Connect with us

সারাদেশ

বাজিতপুরে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ এহসানুল হুদার ২২ সমর্থক আটক

Published

on

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ ১২ দলীয় জোটের মনোনয়ন প্রত্যাশী সৈয়দ এহসানুল হুদার ২২ সমর্থককে আটক করেছে যৌথবাহিনী।

রবিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে বাজিতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শনিবার (২২ নভেম্বর) রাতে এলাকায় মহড়া দেওয়ার সময় বাজিতপুর উপজেলার নান্দিনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সৈয়দ এহসানুল হুদার সমর্থক গোলাম সারোয়ার ভুবনসহ ২২ জনকে আটক করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল ও ১২ দলীয় জোটের মনোনয়ন প্রত্যাশী বাংলাদেশ জাতীয় দলের সভাপতি এহসানুল হুদার সমর্থকদের মধ্যে কয়েকদিন ধরে উত্তেজনা চলছিল। শনিবার বিকালে এহসানুল হুদার নেতৃত্বে বাজিতপুর পৌর ও উপজেলা বিএনপির ব্যানারে ধানের শীষের প্রচার মিছিল বের হয়।

সৈয়দ এহসানুল হুদার মিছিলে যোগ দিতে বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা উপজেলা সদরে আসার পথে ফায়ার সার্ভিস মোড়, মথুরাপুর মোড় এবং সরিষাপুর, হালিমপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় মিছিলে কয়েকটি গাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালের সমর্থকরা। এ ঘটনার জের ধরে শনিবার রাতে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এলাকায় মহড়া দেয় সৈয়দ এহসানুল হুদার লোকজন। খবর পেয়ে যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র ,গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ এহসানুল হুদার ২২ সমর্থককে তাদেরকে আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি পিস্তল ও ০৬ রাউন্ড গুলিসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

বাজিতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন জানান, এ ঘটনার বাজিতপুর থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

সালথায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০

Published

on

By

ফরিদপুরের সালথায় পেঁয়াজের জমিতে সেচ দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকটি বসতবাড়িতে হামলা ও পাল্টা হামলা চালিয়ে ভাঙচুর এবং লুটপাট করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের বালিয়া গ্রামে নুরু মাতুব্বর ও জাহিদ মাতুব্বরের সমর্থকদের মধ্যে এ সহিংসতার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গট্টি ইউনিয়নে প্রভাব ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নুরু মাতুব্বরের সঙ্গে জাহিদ মাতুব্বরের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। নুরু ও জাহিদ উভয়েই বিগত ১৭ বছর আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

তবে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তারা দুজনই বিএনপিতে যোগ দেন এবং এলাকায় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে একাধিকবার সহিংসতায় জড়িয়ে পড়েন। এসব ঘটনায় দুই নেতা কারাবরণও করেছেন।


জানা যায়, চলমান বিরোধের জেরে বৃহস্পতিবার বিকেলে বালিয়া গ্রামের মাঠে পেঁয়াজের জমিতে সেচ দেওয়াকে কেন্দ্র করে জাহিদ মাতুব্বরের সমর্থক মো. শহীদ শরীফের সঙ্গে নুরু মাতুব্বরের সমর্থক জাহিদ শরীফের হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে।

এরই ধারাবাহিকতায় সন্ধ্যায় বালিয়া বাজারে উভয় পক্ষের সমর্থকরা জড়ো হন। একপর্যায়ে রাত ৮টার দিকে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়।

সংঘর্ষ চলাকালে অন্তত পাঁচটি বসতবাড়িতে হামলা ও পাল্টা হামলা চালিয়ে ভাঙচুর এবং লুটপাট করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে উভয় পক্ষের মোট ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

সালথা থানার ওসি মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, খবর পেয়ে সালথা আর্মি ক্যাম্পের সেনাবাহিনী ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

Continue Reading

top2

সীমান্তে বিজিবি-গ্রামবাসীর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহত ৭

Published

on

By

সিলেটের জৈন্তাপুর সীমান্তে বিজিবি ও গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে একজন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন বিজিবি সদস্যও রয়েছেন। সবাইকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নিজপাট ইউনিয়নের বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের টিপরাখলা এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে বিজিবি ও গ্রামবাসী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় বিজিবি সদস্যরা অন্তত ১৫-১৬ রাউন্ড গুলি চালায়।

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিজিবি টহল টিম জৈন্তাপুর সদর হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নেন। গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে আহতদের পরিবার ও স্থানীয়রা হাসপাতালে ছুটে আসেন।

পুনরায় হাসপাতালে বিজিবি ও গ্রামবাসীর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা বিজিবির ওপর চড়াও হন। খবর পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার সালমান নুর আলম, জৈন্তাপুর মডেল থানার ওসি মাহবুবুর রহমান মোল্লা, তদন্ত কর্মকর্তা উসমান গনি এবং অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশের ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগিতায় রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

রাত ১২টার দিকে সেনাবাহিনীর টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে। সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহযোগিতায় বিজিবি সদস্যরা হাসপাতাল ত্যাগ করেন।

