Connect with us

জাতীয়

রাজধানীতে বাসে চড়লে কাটতে হবে ই-টিকিট

Published

on

ঢাকা শহর ও শহরতলী রুটে ই-টিকেটিং চালুর সিদ্ধান্ত র্নিয়েছে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। এর ফলে বাসগুলোতে এখন থেকে যাত্রীদের ই-টিকেট কেটে চড়তে হবে।

সোমবার (১৯ সোমবার) রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশ, ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন, ঢাকা জেলা সড়ক পরিবহন যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়নসহ কয়েকটি শ্রমিক সংগঠনকে সঙ্গে নিয়ে এ পদ্ধতি বাস্তবায়নের কথা বলা হচ্ছে। আরবানমুভ টেক নামের একটি কোম্পানি এ ব্যবস্থায় কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম।

সাইফুল আলম বলেন, যাত্রী হয়রানি কমাতে এবং ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধ করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এই কার্যক্রম চালু করা হবে। ই-টিকেটিং ব্যবস্থাপনায় স্ব-স্ব রুটের পরিবহন কম্পানির সঙ্গে আরবান টেক লিমিটেড চুক্তিবদ্ধ হয়ে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে।

তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, এই পদ্ধতি কার্যকর হলে রাস্তায় যানজট কমবে, অসম প্রতিযোগিতায় গাড়ি চলাচল বন্ধ হবে, দুর্ঘটনা কমিয়ে যাত্রী সাধারণের চলাচলে নিরাপত্তা, আরাম, সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হবে এবং রাস্তায় গাড়ি থেকে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে।

সাইফুল আলম আরও বলেন, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ঢাকা ও গাজীপুর মেট্রোপলিটান পুলিশ, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, জেলা প্রশাসন ঢাকা ও মানিকগঞ্জ, হাইওয়ে পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট পরিবহন শ্রমিক, পরিবহন কোম্পানি ও প্রশাসনের সঙ্গে আট মাস ধরে দফায় দফায় আলোচনা সভা, কাউন্সেলিং সভা ও মতবিনিময় করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সারোয়ার হোসেন বলেন, ভবিষ্যতে এই টিকেটিং ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ক্যাশলেস করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এই ব্যবস্থা বাস্তবায়নে ডিএমপি সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, টিকেট সিস্টেমের মাধ্যমে বাসের যাত্রী সংখ্যা বেড়ে যাবে। আমরা সব সংস্থা এই ব্যবস্থাকে বাস্তবায়নে কাজ করে যাব।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সারোয়ার হোসেন বলেন, ভবিষ্যতে এই টিকেটিং ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ক্যাশলেস করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এই ব্যবস্থা বাস্তবায়নে ডিএমপি সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, টিকেট সিস্টেমের মাধ্যমে বাসের যাত্রী সংখ্যা বেড়ে যাবে। আমরা সব সংস্থা এই ব্যবস্থাকে বাস্তবায়নে কাজ করে যাব।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জাতীয়

মিথ্যা বলা মহাপাপ, মিথ্যা বলো না: মির্জা আব্বাস

Published

on

By

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস তার নির্বাচনী এলাকার প্রতিদ্বন্দ্বী নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীসহ এনসিপি নেতাদের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছেন, মুরুব্বিরা শিক্ষা দেয়, মিথ্যা বলা মহাপাপ। সুতরাং মিথ্যা বলো না। একটি লোকের নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে বদনামী করা এটি আরও বড় পাপ। এই পাপ থেকে দয়া করে নিজে দূরে থাকুন এবং আমাদেরকেও দূরে রাখুন।

শুক্রবার বিকালে রমনা থানা বিএনপির উদ্যাগ্যে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুল মাঠে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনার দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। থানা বিএনপির আহবায়ক আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সদস্য সচিব মোহাম্মদ শামীম হোসেনের পরিচালনায় এসময় মহানগর ও স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, আমার এলাকায় নির্বাচনে ভোট কারচুপি না হলে ওরা এত ভোট পেতে পারে না। ঢাকা ৮ আসনের একটি ওয়ার্ডে আপনার কোন আত্মীয় আছে যে আপনাকে ভোট দিয়েছে, তা বলতে পারবেন না। আর আমি মির্জা আব্বাস নাম ধরে বলে দিবো কারা কারা আমাকে ভোট দিয়েছে। আপনি কসম খেয়ে বলেন- এতগুলো ভোট আমি সিল মেরে নিয়েছেন! নাকি আকাশ থেকে এসেছে!

