Connect with us

top3

মাদারীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৭

Published

on

মাদারীপুর সদর উপজেলায় ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও একটি ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে নিহত বেড়ে সাতজনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়ে চিকিৎসাধীন। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কের ওই অংশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার ঘটকচর এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর থেকে মহাসড়কের প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় তিন ঘণ্টারও বেশি সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। উদ্ধার অভিযান রাত পর্যন্ত চলমান ছিল।

নিহতরা হলেন—কেন্দুয়া ইউনিয়নের ঘটকচর এলাকার শাহ আলমের ছেলে রুমান (২৫), কলেজ রোড এলাকার নেছার উদ্দিন মুন্সির ছেলে পান্নু মুন্সি (৫০) এবং কুনিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া গ্রামের জসিম বেপারীর ছেলে ইজিবাইকচালক সাগর বেপারী। এ ছাড়া দুর্ঘটনায় আরও চারজন অজ্ঞাতনামা নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন নারী রয়েছেন।

মাদারীপুর সদর হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, যাত্রীবাহী বাস ‘সার্বিক পরিবহন’ মাদারীপুর থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, বাসটি অতিরিক্ত গতিতে চলছিল। একপর্যায়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইজিবাইকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় বাসটি রাস্তার পাশের খাদে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ইজিবাইকচালকসহ চারজনের মৃত্যু হয়।

পরে স্থানীয় লোকজন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় আহত ও নিহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরও তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত এক নারী বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

দুর্ঘটনাটি দ্রুতগতির কারণেই ঘটেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। প্রত্যক্ষদর্শী রুবেল ফকির জানান, ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের ওই অংশটি অত্যন্ত সরু এবং সেখানে প্রতিদিন প্রচুর যানবাহন চলাচল করে। এ অবস্থায় দ্রুতগতির যানবাহন চলাচলের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।

স্থানীয় আরেক বাসিন্দা শামীম মোল্লা জানান, মহাসড়কের এই অংশটি এখন কার্যত একটি ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও দুর্ঘটনা ঘটছে। তিনি দুর্ঘটনা রোধে দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটি চার লেনে উন্নীত করার দাবি জানান।

২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের পুলিশ ইনচার্জ এএসআই আব্দুর রাজ্জাক জানান, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, এ পর্যন্ত ৭ মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধার কাজ চলমান রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতির কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দুর্ঘটনার পর মহাসড়কের ওই অংশে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হলেও পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ক্ষেত্রে কোনো আইনি বাধা নেই: রুমিন ফারহানা

Published

on

By

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ক্ষেত্রে আইনগত কোনো বাধা নেই বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরে প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আত্মসমর্পণ এবং জামিন আবেদন করতে পারেন।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা পরিষদে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরা প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা আরও বলেন, আইনগতভাবে তার ফেরার পথে কোনো বাধা নেই। তিনি দেশে ফিরে আমাদের প্রচলিত সিআরপিসি বা ফৌজদারি কার্যবিধির নিয়ম মেনেই আত্মসমর্পণ ও জামিনের আবেদন করতে পারেন। প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়াই তিনি অনুসরণ করবেন।

বিরোধী দলের ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠনের গুঞ্জন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিরোধী দলের ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের সংস্কৃতি রয়েছে। যদি বিরোধী দল এটি গঠন করে, তবে তা অবশ্যই স্বাগত জানানোর মতো বিষয়। ছায়া মন্ত্রিসভার মাধ্যমে যদি তারা মন্ত্রণালয়ভিত্তিক পরিকল্পনা তুলে ধরে এবং বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডের ভুলভ্রান্তি ধরিয়ে দিয়ে ইতিবাচক মতামত প্রদান করে, তবে সেটি অবশ্যই দেশের জন্য কল্যাণকর হবে।

তার এই মন্তব্য বর্তমানে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে। শেখ হাসিনার আইনি অবস্থান এবং বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে তার এমন বিশ্লেষণকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা গুরুত্বের সঙ্গেই দেখছেন

Continue Reading

top3

সাবমেরিন থেকে ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালো চীন

Published

on

By

প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে একটি পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে সফলভাবে নতুন একটি কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ সম্পন্ন করেছে চীন। এই সামরিক পরীক্ষার কয়েক ঘণ্টা আগেই বেইজিং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বেশ কয়েকটি প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে তাদের এই পূর্বপরিকল্পিত অভিযানের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেছিল।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া দেশটির পিপলস লিবারেশন আর্মি নেভির দেওয়া বিবৃতির বরাতে জানিয়েছে যে বেইজিংয়ের একটি কৌশলগত পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে একটি ডামি বা নকল যুদ্ধাস্ত্রসহ কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্রটি সফলভাবে নিক্ষেপ করা হয়। স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা বেজে ১ মিনিটে চালানো এই অভিযানে ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রশান্ত মহাসাগরের নির্ধারিত আন্তর্জাতিক জলসীমায় অত্যন্ত নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে।

