Connect with us

top2

যেভাবে খুন করা হয় জামায়াত নেতাকে, প্রত্যক্ষদর্শীর হত্যার বিবরণ

Published

on

বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের একপর্যায়ে কয়েকজনের সঙ্গে পেছনে পড়ে গিয়েছিলেন শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম।

একপর্যায়ে তাকে ধরে বেধড়ক পেটান বিএনপি নেতাকর্মীরা। পরে সেখান থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে মাথার পেছনে ‘ইট দিয়ে থেতলে’ দেন। এতেই প্রাণ হারান মাওলানা রেজাউল করিম।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জামায়াত কর্মী ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন শ্রীবরদী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সাইফুল ইসলাম সালেহী বর্ণনায় উঠে এসেছে এমন তথ্য। রেজাউল করিমকে তিনি উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। তাকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছে -তার বিস্তারিত জানিয়েছেন এ নেতা।

জামায়াত কর্মী ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন শ্রীবরদী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সাইফুল ইসলাম সালেহী জানান, শুরু থেকেই তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

আহত অবস্থায় রেজাউল করিমকে উদ্ধার করে প্রথমে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে শেরপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ১০টার দিকে তিনি মারা যান।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে মাওলানা সাইফুল ইসলাম সালেহী বলেন, রেজাউল করিম নিজের উপজেলায় ফিরে যাচ্ছিলেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী বলল যে, রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে রাখছে, আপনারা বিকল্প চিন্তা করেন।

তারা বলছে যে, শুধু আপনাকে (জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল) নিরাপত্তা দিতে পারব, আর কাউকে নিরাপত্তা দিতে পারব না। এ কথা বলার পর বাদল ভাই বলছেন যে, না আমি নিরাপত্তা ছাড়া কর্মীদেরকে রেখে যেতে পারব না।’

দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পরও বিএনপির নেতাকর্মীরা সরেনি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাদল ভাই লোকজন নিয়ে প্রশাসনসহ উত্তরের দিকে চলে যায়। আর কর্মী যারা পিছে পড়ে গেয়েছিল, বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের ওপরে হামলা চালায়।

আমার সামনে ৮-১০ জনকে ইচ্ছেমতো পিডাইছে। আমি প্রশাসনকে বারবার অনুরোধ করছি, পুলিশ কিছু ছিল যেন ভাইকে উদ্ধার করেন। তখন তারা বলছে যে, কিছু হবে না, আমরা যেতে পারব না।’

মাওলানা সাইফুল ইসলাম সালেহী বলেন, ‘তারা ফেলে যাওয়ার পর নিথর অবস্থায় রেজাউল ভাইরে উদ্ধার করে নিয়ে পরে একটা অটোরিকশায় অন্য এলাকা দিয়ে ঘুরে হাসপাতালে নিয়ে গেছি।

ওখানে দেখি, তিনজনকে হাসপাতালে ফেলে রাখছে, লোকজন নাই, চিকিৎসাও নাই। পরে আমি দুইটা সিএনজি ভাড়া করে যুবকের সহায়তা নিয়ে চারজনকে শেরপুর নিয়ে আসছি।’

তিনি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘আমার চোখের সামনে তারা পিটিয়ে রেজাউল ভাইকে নিথর অবস্থায় টানাহেঁচড়া করে নিয়ে যায়। পুনরায় ইট দিয়ে থেতলায় দিছে।

ইট দিয়ে আঘাত করছে। পিছনে ইটের আঘাতে যে ক্ষত হয়েছে, এতে রক্তক্ষরণ বেশি হয়েছে। আমাদের সামনে যে দুজন ছিল, সেই দুই নেতাকে কোপাইছে।’

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) শেরপুর-৩ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে।

সকাল থেকে বিভিন্ন দলের প্রার্থী ও সমর্থকরা সেখানে জড়ো হতে থাকেন। অনুষ্ঠানে সামনের সারিতে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

এ সময় কয়েকশ চেয়ার ও কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। উভয়পক্ষের শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। পুলিশ ও সেনা সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে রেজাউল করিমের মৃত্যুর তথ্য জানান।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বিএনপি সমর্থকদের বর্বরোচিত হামলায় আমাদের শ্রীবরদী উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন। এ হামলায় আমাদের ৫০ জনেরও বেশি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’

জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের অভিযোগ, পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিএনপি ও তাদের সমর্থকরা জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়েছেন। অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল দাবি করেন, উগ্রবাদী জামায়াতিরা পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করছে এবং দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাচ্ছে।

এ ঘটনায় শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভূঞা বলেন, ‘জামায়াত নেতার মৃত্যুর কথা শুনেছি। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।’

ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল বলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে আমরা ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলাম। কিন্তু সেখানে বসাকে কেন্দ্র করে ঝামেলা হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি। একই সঙ্গে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। পরবর্তী সময়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

রাবি শিক্ষার্থীদের রেল অবরোধ, রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন চলাচল বন্ধ

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি

রসিদ ছাড়াই যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের প্রতিবাদ করায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে ট্রেনের টিকিট পরীক্ষক (টিটি) মারধর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন রেললাইন অবরোধ করলে রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা সংলগ্ন রেললাইনে অবস্থান নিয়ে অবরোধ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এর ফলে রাজশাহী থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

