Connect with us

ক্যাম্পাস

রাবিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু কাল, তিন ইউনিটে লড়বে পৌনে ৩ লাখ শিক্ষার্থী

Published

on

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে। বরাবরের মতো এবারও জালিয়াতি রোধে কঠোর অবস্থান এবং শিক্ষার্থীদের সহায়তায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

দ্বিতীয়বারের মতো রাজশাহী ক্যাম্পাস ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর ও বরিশাল এই ৫টি আঞ্চলিক কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে জানাতে আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারী) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মাঈন উদ্দিন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এ বছর ৪ হাজার ১৭টি আসনের বিপরীতে তিন ইউনিট মিলিয়ে মোট ২ লক্ষ ৭২ হাজার ৬২৬ জন লড়বে। এর মধ্যে ‘এ’ ইউনিটে ১ লক্ষ ১৫ হাজার ৫১৫ জন, ‘বি’ ইউনিটে ৩০ হাজার ৮৮৬ জন এবং ‘সি’ ইউনিটে ১ লক্ষ ২৬ হাজার ২২৫ জন আবেদন করেছেন।

পরীক্ষার সময়সূচী
আগামীকাল ১৬ জানুয়ারি বেলা ১১টা থেকে ১২টা এবং বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত দুই শিফটে ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হবে এই ভর্তি যুদ্ধ। এরপর ১৭ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিট দুই শিফটে এবং ২৪ জানুয়ারি ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা একটি শিফটে অনুষ্ঠিত হবে। এক ঘণ্টাব্যাপী এই পরীক্ষা এমসিকিউ (গঈছ) পদ্ধতিতে গ্রহণ করা হবে।

কোন কেন্দ্রে কতজন পরীক্ষা দিবেন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬৮ হাজার ৪৯০ জন, ঢাকা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে ১ লক্ষ ১৯ হাজার ১৯ জন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে ১৭ হাজার ৬৪৬ জন, খুলনা অঞ্চলে ২৩ হাজার ৯০৯ জন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়সহ রংপুর ভেন্যুতে ৩৮ হাজার ২৫৭ জন এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে ৫ হাজার ৩০৫ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।

কতৃপক্ষের গৃহিত পদক্ষেপসমূহ
পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় ক্যাম্পাসে ১০টি হেল্পডেস্ক, অভিভাবকদের জন্য ১১টি টেন্ট এবং সুপেয় পানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যানবাহন নিয়ন্ত্রণে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের পর ক্যাম্পাসের প্রধান সড়কগুলোতে সাধারণ যান চলাচল বন্ধ থাকবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের সহায়তায় নিয়োজিত থাকবে বিএনসিসি, রোভার স্কাউট ও ফিজিক্যালি ডিজঅ্যাবল্ড ফোরামের সদস্যরা। প্রতিটি অ্যাকাডেমিক ভবনের প্রবেশ পথে বিএনসিসি,রোভার,স্কাউট ও রেঞ্জার নিয়োজিত থাকবে। ক্যাম্পাস পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিচ্ছন্নতা কর্মী ব্যাতীত ৬০ জন কোয়ান্টাম সদস্য ও সেচ্ছাসেবীরা নিয়োজিত থাকবেন। সিনেট ভবনের সামনে অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোল বক্স স্থাপন করা হয়েছে। ভর্তি জালিয়াতি ও প্রক্সিকান্ডের সাথে জড়িত থাকলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরীক্ষার্থীদের জন্য যত নির্দেশনা
এবছর পরীক্ষার্থদের কেবল একটি প্রবেশপত্র ইস্যু করা হয়েছে। যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারেসি তারা পরীক্ষা শুরুর ২ দিন আগে ডাউনলোড করতে পারবে। অগ্রনযোগ্য সেলফির জন্য যাদের প্রবেশপত্র ইস্যু করা হয়নি তারা পরীক্ষা শুরুর ১ ঘন্টা আগ পর্যন্ত সেলফি ও ছবি আপলোড করার জন্য আইসিটি সেন্টারে যোগাযোগ করলে প্রবেশপত্র ইস্যু করা হবে। পরীক্ষার হলে কোনো প্রকার ক্যালকুলেটর বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্লুটুথ,মোবাইল ফোন আনা যাবে না। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই আসন গ্রহণ করতে হবে। ভর্তি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে।


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

ক্যাম্পাস

পদ্মার পাড়ে ‘ফুল বিজু’ উদযাপন ইবিস্থ পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের, ছুটি না থাকায় আক্ষেপ

