Connect with us

রাজনীতি

যে আসন থেকে নির্বাচন করবেন মাহফুজ আলম

Published

on

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সম্মুখসারির নেতা ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসন থেকে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আজ তার পক্ষে ওই আসন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য পদে লক্ষ্মীপুরের ৪টি আসনের ৪৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে ১৬ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তারা হলেন বিএনপির শাহাদাত হোসেন সেলিম, স্বতন্ত্র সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম, ইসলামী আন্দোলনের জাকির হোসেন পাটওয়ারী, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, জাতীয় পার্টির মাহমুদুর রহমান মাহমুদ, এনসিপির মাহবুব আলম, বাসদের মো. বিল্লাল হোসেন, স্বতন্ত্র মো. আল-আমিন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ রেজাউল করিম, বিএনপি নেতা হারুনুর রশিদ, গণ অধিকার পরিষদের মো. কাউছার আলম, স্বতন্ত্র এমএ আউয়াল, জাকির হোসেন, এনডিএমের আলমগীর হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মিজানুর রহমান, স্বতন্ত্র এমএ গোফরান।

লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনে ৯ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তারা হলেন বিএনপির আবুল খায়ের ভূঁইয়া, জামায়াতে ইসলামীর এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টির মো. ইব্রাহিম মিয়া, জাকের পার্টির তসলিম, কল্যাণ পার্টির মো. ফরহাদ মিয়া, গণ অধিকার পরিষদের আবুল বাশার, ইসলামী আন্দোলনের হেলাল উদ্দিন, এবি পার্টির কেফায়েত হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আহম্মদ হোসাইন।

লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে ৭ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তারা হলেন বিএনপির শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ রেজাউল করিম, ইসলামী আন্দোলনের মো. ইব্রাহিম,  জাতীয় পার্টির একেএম মহিউদ্দিন, এনপিপির সেলিম মাহমুদ, এলডিপির মো. শামছুদ্দিন, জেএসডির হারুনুর রশিদ।

লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনে ১১ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তারা হলেন বিএনপির এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, জেএসডির তানিয়া রব, জামায়াতের ইসলামীর এআর হাফিজ উল্যাহ, ইসলামী আন্দোলনের খালেদ সাইফুল্লাহ, স্বতন্ত্র আ ন ম মঞ্জুর মোরশেদ, শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল, নুরুল হুদা চৌধুরী, খেলাফত মজলিশের আব্দুল মতিন, বিএনপি নেত্রী বিথিকা বিনতে হোসাইন, বাসদের মিলন কৃষ্ণ মন্ডল, গণ অধিকার পরিষদের মো. রিদওয়ান উল্লাহ।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

রাজনীতি

গণভোট না মানার কারণে রাজনীতিতে সংকট তৈরি হয়েছে

Published

on

By

বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোট না মানার কারণে রাজনীতিতে সংকট তৈরি হয়েছে। বুধবার সকালে ঢাকা-১৫ আসনের জনদুর্ভোগ নিরসনের লক্ষ্যে নাগরিক সমাবেশ, মতবিনিময় সভা তিনি একথা বলেন।

বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেমন ধারণা করেছিলাম তার কাছাকাছি হয়েছে এবারের বাজেট।

বিজ্ঞাপন

শফিকুর রহমান বলেন, সরকার, বিরোধী দল ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগেই এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে পুলিশকে সহযোগিতা এবং পরিবার থেকেই সন্তানদের চলাফেরা ও সঙ্গী সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

Continue Reading

রাজনীতি

বাজেটকে ‘অস্বচ্ছ ও অবাস্তবায়নযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে না ভোট দিল বিরোধীদল

Published

on

By

জাতীয় সংসদে পাস হওয়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে ‘অপরিকল্পিত, অস্বচ্ছ ও অবাস্তবায়নযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে ‘না’ ভোট দিয়েছে বিরোধী দল।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বাজেট পাসের পর সংসদ ভবন চত্বরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বিরোধী দলের মুখপাত্র ও জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান বলেন, জনগণের স্বার্থে গঠনমূলক ভূমিকা রাখলেও বাজেটের মৌলিক সমস্যাগুলো রয়ে যাওয়ায় তারা ‘না’ ভোট দিয়েছেন।

তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলের চাপের মুখে সরকার বাজেটের কয়েকটি গণবিরোধী প্রস্তাব সংশোধন বা প্রত্যাহার করেছে। এর মধ্যে রয়েছে মুদিদোকানের ওপর কর প্রত্যাহার, আবাসন খাতে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ বাতিল, ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের একটি বিতর্কিত বিধান বাদ দেওয়ার ঘোষণা এবং করমুক্ত আয়সীমা চার লাখ টাকায় উন্নীত করা।

তবে বিরোধী দলের মতে, দেশের ভঙ্গুর ব্যাংকিং খাত থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবসম্মত নয়। সরকার একদিকে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করলেও অন্যদিকে ব্যাপক ঋণ গ্রহণ ও টাকা ছাপানোর নীতি অনুসরণ করছে, যা বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ সংকুচিত করতে পারে।

বিভিন্ন বিল উত্থাপনের প্রক্রিয়া নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করে বিরোধী দল জানায়, কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী তিন দিন আগে বিলের কাগজপত্র দেওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে উত্থাপনের দিনই তা সদস্যদের হাতে দেওয়া হচ্ছে। তবে নতুন ‘জুয়া প্রতিরোধ’ আইনকে স্বাগত জানালেও আদালতের অনুমতি ছাড়া কম্পিউটার ও সার্ভার জব্দে পুলিশের ক্ষমতার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে তারা। পাশাপাশি, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বাজেটে কার্যকর বরাদ্দ না থাকারও অভিযোগ করেছে বিরোধী দল।

Continue Reading

top1

চুক্তি হতে হবে সমতার ভিত্তিতে, সংসদকে পাশ কাটিয়ে কিছু নয়: বিরোধীদলীয় নেতা

Published

on

By

বিদেশের সাথে সম্পাদিত সব গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সংসদকে পাশ কাটিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত নয়। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের সব গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু হতে হবে জাতীয় সংসদকে। একই সাথে দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে পারস্পরিক সম্মান, সমতা ও ভারসাম্যের ভিত্তিতে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

শনিবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উত্থাপিত ধন্যবাদ প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই দেশ আমাদের সবার। আমরা সত্যিকার অর্থেই একটি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি দেখতে চাই এবং তা বাস্তবায়ন করতে চাই। বিরোধী দল হিসেবে আমাদের যেটুকু করণীয়, সরকারকে আশ্বস্ত করছি— এ ক্ষেত্রে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।’

বিদেশের সাথে সম্পাদিত সব মৌলিক চুক্তি সংসদে উপস্থাপনের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সংসদকে বাইপাস করে যেন কিছুই না হয়। সবকিছু হোক সংসদের ভেতরে। এই সংসদই যেন রাষ্ট্রের সব কর্মকাণ্ডের মূল কেন্দ্রবিন্দু হয়। চুক্তিগুলো সংসদে এলে জনপ্রতিনিধিরা তা জানতে পারবেন এবং সরকার ও জনগণের মধ্যে আস্থার সেতুবন্ধন আরো শক্তিশালী হবে।’

প্রধানমন্ত্রী যে দুটি দেশ সফর করেছেন, সেগুলোকে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণে আরো কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি আমদানিনির্ভর দেশ। আমাদের রপ্তানির প্রধান দুটি খাত তৈরি পোশাক ও জনশক্তি। এগুলোকে বহুমুখীকরণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এ জন্য স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। আশা করি, প্রধানমন্ত্রী তার সফরে এসব বিষয় গুরুত্বের সাথে আলোচনা করেছেন।’

পররাষ্ট্রনীতির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের সম্পর্ক হবে পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে। বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতিতে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ আমরা মেনে নেব না। সবার আগে দেশের স্বার্থ। যে কোনো চুক্তি হবে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে। আমরা কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে চাই না, আবার নিজেরাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে চাই না। এই ভারসাম্য বজায় রেখেই ভবিষ্যতের পররাষ্ট্রনীতি পরিচালিত হওয়া উচিত।’

রাজনীতিতে ইতিবাচক সংস্কৃতির ওপর গুরুত্ব দিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সরকারি দল সব কৃতিত্ব নেবে আর বিরোধী দল শুধু বিরোধিতা করবে— আমরা এই রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করি না। সরকারি দলকে বিরোধী দলকে সম্মান করতে হবে, আর বিরোধী দলেরও দায়িত্ব থাকবে দেশ গঠনে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করা।’

Continue Reading

Trending