

উল্লেখ্য, আগামী ১২ মে ভোটের দিন রেখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে এ তফশিল ঘোষণা করেন ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।

ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল।

আখতার আহমেদ জানান, আপিল দায়েরের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে।

সংরক্ষিত নারী আসনের বণ্টন প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, বিএনপি ও তাদের জোটের জন্য ৩৬টি আসন নির্ধারণ করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট পাবে ১৩টি আসন। আর স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য রাখা হয়েছে ১টি আসন। সব মিলিয়ে মোট আসন সংখ্যা ৫০টি।

Continue Reading

top1

৭১-এর সংবিধান সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Published

on

By

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সংবিধানে আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপন করেছিলেন, আমরা এটি চাই। বিরোধী দল চাই কিনা, জিজ্ঞেস করেন।

আজ রোববার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, বিরোধী দল সংস্কার চায়, ৭১ এবং ২৪কে বরাবর করে চায়।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ৭১ এর সাথে কিছু তুলনা চলে না। ৭১ এর সংবিধান কেনো ভাল লাগে না, আমরা বুঝিতো। সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন, বিজয়গাঁথা। কার কারো কাছে, পরাজয়ের গ্লানি। আমি সেই পথে যাবো না।

Continue Reading

top1

আন্দোলন ছাড়া আর পথ নেই : জামায়াত আমির

Published

on

By

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের গণভোট ও সংবিধান সংস্কারের চূড়ান্ত রায় জনগণের কাছে প্রতিফলিত না হওয়ায় এখন আমাদের জন্য একমাত্র পথ বাকি—জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলা।

বুধবার (১ এপ্রিল) সংসদে চলমান ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫’ সংক্রান্ত বিরোধীদলীয় নোটিশের ওপর দুই ঘণ্টার আলোচনা শেষে স্পীকারের কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমরা সংসদের ভিতরেই সমাধান চেয়েছিলাম। জনগণের চূড়ান্ত রায়কে সম্মান জানাতে চাইছিলাম। কিন্তু স্পিকার ও সরকারি দল তা গ্রহণ করেননি। আমাদের ওয়াকআউটের কারণ হলো জনগণের অভিপ্রায়কে অবমূল্যায়ন করা। এখন আমরা সেই রায় জনগণের কাছে নিয়ে যাব।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত ৩টি গণভোটে জনগণের রায় যথাযথভাবে গ্রহণ করা হয়েছিল। এ প্রথমবার, যেখানে সরকারি দল ও বিরোধীদল উভয়ই একমত ছিলাম, কিন্তু তা উপেক্ষিত হলো। জনগণের আকাঙ্ক্ষা সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়নি। আমরা তাই ওয়াকআউট করেছি, কিন্তু সংসদের অংশই আমরা।

তিনি আরও বলেন, সংসদে থাকবো না আমরা, এটা আমরা বলিনি। ওয়াকআউট করেছি, গিভ আপ করিনি। আমরা জনগণের সঙ্গে নিয়ে গণভোটের দাবি আদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করব। আমাদের ১১টি দল বসে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে ইনশাআল্লাহ।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এ আন্দোলন কোনো দলের বা ব্যক্তির স্বার্থের জন্য নয়। এটা জনগণের রায়, দেশের রাজনৈতিক চরিত্র ও সংবিধান সংস্কারের স্বার্থে।

এর আগে বুধবার সংসদে অধিবেশন চলাকালে বিরোধীদলীয় নেতার নোটিশের আলোচনার পর স্পিকারকে প্রতিবাদ জানিয়ে ওয়াকআউট করেন জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা। স্পিকার তাদের ওয়াকআউটের অধিকার স্বীকার করে বলেন, একটি মুলতবি প্রস্তাব বিবেচনা হবে, সেখানে আপনারা উত্তর পাবেন। তারপর ওয়াকআউটের সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

Continue Reading

Trending