তিনি বলেন, আমরা রাতের বেলায় কয়েকটি স্কুলে ভোট কেন্দ্র পাহারা দিয়ে ভোট রক্ষা করেছি। না হলে সব কেন্দ্র সিল মেরে নিয়ে যেতেন। অদ্ভুত কায়দায় ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করেছেন। চাপিয়ে দিচ্ছেন বিএনপির উপরে।

আব্বাস বলেন, আমার এলাকায় হারার ইতিহাস নেই। আওয়ামী লীগের আমলে নির্বাচন হয়নি, সেটি সবাই জানে। আমি কোন জায়গায় কত ভোট পেলাম, সেটি আপনাদের দেখার বিষয় নয়। এ এলাকায় আমার বন্ধু, আত্মীয়-স্বজন আছে। সুতরাং আমার ভোটের অভাব নেই। আমার কথা হলো ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং না করে আপনারা এত ভোট কিভাবে পেলেন? সেটি আজ জাতির সামনে আমার প্রশ্ন। আমি প্রমাণ করতে পারবো আপনারা কারচুপি করেছেন

Continue Reading

top1

সব স্তরে দুর্নীতি মোকাবিলায় দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

Published

on

By

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের সব স্তরে দুর্নীতি মোকাবিলায় দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।

শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সম্মানে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবাধিকার সুরক্ষা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা এবং সহনশীলতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকার সব স্তরে দুর্নীতি মোকাবিলায় দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের প্রতি সমর্থন দিতে ঢাকায় নিযুক্ত কূটনৈতিকদের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

ইফতার অনুষ্ঠানে ঢাকায় কর্মরত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এ সময় বাংলাদেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কূটনৈতিক সম্পর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হয়।

ইফতারে প্রধানমন্ত্রীর পাশে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

Continue Reading

top1

ফেব্রুয়ারিতে সড়কে ঝরেছে ৪৪৭ প্রাণ: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

Published

on

By

দেশে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে পৃথক ৪৪৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৪৭ জন নিহত হয়েছেন এবং এক হাজার ১৮১ জন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৬ মার্চ) যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সড়ক, রেল ও নৌ পথের দুর্ঘটনার সংবাদ থেকে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের গণমাধ্যমে ৪৪৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৪৭ জন নিহত, ১ হাজার ১৮১ জন আহতের তথ্য প্রকাশ হয়েছে। এ সময় রেলপথে ৩৪টি দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত, ১১ জন আহত, নৌ পথে ৬টি দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত ও ৫ জন আহত হয়েছেন। সড়ক, রেল ও নৌ-পথে মোট ৪৮৮টি দুর্ঘটনায় ৪৭৭ জন নিহত এবং এক হাজার ১৯৭ জন আহত হয়েছেন। এসময় ১৫১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৬৭ জন নিহত এবং আহত হয়েছেন ১৩৭ জন। যা মোট দুর্ঘটনার ৩৩ দশমিক ৭০ শতাংশ, নিহতের ৩৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ ও আহতের ১১ শতাংশ ৬০ শতাংশ।

বিভাগভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে ১১৩টি দুর্ঘটনায় ১১৫ জন নিহত হয়েছেন ও ৩৮৭ জন আহত হয়েছেন। অপরদিকে বরিশাল বিভাগে সবচেয়ে কম ২২টি দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ১৯ জনের এবং আহত হয়েছেন ৮৫ জন।

সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে- ৫৬ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ৯৩ জন চালক, ৭৬ জন পথচারী, ২০ জন পরিবহন শ্রমিক, ৫৮ জন শিক্ষার্থী, ৪ জন শিক্ষক, ৬৩ জন নারী, ৫৫ জন শিশু, ২ জন সাংবাদিক, ২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ৬ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর পরিচয় মিলেছে।

Continue Reading

Trending