Connect with us

ধর্ম

যে পাপের কারণে আল্লাহ অভিশাপ দেয়

Published

on

পৃথিবীর বুকে যত বিপর্যয় ও দুর্যোগ সৃষ্টি হয়, তার জন্য প্রধানত দায়ী মানুষের সীমাহীন পাপ ও সীমালঙ্ঘন। ছোট বড় অনেক ধরনের পাপ রয়েছে। তবে এমন কিছু পাপ রয়েছে, যেগুলো করলে আল্লাহর অভিশাপ নেমে আসে। এমন কিছু পাপ কাজের কথা নিচে দেওয়া হলো-

বিপরীত লিঙ্গের বেশ ধারণ করা :

যে নারী পুরুষের পোশাক গ্রহণ করে এবং যে পুরুষ নারীদের পোশাক, চালচলন নকল করে কিংবা অঙ্গবিকৃতি করে তাদের ওপর আল্লাহর রাসুলের লানত বর্ষিত হয়। আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর রাসুল (সা.) নারীর বেশ ধারণকারী পুরুষদের এবং পুরুষের বেশ ধারণকারী নারীদের অভিশাপ করেছেন।’(বুখারি, হাদিস : ৫৮৮৫)

সমকামিতা :

পুরুষে-পুরুষে ও নারীতে-নারীতে জৈবিক চাহিদা নিবারণের জন্য লজ্জাস্থান ব্যবহার করাকে সমকামিতা বলা হয়। এটি আল্লাহ ও তার রাসুল (সা.)-এর লানতের কারণ। ইবনে আববাস (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যারা সমকামী তাদের ওপর লানত বর্ষিত হোক।’(তিরমিজি, হাদিস : ১৪৫৬)

আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা :

আল্লাহ তাআলা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারীদের ওপর লানত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘তবে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলে সম্ভবত তোমরা জনপদে বিপর্যয় সৃষ্টি করবে এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করবে। আল্লাহ এদের প্রতি লানত করেন। অতঃপর তাদের তিনি বধির করেন ও তাদের চোখ দৃষ্টিহীন করে দেন।’(সুরা ; মুহাম্মাদ, আয়াত : ২২-২৩)

সতীসাধ্বী নারীর ওপর অপবাদ দেওয়া :

কোনো নারীর ওপর মিথ্যা অপবাদ দিলে আল্লাহর লানত নেমে আসে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন, ‘যারা সতীসাধ্বী, সরলা ঈমানদার নারীদের প্রতি (ব্যভিচারের) অপবাদ দেয়, তারা ইহকালে ও পরকালে অভিশপ্ত এবং তাদের জন্য আছে গুরুতর শাস্তি।’(সুরা : নূর, আয়াত : ২৩)

জুলুম করা :

জালিমদের ওপর আল্লাহ লানত করেন। পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘জেনে রেখো! জালিমদের ওপর আল্লাহ লানত করেন।’(সুরা : হুদ, আয়াত : ১৮)

জমির নিশানা পরিবর্তন করা :

আবু তুফায়ল আমির ইবনে ওয়াসিলা (রহ.) বলেন, আমি আলী ইবনে আবি তালিব (রা.)-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। এক ব্যক্তি তার কাছে এসে বলল, নবী (সা.) আপনাকে আড়ালে কী বলেছিলেন? বর্ণনাকারী বলেন, তিনি রেগে গেলেন এবং বলেন, নবী (সা.) লোকদের কাছ থেকে গোপন রেখে আমার কাছে একান্তে কিছু বলেননি। তবে তিনি আমাকে চারটি (বিশেষ শিক্ষণীয়) কথা বলেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর লোকটি বলল হে আমিরুল মুমিনিন, সে চারটি কথা কী? তিনি বলেন, ১. যে ব্যক্তি তার মা-বাবাকে অভিসম্পাত করে, আল্লাহ তাকে অভিসম্পাত করেন, ২. যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও নামে পশু জবাই করে আল্লাহ তার ওপরও অভিসম্পাত করেন, ৩. ওই ব্যক্তির ওপরও আল্লাহ অভিসম্পাত করেন, যে কোনো বিদাতি লোককে আশ্রয় দেয় এবং ৪. যে ব্যক্তি জমিনের (সীমানার) চিহ্ন অন্যায়ভাবে পরিবর্তন করে তার ওপরও আল্লাহ লানত করেন। (মুসলিম, হাদিস : ৫০১৮)

