Connect with us

ক্যাম্পাস

মুন্সিগঞ্জে রাবি সায়েন্স ক্লাবের জমকালো ‘সায়েন্স শো’: মুগ্ধ কয়েকশ শিক্ষার্থী

Published

on

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে বিজ্ঞানের জয়গান গাইল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) সায়েন্স ক্লাব। হাতে-কলমে বিজ্ঞান শেখার রোমাঞ্চ আর মহাকাশ পর্যবেক্ষণের কৌতূহল নিয়ে দিনভর মেতে ছিল কয়েকশ শিক্ষার্থী। বীর মুক্তিযোদ্ধা মুর্শেদুল আহসান ফাউন্ডেশন ও লিটল ফ্লাওয়ার কিন্ডারগার্টেন আয়োজিত এই আয়োজনে বিশেষ আকর্ষণ ছিল ‘সায়েন্স শো’ ও ‘টেলিস্কোপে মহাকাশ পর্যবেক্ষণ ক্যাম্প’।

বিজ্ঞানের জাদুতে মুগ্ধ স্কুল আঙিনা

১০ জানুয়ারি ২০২৬, শনিবার শ্রীনগরের লিটল ফ্লাওয়ার কিন্ডারগার্টেন প্রাঙ্গণে বসেছিল বিজ্ঞানের এক মিলনমেলা। রাবি সায়েন্স ক্লাবের সাত সদস্যের একটি চৌকস প্রতিনিধি দল পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের ১০টিরও বেশি চমকপ্রদ এক্সপেরিমেন্ট প্রদর্শন করে। বইয়ের কঠিন সূত্রগুলো যখন চোখের সামনে বাস্তব হয়ে ধরা দিচ্ছিল, তখন শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস ছিল দেখার মতো।

টেলিস্কোপে অজানাকে জানা

অনুষ্ঠানে শুধু ল্যাবরেটরির বিজ্ঞান নয়, ছিল মহাকাশ দেখার সুযোগও। জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের সহযোগিতায় টেলিস্কোপের মাধ্যমে গ্রহ-নক্ষত্র পর্যবেক্ষণ করে শিক্ষার্থীরা। প্রথমবারের মতো টেলিস্কোপে মহাজাগতিক বস্তু দেখে এক শিক্ষার্থী জানায়, “যা শুধু বইয়ে পড়েছি, আজ তা সরাসরি দেখার অনুভূতি একদম আলাদা!”

যা বললেন অতিথিরা

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম স্কাই ওয়াচার্স ক্লাবের কর্ণধার গৌতম পাল। তিনি বলেন, “এই অঞ্চলে এটিই প্রথম এ ধরনের আয়োজন। বর্তমান সময়ে খেলাধুলা ও ভ্রমণের পাশাপাশি বিজ্ঞানচর্চাও অপরিহার্য। রাবি সায়েন্স ক্লাবের এই পদক্ষেপ সত্যিই অভিনব।”

রাবি সায়েন্স ক্লাবের সহ-সভাপতি তোফায়েল আহমদ তোফা জানান, তাদের লক্ষ্য বিজ্ঞানকে বইয়ের পাতার বন্দিত্ব থেকে মুক্তি দিয়ে শিক্ষার্থীদের সামনে জীবন্ত করে তোলা।

এক নজরে আয়োজন:

অংশগ্রহণকারী: শ্রীনগরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী।

বিশেষ ইভেন্ট: সায়েন্স শো, মহাকাশ পর্যবেক্ষণ ও সায়েন্স অলিম্পিয়াড।

প্রতিনিধি দল: তোফায়েল আহমদ তোফার নেতৃত্বে রাবি সায়েন্স ক্লাবের ৭ সদস্যের টিম।

পুরনো ইতিহাস: এর আগে ক্লাবটি রাজশাহী, নাটোর ও বরগুনাসহ বিভিন্ন জেলায় এমন শো পরিচালনা করেছে।

আয়োজক ও অভিভাবকরা আশা করছেন, এ ধরণের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মাঝে অনুসন্ধানী মানসিকতা তৈরি করবে এবং আগামীর বিজ্ঞানমনস্ক প্রজন্ম গড়তে সহায়তা করবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

ব্রাকসুর সকল কার্যক্রম স্থগিত

Published

on

By

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (ব্রাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের তফসিল আবারও স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত ১০টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক মো. মাসুদ রানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের কার্যক্রমকে যেকোনো ধরনের প্রভাবমুক্ত রাখার লক্ষ্যে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের দিকনির্দেশনার আলোকে দেশের সকল সংগঠনের নির্বাচন আয়োজন ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনায় আইনগত বাধ্যবাধকতা, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষার স্বার্থে প্রণীত হওয়ায় তার প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং অনুসরণ করা সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের জন্য আবশ্যক। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় রংপুর থেকে প্রেরিত পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরের ব্রাকসু ও হল শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচন ২০২৫ সংক্রান্ত চলমান সকল নির্বাচনী কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করা হলো।

