Connect with us

জাতীয়

বোয়ালখালীতে মাদক ব্যবসায়ীকে এক বছরের কারাদণ্ড

Published

on

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বসতবাড়িতে মদ ও গাঁজা মজুদ রাখার দায়ে এক মাদক ব্যবসায়ীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অভিযানে দুই মাদকসেবীকে ৭ দিনের কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) দুপুরে পৌর সদরের পশ্চিম গোমদণ্ডী ছৈয়দ মোহাম্মদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এই সাজা দেওয়া হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বোয়ালখালীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, আটক ব্যক্তি মো. ওয়াসিম (৫০) তার বাড়ির আশেপাশে ময়লার স্তূপে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ৮০০ গ্রাম গাঁজা এবং পুকুরে রাখা প্লাস্টিকের বস্তায় ২২ লিটার চোলাই মদ লুকিয়ে রেখেছিলেন। তিনি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।অন্যদিকে, পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউসুফ তালুকদার বাড়ির জিয়া উদ্দিন আইমন (২৪) এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আমির আলী বাপের বাড়ির তৌহিদ (১৯) মাদক সেবনের দায়ে ৭ দিনের কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের একটি ইউনিটের সহযোগিতায় মাদক বিরোধী এ অভিযান চালানো হয়। ধৃত ওয়াসিমের বসতবাড়ির আাশেপাশে ময়লার স্তুপে পলিথিনের মোড়কে লুকিয়ে রাখা ৮০০ গ্রাম গাঁজা এবং পুকুর থেকে প্লাস্টিকের পলিথিনের বস্তা ভর্তি ২২ লিটার চোলাই মদ জব্দ করা হয়। ওয়াসিম এসব মাদক তার বলে নিশ্চিত করে অপরাধ স্বীকার করেছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় ওয়াসিমকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের খ সার্কেল ইউনিটের উপ-পরিদর্শক এ কে এম আজাদ উদ্দিন বলেন, মাদক ব্যবসায়ী ওয়াসিমকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে সাজা দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পৃথক আদালতে দুই সেবনকারীকেও উভয়দণ্ডে সাজা দেওয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্তদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে। জব্দকৃত মাদক উপস্থিত সকলের সামনে ধ্বংস করা হয়েছে। ২৬ জুন মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে বিশেষ এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নেবেন আদালত: তথ্য উপদেষ্টা

Published

on

By

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল হিসেবে নিষিদ্ধ হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জানান, আওয়ামী লীগ দলটা নিষিদ্ধ হবে কি হবে না— সেটা নির্ধারিত হবে আদালতে, আইসিটিতে (আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল)। তারা মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত ছিল কি ছিল না, সে বিচারের পর নির্ধারিত হবে।

‘যেটা হয়েছে, ওই পর্যন্ত যেহেতু তারা বিচারাধীন থাকবে, সেই পর্যন্ত তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকবে সন্ত্রাস দমন আইন ২০০৯-এর অধীনে। তাই তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ। এই দলটা এখন যে কোনো কর্মসূচি নিয়ে যদি মাঠে নামতে চায়, তাহলে তারা একটা আইন ভঙ্গকারী কাজ করছে। তাই সরকার সেখানে ব্যবস্থা নেবে, এটাই স্বাভাবিক।’

বর্তমানে আওয়ামী লীগ মাঠে অনেক কিছু করে ফেলতে পারবে বলেও মনে করেন না প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ব্যক্তিগতভাবে তিনি মনে করেন না যে আওয়ামী লীগের বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রকাশ্যে শক্ত অবস্থান নেওয়ার মতো নৈতিক সাহস রয়েছে।

অতীতের ঘটনাগুলো জনগণের স্মৃতিতে এখনো স্পষ্টভাবে বিদ্যমান উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেসব স্মৃতি মুছে যাওয়ার আগে দলটির পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়ে কথা বলা কঠিন হবে।

