Connect with us

top1

বৈধ অস্ত্র থানায় জমা দিতে সময়সীমা বেঁধে দিল সরকার

Published

on

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে বৈধ অস্ত্রের ব্যবহারের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সহিংসতা রোধ করার অংশ হিসেবে লাইসেন্স করা বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঘোষিত তফসিল অনুসরণে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সধারীদের আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।

তবে ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের অনুকূলে নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী বরাদ্দ বৈধ অস্ত্রের ক্ষেত্রে এই নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে না। নির্বাচন কমিশনে বৈধভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল ও গৃহীত জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এবং তার জন্য অনুমোদিত সশস্ত্র রিটেইনারের ক্ষেত্রে বৈধ অস্ত্র প্রদর্শন নিষিদ্ধকরণ-সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে না।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই আদেশ লঙ্ঘন করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্দেশনা বাস্তবায়নে দেশের সব পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগ্নেয়াস্ত্র জমা ও বহনে নিষেধাজ্ঞা একটি নিয়মিত, গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে সহিংসতা ও ভয়ভীতির আশঙ্কা কমবে।

নির্বাচনী নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ভোটের পরিবেশ আরও শান্তিপূর্ণ রাখা সম্ভব হবে। তবে মাঠপর্যায়ে তদারকি ও নজরদারি জোরদার করার ওপরও তারা গুরুত্ব দেন

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

‘নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন দেয়া ছাড়া উপায় নেই’

Published

on

By

গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন বলেছেন, ‘রাজনৈতিক শিষ্ঠাচার ভুলে গিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর অমানুষের মতো আজেবাজে কথা বলছে। ঝিনাইদহ সফরকালে সে অস্ত্রধারী ক্যাডার নিয়ে এসেছিল। তার ওপরে ছাত্রদলের কেউ হামলা করেনি। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন দেয়া ছাড়া উপায় নেই।

তিনি বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দেশের যেখানে যাবে, তাকে আরও হেনস্তার শিকার হতে হবে। বিএনপি নয়, সাধারণ জনগণ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মতো বেয়াদবদের শায়েস্তা করবে।’

বুধবার (২৭ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নিজ দলীয় কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, ‘নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রাজনৈতিক জোকার। তিনি প্রতিনিয়ত অশালীন মন্তব্য করে চলেছেন। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দেশের রাজনীতির জন্য কলঙ্ক।’

এছাড়া, ঝিনাইদহে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলার ঘটনায় জামায়াত শিবিরের ক্যাডাররা জড়িত বলে মন্তব্য করে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘জামায়াত কখনোই দেশের ক্ষমতায় আসতে পারবে না। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি। জামায়াত সব সময় অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচার সরকারের দোসর হিসেবে কাজ করেছে। আজ তারা বিএনপি সরকারকে পতনে ভয় দেখায়। জামায়াত-এনসিপি মিলে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এই অপশক্তিকে আর দেশের মানুষ গ্রহণ করবে না।’

সেসময় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহির হাসান মোহন, উপজেলা বিএনপির সাবেক নেতা তবিবুর রহমান মিনি উপস্থিত ছিলেন

Continue Reading

top1

ঈদযাত্রায় মানুষ স্বস্তিতে নির্ধারিত ভাড়ায় বাড়ি ফিরতে পারছে: সড়কমন্ত্রী

Published

on

By

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা স্বস্তিদায়ক ও নিরাপদ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, ঈদযাত্রায় গণপরিবহন নির্ধারিত ভাড়াই আদায় করছে এবং মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

আগের তুলনায় এখন পরিবেশ অনেক ভালো জানিয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘সরকার ভাড়া নির্ধারণ করে দিয়েছে। ভাড়া বেশি নেওয়া হচ্ছে না। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে সাধ্যের মধ্যে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