অভিযোগ অনুযায়ী, সোমবার দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগী ফোরকান উদ্দীন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

ফোরকানের অভিযোগ, ঢাকা থেকে রাজশাহী ফেরার পথে কয়েকজন টিটি যাত্রীদের কাছ থেকে রসিদ ছাড়াই টাকা আদায় করছিলেন। তিনি এর প্রতিবাদ করলে ৬ থেকে ৭ জন টিটি তাকে দুই বগির মাঝখানে নিয়ে ঘাড় ও পিঠে মারধর করেন। একপর্যায়ে তাকে চলন্ত ট্রেন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ারও চেষ্টা করা হয়। এ সময় তার ব্যবহৃত চশমা ভেঙে যায়।

তিনি বলেন, “রেলের টাকা রাষ্ট্রের সম্পদ। টিকিট ইস্যু না করে টাকা নেওয়া অনিয়ম। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি এর প্রতিবাদ করেছিলাম। কিন্তু এর জেরে আমাকে মারধরের শিকার হতে হয়েছে।”

ঘটনার প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবি উত্থাপন করেছেন। দাবিগুলো হলো—অভিযুক্ত টিটিকে সশরীরে উপস্থিত করা, ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং সব দূরপাল্লার ট্রেনের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা করা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আরিফুল ইসলাম বলেন, অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় এক শিক্ষার্থীকে মারধর করা হয়েছে। রেলে অনিয়ম ও প্রতিবাদকারীদের হেনস্তা নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে অবরোধস্থলে উপস্থিত হন রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার। এছাড়া রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ ফেসবুক পোস্টে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ট্রেনের টিকিট পরীক্ষকদের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদে রেললাইন অবরোধ করেছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।

Continue Reading

top2

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া ‘টাইগার লাইটনিং-২৬’ শুরু আজ

Published

on

By

স্টাফ রিপোর্টার

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর যৌথ বার্ষিক সামরিক মহড়া ‘টাইগার লাইটনিং-২৬’ আজ (১৯ জুলাই) আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে। এবারের মহড়ায় দুই দেশের সেনাবাহিনীর ১৬০ জনের বেশি সদস্য অংশ নিচ্ছেন।

শনিবার (১৮ জুলাই) ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যৌথ এ মহড়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং বাস্তব পরিস্থিতিতে যৌথভাবে কাজ করার সক্ষমতা আরও জোরদার হবে।

এবারের মহড়ায় বনাঞ্চলে অভিযান পরিচালনা, সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম এবং যুদ্ধক্ষেত্রে আহতদের জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়ে যৌথ প্রশিক্ষণের আয়োজন রাখা হয়েছে। পাশাপাশি উভয় দেশের সেনাসদস্যরা একে অপরের কৌশল, দক্ষতা ও অপারেশন পরিচালনার অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পাবেন।

মার্কিন দূতাবাস জানায়, ‘টাইগার লাইটনিং’ ইউএস আর্মি প্যাসিফিকের থিয়েটার আর্মি ক্যাম্পেইন প্ল্যান এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা কর্মসূচির অংশ। এর লক্ষ্য দুই দেশের সামরিক বাহিনীর প্রস্তুতি, অপারেশনাল সক্ষমতা ও আন্তঃকার্যক্ষমতা (ইন্টারঅপারেবিলিটি) বৃদ্ধি করা।

২০১৭ সালে শুরু হওয়া ‘টাইগার লাইটনিং’ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের নিয়মিত দ্বিপক্ষীয় সামরিক মহড়া। কোভিড-১৯ মহামারির সময় সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও পরবর্তীতে এটি পুনরায় নিয়মিতভাবে আয়োজন করা হচ্ছে।

মহড়াটি শ্রেণিকক্ষভিত্তিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের অনুশীলনের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। সমাপনী পর্বে অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ফিল্ড ট্রেনিং এক্সারসাইজ অনুষ্ঠিত হবে।

Continue Reading

top2

সংবিধান সংস্কার নয়, সংশোধন করতে চায় বিএনপি: মির্জা ফখরুল

Published

on

By

অলটাইম ডেস্ক

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি সংবিধান সংস্কারের নয়, বরং সংবিধান সংশোধনের পক্ষে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক স্মরণসভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা কখনোই সংবিধান সংস্কারের কথা বলিনি। আমরা বলেছি, সংবিধান সংশোধন করতে চাই।’ তিনি আরও বলেন, বিএনপি একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

জুলাই সনদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সনদে স্বাক্ষর করা হলেও গণভোট ও উচ্চকক্ষের মতো কিছু বিষয়ে বিএনপির সঙ্গে আলোচনা হয়নি এবং এসব বিষয়ে দলটি একমত ছিল না। তার দাবি, সনদের কিছু বিষয় ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।

তিনি অভিযোগ করেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধানসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারগুলো বিএনপির উদ্যোগেই এসেছে।

বিরোধী দলের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, কেউ কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জুলাইকে ব্যবহার করতে চাইছে। তবে বিএনপি তা হতে দেবে না।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় বিএনপির ৬০ হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, প্রায় ১ হাজার ৭০০ জন গুম হয়েছেন এবং কয়েক হাজার নেতাকর্মী হত্যার শিকার হয়েছেন বলে দলটির দাবি।

Continue Reading

Trending