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রশান্ত মহাসাগরে একটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বা আইসিবিএম পরীক্ষার পর এটি বেইজিংয়ের দ্বিতীয় কোনো কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্রের বড় পরীক্ষা। এর আগে ১৯৮০ সালের পর চীন আর কখনো মহাসাগরের এই অংশে এমন কোনো পরীক্ষা চালায়নি।

চীন সরকার অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং জাপানের গণমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্টের সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছে যে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে পরমাণু বহনে সক্ষম একটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের আসন্ন উৎক্ষেপণের বিষয়ে আঞ্চলিক সরকারগুলোকে আগেই বার্তা পাঠানো হয়েছিল।

সিনহুয়ার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাটি মূলত চীনা সামরিক বাহিনীর একটি নিয়মিত বার্ষিক প্রশিক্ষণ অনুশীলনের অংশ, যার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে আগেভাগেই অবহিত করা হয়েছিল। এই পরীক্ষাটি সম্পূর্ণভাবে আন্তর্জাতিক আইন এবং প্রতিষ্ঠিত বৈশ্বিক রীতিনীতি মেনে পরিচালনা করা হয়েছে এবং এটি নির্দিষ্ট কোনো দেশ বা লক্ষ্যবস্তুকে উদ্দেশ্য করে করা হয়নি বলে বেইজিং দাবি করেছে।

অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের তথ্য অনুযায়ী সামুদ্রিক গোয়েন্দা সংস্থা স্টারবোর্ড কিছু কৃত্রিম উপগ্রহের ছবি প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখা গেছে যে চীন বর্তমানে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তাদের দুটি স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং বা উপগ্রহ নজরদারি জাহাজ মোতায়েন করে রেখেছে। এই বিশেষ জাহাজগুলো মূলত পরীক্ষামূলক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের গতিবিধি ও তথ্য পর্যবেক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

জাপানের কিয়োডো নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে টোকিওকেও এই পরীক্ষার বিষয়ে আগে থেকে জানানো হয়েছিল। তবে এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পরিকল্পনাটি পুনর্মূল্যায়ন বা পুনর্বিবেচনা করার জন্য বেইজিংয়ের প্রতি আহ্বান জানানোর পাশাপাশি জাপানি প্রশাসন এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

Continue Reading

top3

ভোক্তা অধিকার সংগঠন সিওয়াইবি কুবির নেতৃত্বে জোবাইর-রাহীম

Published

on

By

কুবি প্রতিনিধি

ভোক্তা অধিকারবিষয়ক সংগঠন কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটির যুব শাখা কনজ্যুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ (সিওয়াইবি)-এর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখার নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।এতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ জোবাইর হোসাইন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. রাহীম।

রবিবার (৫ জুলাই) সিওয়াইবির প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ সৌরভ মণ্ডল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে আগামী এক বছরের জন্য ২০ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন জাহিদুল ইসলাম ও মুরাদুল হাসান আদনান। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারহা খানম ও জুনাইদ, সাংগঠনিক সম্পাদক বায়েজিদ হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মারুফুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক মো. মাহমুদুল হাছান রোহান, অর্থ সম্পাদক সাবেদ মো. জুনাঈদ, ভোক্তা অধিকারবিষয়ক সম্পাদক মো. তানভীর হাসান (মাহিম), প্রচার সম্পাদক মংক্যত্র মার্মা, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক মুকুল ইসলাম এবং প্রশিক্ষণ সম্পাদক কানিজ ফাতেমা রিমি।

এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন ইউনুস সুজন, শিপন খান, বি. এম. ফয়সাল, নাঈমুর রহমান, আরজু খান ও ইব্রাহীম।

সদ্য মনোনীত সভাপতি মোহাম্মদ জোবাইর হোসাইন বলেন, “ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা শুধু একটি আইনি অধিকার নয়; এটি সুশাসন, ন্যায্য বাজারব্যবস্থা ও টেকসই উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি। কনজ্যুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভোক্তা অধিকার, নৈতিক মূল্যবোধ, দায়িত্বশীল ভোগ আচরণ ও নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাবে। সচেতন ও দায়িত্বশীল তরুণদের নেতৃত্বেই একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, নিরাপদ ও ভোক্তাবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব বলে আমরা বিশ্বাস করি।”

উল্লেখ্য, কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি (সিসিএস) ২০১৩ সাল থেকে দেশে খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ এবং ভোক্তা অধিকার রক্ষায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনটি বর্তমানে দেশের ৬৪ জেলা, ৩৫০টি থানা এবং ৭৯টি বৃহৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় দুই লক্ষাধিক স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

Continue Reading

Trending