তিনি আরও বলেন, যারা লুটপাট, দুর্নীতি ও মাফিয়াতন্ত্রের সঙ্গে জড়িত, তাদের সাধারণত নৈতিক অবস্থান দুর্বল থাকে। এ ধরনের গোষ্ঠীর পক্ষে নৈতিক শক্তির ভিত্তিতে জনসম্মুখে অবস্থান নেওয়া সহজ নয়।

এদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ ৬ জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে সরকার।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এসব জেলায় সেনা মোতায়েন থাকবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-২ শাখা থেকে জারি করা এক জরুরি চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং জান-মালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের জান-মালের সুরক্ষার লক্ষ্যে সেনাসদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে।

Continue Reading

top1

চীন থেকে ২৪টি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কিনছে বাংলাদেশ

Published

on

By

নতুন করে পররাষ্ট্র নীতি সাজানোর অংশ হিসেবে চীন থেকে অত্যাধুনিক ২৪টি জে-১০সিই মাল্টি-রোল যুদ্ধবিমান ক্রয়ের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে সরকার।

সোমবার (২২ জুন) থেকে শুরু হওয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফরকালে এই সামরিক চুক্তিটি বড় ধরনের গতি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে প্রতিরক্ষা, অবকাঠামো, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও গভীর হবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘আমরা আশা করছি চলতি বছরের আগস্ট মাসের মধ্যে এই যুদ্ধবিমান ক্রয়ের চূড়ান্ত চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হবে।’ ওই কর্মকর্তা আরও স্পষ্ট করেছেন যে এই চুক্তির আওতায় প্রতিটি অত্যাধুনিক চীনা যুদ্ধবিমানের আনুমানিক বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৪ কোটি বা ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এই আলোচনার গতি বাড়াতে গত সপ্তাহে চীনের একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল ঢাকা সফর করেছে এবং বেইজিং সফরকালে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা এই ক্রয়ের খুঁটিনাটি চূড়ান্ত করতে চীনের প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের সাথে পৃথক বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।

এই বিশেষ প্রতিরক্ষা আলোচনাটি মূলত দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার একটি বৃহত্তর অংশ। সরকারি কর্মকর্তারা আশা করছেন যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চীনা প্রিমিয়ার লি ছিয়াংয়ের মধ্যকার আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর একটি যৌথ ইশতেহারের মাধ্যমে দুই দেশের বর্তমান কৌশলগত সম্পর্ককে একধাপ উন্নীত করে ‘শেয়ার্ড ফিউচার’ বা অভিন্ন ভবিষ্যতের অংশীদারিত্ব হিসেবে ঘোষণা করা হবে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানিয়েছেন যে প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ সফরকালে দুই দেশের মধ্যে প্রায় ১৭টি চুক্তি, সমঝোতা স্মারক ও ইশতেহার স্বাক্ষরিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

দুই দেশের এই অর্থনৈতিক সহযোগিতার অন্যতম প্রধান উদ্যোগ হিসেবে বহুল আলোচিত তিস্তা নদী ব্যারাজ প্রকল্পের একটি যৌথ সম্ভাব্যতা যাচাই বা ফিজিবিলিটি স্টাডি নিয়ে আলোচনা হবে।

এর পাশাপাশি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মংলার আধুনিকীকরণ প্রকল্পের কাজ যৌথভাবে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও দুই পক্ষ একমত হয়েছে যা দীর্ঘদিন ধরে নানাবিধ অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও সঠিক ব্যবহারের অভাবে ভুগছিল। এই বন্দরের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বাড়াতে বাংলাদেশ সরকার মংলায় চীনকে একটি বিশেষ ১১০ একরের অর্থনৈতিক অঞ্চল বা স্পেশাল ইকোনমিক জোন দেওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

