Connect with us

সর্বশেষ

যুক্তরাষ্ট্রে ফুল-ফান্ডেড পিএইচডি’র সুযোগ পেলেন বেরোবি শিক্ষার্থী ইমরান

Published

on

বেরোবি প্রতিনিধি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৫–১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইমরান যুক্তরাষ্ট্রের University of Wyoming-এ অর্থনীতি (Economics) বিষয়ে ফুল-ফান্ডেড পিএইচডি করার সুযোগ অর্জন করেছেন। সেখানে তিনি অর্থনীতি বিভাগের রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁর গবেষণার আগ্রহের ক্ষেত্র Climate Finance, Resource Economics এবং Applied Econometrics। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কাজ করে নীতিনির্ধারণ ও টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।

নিজের এই দীর্ঘ যাত্রার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ইমরান বলেন, কম সিজিপিএ থাকায় উচ্চশিক্ষার অনেক সুযোগ তাঁর জন্য সীমিত হয়ে পড়েছিল। তবে ধারাবাহিক গবেষণার অভিজ্ঞতা ও শিক্ষকতা তাঁর এই অর্জনের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।

তিনি জানান, ২০১৮ সালে বন্ধু ফিরোজ মিয়ার সঙ্গে অধ্যাপক ড. মো. নূর আলম সিদ্দিকের তত্ত্বাবধানে গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হন। শুরু থেকেই অধ্যাপক সিদ্দিকী তাঁদের গবেষণাপত্র পড়তে, নোট নিতে এবং গবেষণার ভিত্তি গড়ে তুলতে উৎসাহিত করেন। গবেষণার বিভিন্ন জটিলতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তিনি সবসময় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন এবং হাতে-কলমে গবেষণার কৌশল শিখিয়েছেন।

ইমরান বলেন, একসময় তিনি উচ্চশিক্ষার স্বপ্নও দেখতেন না। কিন্তু অধ্যাপক সিদ্দিকীর অনুপ্রেরণা, দিকনির্দেশনা ও সার্বক্ষণিক সহযোগিতা তাঁকে নতুনভাবে ভাবতে শিখিয়েছে। এ সাফল্যের জন্য তিনি তাঁর বাবা-মা, বোন, সহধর্মিণী, বন্ধু ফিরোজ মিয়া এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও জানান, তাঁদের যৌথভাবে লেখা একাধিক গবেষণা নিবন্ধ SSCI, SCIE ও Scopus-সূচিভুক্ত আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। নিবন্ধগুলো Elsevier, Sage, Emerald এবং Springer Nature-এর মতো বিশ্বখ্যাত প্রকাশনা সংস্থার জার্নালে প্রকাশিত হওয়ায় পিএইচডি আবেদনের ক্ষেত্রে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গবেষণাপত্র উপস্থাপনের মাধ্যমে তাঁরা ‘Best Paper Award’ অর্জন করেন। যাত্রার শেষ পর্যায়ে Finland-এর LAB University of Applied Sciences-এর অধ্যাপক ড. সজল কবিরাজও তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা প্রদান করেন।

পিএইচডিতে ভর্তির অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ইমরান বলেন, সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে ফুল-ফান্ডেড পিএইচডি অর্জন তুলনামূলকভাবে কঠিন। ভালো সিজিপিএ গুরুত্বপূর্ণ হলেও গবেষণার অভিজ্ঞতা, মানসম্মত গবেষণা প্রকাশনা এবং শক্তিশালী সুপারিশপত্র (Recommendation Letter) একজন আবেদনকারীকে অন্যদের তুলনায় এগিয়ে রাখে। তাই তিনি শিক্ষার্থীদের স্নাতক পর্যায় থেকেই গবেষণায় সম্পৃক্ত হওয়ার পরামর্শ দেন।

ইমনের এই সাফল্যে গর্ব প্রকাশ করেছেন ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষক ও তাঁর গবেষণা-তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক ড. মো. নূর আলম সিদ্দিক। তিনি বলেন, ইমরান ও ফিরোজ নিয়মিত গবেষণায় সময় দিয়েছেন এবং নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁদের এই অর্জন বিভাগের জন্য অত্যন্ত আনন্দের এবং এটি ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করবে।

তিনি আরও বলেন, বিভাগের গবেষণামুখী পরিবেশই শিক্ষার্থীদের এমন সাফল্যের ভিত্তি তৈরি করেছে। বিভাগীয় প্রধান ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন হিসেবে তিনি ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গবেষণাবান্ধব ও একাডেমিক পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করে যাবেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

চীন-পাকিস্তানের যৌথ সীমান্ত কমিশন চালু, আপত্তি ভারতের

Published

on

By

অনলাইন ডেস্ক

চীন ও পাকিস্তান তাদের অভিন্ন সীমান্ত ব্যবস্থাপনার জন্য দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিত যৌথ সীমান্ত কমিশন চালু করেছে। বুধবার ইসলামাবাদে কমিশনের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে এই উদ্যোগের বিরোধিতা করেছে ভারত।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, যৌথ জরিপ, বাণিজ্যিক চলাচল এবং দুই দেশের জনগণের যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে কমিশনটি গঠন করা হয়েছে। উদ্বোধনী বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সীমান্ত ও সমুদ্রবিষয়ক বিভাগের উপমহাপরিচালক লি ইয়া এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের চীনবিষয়ক মহাপরিচালক বিলাল মাহমুদ চৌধুরী যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর কমিশন চালুকে দুই দেশের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছে। তাদের ভাষ্য, নতুন এই কাঠামোর মাধ্যমে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও যৌথ জরিপের পাশাপাশি বাণিজ্য এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।