অনেক যাত্রীর চলন্ত গাড়িতে ওঠার প্রবণতার কথা উল্লেখ মন্ত্রী বলেন, ‘যাত্রীদের হ্যাবিট আছে যে তারা চলন্ত পথে গাড়িতে উঠতে চায়। কোনো যাত্রী সচেতন হয়ে অভিযোগ করলে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

সড়কে পশুর হাট বসানো নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন সড়কমন্ত্রী বলেন, ‘সড়কের ওপর পশুর হাট বসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। কিছু হাটে পশু ও মানুষের চাপ বেশি হওয়ায় সড়ক পর্যন্ত হাট ছড়িয়ে পড়েছে। আমাদের পশু বিক্রি ও ঈদ যাত্রা দুটোই নিরাপদ করতে হবে। দুর্ঘটনা রোধে সরকারের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘কিছু যাত্রী জীবনের নিরাপত্তার কথা ভাবছেন না। তবে যেকোনো বারের চেয়ে স্বস্তিতে ও নির্দিষ্ট ভাড়ায় মানুষ বাড়ি যাচ্ছে।’

একইসঙ্গে যাত্রীদেরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি

Continue Reading

top1

ছয় শিশুর মৃত্যুর কারণ জানাল আদ-দ্বীন হাসপাতাল

Published

on

By

রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনাটিকে দুর্ঘটনাজনিত বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (২৭ মে) দুপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাসপাতালের মহাপরিচালক (হসপিটালস অ্যান্ড নার্সিং) অধ্যাপক ডা. নাহিদা ইয়াসমিন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, যে ওয়ার্ডে এই দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু হয়েছে; সেখানে ১১ জন মা ছিলেন আর সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশু ছিলেন ছয়জন। হয়তো তাদের বয়স এক থেকে দুইদিন।

তিনি আরও বলেন, সেই ওয়ার্ডটিতে সিজারের পর সবসময়ই মা-বাচ্চাদের রাখা হয়। এছাড়া তাদের সঙ্গে আরও একজন সেখানে থাকতে পারেন। যেহেতু এটা এসি ওয়ার্ড অনেক সময় ঠাণ্ডা থাকে। এখানে রোগী ও তার সজনরা প্রায়ই অতিরিক্ত ঠাণ্ডা লাগলে সিস্টারকে এসি বন্ধ করতে বলেন; এটা প্রায়ই হয়ে থাকে।

অধ্যাপক ডা. নাহিদা ইয়াসমিন বলেছেন, হঠাৎ করে দুটি শিশু অসুস্থ বোধ করলে। তাদেরকে হাসপাতালের নিউ নেটাল আইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল। রাত তিনটার পরে। সেখানে ডাক্তাররা তাদের দেখার পর বলেছেন- যে শিশুরা ভালো আছে। এরপর তাদের ওয়ার্ডে নিয়ে যেতে বলা হয়।

তিনি আরও বলেন, ভোর ৬টার পর হঠাৎ দায়িত্বরত নার্স দেখেছেন এবং মায়েরাও বলেছেন যে তাদের বাচ্চারা অনেক অসুস্থ বোধ করছে। ওইসময় ছয় বাচ্চাকেই নিউ নেটাল আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানে নেওয়ার পর তারা দুইজন বাচ্চকেই মৃত অবস্থাতে পায়। আর বাকি চার বাচ্চাকে অসুস্থ অবস্থায় দেখে তাদের ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রেখেছিল। সেখানে তারা অনেক চেষ্টা করেছে। তবে পরবর্তীকালে সেই চার বাচ্চাকেও বাঁচানো যায়নি।

এ সময় তিনি ওই ওয়ার্ডটিতে ভেন্টিলেশন ছিল না বলেও দাবি করেন। অধ্যাপক ডা. নাহিদা ইয়াসমিন বলেছেন, ওই রুমে কোনো ভেন্টিলেশন ছিল না, তাই হয়তো এসি বন্ধ রাখায় শ্বাসকষ্ট বা সাফোকেশনের কারণে শিশুদের মৃত্যু হতে পারে।

Continue Reading

Trending