মংলার এই বিশেষ শিল্প পার্কটি মূলত এর আগে ভারতের বিনিয়োগের জন্য নির্ধারিত ছিল এবং একটি মুম্বাই-ভিত্তিক কোম্পানির মাধ্যমে এটি বাস্তবায়নের জন্য অতীতে একটি সমঝোতা স্মারকও স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তবে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা বিডার একজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে ঢাকা সম্প্রতি ভারতের সাথে হওয়া ওই চুক্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল ঘোষণা করেছে যার ফলে মংলার এই জমিটি এখন সরাসরি চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্মুক্ত হলো।

এই সিদ্ধান্তের ঠিক এক সপ্তাহ আগেই সরকার চট্টগ্রামের একটি এক্সক্লুসিভ চীনা শিল্প পার্কের অনুমোদন দিয়েছে যেখানে বেইজিং ইতোমধ্যে ৫০ কোটি বা ৫০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অগ্রাধিকারের কথা উল্লেখ করে সরকারের ওই শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, ‘আমাদের তাৎক্ষণিক ও প্রধান লক্ষ্য হলো নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।’ তিনি আরও যোগ করেন যে চীন থেকে বড় বড় উৎপাদনকারী শিল্প বা ম্যানুফ্যাকচারিং খাত বাংলাদেশে স্থানান্তরিত করতে পারলে তা দেশের হাজার হাজার বেকার যুবকের জন্য নতুন কাজের সুযোগ তৈরি করবে।

অবশ্য কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে বেইজিংয়ের সাথে ঢাকার এই সম্পর্কের দ্রুত সম্প্রসারণ প্রতিবেশী দেশ ভারতের অত্যন্ত নিবিড় নজরদারিতে থাকবে। বাংলাদেশ ও ভারত পরস্পরের সাথে ৪ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ সীমান্ত শেয়ার করে এবং দুই দেশ বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও অভিন্ন নদীর পানি বন্টন ব্যবস্থার মাধ্যমে গভীরভাবে সংযুক্ত।

সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সীমান্তে পুশ-ইন বা জোরপূর্বক পুশব্যাক করার চেষ্টা বৃদ্ধি এবং নয়া দিল্লি বিমানবন্দরে উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকার মতো ঘটনাগুলোকে বিশ্লেষকেরা দুই দেশের বর্তমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের টানাপোড়েনের স্পষ্ট লক্ষণ হিসেবে দেখছেন।

অতীতে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর যেকোনো প্রধান বৈদেশিক সফরের প্রথম গন্তব্য হিসেবে সবসময় ভারতকে বেছে নিতেন যা দিল্লির সাথে তাঁর বিশেষ সম্পর্কের গভীরতা প্রকাশ করত। তবে এর বিপরীতে বর্তমান বিএনপি-নেতৃত্বাধীন সরকার একটি বহু-পাক্ষিক বা ব্যালেন্সড পররাষ্ট্র নীতি অনুসরণ করছে যার মূল লক্ষ্য হলো একই সাথে ওয়াশিংটন, বেইজিং, মস্কো এবং নয়া দিল্লির সাথে সমানভাবে সক্রিয় সম্পর্ক বজায় রাখা। বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর নানাবিধ সমালোচনা থাকা সত্ত্বেও বর্তমান সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ বা পারস্পরিক শুল্ক চুক্তিটি সচল রেখেছে।

সরকারি সূত্রগুলো জানিয়েছে যে ঢাকা মূলত আমেরিকার শক্তিশালী কৃষি লবিকে কাজে লাগিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে সয়াবিন, ভুট্টা এবং তুলা আমদানি বৃদ্ধি করার মাধ্যমে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির সাথে দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে চাইছে।

চীনে পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানচীনে পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ঢাকার এই বিশেষ কূটনৈতিক তৎপরতা রাশিয়ার মস্কো পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে এবং চলতি মাসের শুরুতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান রাশিয়া সফর করে দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক পুনর্ব্যক্ত করেছেন। কর্মকর্তারা আশা করছেন যে বিশ্বের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক জোট ব্রিকস-এ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির প্রচেষ্টাকে মস্কো পূর্ণ সমর্থন জানাবে যেখানে চীন অন্যতম প্রধান ভূমিকা পালন করছে।

