Connect with us

top3

বিরোধীদলীয় নেতা হচ্ছেন শফিকুর রহমান, চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম

Published

on

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হচ্ছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ হচ্ছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

সংসদ সদস্যদের শপথ শেষে সংসদীয় দলের সভায় এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সংসদ সদস্যদের শপথ শেষে এমন তথ্য জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এছাড়া, সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা হচ্ছেন ডা. আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। বিরোধীদলীয় হুইপের দায়িত্ব পালন করবেন মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।

বিরোধী দলের সংসদীয় দলের সভায় এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছে। শিগগিরই ১১-দলীয় জোটের যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

১১ দলীয় জোটের একাধিক সংসদ সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সংসদের বিরোধী দলের উপনেতা হচ্ছেন জামায়াত নেতা ডা. আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। আর মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান হুইপের দায়িত্ব পালন করবেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল

Published

on

By

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

এর আগে ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ প্রথমে কৃষি মন্ত্রণালয় ও পরবর্তীতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৬ জানুয়ারি ১৯৪৮ সালে ঠাকুরগাঁও জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবনে মির্জা ফখরুল ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৭২ সালে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষা ক্যাডারে ঢাকা কলেজে অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন।

পরবর্তীতে বেশ কয়েকটি সরকারি কলেজে অধ্যাপনা করেন। অন্যান্য সরকারি দায়িত্বের মধ্যে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ সরকারের পরিদর্শন ও আয়-ব্যয় পরীক্ষণ অধিদপ্তরে একজন নীরিক্ষক হিসেবে কাজ করেন। ১৯৭৯ সালে জিয়াউর রহমানের শাসনামলে তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী এসএ বারীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পান।

১৯৮২ সাল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর বারী পদত্যাগ করার পূর্ব পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন। বারী পদত্যাগ করার পর মির্জা ফখরুল তার শিক্ষকতা পেশায় ফিরে যান। এ সময় তিনি ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে অর্থনীতির অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্রিয় ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন।

তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের (অধুনা বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন) একজন সদস্য ছিলেন এবং সংগঠনটির এসএম হল শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের সময়ে তিনি সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ছিলেন। ১৯৮৬ সালে পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মির্জা ফখরুল তার শিক্ষকতা পেশা থেকে অব্যাহতি নেন এবং সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ১৯৮৮ সালের ঠাকুরগাঁও পৌরসভার নির্বাচনে অংশ নিয়ে পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

জেনারেল এরশাদের সামরিক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে যখন দেশব্যাপী আন্দোলন চলছে, তখন মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগদান করেন। ১৯৯২ সালে মির্জা ফখরুল বিএনপির ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন। একইসঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। মির্জা ফখরুল ১৯৯১ সালে পঞ্চম ও ১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচন করে পরাজিত হন। পরে ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে জয়লাভ করেন। একই বছর নভেম্বরে বিএনপি সরকার গঠন করলে খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় মন্ত্রিসভায় প্রথমে তিনি কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও পরবর্তীতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান। ২০০৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।

মির্জা ফখরুল ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের রমেশ চন্দ্র সেনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি একই সাথে ঠাকুরগাঁও-১ ও বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন লাভ করেন এবং বগুড়া-৬ আসনে নির্বাচিত হন।পরবর্তীতে শপথ গ্রহণ না করায় নির্বাচন কমিশন তার আসনটি শূন্য ঘোষণা করে এবং সেখানে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

২০০৯ সালের ডিসেম্বরে বিএনপির ৫ম জাতীয় সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব পদে নির্বাচিত হন। ২০১১ সালের ২০শে মার্চ বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব খন্দকার দেলওয়ার হোসেন মৃত্যুবরণ করার পর দলটির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ঘোষণা করেন। ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ দলটির ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে মির্জা ফখরুল মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হন।

Continue Reading

top3

নোট অব ডিসেন্টের সিদ্ধান্ত গণভোটেই হয়ে গেছে: নাহিদ ইসলাম

Published

on

By

নোট অব ডিসেন্টের সিদ্ধান্ত গণভোটের মাধ্যমে হয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় (প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন) জুলাই সনদে স্বাক্ষর শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম জানান, তারা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বাদ রেখে সই করেছেন এবং গণভোটের রায় পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হবে এই শর্তে স্বাক্ষর করেছেন। তিনি বলেন, আমরা কিন্তু সই করিনি এবং পরবর্তীতে আমাদের দাবির প্রেক্ষিতে জুলাই জাতীয় সনদ আদেশ দেওয়া হয়। যে আদেশের ভিত্তিতে এবারের নির্বাচন এবং গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণভোটে জনগণের রায় সংস্কারের পক্ষে এসেছে, ন্যায়ের পক্ষে এসেছে।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আজকের স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে জুলাই জাতীয় সনদ পূর্ণতা পেল। এখন সংস্কার পরিষদে এই সনদ এবং গণভোটের আদেশ অনুযায়ী সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি আরও বলেন, এনসিপি সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। আমরা সংসদে যাচ্ছি, এই জুলাই জাতীয় সনদ এবং সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করাই আমাদের ম্যান্ডেট।

তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের শেষদিনে সরকারের আমন্ত্রণে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে তারা যমুনায় এসেছিলেন। এনসিপি আগে সনদে সই করেনি কারণ তখন সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত না হওয়ায় সই করার অর্থ ছিল না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, জাভেদ রাসিন, মনিরা শারমিন, যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মুসা উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

top3

দৌলতপুরে চুরির ঘটনায় দুইপক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ-৩

Published

on

By

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে চুরির ঘটনা নিয়ে বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ৩ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের পশ্চিম দক্ষিণ ফিলিপনগর গ্রামে গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে ফিলিপনগর ইউনিয়নের দফাদারপাড়া এলাকায় আনিচুর রহমানের বাড়িতে চুরির ঘটনা নিয়ে আনিচুর ও প্রতিপক্ষ একই এলাকার সিহাবের মধ্যে বিরোধ চলছিল।

এরই জের ধরে আনিচুর রহমানের নেতৃত্বে তার লোকজন সশস্ত্র অবস্থায় প্রতিপক্ষ সিহাব ও তার লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এসময় দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। উভয় পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। গুলির শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয়রা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছুটোছুটি করতে থাকে। খবর পেয়ে দৌলতপুরের সেনা ক্যাম্পের সদস্য ও দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। সংঘর্ষে আনিচুর রহমান (৫৫), নবাব মাস্টার (৫০) ও আশরাফুল ইসলাম (৪৫) গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হলে তাদের উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

গুলিবিদ্ধ আনিচুর রহমানর অভিযোগ, দফাদারপাড়া এলাকার মৃত তফিলের ছেলে সিহাব (৫০), মজুদ্দিন দফাদারের ছেলে রিন্টু (২৬), সোহরাব উদ্দিনের ছেলে দোয়েল (২৫) ও জালাল (৪৫) সহ ৮-১০ জন তার বাড়িতে চুরি করে। এরপর থেকে তারা গা ঢাকা দেয়। পার্শ্ববর্তী পশ্চিম দক্ষিণ ফিলিপনগর গ্রামে সিহাব ও তার লোকজন অবস্থান করছে এমন খবর পেয়ে সেখানে হানা দিলে তারা আমাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিতে ৩জন আহত হয়েছে। এছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে বলে অনিচুর জানায়।

গোলাগুলির ঘটনার বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান জানান, পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে এবং এতে গুলিবিদ্ধ সহ ৩ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গোলাগুলির ঘটনার পর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকলেও দফাদারপাড়া, পশ্চিম দক্ষিণ ফিলিপনগর গ্রাম ও আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে

Continue Reading

Trending