Connect with us

রাজনীতি

মাথায় হেলমেট, পাইপ হাতে ঢাকা আলিয়ার সামনে যুবদলের নয়ন

Published

on

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছাত্রদল ও ছাত্র শিবিরের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের জেরে ক্যাম্পাসের পাশাপাশি উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা এলাকাতেও। বিকেলের দিকে সেখানেও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ছাত্রদল ও শিবির। এ সময় ঘটনাস্থলে মাথায় হেলমেট ও হাতে পাইপ নিয়ে কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়নকে দেখা যায়।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেল ৫টার পর সাদা পাঞ্জাবি পরিহিত অবস্থায় ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা মোড় এলাকায় উপস্থিত ছিলেন রবিউল ইসলাম নয়ন। এ সময় তাকে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে নয়ন বলেন, ‘তারা গুলি করছে, আপনারা আপনাদের দায়িত্ব পালন করছেন না কেন। আপনারা সামনে যান। আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব।’

এদিকে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় সংঘর্ষ চলাকালে থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নেন।

তবে মাথায় হেলমেট ও হাতে পাইপ নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকার বিষয়ে রবিউল ইসলাম নয়নের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

ঢাকা কলেজে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, পোস্টার সরিয়ে নিল প্রশাসন

Published

on

By

ঢাকা কলেজ প্রতিনিধি

বিএনপির বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে প্রোপাগান্ডা চালানোর অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে ছাত্রদলের একাংশ। সোমবার সকালে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে এ-সংক্রান্ত পোস্টার টানানো হলেও পরে কলেজ প্রশাসন সেগুলো অপসারণ করে ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখে।

কলেজের প্রশাসনিক ভবন, মূল ফটকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে লাগানো পোস্টারগুলোতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ঢাকা কলেজে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার কথা উল্লেখ ছিল। পোস্টারিংয়ের বিষয়টি সামনে আসার পর প্রশাসনের উদ্যোগে সেগুলো সরিয়ে ফেলা হয়।

পোস্টারিংয়ে নেতৃত্ব দেওয়া ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য (পদ স্থগিত) শেখ পারভেজ মোশাররফ বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্য সামাজিক বিভেদ ও রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করছে। তার দাবি, একটি নতুন রাজনৈতিক দলের নিজস্ব কর্মসূচি ও আদর্শ থাকা উচিত। কিন্তু এনসিপি বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েই রাজনীতি করছে। তিনি বলেন, সুস্থ ধারার রাজনীতিতে তাদের কোনো আপত্তি নেই, তবে ধারাবাহিকভাবে প্রোপাগান্ডা চালানো হলে জনগণই এর জবাব দেবে।

অন্যদিকে পোস্টারিংয়ের সমালোচনা করেছেন জাতীয় ছাত্রশক্তি ঢাকা কলেজ শাখার সদস্য সচিব সজিব উদ্দিন। তিনি বলেন, ঢাকা কলেজ কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের একক সম্পত্তি নয়। কাউকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার অধিকার কারও নেই। তার অভিযোগ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে এ ধরনের কর্মসূচির পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে।

এ বিষয়ে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস বলেন, ক্যাম্পাসে সীমিত পরিসরে কিছু পোস্টার লাগানো হয়েছিল। বিষয়টি জানার পর সেগুলো সরিয়ে ফেলার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, কলেজ প্রশাসন কোনোভাবেই ক্যাম্পাসের শিক্ষা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিঘ্নিত হোক, তা চায় না।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ জুলাই হবিগঞ্জে এনসিপির ‘জুলাই মার্চ’ কর্মসূচিতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এনসিপির অভিযোগ, ওই ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা জড়িত ছিলেন। তবে বিএনপির দাবি, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পরিকল্পিতভাবে বিএনপি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে তাকে বয়কট ও অবাঞ্ছিত ঘোষণার কর্মসূচি দেখা যাচ্ছে।

Continue Reading

top1

৩ আগস্টে শেখ হাসিনার সংলাপের আহ্বান প্রত্যাখ্যান ছাত্রনেতাদের

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

২০২৪ সালের ৩ আগস্ট। কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে টানা সহিংসতা, প্রাণহানি ও দমন-পীড়নের মধ্যে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেদিন সকালে গণভবনে পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেন, ‘গণভবনের দরজা খোলা। আমি আন্দোলনরত ছাত্রদের সঙ্গে বসতে চাই এবং তাদের কথা শুনতে চাই। আমি কোনো সংঘাত চাই না।’