২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত চুক্তির ভিত্তিতে কমিশনটি গঠন করা হয়েছে। ওই চুক্তির ৪৫ নম্বর অনুচ্ছেদে সীমান্ত ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ব্যবস্থা বাস্তবায়ন তদারকিতে একটি যৌথ কমিশন গঠনের বিধান রাখা হয়েছিল।

নতুন কমিশনের আওতায় সীমান্ত রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিদর্শন, যৌথ জরিপ, সীমান্তচিহ্ন-সংক্রান্ত সমস্যা এবং সীমান্ত পারাপারের অবকাঠামো ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের সমন্বয়ের সুযোগ থাকবে। সীমান্তে বিভিন্ন ঘটনা মোকাবিলা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগের ক্ষেত্রেও কমিশনটি কাজ করবে।

চীন-পাকিস্তান বাণিজ্য ও যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ খুনজেরাব সীমান্ত এবং চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরের (সিপিইসি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমও এই সহযোগিতার আওতায় রয়েছে। তবে এটি ১৯৬৩ সালের চীন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তির আওতায় গঠিত তৎকালীন যৌথ সীমান্ত নির্ধারণ কমিশন থেকে পৃথক।

কমিশন চালুর পর ভারত এর বিরোধিতা করেছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, নয়াদিল্লির অবস্থান এ বিষয়ে ‘স্পষ্ট ও ধারাবাহিক’। তার দাবি, পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে এমন কোনো সীমান্ত নেই এবং তথাকথিত যৌথ কমিশনের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। তাই ভারত কমিশনটি প্রত্যাখ্যান করছে।

ভারত ১৯৬৩ সালের চীন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তির বৈধতাও স্বীকার করে না। নয়াদিল্লির দাবি, ওই চুক্তির আওতাভুক্ত কিছু অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর ও লাদাখের অংশ। একই সঙ্গে সিপিইসির একটি অংশ বিতর্কিত অঞ্চলের মধ্য দিয়ে গেছে বলেও ভারত আপত্তি জানিয়ে আসছে।

জয়সওয়াল বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য ও অবিভাজ্য অংশ। ভারতের ভূখণ্ড নিয়ে পাকিস্তান বা অন্য কোনো দেশের পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ভারতের অবস্থান অনুযায়ী, ১৯৬৩ সালের সীমান্ত চুক্তি তারা কখনো স্বীকৃতি দেয়নি এবং এটিকে অবৈধ ও অকার্যকর বলে মনে করে। দখলকৃত অঞ্চলের অবস্থান পরিবর্তন কিংবা ওই নিয়ন্ত্রণকে বৈধতা দেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টারও বিরোধিতা করবে বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি।

Continue Reading

top1

জিপিএ-৫ পেয়েও একাদশে প্রথম ধাপে নির্বাচিত হননি ২২০৫ শিক্ষার্থী

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ হয়েছে। এতে জিপিএ-৫ পেয়েও ২ হাজার ২০৫ জন শিক্ষার্থী কোনো প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হননি।

প্রথম ধাপে কলেজ ও মাদ্রাসায় ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করেছিলেন প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জনকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আবেদন করেও কোনো আসন পাননি আরও ১৪ হাজার ৪১৫ জন শিক্ষার্থী। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় ফল প্রকাশ করা হয়।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ১১টি কলেজে কোনো আবেদন জমা পড়েনি। এ ছাড়া ৪১৬টি কলেজে আবেদন থাকলেও কোনো শিক্ষার্থীকে সেখানে বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। চলতি বছর একাদশে ভর্তির জন্য যোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৮ হাজার ১৮০টি।

শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। এরপর ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে।

সারাদেশে কলেজ ও মাদ্রাসা মিলিয়ে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। এবার কোনো ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদনের ফি ছিল ২২০ টাকা।

ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পেরেছেন। পাশাপাশি ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ ছিল।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী, বোর্ডের অনুমতি ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থী ভর্তি বা ছাড়পত্র (টিসি) দিতে পারবে না। অনুমোদন ছাড়া কোনো শাখা বা বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি, স্বীকৃতি বা এমপিওভুক্তি বাতিলের মতো ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

উল্লেখ্য, গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেন ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ১১ লাখ ৪৪ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হন।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

বেরোবি শহিদ ফেলানী হলের আধুনিক রিডিং রুম ও সেমিনার রুমের উদ্বোধন

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর শহিদ ফেলানী হলের শিক্ষার্থীদের উন্নত সুবিধা নিশ্চিত করতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আধুনিক রিডিং রুম ও সেমিনার রুমের আধুনিকীকরণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে শহিদ ফেলানী হলের নিচ তলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাসহ আধুনিকায়ন করা রিডিং রুম ও সেমিনার রুমের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী।

উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, “শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে আমরা বদ্ধপরিকর। শহিদ ফেলানী হলের বিভিন্ন সমস্যা আমরা ধাপে ধাপে সমাধান করছি। গরমের দিনে বা পরীক্ষার সামনে শিক্ষার্থীরা যেন কোনো প্রকার বিঘ্ন ছাড়াই পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেন, সেজন্য এসি রুম ও পর্যাপ্ত আধুনিক সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মোঃ ফেরদৌস রহমান এবং শহিদ ফেলানী হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মোছাঃ সিফাত রুমানা। এছাড়াও হলের সহকারী প্রভোস্টবৃন্দ, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

Trending