Connect with us

top1

বিএনপিতে মনোনয়ন নিয়ে সংঘাত বাড়ছে

Published

on

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ইতোমধ্যে ২৩৭ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। কিন্তু যতই দিন যাচ্ছে, মনোনয়ন নিয়ে দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে সংঘাত ক্রমেই বাড়ছে। এমনকি মনোনয়ন ঘিরে সংঘর্ষে নিহতের ঘটনাও ঘটেছে। 

দীর্ঘদিন ধরে নিপীড়িত অনেক নেতা বঞ্চিত হওয়ায় তাদের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ থেকে এই সংঘাতের সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে সংঘাত নিরসনে দলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সে সঙ্গে প্রয়োজনে প্রার্থীদের নিয়ে বসে দ্বন্দ্ব নিরসনের পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ ১৫ বছর আওয়ামী ফ্যাসিবাদী আমলে দলের জন্য নির্যাতিত হয়েছেন বিএনপির অনেক নেতাকর্মী ও সমর্থক। গণতন্ত্রে উত্তরণের পথে আগামী নির্বাচন ঘিরে মনোনয়নকে দলের কাছে মূল্যায়িত হওয়ার অংশ হিসেবে দেখেছেন তারা। দীর্ঘদিনের নিপীড়িত-নির্যাতিত এসব নেতাকে ঘিরে স্বপ্ন বুনছেন তাদের কর্মী-সমর্থকরা। কিন্তু প্রত্যাশা পূরণ না হওয়া এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিতর্কিত প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত কোথাও কোথাও প্রাণঘাতী সংঘাতে রূপ নিয়েছে।

যদিও বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই মনোনয়নের মাধ্যমে যে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে, সেটি সম্ভাব্য। বিভিন্ন স্থানে এটির রদবদলও হতে পারে। তবে বিতর্কিত ও তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক নেই—এমন অনেক প্রার্থীর নাম ঘোষণাকে কেন্দ্র করে প্রার্থী পুনর্বিবিবেচনার দাবি উঠেছে তৃণমূল থেকে। বিক্ষোভ, মশাল মিছিল, সভা-সমাবেশ ও মানববন্ধনে প্রার্থী পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন অনেক মনোনয়নপ্রত্যাশী ও তাদের কর্মী-সমর্থকরা। এ ছাড়া যেসব আসনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত হয়নি, সেগুলোর কিছু কিছুতে দলীয় প্রার্থীকে মনোনয়নের দাবি জানিয়েছেন নেতাকর্মীরা।

এর মধ্যে গত রোববার ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বিএনপির মনোনয়নকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় তানজিন আহমেদ আবিদ (৩০) নামে এক ছাত্রদলকর্মী নিহত হন। গৌরীপুর পৌর শহরের মধ্যবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ছাড়া বিএনপির প্রার্থী ঘোষণার পর মাদারীপুর-১ (শিবচর), মেহেরপুর-২ (গাংনী), কুষ্টিয়া-৩ (সদর), চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি), চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড), চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী), কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর), কুষ্টিয়া-৪, কুমিল্লা-৬ (সদর ও সেনানিবাস), কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই উপজেলা), চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ), বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী), ঠাকুরগাঁও-২, জয়পুরহাট-২, জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ), ঢাকা-১২, টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল), ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা উপজেলা), সিলেট-৪ (গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জৈন্তাপুর), দিনাজপুর-২ (বিরল-বোচাগঞ্জ), রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর), রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর), চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (ভোলাহাট, গোমস্তাপুর ও নাচোল), কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস), কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ), নাটোর-১ (লালপুর ও বাগাতিপাড়া), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর), গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি), খুলনা-২ (সোনাডাঙ্গা ও খুলনা সদর) আসনে বিদ্রোহ, বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা, বান্দরবানসহ বেশ কয়েক স্থানে বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

