Connect with us

ক্যাম্পাস

রাবি ভর্তি পরীক্ষায় মোবাইলফোনে এআই ব্যবহারের অভিযোগে আটক-১

Published

on

রাবি প্রতিনিধি:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম শিফটে স্মার্টফোনে ফোনে ‘ডিপসিক’ নামক এআই অ্যাপ ব্যবহার করে উত্তর খোঁজার সময়ে এক ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় রাবির জগদীশ চন্দ্র বসু কেন্দ্রের ১০২ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটেছে।

বর্তমানে ওই শিক্ষার্থী প্রক্টর দপ্তরে আটক অবস্থায় রয়েছেন।

অসদুপায় অবলম্বনকারী ওই ছাত্রের নাম দিব্য জ্যোতি সাহা। তার রোল নম্বর ৩১১০০০৫২। তার বাসা ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী। তবে স্থায়ী বাসা খুলনা। তার বাবার নাম ড. সাহা চঞ্চল কুমার। তিনি জনতা ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার। তার মাতা অল্পনা সাহা একজন গৃহিণী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর থেকে জানা যায়, আজ রাবির ‘সি’ ইউনিটের প্রথম শিফটের পরীক্ষা শুরু হয় সকল এগারোটা থেকে। পরীক্ষা চলাকালীন এক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ করেন হলের পর্যবেক্ষক এক শিক্ষক। তিনি দেখতে পান ওই শিক্ষার্থী মোবাইল ফোন ব্যবহার করে চারটা ছবি তোলেন। তারপর কাছে গিয়ে দেখতে পান, ওই শিক্ষার্থী ‘ডিপসিক’ নামক এআই অ্যাপ ব্যবহার করে উত্তর খুঁজে লেখার চেষ্টা করছেন। পরীক্ষা শেষে তাকে আটক করা হয়। এরপর প্রক্টর অফিসে তাকে নিয়ে আসা হয়।

জানতে চাইলে ওই শিক্ষার্থী বলেন, আমি মোবাইল ফোন ব্যবহার করছিলাম। এটা আমার অপরাধ হয়েছে। ডিপসিক ব্যবহার করে উত্তর খুঁজছিলাম। কিন্তু আমি লিখতে পারিনি। আমি স্বীকার করছি যে আমি অপরাধ করেছি, তবে আমাকে ছেড়ে দিলে আমি আর জীবনে এমন কাজ করব না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর গিয়াসউদ্দিন বলেন, ‘প্রথম শিফটের পরীক্ষা চলাকালীন জগদীশ চন্দ্র বসু ভবনে একটি কেন্দ্রের পরিদর্শকরা এক পরীক্ষার্থীকে মোবাইল এবং এয়ারপডসহ আটক করেন। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি ও আইসিটি সেন্টারের বিশেষজ্ঞ এক সদস্য প্রাথমিক তদন্তে তার প্রশ্নপত্র একটি ছবি তোলার আলামত পায়। ছবিটি সেটি কোথাও পাঠানোর আলামত পাওয়া যায়নি। তবে প্রশ্নের ছবি দিয়ে ডিপসিক নামক একটি এআই ব্যবহার করে উত্তর খোঁজার চেষ্টার করছিলেন তিনি।’

উল্লেখ্য, এ বছরের ভর্তি পরীক্ষা দ্বিতীয়বারের মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর ও বরিশালে একযোগে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আজ শুক্রবার বেলা ১১টায় ‘সি’ ইউনিটের প্রথম শিফটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ছাড়াও ওই ইউনিটের ২য় শিফটের পরীক্ষা বেলা ৩ টায় অনুষ্ঠিত হবে।



ক্যাম্পাস

‎কুবিতে ‘বন্ধু’র উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী ব্লাডগ্রুপিং ও সদস্য সংগ্রহ ক্যাম্পেইন

Published

on

By

‎সানজিদা আক্তার সাথী, ‎কুবি প্রতিনিধি


‎“যদি করি স্বেচ্ছায় রক্তদান, বাঁচবে জীবন বাঁচবে প্রাণ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) একমাত্র স্বেচ্ছাসেবী রক্তদাতা সংগঠন ‘বন্ধু, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়’-এর উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা (ব্লাড গ্রুপিং) এবং নতুন সদস্য সংগ্রহ ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে।

