Connect with us

top1

বিডিআর বিদ্রোহে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর

Published

on

বিডিআর বিদ্রোহে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে তিনি ও তার সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে যান।

সেখানে প্রথমে তারা নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান ও জোবাইদা রহমানের বাবা রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

পরে প্রধানমন্ত্রী ও জোবাইদা রহমান বিডিআর বিদ্রোহে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের কবর প্রাঙ্গণে যান। সেখানে স্মৃতিস্তম্ভের সামনে দাঁড়িয়ে তারা নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এজেডএম জাহিদ হোসেন এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত বিদ্রোহে মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। পরে এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৭৪ জনে। নিহত সেনা কর্মকর্তাদের অধিকাংশকে বনানী সামরিক কবরস্থানে দাফন করা হয়

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

শিক্ষা-শিল্পের সেতুবন্ধনে পাবিপ্রবিতে মুক্ত আলোচনা, ইবি ভিসির অংশগ্রহণ

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

‘শিক্ষা-শিল্পের ঐকতান, কর্মসংস্থানের সমাধান’ স্লোগানকে সামনে রেখে শিক্ষা ও শিল্পখাতের মধ্যে বিদ্যমান দূরত্ব কমিয়ে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে “Dialogue on University-Industry Collaboration” শীর্ষক মুক্ত আলোচনা।

বুধবার (১৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেনশন হলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠানটি চলে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রাহিদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে পাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল-মামুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। গেস্ট অব অনার ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান এবং পল্লী উন্নয়ন অ্যাকাডেমি (আরডিএ), বগুড়ার মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মো. আব্দুল মজিদ প্রামানিক।

আলোচনায় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), স্কয়ার গ্রুপ, রবি, বেঙ্গল গ্রুপ, ইউনিভার্সাল গ্রুপ, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, জাপানি কোম্পানি এবং আরআরপি গ্রুপসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর বরাত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, পর্যায়ক্রমে এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করা হবে।

এসময় প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, “সরকার উদ্ভাবন, গবেষণা এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে। ইন্ডাস্ট্রি ও অ্যাকাডেমিয়ার মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করা হবে।”

বিশেষ অতিথি অধ্যাপক ড. মতিনুর রহমান শিক্ষার্থীদের প্র্যাকটিক্যাল শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “মেধা ও দক্ষতার সমন্বয়ের মাধ্যমে শিক্ষা ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।”

Continue Reading

top1

জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেব না: প্রধানমন্ত্রী

Published

on

By

বাসস

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘জনগণের অর্থ কোনোভাবেই বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না; বরং তা জনগণের কল্যাণ ও জীবনমান উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘অনেকেই নানা কথা ও বিভ্রান্ত ছড়াতে চায়। এরা বলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডের টাকা কোথা থেকে আসবে? আপনাদের সবাইকে সাক্ষী রেখে তাদের উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই, বিগত এক যুগ ধরে জনগণের অর্থ এই দেশ থেকে পাচার হয়ে গিয়েছিল। আমরা জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেব না।’

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের টাকা দিয়ে জনগণের জন্য কাজ করা হবে। জনগণের অর্থ দিয়ে দেশের জন্য কাজ করা হবে, দেশের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য কাজ করা হবে। কাজেই ইনশাআল্লাহ টাকার কোনো অভাব হবে না।’

তিনি বলেন, ‘যারা এই দেশ থেকে টাকা পাচার করেছে, যারা এ দেশ থেকে জনগণের অর্থ বিদেশে পাঠাতে চায়, আমরা আজ থেকে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করব। আমরা যদি সবাই চোখ-কান খোলা রাখি, তাহলে এ দেশের অর্থ কেউ বিদেশে পাচার করতে পারবে না। আমরা সবাই মিলে পরিশ্রম করব এবং সেই অর্থ দিয়ে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করব।’

দেশের মানুষের ভাগ্য বদলে সরকারের উদ্যোগের সঙ্গে সবাই আছেন কিনা- জানতে চাইলে উপস্থিত হাজার হাজার চা শ্রমিকসহ শ্রীমঙ্গলের নারী-পুরষরা সমস্বরে ‘হ্যাঁ’ সূচক জবাব দেন।

এর আগে পবিত্র কুরআনসহ বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ পাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত এবং পরে বিএনপির দলীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ১০ জন নারীর হাতে সরাসরি ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে কম্পিউটারে বাটন চেপে ফ্যামিলি কার্ড তৃতীয় পর্যায় কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। একই সঙ্গে চা শ্রমিক আবাসন সমস্যা সমাধানে শ্রমিকদের দুই লাখ টাকা করে অনুদান, চা শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য বৃত্তি প্রদান, প্রতিবন্ধীদের জন্য আর্থিক অনুদানের চেকও প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।

বিএনপিকে গণমানুষের দল উল্লেখ করে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপি সবসময় জনগণের কাতারে ছিল, সেজন্যই বিএনপির সবচেয়ে বড় শক্তি জনগণের শক্তি। সেই জন্যই বিএনপি সবসময় বলে থাকে জনগণই আমাদের সব ক্ষমতার উৎস।

Continue Reading

top1

নবম পে স্কেলে ১১-২০ গ্রেডে ভাতা বাড়ছে পাঁচ গুণ

Published

on

By

দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেল-২০২৬ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামোয় সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছেন ১১ থেকে ২০ গ্রেডের সরকারি কর্মচারীরা। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বাস্তবতায় তাদের মাসিক টিফিন ভাতা পাঁচ গুণ বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করার প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে।

বর্তমানে অষ্টম পে স্কেল অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীদের মাসিক টিফিন ভাতা ২০০ টাকা। নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে এ ভাতা বেড়ে হবে ১ হাজার টাকা।

প্রস্তাবিত এ সুবিধার আওতায় থাকবেন ১১ থেকে ২০ গ্রেডের সরকারি কর্মচারী এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

জাতীয় বেতন কমিশন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত এক দশকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে ২০০ টাকা টিফিন ভাতা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। কর্মচারীদের পুষ্টি ও কর্মদক্ষতা বিবেচনায় নিয়ে সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন বেতন কমিশন এ ভাতা ১ হাজার টাকা করার সুপারিশ করে।

নতুন পে স্কেলে টিফিন ভাতার পাশাপাশি মূল বেতন ও অন্যান্য ভাতাতেও পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০তম গ্রেডের সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।

এ ছাড়া বৈশাখী ভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ, সন্তানদের শিক্ষা ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রথমবারের মতো সরকারি কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্যবিমা সুবিধা চালুর পাশাপাশি প্রতিবন্ধী সন্তানদের জন্য মাসিক ২ হাজার টাকা অতিরিক্ত ভাতা দেওয়ার প্রস্তাবও রয়েছে।

মাঠপর্যায়ের কর্মচারী ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা টিফিন ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাবকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে ২০০ টাকার ভাতা কার্যত অপ্রতুল ছিল। নতুন হার কার্যকর হলে কর্মস্থলে দৈনন্দিন ব্যয় সামাল দিতে কিছুটা সহায়তা মিলবে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের অংশ হিসেবে আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করা হবে। এ বিষয়ে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে

Continue Reading

Trending