মানুষকে অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখানো :

যে ব্যক্তি মানুষকে ধারালো হাতিয়ার দিয়ে ভয় দেখায় তার ওপর ফেরেশতারা লানত করে। ইবনে সিরিন (রহ.) থেকে বলেন, আমি আবু হুরায়রা (রা.)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের প্রতি (লৌহ নির্মিত) অস্ত্র উত্তোলন করে সে তা ত্যাগ না করা পর্যন্ত ফেরেশতারা তাকে লানত করতে থাকে, যদিও তার সহোদর ভাই হয়।’(মুসলিম, হাদিস : ২৬১৬)

ঘুষ দেওয়া ও ঘুষ গ্রহণ করা :

আবদুল্লাহ বিন আমর (রা.) বলেছেন, ‘ঘুষ আদান-প্রদান করা লানতের কারণ। হাদিসে এসেছে, ‘রাসুল (সা.) ঘুষদাতা এবং ঘুষগ্রহীতার ওপর লানত করেছেন।’(আবু দাউদ, হাদিস : ৩৫৮০)

মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা :

মদপান করা, মদ বহনকারী, মদ বিক্রেতা ইত্যাদি কাজে জড়িতদের ওপর আল্লাহর লানত। আনাস বিন মালেক (রা.) বলেন, ‘মদের সঙ্গে সম্পৃক্ত দশম শ্রেণির লোককে রাসুল (সা.) লানত করেছেন। মদ প্রস্তুতকারী, যে মদ প্রস্তুত করতে বলে, পানকারী, বহনকারী, যার জন্য বহন করা হয়, যে পান করায়, বিক্রয়কারী, মূল্য গ্রহণকারী, যে মদ ক্রয় করে এবং যার জন্য ক্রয় করা হয়।’(তিরমিজি, হাদিস : ১২৯৫)

কবরকে সিজদার স্থান বানানো :

কবরের ওপর বা কবরকে সামনে রেখে সিজদা করলে লানত বর্ষিত হয়। আবদুল্লাহ (রা.) ও আয়েশা (রা.) উভয়েই বর্ণনা করেছেন যে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ তাআলা ইহুদি ও নাসারাদের ওপর লানত করেছেন। কারণ তারা তাদের নবীদের কবরকে মসজিদ বানিয়ে নিয়েছে।’ (বুখারি, হাদিস : ৪৩৫)

গাইরুল্লাহর নামে পশু জবাই করা :

সালাত-সিয়াম, জবেহ-কোরবানি শুধু আল্লাহর নামে হতে হবে। এসব আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে করা হলে সেটা লানতের কারণ হবে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে জবাই করল তার ওপর আল্লাহ লানত বর্ষণ করেন।’(মুসলিম, হাদিস : ১৯৭৮)

কুফর ও শিরক অবস্থায় মারা যাওয়া :

শিরক বা কুফরি করার পর তওবা না করে মারা গেলে এমন ব্যক্তির ওপর আল্লাহর লানত বর্ষিত হয়। পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘নিশ্চয়ই যারা অবিশ্বাস করে এবং অবিশ্বাসী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে, তাদের ওপর আল্লাহর লানত এবং ফেরেশতা ও গোটা মানবজাতির লানত।’(সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৬১-১৬২)

রাসুল (সা.)-এর নাফরমানি করা :

যারা রাসুল (সা.)-এর নাফরমানি করে, তাদের ওপর তিনি লানত করেছেন। আর তারা কিয়ামত দিবসে একে অন্যকে লানত করতে থাকবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যেদিন তাদের মুখমণ্ডল আগুনে ওলটপালট করা হবে, সেদিন তারা বলবে, হায়! যদি আমরা আল্লাহকে মানতাম ও রাসুলকে মানতাম! ‘তারা আরও বলবে, হে আমাদের রব! আমরা আমাদের নেতাদের ও বড়দের আনুগত্য করতাম। অতঃপর তারাই আমাদের পথভ্রষ্ট করেছিল। হে আমাদের রব! তাদের তুমি দ্বিগুণ শাস্তি দাও এবং তাদের মহা অভিশাপ দাও।’(সুরা ; আহজাব, আয়াত : ৬৬-৬৮)

তাকদির বা ভাগ্য অস্বীকার করা :