তবে সেই আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। একই দিন বিকেলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত সমাবেশ থেকে তারা ‘এক দফা’ দাবি ঘোষণা করেন। তাদের একমাত্র দাবি ছিল—শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং সরকারের পতন।

সমাবেশে আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘মানুষের জীবনের নিরাপত্তা ও সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা এক দফা দাবির সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি। দফাটি হলো, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ এই সরকারের পতন ও ফ্যাসিবাদের বিলোপ।’

এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে আন্দোলনের লক্ষ্য কোটা সংস্কারের গণ্ডি ছাড়িয়ে সরাসরি সরকার পতনের দাবিতে রূপ নেয়। পাশাপাশি আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত হত্যা, গুম ও নির্যাতনের বিচারও দাবি করেন আন্দোলনের নেতারা।

সেদিন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও আশপাশের এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সমাবেশে অংশ নেন। ‘দফা এক, দাবি এক, শেখ হাসিনার পদত্যাগ’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে’ এবং ‘জাস্টিস, জাস্টিস, উই ওয়ান্ট জাস্টিস’—এমন নানা স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

সমাবেশ থেকে সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৫ দফা কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে কর ও বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল পরিশোধ থেকে বিরত থাকা, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মবিরতি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা এবং প্রবাসীদের ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স না পাঠানোর আহ্বান ছিল।

এদিকে একই দিনে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, জনগণের স্বার্থে এবং রাষ্ট্রের প্রয়োজনে সেনাবাহিনী সব সময় জনগণের পাশে থাকবে।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের অভিযোগ করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার চালিয়ে একটি মহল দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানও দাবি করেন, আন্দোলন আর কোটা সংস্কারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি রাজনৈতিক রূপ নিয়েছে।

৩ আগস্ট রাজধানীর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলাতেও বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, বগুড়া, সিলেট, কুষ্টিয়া, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়।

দিনটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল গণভবনের সংলাপের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে ‘এক দফা’ দাবি ঘোষণা। এই ঘোষণাই পরবর্তী সময়ে আন্দোলনের গতিপথ বদলে দেয় এবং সরকারবিরোধী আন্দোলনকে নতুন পর্যায়ে নিয়ে যায়।

Continue Reading

top1

গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার কথা বলায় ভারত সরকারের কোনো বাধা নেই: এফসিসি সভাপতি

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

আগামী ৫ আগস্ট ভারতের নয়াদিল্লিতে ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়া (এফসিসি সাউথ এশিয়া) আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেবেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রায় দুই বছর পর এটিই হবে তার প্রথম প্রকাশ্য গণমাধ্যমে অংশগ্রহণ। এ আয়োজন নিয়ে ভারত সরকারের কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন এফসিসি সাউথ এশিয়ার সভাপতি ড. ওয়ায়েল আউয়াদ।

তিনি জানান, শেখ হাসিনা সরাসরি উপস্থিত না হয়ে অডিওর মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হবেন। সেখানে তিনি বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা এবং নিজের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে বক্তব্য দেবেন বলে জানা গেছে।

ড. ওয়ায়েল আউয়াদ বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার নীতির অংশ হিসেবে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, গত ১৯ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে একাধিকবার এফসিসিতে বক্তব্য রাখতে এবং সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হলেও তিনি সাড়া দেননি। একই সঙ্গে ক্লাবটি ভারতের রাজনৈতিক বিষয়গুলোতেও নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখেছে এবং এই অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি বা বাধা দেওয়া হয়নি।

ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নয়াদিল্লির মথুরা রোডের স্যার মার্ক টালি অডিটোরিয়ামে আগামী ৫ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত এই ভার্চুয়াল সেশনের আয়োজন করা হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকরা এতে অংশ নিয়ে প্রশ্ন করার সুযোগ পাবেন।

অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার পাশাপাশি তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাবেক ক্রিকেটার ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান, সাবেক কূটনীতিক আমিনুল হক পলাশ, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মহাসচিব মাহাম্মদ আলী সিদ্দিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক আবু ওবাইদাহ আরিন এবং শাহ মো. বখতিয়ার অংশগ্রহণ করবেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা ভারতে চলে যান। এরপর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হয়। বর্তমানে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং দলটির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ রয়েছে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে ও দৈনিক ওয়াদা

Continue Reading

Trending