‎রবিবার (২৬ জুলাই) সকাল ১০ টায় ব্যাডমিন্টন কোর্টে সপ্তাহব্যাপী এই আয়োজনের উদ্ভোদন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদল কুবি শাখার সদস্য সচিব আবুল বাশার, বন্ধু, কুবির সাংগঠনিক সম্পাদক নাঈম ভুঁইয়াসহ বন্ধু’র অন্যান্য সদস্য ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

‎জানা যায়, বন্ধু’র এই বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা (ব্লাড গ্রুপিং) এবং নতুন সদস্য সংগ্রহ ক্যাম্পেইন ব্যাডমিন্টন কোর্টে ২৬ জুলাই থেকে আগামী ৩০ জুলাই (রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।

‎​উদ্বোধনের পর থেকেই ব্যাডমিন্টন কোর্টে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা যায়। বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা এখানে এসে তাঁদের রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করছেন এবং অনেকেই স্বেচ্ছায় রক্তদানে আগ্রহ প্রকাশ করে সংগঠনের নতুন সদস্য হিসেবে ফরম পূরণ করছেন।

‎​ক্যাম্পেইনে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করাতে আসা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবসার উদ্দিন বলেন, “বন্ধু, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত এই ফ্রি ব্লাড ক্যাম্পেইনে এসে আমি আজ বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করেছি। এখানে কোনো খরচ ছাড়াই সবাই রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করাতে পারছেন এবং একই সাথে রক্তদানে সবাইকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় একটি উদ্যোগ। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এমন সুন্দর আয়োজনের জন্য আমি আয়োজক সংগঠন ‘বন্ধু’কে আন্তরিক ধন্যবাদ ও সাধুবাদ জানাই।”

‎সংগঠনের উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম নিয়ে বন্ধু’র সাংগঠনিক সম্পাদক ও উক্ত ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক নাঈম ভুঁইয়া বলেন, “কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ফ্রিতে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় এবং স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করার লক্ষ্যেই আমাদের এই সপ্তাহব্যাপী আয়োজন। প্রথম দিন থেকেই আমরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে দারুণ সাড়া পাচ্ছি। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো, জরুরি প্রয়োজনে রক্ত সরবরাহ করা এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা।”

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ইবিতে ছাত্রশক্তির আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারীর নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রিমেম্বারিং জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

রোববার (২৬ জুলাই) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনের সম্মুখসারীর নেতারা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার এবং যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ড. মাহমুদা আলম মিতু এমপিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এছাড়া অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান।

শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান বলেন, জুলাই আন্দোলন কারো একার ছিল না। ছাত্র, জনতা, কৃষক, শ্রমিক সবাই মিলে আন্দোলন করেছিল। তাই জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখতে সকল রাজনৈতিক দল মিলে ভূমিকা রাখতে হবে।”

জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান বলেন, “নতুন ছাত্র রাজনীতি তৈরির জন্যই আমরা জাতীয় ছাত্রশক্তি নিয়ে এগোচ্ছি। তবে পুরো রাজনৈতিক কালচারের অনেক কিছুই ছাত্রশক্তিতে রয়েছে। আমরা এক রাতে সেটা চেঞ্জ করতে পারছি না। তবে ধীরে ধীরে চেঞ্জ করছি।”

সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ডা. মাহমুদা মিতু বলেন, “আমাদের সমাজে এখনো ভয়ের রাজনীতি বিদ্যমান। আখতার, নাহিদসহ জুলাইয়ের পরিচিত মুখগুলোকে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের লোকেরাও ইতিবাচকভাবে দেখেন। কিন্তু আমরা যারা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত, তাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীরা কথা বললেই রাজনৈতিক ট্যাগ পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। আমরা এই ভয়ের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, “জুলাইয়ে গুম, খুন এবং লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার মতো নৃশংস ঘটনা আমরা সবাই দেখেছি। এসব ঘটনার পর রাজনীতি করার ইচ্ছা ছিল না। তবে নিজের ক্যারিয়ার ঠিক রেখেই রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছি। তাই আমি শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে ছাত্রীদের বলব—গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে শুধু চাকরির কথা নয়, চেয়ারম্যান, মেম্বার কিংবা এমপি হওয়ার লক্ষ্যও রাখুন। এখানে উপস্থিত অনেকেরই সেই যোগ্যতা রয়েছে।”

এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি বলেন, “আমরা যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলাম, তখন দেশে ভয়ের রাজনীতি ও ফ্যাসিবাদী পরিবেশ ছিল। অন্যায়ের প্রতিবাদ করা ছিল জীবনের ঝুঁকি নেওয়ার শামিল। আমরা চাই, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আর কখনো হল দখল, নির্যাতন, বাক্‌স্বাধীনতা হরণ বা ভয়ের সংস্কৃতি ফিরে না আসুক।”

