Connect with us

top1

বদলি নিয়ে নিজ এলাকায় যেতে পারবেন চিকিৎসকরা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Published

on


সেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের নিজ এলাকায় বদলির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার এমন কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, আমরা একটা নতুন পলিসি নিচ্ছি, যে যেখানে যেতে চায়, যার বাড়ি যেখানে—যেতে চাইলে ওখানে আমরা দেবো। আমরা দ্রুততম সময়ে এটা শুরু করব। অন্তত চক্ষু লজ্জায় হলেও সে সেবাটা দেবে। তার বাবা-চাচা, আত্মীয়-স্বজন বা শ্বশুরবাড়ি, এলাকার পরিচিত মানুষ, সবার চোখের সামনে সে ফাঁকিটা দেবে না। আর বাইরে তার ব্যস্ততা থাকবে না। আমরা জিজ্ঞাসা করব, তুমি কোথায় যেতে চাও? কোথায় কমফোর্টেবল? ওখানে আমরা দেবো।’

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এ কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা লিয়েন প্রবণতা কমিয়ে আনব। যেগুলো ইতোমধ্যে লিয়েনে চলে গেছে, এগুলো আমরা রিপ্লেস করব অথবা তাদেরকে বাধ্য করব আসতে, যাতে উপস্থিতিটা থাকে।’

চিকিৎসকদের সময় মতো কর্মস্থলে উপস্থিত হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সব সিভিল সার্জনদের সঙ্গে আমি (ভার্চুয়াল) বৈঠক করেছি।’

‘সিভিল সার্জনরা অফিসে বসে থাকতে পারবেন না’, বৈঠকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

শূন্য পদগুলোতে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘কেয়ার গিভার, মিডওয়াইফারি, ফ্যামিলি প্ল্যানিং ওয়ার্কারের সমন্বয়ে আমরা কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো সচল করব।’

প্রাথমিক পর্যায়ে ব্রেস্ট ক্যানসার ও ইউটেরাস ক্যানসার শনাক্ত এবং আক্রান্ত নারীদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনতে ফ্যামিলি প্ল্যানিং ওয়ার্কারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, পরিকল্পনার কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। আরও বলেন, ‘প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করার জন্য যে সহায়তা দরকার, সেটা আমরা সরকার থেকে দেবো।’

সরকার সারাদেশে অচল পড়ে থাকা হাসপাতাল চালুর উদ্যোগ নিয়েছে জানিয়ে সাখাওয়াত বলেন, ‘অনেক হাসপাতাল অপরিকল্পিতভাবে হয়েছে। ব্যবস্থাপনা নাই, মেশিন নাই, বেড নাই—পড়ে আছে। আমরা এগুলো সমীক্ষা করছি। সীমিত সম্পদের ভেতরে আমরা পর্যায়ক্রমে এগুলো চালু করার জন্য কার্যক্রম গ্রহণ করেছি

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

দেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ শনিবার

Published

on

By

দেশের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে এবার ৩০ রোজা পূর্ণ হবে, আর পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে শনিবার (২১ মার্চ)।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।

সভা শেষে জানানো হয়, দেশের সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, আজ বাংলাদেশের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার কোনো খবর পাওয়া যায়নি। এই অবস্থায় শনিবার থেকে শাওয়াল মাস গণনা শুরু হবে এবং ওই দিনই পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বিনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগ কমিটির কার্যক্রম পরিচালনা করে। ১৭ সদস্যের এই কমিটির বৈঠক আরবি মাসের প্রতি ২৯ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়।

Continue Reading

top1

কাতারে গ্যাস স্থাপনায় হামলা: বড় ধরনের জ্বালানি সংকটের শঙ্কায় বাংলাদেশসহ ৩ দেশ

Published

on

By

কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার তিন দেশ বড় ধরনের জ্বালানি সংকটের মুখে পড়তে যাচ্ছে। এলএনজি আমদানিতে কাতারের ওপর অতিনির্ভরশীলতার কারণে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, জ্বালানি খাতের তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ‘কেপলার’-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পাকিস্তান তাদের মোট এলএনজি আমদানির ৯৯ শতাংশ এবং বাংলাদেশ প্রায় ৭০ শতাংশ কাতার থেকে সংগ্রহ করে।