তাত্ত্বিকভাবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের যে অবনতি হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অদূর ভবিষ্যতে ভারত সফরের পরিকল্পনা করছেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তবে নয়া দিল্লির সাথে এই সম্পর্ক মেরামতের পথটি যে বেশ জটিল তা সংশ্লিষ্ট সকলেই স্বীকার করছেন

Continue Reading

top3

বিএনপি একদলীয় শাসনে বিশ্বাসী নয় : মির্জা ফখরুল

Published

on

By

বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি কখনোই একদলীয় শাসনব্যবস্থায় বিশ্বাস করে না। আমাদের দল গত পাঁচ দশক ধরে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করে আসছে।

শনিবার (২০ জুন) মুন্সীগঞ্জ সফরকালে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বিরোধী রাজনৈতিক মহলের একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অভিযোগের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সংসদীয় গণতন্ত্র চালু করেছিলেন। বিএনপি নেতা তারেক রহমান এই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিদেশে নির্বাসিত অবস্থায় ছিলেন। বিএনপির রাজনীতির মূল ভিত্তিই হচ্ছে গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং জনগণের ভোটাধিকার।

তিনি বলেন, জনগণের সমর্থনে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। তাই বিএনপির গণতন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা সমীচীন নয়। জামায়াত একটি রেজিমেন্টেড রাজনৈতিক দল। তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না।

মালয়েশিয়ার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার ও শক্তিশালী হবে। উভয় দেশের মর্যাদা ও স্বার্থ রক্ষা করেই চুক্তি সম্পন্ন হবে। বন্ধ থাকা শ্রমবাজার চালুর বিষয়েও আলোচনা হবে বলে জানান তিনি।

এর আগে স্থানীয়দের উদ্দেশে বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি সরকারের মাত্র তিন মাস হয়েছে। এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই সরকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করেছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড চালু করা হয়েছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তিনি জানান, মুন্সীগঞ্জের কালীদাস নদীর ওপর নির্মিত উত্তর ইসলামপুর-মোল্লারচর কাঠের পুলের পরিবর্তে একটি সেতু নির্মাণ করা হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেন তিনি।

এর আগে মন্ত্রী মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর গ্রামীণ বাজারে গ্রামীণ বাজার উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নবনির্মিত আধুনিক মার্কেট ভবনের উদ্বোধন করেন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বাস্তবায়িত প্রকল্পটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২ কোটি ৩৫ লাখ ৮৬ হাজার ৪৮০ টাকা। বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাজারের অবকাঠামোগত সুবিধা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গজারিয়াবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ফুলদি নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, অচিরেই ফুলদি নদীর ওপর সেতু নির্মাণ করা হবে। এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী ইতোমধ্যে বিষয়টি পরিদর্শন করেছেন। প্রয়োজনীয় জরিপ ও কারিগরি মূল্যায়ন শেষে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে এবং মানুষের যাতায়াতের ভোগান্তি কমবে।

মুন্সীগঞ্জ সফরকালে মন্ত্রী মোল্লারচর এলাকার একটি সাঁকো পরিদর্শন, সড়ক উন্নয়নকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করেন। তিনি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর ইসলামপুর এলাকায় গিয়ে স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ ও দুর্দশার খোঁজখবর নেন। পরে উত্তর ইসলামপুর সামাজিক কবরস্থানে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের কবর জিয়ারত করেন।

এ ছাড়া জেলা সার্কিট হাউসে জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও চলমান প্রকল্প নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি।

অনুষ্ঠানে মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান, জেলা প্রশাসক সৈয়দা নূরমহল আশরাফী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইমরান আহম্মেদ, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া, এলজিইডি মুন্সীগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক মাহাবুব আলমসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন

Continue Reading

Trending