গুলিবিদ্ধ আতিক (২২), নুরনবী মিয়ার পুত্র, এবং বিজিবি সদস্য সাহাঙ্গীর আলম (৪৩) সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। অন্য আহতরা হলেন বিজিবির ল্যান্স নায়েক মো. ওমর ফারুক, স্থানীয় রায়হান মিয়া (২৪) ও নুরজাহান বেগম (৪০)। গুলিবিদ্ধ আতিকের গায়ে পাঁচ রাউন্ড গুলির আঘাত রয়েছে। বিজিবি সদস্য সাহাঙ্গীর আলম মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিজিবি সদস্যরা টহল দেওয়ার সময় স্থানীয় যুবকদের সঙ্গে বাক-বিতণ্ডা হয়। বিজিবি সীমান্তবর্তী বসতবাড়ি তল্লাশি ও কয়েকজনকে লাঠিচার্জ করলে জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষ শুরু করে। এ ছাড়া ২০ জানুয়ারি টিপরাখলা সীমান্তে গরু চোরাচালান আটকানো নিয়ে বিজিবি ও স্থানীয়দের মধ্যে মারামারি হয়, যার ফলে অন্তত ৩০-৪০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

এই মামলার প্রেক্ষিতে ও বৃহস্পতিবারের ঘটনার পর বিজিবি সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে বিজিবি সদস্য সাহাঙ্গীর আলম আহত হন। পরে বিজিবি গুলি চালায়, এতে আতিক গুলিবিদ্ধ ও আরও কয়েকজন আহত হন। ঘটনার পর বিজিবি অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করেছে। রাতেই ১৯ বিজিবি জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং তদন্ত শুরু করেন।

জৈন্তাপুর মডেল থানার ওসি মাহবুবুর রহমান মোল্লা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধসহ আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে।

Continue Reading

top3

এলপিজি গ্যাসের তীব্র সংকট, দিশেহারা সাধারণ মানুষ

Published

on

By

গত প্রায় এক মাস ধরে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় চরম আকার ধারণ করেছে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের সংকট। কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ করে এই সংকট শুরু হওয়ায় রান্নাবান্না নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার হাটবাজার ও খুচরা দোকানগুলোতে গ্যাস সিলিন্ডার মিলছে না বললেই চলে। কোথাও সীমিত পরিমাণে পাওয়া গেলেও তা বিক্রি হচ্ছে অস্বাভাবিক উচ্চমূল্যে।

দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে মতলব উত্তর উপজেলার অধিকাংশ পরিবার রান্নার কাজে এলপিজি গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল। জ্বালানি কাঠ ও কেরোসিনের ব্যবহার প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু হঠাৎ করে এলপিজি গ্যাসের এমন সংকটে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের নাভিশ্বাস উঠেছে। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে আবারও কাঠ বা বিকল্প জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে, যা সময়সাপেক্ষ ও কষ্টসাধ্য।

সরেজমিনে উপজেলার ছেংগারচর, সুজাতপুর, নতুন বাজার’সহ বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে দেখা যায়, যেখানে আগে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ থাকত, সেখানে এখন বড় বড় দোকানেও সিলিন্ডার নেই। কিছু কিছু দোকানে সীমিত পরিমাণে গ্যাস পাওয়া গেলেও ১ হাজার ৭০০ টাকা থেকে শুরু করে ২ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত দাম হাঁকা হচ্ছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে।

ভুক্তভোগী গৃহিণী নাজমা বেগম বলেন, আমরা কয়েক বছর ধরে এলপিজি গ্যাস ব্যবহার করে রান্না করি। এখন তিন দিন ধরে গ্যাস শেষ। বাজারে খোঁজ করেও পাচ্ছি না। কোথাও পেলেও দাম অনেক বেশি। সংসার চালাতেই যেখানে হিমশিম খেতে হয়, সেখানে এত টাকা দিয়ে গ্যাস কিনব কীভাবে?

আরেক ভুক্তভোগী কামাল মিয়া জানান, আগে হাটে গেলেই গ্যাস পাওয়া যেত। এখন দোকানদাররা বলে গ্যাস নেই। রান্না করতে না পেরে পরিবার নিয়ে খুব বিপদে আছি।

এলপিজি ব্যবসায়ীরাও সংকটের বিষয়টি স্বীকার করছেন। সুজাতপুর বাজারের ব্যবসায়ী আল আমিন বলেন, কোম্পানি থেকে আমরা নিয়মিত গ্যাসের সরবরাহ পাচ্ছি না। এজন্য বাজারে সংকট দেখা দিয়েছে। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়েও আমাদের কাছে কোনো সঠিক তথ্য নেই।

তিনি আরও জানান, সরবরাহ কম থাকায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রি করছে, যা সংকটকে আরও জটিল করে তুলছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান বাজার মনিটরিং কিংবা কোনো লিখিত ঘোষণা না থাকায় একশ্রেণির ব্যবসায়ী সুযোগ নিচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, এলপিজি গ্যাস সংকট বর্তমানে একটি জাতীয় সমস্যা। আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছি। কেউ অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Continue Reading

Trending