Connect with us

top1

বিএনপির ৭৯ আসনে ৯২ বিদ্রোহী প্রার্থী

Published

on

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনেও বিএনপির ৭৯টি আসনে ৯২ জন  স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের মাঠে রয়ে গেছেন। দলের শৃঙ্খলা অমান্য ও বহিষ্কারের পরও তারা ভোটে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা দলীয় সমঝোতা ও আসন সমঝোতার রাজনীতিকে জটিল করে তুলেছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে ১১৭টি আসনে বিএনপির ১৯০ জন নেতা দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হন। মনোনয়নপত্র বাছাই ও প্রত্যাহারের পর ৩০৫ প্রার্থী সরলেও বড় অংশ এখনো ভোটে রয়ে গেছেন। এই প্রার্থীদের মধ্যে অন্তত ১০ জনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীও নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনের সাবেক জেলা জামায়াত আমির অধ্যাপক জসিম উদ্দিন দল থেকে বহিষ্কৃত হলেও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

রাজধানী ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলোতে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিশেষ করে ঢাকা-৭, ঢাকা-১২ ও ঢাকা-১৪ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থীদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। এ ছাড়া কুমিল্লা, সুনামগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নারায়ণগঞ্জ ও ময়মনসিংহের একাধিক আসনে বিএনপির বিদ্রোহী নেতারা ভোটের মাঠে রয়েছেন।

বিভিন্ন জেলা ও আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীদের মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য, জেলা সভাপতি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা ও পদাধিকারী অন্তর্ভুক্ত। ঢাকার শিল্পাঞ্চল, মিরপুর, শাহ আলী, দারুস সালাম, তেজগাঁও, হাতিরঝিল, উত্তরা ও অন্যান্য এলাকায় দলের বহিষ্কৃত নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনেও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীরা ভোটের মাঠে থেকে দলীয় শৃঙ্খলা ও আসন সমঝোতার রাজনীতিকে জটিল করে তুলেছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দলের অভ্যন্তরীণ অস্বস্তি ও বিভাজন প্রকাশ পেয়েছে। এর ফলে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সমঝোতার চিত্র আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

বিএনপি ভোট পেয়েছে ৫০%, জামায়াত ৩২%

Published

on

By

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে সরকার গঠনের পথে থাকা বিএনপি ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোটারের সমর্থন পেয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থেকে প্রধান বিরোধীদল হিসেবে নির্বাচিত জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট। আর দলগতভাবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আসনপ্রাপ্ত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থীরা পেয়েছেন ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ ভোট। তবে সাতটি আসনে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ঘরে গেছে ৫ দশমিক ৭৯ শতাংশের সমর্থন।

রোববার নির্বাচন কমিশন (ইসি) দলগত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের এই তথ্য প্রকাশ করেছে। গত বৃহস্পতিবার জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের তিনদিন পর এই তথ্য প্রকাশ করলো সংস্থাটি।

বিস্তারিত আসছে.

Continue Reading

top1

নির্বাচনি সংহিসতা বন্ধে ঢাকায় বিক্ষোভের ঘোষণা ১১ দলীয় জোট

Published

on

By

নির্বাচন পরবর্তী সংহিসতা বন্ধে আগামীকাল সোমবার বিকেলে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট রাজধানী ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ করবে।

রোববার দুপুরে ইসির সঙ্গে বৈঠকের পর সাবেক এমপি হামিদুর রহমান আযাদ সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে ভোট জালিয়াতি, কারচুপি ও ফলাফল শিটে ঘষামাজা করার অভিযোগ তুলে ভোট পুনঃগণনার দাবিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করছেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পৌঁছান তারা। 

Continue Reading

top1

নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য হয়েছে: এএনএফআরইএল

Published

on

By

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনের (এএনএফআরইএল) চেয়ারপারসন রোহানা এন হেতিয়ারাচ্চি।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণ নিয়ে প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্থাপন করেছে এবং সার্বিকভাবে এটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে ভোট গণনার প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি নির্বাচনী প্রচারণার ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশেরও পরামর্শ দেন।

এ সময় তিনি বলেন, তরুণ ও নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি নিশ্চিত করা রাজনৈতিক দলগুলোর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে ভোট জালিয়াতি, কারচুপি ও ফলাফল শিটে ঘষামাজার অভিযোগ তুলে ভোট পুনর্গণনার দাবিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে ইসিতে গেলেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পৌঁছান তারা।

এর আগে গতকাল শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টায় আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে বিষয়টি জানান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন বিভিন্ন আসনে জালিয়াতি, ভোট প্রদানে বাধা, এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া এবং ফলাফল শিটে ওভাররাইটিং ও ঘষামাজার মতো অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে। এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছিল।

অভিযোগ করে তিনি বলেন, কিছু আসনে ফল প্রকাশে অস্বাভাবিক দেরি হয়েছে, আবার কিছু আসনে ‘বিদ্যুৎগতিতে’ ফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যেসব আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি মানা হয়নি এবং অনিয়ম হয়েছে, সেসব আসনে পুনর্গণনার আবেদন করা হবে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে সম্ভাব্য সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেন।

নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার প্রসঙ্গ টেনে মাহবুব জুবায়ের বলেন, বিভিন্ন স্থানে হামলায় আহত ও নিহতের ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয় পাওয়া দলের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

Continue Reading

Trending