Connect with us

সর্বশেষ

নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা: মেম্বারসহ আটক ৩

Published

on

নরসিংদীর মাধবদীতে কিশোরী আমেনা বেগম (১৫)কে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় শালিস করা সাবেক মেম্বার আব্দুল্লাহসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রধান আসামি নূরা এখনও পলাতক রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরিশালের স্থায়ী বাসিন্দা আমেনা বেগম মাধবদীর হোসেন বাজার বিলপাড় এলাকায় বাবা-মায়ের সঙ্গে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। পরিবারের অভিযোগ, প্রায় ১৫ দিন আগে ছয় যুবক তাকে ধর্ষণ করে। বিষয়টি স্থানীয় সাবেক মেম্বার আব্দুল্লাহর কাছে শালিসে দেওয়া হলে তিনি মীমাংসার আশ্বাস দেন। কিন্তু গত ১৫ দিনেও সঠিক বিচার করা হয়নি, অভিযোগ আছে মেম্বার আসামিদের থেকে টাকা নিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে চেয়েছিল।

এরই মধ্যে গতকাল রাতে বাবার সামনে থেকে কিশোরী আমেনাকো তুলে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। রাতে পরিবারের খোঁজাখুঁজির পর সকালে একটি সরিষা ক্ষেত থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে মাধবদী থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, “আমরা বিকালে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরই অভিযান চালাই। এরপর শালিস করা মেম্বার আব্দুল্লাহ, তার ছেলে ইমরান এবং ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত এবাদ উল্লাহকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই।”

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মেম্বার আব্দুল্লাহ স্বীকার করেছেন যে তিনি ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত এবাদ উল্লাহর কাছ থেকে দুই হাজার টাকা নিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।

এ ঘটনায় প্রধান আসামি নূরাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। স্থানীয়রা এই নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে রাতে প্রতিবাদ মিছিল করেছে

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

৮ দিন পর উৎপাদনে ফিরল রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট

Published

on

By

বাগেরহাট প্রতিনিধি

যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতের পর আট দিন বন্ধ থাকার পর বাগেরহাটের রামপাল মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটে আবারও বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। ৬২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনিটটি রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উৎপাদনে যায়। চালুর প্রথম দিনে ইউনিটটি থেকে ৩৬৮ দশমিক ৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (বিআইএফপিসিএল) প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ১৩ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বয়লার অতিরিক্ত গরম হওয়া ও কারিগরি জটিলতার পর মেরামতের জন্য ভারত থেকে দুজন বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী আনা হয়। তাঁদের তত্ত্বাবধানে প্রয়োজনীয় মেরামত শেষে রোববার ইউনিটটি পুনরায় চালু করা হয়েছে।

আনোয়ারুল আজিম বলেন, বর্তমানে কেন্দ্রটির দুটি ইউনিটেই বিদ্যুৎ উৎপাদন চলছে। দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন ধীরে ধীরে বাড়িয়ে জাতীয় গ্রিডে আরও বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রটিতে পর্যাপ্ত কয়লাও মজুদ রয়েছে।

রামপাল মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মোট স্থাপিত উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট। তবে স্বাভাবিকভাবে দুটি ইউনিট একসঙ্গে চললে সাধারণত ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়।

কর্তৃপক্ষ জানায়, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মাঝেমধ্যে কেন্দ্রটির কোনো একটি ইউনিট সাময়িকভাবে বন্ধ হতে পারে। এ ধরনের ত্রুটি দেখা দিলে দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয় ২০১০ সালে। ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও ভারতের এনটিপিসির মধ্যে চুক্তি সই হয়। পরে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড গঠন করা হয়।

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার রাজনগর ও গৌরম্ভা ইউনিয়নের সাপমারী-কৈগর্দ্দাশকাঠি মৌজায় প্রায় ১ হাজার ৩৪ একর জমিতে কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়েছে। প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর উৎপাদনে যায়। দ্বিতীয় ইউনিট পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যায় ২০২৩ সালের ২৪ অক্টোবর এবং বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে ২০২৪ সালের ১২ মার্চ।

দ্বিতীয় ইউনিটটি গত ১৩ সেপ্টেম্বর বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর কেন্দ্রটির সামগ্রিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে যায়। এর আগে কেন্দ্রটি জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল।

Continue Reading

সর্বশেষ

লংমার্চের বহরকে স্বাগত জানানোয় জামায়াত নেতাকে কুপিয়ে জখম

Published

on

By

অলটাইম ডেস্ক

সিরাজগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতাকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে আহত জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর সেখের স্ত্রী শোহর বানু সদর থানায় এই মামলা করেছেন। 

আহত আব্দুস সবুর সেখ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের জামায়াতের সাবেক আমির।

মামলার এজাহারে সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম সরকারসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরও ৫ থেকে ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিরা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মী বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, রাতে মামলা হয়েছে। তবে আসামিদের কেউ এখনো গ্রেফতার হয়নি। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

মামলার সুত্রে জানা যায়, গত শনিবার দুপুরে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা টু রংপুর লংমার্চের গাড়িবহর যমুনা সেতু পার হয়ে সয়দাবাদ এলাকা অতিক্রম করে। তখন জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর সেখ নেতাকর্মীদের নিয়ে মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের স্বাগত জানান। ওই সময় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা জামায়াতের কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে প্রশাসনের বাধার মুখে তারা ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। 

এরপর স্থানীয় একটি মসজিদে জোহরের নামাজ শেষে বের হওয়ার পর আব্দুস সবুর সেখকে একা পেয়ে তার ওপর হামলা চালায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। তারা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আব্দুস সবুরকে কুপিয়ে ও মারধর করে গুরুতর আহত করে বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

আহত আব্দুস সবুরকে প্রথমে সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নেওয়া হয়। এরপর তাকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আব্দুস সবুরের শরীরের ৩টি স্থানে জখম হয়েছে।

সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম সরকার বলেন, লংমার্চের সময় স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর সাথে জামায়াত নেতাকর্মীদের তর্কবিতর্ক হয়। ওই সংক্রান্ত একটি ভিডিও জামায়াতের পক্ষ থেকে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন তারা। এ কারণে স্থানীয় কয়েকজন নেতাকর্মী আব্দুস সবুরকে ধরে কিলঘুষি দিয়েছে। কাঠের চেলা দিয়ে আঘাত করার কারণে হয়তো তার শরীর থেকে রক্ত বের হয়েছে। কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ সঠিক নয়।

Continue Reading

top1

ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, হাসপাতালে ১৫৯৩

Published

on

By

ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৫৯৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১৮৪ এবং আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১ হাজার ৯৭২ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের রবিবারে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত মারা যাওয়া ছয়জনের মধ্যে দুইজন চট্টগ্রাম, দুইজন খুলনা, একজন ঢাকা এবং একজনের মৃত্যু হয়েছে বরিশাল বিভাগে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে- ৬৮৭ জন।

এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৩২ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৭১ জন এবং দুই সিটি করপোরেশনের বাইরের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে ৩৮৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ২৯২ জন, বরিশাল বিভাগে ১৫৪, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬৭, রাজশাহী বিভাগে ১৩৭, ময়মনসিংহ বিভাগে ৮২, রংপুর বিভাগে ৬৫ এবং সিলেট বিভাগে ৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ৫৮৭ জন ডেঙ্গু রোগী। চলতি বছরে এ পর্যন্ত চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৬১০ জন।

Continue Reading

Trending