তাকদির বা ভাগ্য অস্বীকারকারী অভিশপ্ত। আয়েশা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘ছয় ব্যক্তিকে আমি লানত করি, আল্লাহ তাআলা লানত করেন এবং প্রত্যেক নবী লানত করেছেন। (তারা হচ্ছে) আল্লাহর কিতাবে সংযোজনকারী, তাকদির মিথ্যা প্রতিপন্নকারী, শক্তি দ্বারা ক্ষমতা দখলকারী, যে ক্ষমতার বলে সে আল্লাহ তাআলা যাকে অপদস্থ করেছেন তাকে সম্মানিত করে এবং আল্লাহ যাকে সম্মানিত করেছেন তাকে অপদস্থ করে, আল্লাহর নিষিদ্ধ বস্তু হালাল জ্ঞানকারী, আমার পরিবার-পরিজনদের মধ্যে যাদের আল্লাহ হারাম করেছেন তাদের হালাল জ্ঞানকারী ও আমার সুন্নাত পরিত্যাগকারী।’(তিরমিজি, হাদিস : ২১৫৪)

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

বছর ঘুরে এলো খুশির ঈদ

Published

on

By

বছর ঘুরে মুসলিম উম্মাহর দুয়ারে আবারো হাজির হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। সারা মাস সিয়াম সাধনার পর একফালি চাঁদ ঘোষণা দিল ‘এলো খুশির ঈদ’। রোজার মাস জুড়ে সংযম, ধৈর্য আর আত্মশুদ্ধির যে শিক্ষা, তারই পরিণতি এই ঈদ। তাই ঈদের আনন্দ শুধু নতুন পোশাক বা সুস্বাদু খাবারে নয়, বরং একে অপরের প্রতি ভালোবাসা আর সহমর্মিতায়।

ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় খুশির দিন। আজ শনিবার ঈদের আনন্দ উৎসবে মেতে উঠবে সারা দেশ।

ইতোমধ্যে ঢাকাসহ দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে ঈদুল ফিতরের আবহ। সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার পরপরই রেডিও-টেলিভিশনে বেজে উঠেছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী সেই গান, ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এল খুশীর ঈদ…।’

ইসলামের ধর্মীয় বিধান অনুসরণ করা হয় সাধারণত হিজরি বর্ষপঞ্জির চান্দ্র মাসের হিসাবে। ২৯ রমজান (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় বাংলাদেশে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি বৈঠক বসে। সেই বৈঠক থেকেই ঈদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।

এদিকে শুক্রবার সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্য ও পৃথিবীর অন্যান্য প্রান্তের কিছু দেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বাংলাদেশের বেশকিছু জেলাতেও ঈদ উদযাপন করেছেন মুসল্লিরা। তারা দেশটির সঙ্গে মিলিয়ে এক দিন আগে রোজাও রাখেন।

হাদিসে আছে, মহানবী (সা.) বলেছেন, প্রত্যেক জাতিরই উৎসবের দিন আছে। আমাদের উৎসব হলো ঈদ।

ঈদুল ফিতরের মধ্যে ফিতর শব্দের অর্থ ভঙ্গ করা। ঈদুল ফিতরের অর্থ— রোজার সমাপ্তি ঘটানোর আনন্দ। দীর্ঘ এক মাস তারাবির নামাজ, সাহরি, ইফতার, জাকাত-ফিতরা, এবাদত-বন্দেগিসহ সিয়াম সাধনার মধ্যে দিয়ে পার করার পর মুসলিম উম্মাহ রোজা ভঙ্গ করে মহান আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে বান্দারা উপহার স্বরূপ পান এই ঈদুল ফিতর। ঈদের আনন্দ সর্বজনীন। এই আনন্দ আল্লাহর তাকওয়া অর্জনের সাফল্যের আনন্দ। এই আনন্দ রূপ নেয় সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় উৎসবে।

ঈদ উপলক্ষে জাতীয় পতাকা ও ঈদ মোবারক খচিত ব্যানার দিয়ে সাজানো হয়েছে রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়ক, মোড়সহ গুরত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো।