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

চাকমা সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব বিজুর অংশ হিসেবে ‘ফুল বিজু’ উদযাপন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অধ্যয়নরত সংশ্লিষ্ট ধর্মালম্বী শিক্ষার্থীরা। প্রতিবছর নির্বিঘ্নে এসব উৎসব পালন করতে ১২ থেকে ১৬ এপ্রিল একাডেমিক ক্যালেন্ডারে ছুটি অন্তর্ভুক্ত চান তারা।

আজ রোববার (২৯শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দে) ইবিস্থ জুম্ম ছাত্র কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা এ আয়োজন করেন।উৎসবের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা পদ্মার মোহনা পাড়ে গঙ্গা মাতার উদ্দেশ্যে ফুল নিবেদন করেন। এসময় তারা পুরনো সব দুঃখ-গ্লানি ভুলে নতুন বছরকে আরও সুন্দরভাবে বরণ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি ক্যাম্পাসে সম্মিলিতভাবে উৎসব পালন করে নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরেন তারা। তবে ক্যালেন্ডারে ছুটি না থাকায় অনেকের বাড়ি ফেরা হলো না।

জুম্ম ছাত্র কল্যাণ সমিতির সদস্য ও বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী জেসি চাকমা বলেন, “বিজু হচ্ছে আমাদের চাকমা সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব। আমরা সাধারণত ১২, ১৩ ও ১৪ এপ্রিল এই তিন দিন উৎসবটি পালন করি। কিন্তু এ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম ও পরীক্ষা থাকায় বাড়ি যাওয়া হয়নি। তাই আমরা নিজেরাই উদ্যোগ নিয়ে ফুল বিজুর আয়োজন করেছি, যাতে আমাদের ঐতিহ্য ধরে রাখা যায়।”

উপাচার্যের প্রতি তিনি অনুরোধ জানান, “প্রতি বছর বিজু, বৈসু, সাংগ্রাই, বিহু, চাংক্রান-সহ এসব উৎসব উপলক্ষে ১২ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত শ্রেণি কার্যক্রম ও পরীক্ষা স্থগিত রাখা হোক।”

ছাত্র কল্যাণ সমিতির সদস্য ও অর্থনীতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী প্রবাসী চাকমা বলেন, “প্রতিবছর আদিবাসীদের বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু ও চাংক্রান উৎসব পালন করা হয়। আমি সাধারণত বিজুতে বাড়িতে থাকার চেষ্টা করি। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে থাকার পর ক্লাস থাকতে পারে ভেবে ক্যাম্পাসে এসেছি। কিন্তু জিএসটি পরীক্ষা চলমান থাকায় ক্লাস বন্ধ রয়েছে এবং অনেক বিভাগে সেমিস্টার পরীক্ষা চলছে। কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা স্থগিত করা হলেও সব জায়গায় তা হয়নি। যেহেতু এটি আদিবাসীদের বৃহত্তর সামাজিক উৎসব, তাই স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ছুটি দেওয়া উচিত। ক্যাম্পাসে বিজু পালন করতে পেরে ভালো লাগছে এবং এর মাধ্যমে আমরা আমাদের স্বকীয়তা তুলে ধরতে পেরেছি।”

জুম্ম ছাত্র কল্যাণ সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক ও আইন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মন্টু চাকমা বলেন, “বিজু চাকমা সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উৎসব, যা চৈত্রের শেষ দুই দিন ও পহেলা বৈশাখ মিলে তিন দিনব্যাপী পালিত হয়। কিন্তু নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষার কারণে আমরা যথাযথভাবে পালন করতে পারিনি। তাই আজ ক্যাম্পাসেই ফুল বিজু উদযাপন করেছি।”

উপাচার্যের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, “প্রতিবছর এসব উৎসবের জন্য ১২ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত একাডেমিক ক্যালেন্ডারে ছুটি অন্তর্ভুক্ত করা হোক। অতীতের সব গ্লানি মুছে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে স্বাগত জানিয়ে সবাইকে বিজুর শুভেচ্ছা জানাই।”

Continue Reading

top3

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে চবি শিক্ষার্থী মৃত্যু

Published

on

By

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকাল ৮টার দিকে পড়ার টেবিলে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে ওই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নেয় সহপাঠীরা। পরে সকাল ১১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে মারা যাওয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম জীবক চাকমা। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাসা রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলায়। তার বাবার নাম রবিলেন্দু চাকমা। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বশান্তি প্যাগোডার হোস্টেলে থাকতেন।