তিনি বলেন, “যে-ই ক্ষমতায় থাকুক না কেন, কোনো ছাত্রসংগঠনই যেন ছাত্রলীগের মতো ক্যাম্পাস দখলের সংস্কৃতি তৈরি না করে। জাতীয় ছাত্রশক্তিসহ সব ছাত্রসংগঠনকে এ বিষয়ে ‘চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স’-এর মধ্যে থেকে শিক্ষার্থীদের অধিকার ও ক্যাম্পাসের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় শুধু পড়াশোনার জায়গা নয়; এখান থেকেই সম্প্রীতি, গণতান্ত্রিক চর্চা ও নেতৃত্বের শিক্ষা নিতে হবে। শিক্ষার্থীদের দেশের অসংগতি, বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে হবে এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার জন্য কাজ করতে হবে।”

সাজিদ আব্দুল্লাহর প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্ব এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা।”

বক্তব্যের শেষদিকে তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দলীয়করণের বাইরে থেকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা গবেষণা, সংস্কৃতি ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে নেতৃত্ব দেবে।”

Continue Reading

ক্যাম্পাস

কুবির বিজয়-২৪ হলে ‘শহীদ আব্দুল কাইয়ুম স্মৃতি মেডিকেল বক্স’ স্থাপন

Published

on

By

সানজিদা আক্তার সাথী, কুবি প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আবাসিক শিক্ষার্থীদের জরুরি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বিজয়-২৪ হলে ‘শহীদ আব্দুল কাইয়ুম স্মৃতি মেডিকেল বক্স’ স্থাপন করেছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসাসামগ্রী সহজলভ্য করার লক্ষ্যে নেওয়া এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (২৫ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৫টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি ফয়জুল করিম
মেডিকেল বক্সটি শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করেন। এ সময় সংগঠনের নেতাকর্মী ও বিজয়-২৪ হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

মেডিকেল বক্সে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নাপা, প্যারাসিটামল, ফ্লাজিল, অমিডন, গ্যাস্ট্রিকের ওষুধসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ওষুধ। এছাড়া থার্মোমিটার, ব্যান্ডেজ, তুলা, হেক্সিসলসহ প্রাথমিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণও সংরক্ষণ করা হয়েছে।

বিজয়-২৪ হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মো. সাকিব হোসেন বলেন, “ইসলামী ছাত্র আন্দোলনকে ধন্যবাদ এমন একটি উদ্যোগ নেওয়ার জন্য। ফার্স্ট এইড বক্স শুধু একটি হলে নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হল ও বিভাগে থাকা প্রয়োজন। তাৎক্ষণিক কোনো দুর্ঘটনায় প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে এটি খুবই উপকারী হবে, যা এতদিন শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজন ছিল। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাসের নীতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বক্সে দলের নাম উল্লেখ না করে জুলাই আন্দোলনে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র শহীদ আব্দুল কাইয়ুমের নামে এটি স্থাপন করেছে। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের উদ্যোগ অন্যদের জন্যও অনুসরণীয় হতে পারে।”

এ বিষয়ে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন ইফতি বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র শহীদ ছিলেন আব্দুল কাইয়ুম। তাঁর আত্মত্যাগ ও আদর্শকে স্মরণীয় করে রাখার লক্ষ্যে বিজয়-২৪ হলের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘শহীদ আব্দুল কাইয়ুম স্মৃতি মেডিকেল বক্স’ স্থাপন করেছি।

তিনি আরো বলেন, “আমরা লক্ষ্য করেছি, হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা হঠাৎ অসুস্থ হলে বা জরুরি মুহূর্তে প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সংগ্রহের জন্য অনেক দূরে যেতে হয়। অনেক সময় রাতের বেলায় ফার্মেসি বা মেডিকেল সেন্টার বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে পড়েন। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় সম্পূর্ণ মানবিক ও কল্যাণমূলক উদ্যোগ হিসেবে এই মেডিকেল বক্স স্থাপন করা হয়েছে। এখানে প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও জরুরি ওষুধ নিয়মিত সংরক্ষণ করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা দ্রুত প্রাথমিক সেবা নিতে পারেন। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।”

এ উদ্যোগে ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে এ ধরনের মেডিকেল বক্স স্থাপন শিক্ষার্থীদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Continue Reading

Trending