এতে আরও বলা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর এবং প্রাসঙ্গিক কর্তৃপক্ষের দিকনির্দেশনার আলোকে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক পরবর্তী সময়ে নতুন তফসিল প্রণয়ন ও নির্বাচনী কার্যক্রম পুনরায় আরম্ভ করা-সংক্রান্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাসময়ে অবহিত করা হবে।

এ বিষয়ে ব্রাকসুর নির্বাচন কমিশনার সহযোগী অধ্যাপক মো. আমির শরিফ বলেন, ‘এইটা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছেই শুনতে পারেন। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন প্রজ্ঞাপন জারি করায় তিনি (প্রধান নির্বাচন কমিশনার) ডিসি এবং নির্বাচন কমিশনের সচিবদের সঙ্গে কথা বলেছেন। নির্বাচন-সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রমে সমস্যা বা অপ্রীতিকর কিছু ঘটনা হলে এর দায়ভার কে নেবে। এ জন্যই এই সিদ্ধান্ত।’

এ বিষয়ে জানতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার সহযোগী অধ্যাপক মো. মাসুদ রানাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।

উল্লেখ্য, ব্রাকসু নির্বাচনের এখন পর্যন্ত চারবার তফসিল পরিবর্তন করে পাঁচটি তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। বারবার তফসিল পরিবর্তন ও নির্বাচনের তারিখ পেছানোর পর সর্বশেষ গত সোমবার (১২ জানুয়ারি) পঞ্চম তফসিল ঘোষণা করা হয়েছিল। এতে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। আবারও স্থগিত ঘোষণা করায় ২৫ ফেব্রুয়ারিও হচ্ছে না নির্বাচন

Continue Reading

top1

আজ ঢাকার তিন জায়গায় অবরোধ ঘোষণা

Published

on

By

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মোড়ে অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল ও তাঁতীবাজার মোড় অবরোধ করা হবে।

এর আগে, মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, সাত কলেজের সমন্বয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন-২০২৫’-এর খসড়া গত ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। খসড়াটি প্রকাশের পর এ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে একাধিক পরামর্শ সভার আয়োজন করে।

শিক্ষার্থীদের দাবি, স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা শেষে প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় খসড়াটি হালনাগাদ করেছে। সর্বশেষ গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবন অভিমুখে টানা অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে ডিসেম্বরের মধ্যেই আনুষঙ্গিক সব কার্যক্রম শেষ করে জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে অধ্যাদেশ জারির বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়েছিল।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, একটি সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৫ জানুয়ারি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের একটি সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শিক্ষার্থীরা চান, ওই সভাতেই ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন-২০২৫-এর হালনাগাদ করা খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হোক এবং একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করা হোক।

এ অবস্থায় এক দফা দাবিতে ১৪ জানুয়ারি রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে শিক্ষার্থীদের এই যৌক্তিক দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

অফিস চলাকালীন দলীয় প্রোগ্রামে উপ-উপাচার্যসহ ইবির বিএনপিপন্থি কর্মকর্তারা

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধিঅফিস চলাকালীন ডিউটি বাদ দিয়ে বিএনপির দলীয় সভায় যোগ দিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলীসহ বিএনপিপন্থি কর্মকর্তাদের একাংশ। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস চলাকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহনে কুষ্টিয়া সদরে বেগম খালেদা জিয়ার আত্নার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে অংশ নিতে দেখা যায়।

প্রোগ্রামে সূত্রে, উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া-৩ আসনের বিএনপির এমপি প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার ও ইবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আনার পাশা, ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ওয়ালিউর রহমান, এস্টেট অফিস প্রধান মোহা. আলাউদ্দিন, উপাচার্যের পিএস ও উপ-রেজিস্ট্রার গোলাম মাহফুজ, কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ, শামীম আকতার জিনজির।এছাড়াও সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব বিভাগের উপ-হিসাব পরিচালক লুৎফর রহমান, ইসরাফুল হক, পরিবহন অফিসের উপ-রেজিস্ট্রার হাফিজুর রহমান, রেজিস্ট্রার অফিসের উপ-রেজিস্ট্রার আনোয়ার হোসেন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুল মালেক মিয়া, একাডেমিক শাখার উপ-রেজিস্ট্রার শহিদুল ইসলাম, উপাচার্যের কার্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার কামরুজ্জামান, বিএনসিসির উপ-রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মজুমদার, প্রশাসন ও সংস্থাপন শাখার সহকারী রেজিস্ট্রার আব্দুল্লাহ আল মামুন, কর্মকর্তা আমিরুল ইসলামসহ অর্ধশতাধিক কর্মকর্তা থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহন ‘বিজয়-৭১’ বাস ব্যবহার করে তারা কুষ্টিয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। এরপর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ক্যাম্পাসে ফিরে আসেন। ফলে সাড়ে তিন ঘণ্টার বেশি সময় অফিস কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ হিসাব বিভাগের কাজসহ শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট সব ধরনের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলীর নেতৃত্বে ওই কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