জীবক চাকমার মৃত্যুর বিষয়ে চবির মেডিকেল সেন্টারের চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. আবু তৈয়ব চৌধুরী বলেন, আজ সকালে ওই শিক্ষার্থীকে অচেতন অবস্থায় মেডিকেল সেন্টারে আনা হয়। প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করি, তিনি ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হতে পারেন। তার কোনো জ্ঞান ছিল না। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তার মৃত্যু হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নুরুল হামিদ কানন বলেন, আজ সকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সহপাঠীরা তাকে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যায়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন বলে আমরা জেনেছি।

Continue Reading

top3

শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে হল সংসদের এজিএসসহ ৩ জনের আবাসিকতা বাতিল

Published

on

By

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদ জিয়াউর রহমান হলের কক্ষে ‘নারী প্রবেশ সন্দেহে’ তল্লাশির অভিযোগে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে হল সংসদের এজিএসসহ ৩ শিক্ষার্থীর আবাসিকতা সাময়িক বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া এ ঘটনায় হল সংসদের ভিপিকে (সহসভাপতি) কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে ঘটনাটির সুষ্ঠু ও অধিকতর সত্য অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শাস্তিপ্রাপ্তরা হলেন হল সংসদের এজিএস মো. ইসরাফীল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. সাকিব জুবায়ের ও আরেক আবাসিক শিক্ষার্থী মো. ফোরকান হাফিজ জীম।

রবিবার (১২ এপ্রিল) ভোর চারটার দিকে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মাহবুবার রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শনিবার আনুমানিক ভোর পাঁচটায় শহীদ জিয়াউর রহমান হলের ১২১ নম্বর কক্ষে নারী প্রবেশের অভিযোগটি প্রাথমিকভাবে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে প্রতীয়মান হয়েছে। এতে ৩ শিক্ষার্থীর আবাসিকতা সাময়িকভাবে বাতিল করা হলো এবং হল ভিপি মো. মোজাম্মেল হককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

এ ছাড়া বিজ্ঞপ্তিতে অধিকতর তদন্তে একটি কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়। তদন্ত কমিটি গঠনের প্রজ্ঞাপনে তদন্ত রিপোর্ট দ্রুত জমাদানের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ থাকবে।

এর আগে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. ইসরাফীল বলেন, ‘একটি জায়গা থেকে হলে মেয়ে আনার তথ্য পাই। পরে ভিপি ও জিএসের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি যাচাই করতে যাই। সেখানে এমন কিছু না পেয়ে পরে আমরা সরি বলে চলে আসি।’

জিয়া হল সংসদের ভিপি মো. মোজাম্মেল হক বলেন, ‘ফজরের আগে একজন হলে মেয়ে নিয়ে আসার বিষয়ে জানায়। তখন আমি জিএস ও এজিএসকে জানাই এবং এ রকম কিছু হলে গোপনে মিটমাট করে ফেলতে বলি। এটা যাতে আলোচনার কোনো টপিক না হয় সেটাই চেয়েছিলাম এবং রাত গভীর হওয়ায় হল প্রশাসনের কাউকে জানানো হয়নি।’

এ বিষয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ ড. মাহবুবার রহমান বলেন, ‘হল প্রভোস্ট ছাড়া আবাসিক হলে তল্লাশি করার অনুমতি কারোর নেই। হোক সে হল ছাত্র সংসদের নেতা। যারা এমনটি করেছেন, তারা হলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন। শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ৩ শিক্ষার্থীর আবাসিকতা সাময়িকভাবে বাতিল এবং হল সংসদ ভিপিকে শোকজ করা হয়েছে।’

উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার শহীদ জিয়াউর রহমান হলের ১২১ নম্বর কক্ষে ‘নারী অবস্থান করছে সন্দেহে’ ভোর চারটার দিকে অনুসন্ধান চালায় হল সংসদের এজিএস ইসরাফীল হোসাইনসহ কয়েকজন। পরে তারা সেখানে কাউকে না পেয়ে ফেরত আসেন। বিষয়টি নিয়ে গতকাল সন্ধ্যায় প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মাহবুবার রহমানের কার্যালয়ে একটি সভা বসে। সভায় উপস্থিত হল সংসদের নেতাদের ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে।

পরে হলের এজিএসসহ কয়েকজনের অনুপস্থিত থাকায় সভাটি স্থগিত হয় এবং রাত ১১টায় আবার শুরু হয়। এ সময় হল প্রাধ্যক্ষের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান। টানা কয়েক ঘণ্টার আলোচনা শেষে হল সংসদের এজিএসসহ তিনজনের আবাসিকতা সাময়িকভাবে বাতিল করে হল প্রশাসন।

Continue Reading

Trending