এর মধ্যে ফেনী সদর আসনে বিএনপির প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে ধানক্ষেতে দাঁড়িয়ে ক্রিকেটারের ভঙ্গিতে ‘রিভিউ আবেদন’ করে আলোচনায় এসেছেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল। তার অভিনব এই প্রতিবাদ ইতোমধ্যেই দল ও দলের বাইরে সাড়া ফেলেছে।

এ ছাড়া বক্তব্যের শেষে আওয়ামী স্টাইলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে মনোনয়ন হারিয়েছেন মাদারীপুর-১ (শিবচর উপজেলা) আসনের কামাল জামান মোল্লা। এ নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় বইছে।

একইসঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ৯০ বছর বয়সি সাবেক সচিব মুশফিকুর রহমানের নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘ ১৭ বছর রাজনীতি এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন থেকে তিনি ছিলেন সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন। কানাডার নাগরিক সাবেক এই সচিব সেখানেই স্থায়ীভাবে বসবাস করেন। এ নিয়ে দলের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এদিকে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে বিএনপির সম্ভাব্য মনোনয়ন ঘোষণা নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। কেন্দ্রীয়ভাবে প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়ায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতামত উপেক্ষিত হওয়ায় এমন প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। আসনটিতে এবার মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য এসএম ওবায়দুল হক নাসিরকে। এরপর থেকেই লাগাতার আন্দোলন করে যাচ্ছেন সাবেক মন্ত্রী, চারবারের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা লুৎফর রহমান খান আজাদের কর্মী-সমর্থকরা। বিক্ষোভকারীরা জানান, যে পর্যন্ত এই আসনে বিএনপির মনোনয়ন পরিবর্তন না হবে, সে পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তারা।

জানতে চাইলে লুৎফর রহমান খান আজাদ বলেন, ৩৭ বছর ধরে দলের সঙ্গে আছি। তবে এই মনোনয়ন নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি নই। মনোনয়নের মাধ্যমে নির্বাচনি এলাকার বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে বলে মনে করেন কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে আজাদ বলেন, ‘জনআকাঙ্ক্ষা আদৌ পূরণ হয়নি। তবে দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে—এটি চূড়ান্ত নয়, সম্ভাব্য তালিকা। প্রয়োজনে অদল-বদল হতে পারে। এখন দলের হাইকমান্ড বিষয়টি বিবেচনা করবে। সে সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করব।’

সংঘাত নিরসনে এখন দলকেই এগিয়ে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেন রাজনীতি বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাব্বির আহমেদ। তিনি বলেন, ‘বিএনপির একটু সহানুভূতিশীল হওয়ার সুযোগ আছে। কারণ, দীর্ঘদিন তারা (নেতাকর্মীরা) নানারকম নির্যাতন-অত্যাচার সহ্য করে রাজনীতি করেছেন। এ কারণে তারা তো মনোনয়ন চাইতেই পারেন। কিন্তু দলের পক্ষে সবাইকে মনোনয়ন দেওয়া সম্ভবও হচ্ছে না। দল অনেক কিছু বিচার-বিশ্লেষণ করছে। পুরোটাই নির্ভর করবে দলের ওপর।

ড. সাব্বির বলেন, ‘তারা (বিএনপির হাইকমান্ড) যদি সমঝোতা করে, আলাপ-আলোচনা করে নিবৃত্ত করতে পারে—সেটা বরং দলের জন্য ভালো। অন্য কোনোভাবে দল পুরস্কৃত করে তাদের ম্যানেজ করার চেষ্টা করতে পারে। এটা দলকেই করতে হবে।

এ ক্ষেত্রে মনোনয়নবঞ্চিত এসব নেতার অবদানকে স্বীকার করে, তাদের গুরুত্ব দিয়ে বোঝাতে হবে বলে মনে করেন ড. সাব্বির। তিনি বলেন, ‘সবাইকে তো একসঙ্গে খুশি করা যায় না। কিন্তু তাদের বোঝানোটা মনে হয় দলের জন্য কঠিন কোনো কাজ নয়। তারপরও দলের মধ্যে দু-একজন তো থাকেন, যারা কিছু মানতে চান না। তারা বিদ্রোহী প্রার্থী হবেন—সেটাও দলকে চূড়ান্তভাবে সহ্য করে নিতে হবে।’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