অন্যদিকে, বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল’ জানিয়েছে, ভারতের এলএনজি চাহিদোর ৪০ শতাংশের বেশি পূরণ করে কাতার। হামলার শিকার রাস লাফান হলো কাতারের প্রাকৃতিক গ্যাস প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র। ফলে এই স্থাপনায় ‘ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি’ হওয়ায় সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

এর আগে চলতি মাসের শুরুতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ‘কাতার এনার্জি’ রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনে উৎপাদন সাময়িক স্থগিত করেছিল। তবে সাম্প্রতিক এই হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির কারণে স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরতে কোম্পানিটির প্রত্যাশিত সময়ের চেয়ে অনেক বেশি দেরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এ অবস্থায় বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পকারখানাগুলো বড় ধরনের বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

Continue Reading

top1

শহীদ মিনারে ছাত্র খুন: ‘ভাড়াটে কিলিং মিশন’ উন্মোচন, স্ত্রী-সংক্রান্ত সন্দেহেই টার্গেট রাকিব

Published

on

By

রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় কলেজ ছাত্র রাকিব আহমেদকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার পাঁচজনই ‘ভাড়াটে খুনি’ এবং পুরো হত্যাকাণ্ডটি ছিল পরিকল্পিত ‘কিলিং মিশন’-এমনটাই জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

ডিএমপির রমনা বিভাগের উপকমিশনার মাসুদ আলম বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এই হত্যার পেছনে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে উঠে এসেছে ‘সাজিদ’ নামে এক ব্যক্তি, যিনি খুলনা অঞ্চলের মাদক কারবারি। তার স্ত্রী জান্নাত মুনের সঙ্গে রাকিবের যোগাযোগকে কেন্দ্র করে সন্দেহ থেকেই এই হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, রাকিব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে টিকটকে কনটেন্ট তৈরি করতেন। সেই সূত্রে জান্নাত মুনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা চলছিল এবং রাকিবকে হুমকিও দেওয়া হচ্ছিল।

গ্রেপ্তার পাঁচজন হলেন, শিহাব, জয়, রাফিন, সাগর ও সালাউদ্দিন। এদের মধ্যে রাফিনকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাকি আসামিদের খুলনা, পটুয়াখালী ও গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, এই পাঁচজনের মধ্যে চারজন সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়। শিহাব, জয় ও রাফিন ধারালো অস্ত্র দিয়ে রাকিবকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে। এরপর ‘আলামিন’ নামে আরেকজন তার মাথায় গুলি করে। তবে আলামিন এখনও পলাতক।

অন্যদিকে, সালাউদ্দিন পুরো অভিযানের সমন্বয় করেন এবং অস্ত্র সরবরাহ করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে আরও সাত-আটজন জড়িত রয়েছে বলেও ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

তদন্তে জানা গেছে, হত্যাকারীরা খুলনা থেকে পরিকল্পনা করেই ঢাকায় আসে এবং বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান নেয়। রাকিবের গতিবিধি নজরদারি করে (রেকি) ঘটনার দিন পরিকল্পনা অনুযায়ী হামলা চালানো হয়।

গত রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়ার সময় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে হামলার শিকার হন রাকিব। প্রথমে তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়, পরে মাথায় গুলি করা হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

রাকিব বোরহান উদ্দিন কলেজের বিএ দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি ভোলা সদরে এবং ঢাকার নিমতলীতে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন।
ঘটনার পর থেকেই ‘নারী সংক্রান্ত বিরোধ’কে কেন্দ্র করে হত্যার আভাস মিলছিল। রাকিবের স্ত্রী হাবিবা আক্তারও শুরু থেকেই জান্নাত মুনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ও তার স্বামীকে সন্দেহের কথা জানিয়েছিলেন। এখন পুলিশি তদন্তেও সেই সন্দেহেরই প্রতিফলন পাওয়া যাচ্ছে।

ডিসি মাসুদ আলম বলেন, জড়িত সবাইকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। তিনি আরও বলেন, “এই চক্র অত্যন্ত দুর্ধর্ষ। তারা টাকার বিনিময়ে যে কাউকে হত্যা করতে পারে।”

Continue Reading

Trending