উপস্থিত থাকা একাধিক কর্মকর্তার কাছ থেকে জানতে চাইলে ভিসির দায়িত্বে থাকা প্রো-ভিসির অনুমোদনে গেছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী বলেন, ‘কুষ্টিয়ায় কোনো মিটিং হয়নি। এটা খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর তার জন্য দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠান ছিল। কর্মকর্তারা কেন গেছেন, তা আমি জানি না। তারা তাদের মতো করে গেছেন।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ‘আমার নেতৃত্বে তারা যায়নি। তাদের সাথে আমার আগেই কোনো যোগাযোগ ছিল না। জাকির সাহেবের সাথে কেবল সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে, এরপর আমরা দোয়া মাহফিলে অংশ নিয়েছি। এটাকে মিটিং বলা ঠিক নয়।’

কর্মকর্তা আনার পাশা বলেন, ‘আমি ট্রেজারার সাহেবের সঙ্গে কথা বলে গিয়েছিলাম। জিয়া কর্মচারী পরিষদের সভাপতি আলাউদ্দিন ভাই-সহ আরও অনেকে গিয়েছেন। আমি আসলে রাজনীতি করি না, সবাই আসছিল তাই আমিও গিয়েছিলাম।’

অপরদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. আব্দুর রউফ বলেন, ‘আমি ঢাকায় আছি। ক্যাম্পাসের বাস ব্যবহারের বিষয়ে কিছু জানি না। তবে কেউ রিকুইজিশন নেইনি। কিভাবে গেছে খোঁজ নিয়ে জানতে হবে।’

এদিকে ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ওয়ালিউর রহমানের (পিকুল) কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভিসির দায়িত্বে থাকা প্রো-ভিসির কাছ থেকে ছুটি নিয়েছি। পরিবহনের বিষয়ে আমি অবগত না, তবে বাচ্চু (পরিবহন দপ্তরের উপ রেজিস্ট্রার মো. হাফিজুর রহমান) বলতে পারে।

পরিবহন দপ্তরের উপ-রেজিস্ট্রার মো. হাফিজুর রহমানের কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পরিবহন প্রশাসক নাই, ছুটিতে আছেন। যেহেতু উনি অনুপস্থিত, তাই ক্যাম্পাসে এসে অনুমোদন দিবে। ওখানে তো রিকুইজিশন নিয়েই যাওয়া হয়েছে। সাধারণ এরকম সবাই করে আসছে। কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহের ভিতরে হলে পরিবহন প্রশাসক অনুমতি দিতে পারে, তাই উনি আসলে অনুমোদন দিবে। দূরের হলে ভিসি স্যার অনুমোদন দেয়। গাড়িটার রিকুইজিশন দিয়েছিল এস্টেট অফিসের আলাউদ্দিন ভাই।’

রিকুইজিশন নেওয়া দাবি করা এস্টেট অফিসের মো. আলাউদ্দিন বলেন, ‘পরিবহন প্রশাসক তো নাই। আমার নামে রিকুইজিশন করছি। পরিবহন দপ্তরে সিনিয়রের দায়িত্বে থাকা বাচ্চু (হাফিজুর রহমান) ঠিক করে দিয়েছে। পরিবহন প্রশাসক আসলে স্বাক্ষর করবেনে।’

এ বিষয়ে এমপি প্রার্থী জাকির হোসেন সরকার বলেন, ‘এটি আমাদের উন্মুক্ত দোয়া মাহফিল ছিল। ইবির অনেকেই সেখানে উপস্থিত ছিল। তবে আমি কাউকে আমন্ত্রণ জানাইনি। তারা স্বপ্রণোদিত হয়েই এসেছে।’

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অফিস ফাঁকি দিয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার বিষয়টি কীভাবে দেখছেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অফিসের ডিউটি পালন করা তো তাদের দায়িত্ব। এটার সঙ্গে পলিটিক্সও সম্পর্কিত না। আমরা কাউকে বলিও নাই।’

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ‘কোনো বাসের অনুমতি আমি দেইনি। এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। অফিস ছেড়ে রাজনৈতিক প্রোগ্রামে এভাবে কেউ যেতে পারে না।’

এক প্রোগ্রামে উপাচার্যের উপস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, ‘গত শনিবারের প্রোগ্রামটি কোন রাজনৈতিক প্রোগ্রাম ছিল না। সেখানে মদিনা সনদের উপর আলোচনা হয়েছিল। সেখানে জাকির হোসেন সরকার ও আমির হামজা উপস্থিত ছিলেন।’

Continue Reading

Trending