এনসিপির সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণ আহত ৩

Published

on

By

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা পরবর্তী সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত তিনজন আহতের তথ্য পাওয়া গেছে।

সোমবার (০৬ জুলাই) রাত নয়টা ৪৩ মিনিটের দিকে সাভার থানা স্ট্যান্ড ঈদগাহ মাঠে সমাবেশ চলাকালে এ বিস্ফোরণ ঘটে।

আহতরা হলেন- মো শাহীন খান্দকার(৩০), মো জসিম (২৬), মো শাহাদাত হোসেন (৪০)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ বক্তব্য দেওয়ার সময় এ বিস্ফোরণ ঘটে। এসময় মঞ্চে এনসিপি আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, মুখ্য সংগঠক (উত্তরান্চল) সারজিস আলমসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসময় নেতাকর্মীরা তাদের বাঁচাতে মানবঢাল তৈরি করেন।

বিস্ফোরণের পর সমাবেশস্থল ধুলোয় ঢেকে যায়। অনেকেই দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করেন।

ঘটনার পর নিরাপত্তা জোরদার করা হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিস্ফোরণের ঘটনায় কাউকে আটক বা শনাক্ত করা যায়নি।

একইসঙ্গে হামলার বিষয়ে পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

এনসিপির সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৩

Continue Reading

top1

এনসিপির সমাবেশস্থলে বোমা বিস্ফোরণ

Published

on

By

এনসিপির সমাবেশস্থলে বোমা বিস্ফোরণএনসিপির সাভার পদযাত্রাপরবর্তী সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাত পৌনে ১০টায় সাভার থানা স্ট্যান্ড ঈদগাহ মাঠে সমাবেশ চলাকালে এ বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

ঢাকা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক ইন্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ বক্তব্য প্রদানকালে এ বিস্ফোরণ ঘটে। এসময় সমাবেশ মঞ্চে এনসিপি আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত অবস্থায় এ হামলা চালানো হয়।

গণভোট বাস্তবায়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে জুলাই পদযাত্রার প্রথম দিন গাজীপুরের কালীগঞ্জে পদযাত্রায় বক্তব্য রাখেন এনসিপির সদস্য সচিব আক্তার হোসাইন এমপি।

Continue Reading

top1

ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, ৪ ভাই গ্রেপ্তার

Published

on

By

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির জেরে মো. রুবেল (৩২) নামে এক ভাড়াটিয়াকে ঘরে ঢুকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাড়িওয়ালার চার ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত চার ভাই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— রহমত (৩০), জনি (২৮), রকি (২৬) ও ইমরাজ (১৮)। তারা নগরীর রামকৃষ্ণ মিশন রোড এলাকার বাসিন্দা।

সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, নিহত রুবেল এলাকায় মাদকসেবী ও মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি রামকৃষ্ণ মিশন রোড এলাকায় পারুল বেগম নামে এক নারীর বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। ওই বাসায় নিয়মিত মাদকের আসর বসায় বাড়িওয়ালা পারুল তাকে বাসা ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

পুলিশ সুপার বলেন, “রবিবার সকালে রুবেল বাসা ছাড়বেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন। এ নিয়ে পারুল বেগমের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রুবেল ওই নারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করেন। পারুলের ছেলে জনি বিষয়টি দেখে বাকি তিন ভাইকে খবর দেন।”

পিবিআই জানায়, মায়ের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে চার ভাই মিলে রুবেলের ঘরে ঢোকেন। প্রথমে তাকে বাঁশ দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয় এবং পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে তারা পালিয়ে যান।

পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় রুবেলকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে রুবেলের হামলায় আহত বাড়িওয়ালা পারুল বেগম বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Continue Reading

Trending