ঈদের দিনে উন্নত মানের খাবার সরবরাহ করা হবে হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, ভবঘুরে কেন্দ্র ও এতিমখানায়। সরকারি-বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও রেডিওতে প্রচারিত হবে বিশেষ অনুষ্ঠান। টিভি চ্যানেলগুলো ইতোমধ্যে পাঁচ থেকে সাত দিনের বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে। ঈদ উপলক্ষে বিশেষ সংখ্যা, ঈদ ম্যাগাজিন প্রকাশ করেছে অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সংবাদপত্রগুলো।

ঈদ ঘিরে বাজারে শেষমুহূর্তের কেনাকাটায় ব্যস্ত মানুষ। নতুন জামার গন্ধ, আতরের সুবাস, সেমাই-চিনির হিসাব-সব মিলিয়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশ। দর্জির দোকানে এখনো শেষ মুহূর্তের কাজ চলছে, আর শিশুদের চোখে-মুখে শুধুই আনন্দের ঝিলিক-‘ঈদ’।

ঈদ উপলক্ষে পরিবারগুলোতে সাধ্যমতো ভালো খাবার রান্নার চেষ্টা করা হয়। শিশুরা নতুন পোশাক পরে হৈ হুল্লোড় করবে, বেড়াতে যাবে নিকটাত্মীয়দের বাড়িতে। ঈদের দিন ঘুম থেকে উঠে গোসল-অজু করে দিনের শুরুতে সেমাই, মিষ্টিমুখ করে মুসল্লিরা যাত্রা শুরু করবেন ঈদের জামাতে অংশ নিতে। নামাজ আদায় শেষে ঈদগাহ ময়দানে বুকে বুক মেলাবেন। নামাজ আদায় শেষ করে মুসল্লিরা যাবেন কবরস্থানে প্রিয়জনের বিদেহী আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করতে। কবরস্থান থেকে মুসল্লিরা বাসায় ফিরে খাবার খেয়ে বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা করবেন। প্রিয়জনের সঙ্গে আনন্দ-আড্ডায় মেতে উঠবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

এক মাসের সংযম, ধৈর্য আর আত্মশুদ্ধির পর আসে এই উৎসব। তাই ঈদের আনন্দ শুধু নতুন পোশাক বা সুস্বাদু খাবারে সীমাবদ্ধ নয়এটি একে অপরের প্রতি ভালোবাসা, ক্ষমা আর সহমর্মিতার প্রকাশ।

Continue Reading

top1

চাঁদপুরে অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপন

Published

on

By

সৌদি আরবসহ আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ সাদ্রা দরবার শরিফসহ প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৯টায় সাদ্রা দরবার শরিফ মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন দরবার শরিফের পীরজাদা আল্লামা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী।

সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আরেকটি জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। এ জামাতে ইমামতি করেন দরবার শরিফের পীরজাদা আরিফুল্লা চৌধুরী।

আগাম ঈদ উদ্‌যাপন করা গ্রামগুলো হচ্ছে- হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপপুর, বাসারা, ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর, মতলব উপজেলার দশানি, মোহনপুর, পাঁচানী এবং কচুয়া উপজেলার কয়েকটি গ্রামের আংশিক।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯২৮ সাল থেকে সাদ্রা দরবার শরিফের মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) সৌদি আরবসহ অন্য আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদ্‌যাপনের প্রথা চালু করেন। এ ছাড়া তার অনুসারীরা চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় একই সঙ্গে দুই ঈদ উদ্‌যাপন ও রোজা করে আসছেন।

সাদ্রা দরবার শরিফের পীরজাদা আরিফুল্লা চৌধুরী বলেন, ১৯২৮ সাল থেকে তারা মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা এবং পবিত্র রমজানের রোজা রেখে আসছেন। প্রথমে এসব ঈদের জামাতে লোকজন কম হলেও এখন সারা বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় ঈদ উদ্‌যাপন হচ্ছে।

Continue Reading

top1

দেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ শনিবার

Published

on

By

দেশের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে এবার ৩০ রোজা পূর্ণ হবে, আর পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে শনিবার (২১ মার্চ)।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।

সভা শেষে জানানো হয়, দেশের সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, আজ বাংলাদেশের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার কোনো খবর পাওয়া যায়নি। এই অবস্থায় শনিবার থেকে শাওয়াল মাস গণনা শুরু হবে এবং ওই দিনই পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বিনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগ কমিটির কার্যক্রম পরিচালনা করে। ১৭ সদস্যের এই কমিটির বৈঠক আরবি মাসের প্রতি ২৯ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়।

Continue Reading

Trending