Connect with us

top2

রোববার ৪ জেলায় নির্বাচনি জনসভা করবেন তারেক রহমান

Published

on

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের তৃতীয় দিনের নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণার কর্মসূচি চূড়ান্ত হয়েছে। রোববার চার জেলায় নির্বাচনি জনসভায় অংশ নেবেন তিনি।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবীর খান গণমাধ্যমের কাছে তথ্যটি নিশ্চিত করেন।

সূচি অনুযায়ী, রোববার (২৫ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম, ফেনী, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জে দিনব্যাপী একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।

নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, রোববার সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম নগরীর হোটেল র‌্যাডিসনে আয়োজিত একটি ‘পলিসি ডায়ালগ’-এ অংশ নেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান। এতে দলের নীতিগত অবস্থান, নির্বাচনকেন্দ্রিক পরিকল্পনা এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এরপর বেলা ১১টায় চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড ময়দানে আয়োজিত এক জনসমাবেশে বক্তব্য দেবেন তারেক রহমান। এ সমাবেশকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম মহানগরসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

চট্টগ্রামের কর্মসূচি শেষ করে তিনি ফেনীর উদ্দেশে যাত্রা করবেন। সেখানে ফেনী পাইলট কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিতব্য আরেকটি জনসমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার।

এরপর পর্যায়ক্রমে কুমিল্লার তিনটি স্থানে জনসমাবেশে অংশ নেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান। এসব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে চৌদ্দগ্রাম, সুয়াগাজী ও দাউদকান্দি এলাকায়।

দিনের শেষ কর্মসূচি হিসেবে তিনি নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর বালুর মাঠে একটি জনসমাবেশে যোগ দেবেন। সমাবেশ শেষে তিনি ঢাকার গুলশানে নিজ বাসভবনের উদ্দেশে রওনা হবেন।

দলীয় নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে এসব কর্মসূচির মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলের ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন এবং দলের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরাই বিএনপির মূল উদ্দেশ্য।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

শীত শেষ না হতেই দামের ঊর্ধ্বগতি সবজির বাজারে

Published

on

By

শীত মৌসুম শেষ না হতেই রাজধানীর বাজারে সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করেছে। গত দু-তিন সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় প্রতিটি সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

প্রতি কেজি পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। শালগম ৬০ টাকা, গোল বেগুন ৮০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, গাজর ৬০ টাকা এবং পেঁয়াজের ফুল প্রতি মুঠো ১৫-২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। অন্যান্য সবজির মধ্যে কাঁচামরিচ ১৬০ টাকা, টমেটো ৮০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে ফুলকপি, বাঁধাকপি ও শিমের দামও বেড়েছে। ক্রেতারা জানান, গত কয়েকদিনে তুলনামূলকভাবে কম দামে সবজি কিনলেও এখন ১০-২০ টাকা করে দাম বেড়ে গেছে। মালিবাগের ক্রেতা সাবিনা বলেন, ‘কয়েকদিন আগেই ফুলকপি ২০-৩০ টাকায় কিনেছি। আজ তা ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দরদাম শেষে ৪০ টাকায় কিনতে হয়েছে।’

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, শীত মৌসুমে সবজির সরবরাহ বেশি থাকায় দাম কম থাকে। শীত শেষ হওয়ার কারণে পাইকারি বাজারে সরবরাহ কমতে শুরু করেছে। ফলে খুচরা বাজারেও দাম বাড়ছে।

তিতাস গ্যাসের মতো অন্যান্য মৌসুমী সরবরাহ সমস্যা না থাকলেও বাজারে শীতশেষের প্রভাব স্পষ্ট, যা ক্রেতাদের খরচে প্রভাব ফেলছে।

Continue Reading

top2

সীমান্তে বিজিবি-গ্রামবাসীর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহত ৭

Published

on

By

সিলেটের জৈন্তাপুর সীমান্তে বিজিবি ও গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে একজন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন বিজিবি সদস্যও রয়েছেন। সবাইকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নিজপাট ইউনিয়নের বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের টিপরাখলা এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে বিজিবি ও গ্রামবাসী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় বিজিবি সদস্যরা অন্তত ১৫-১৬ রাউন্ড গুলি চালায়।

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিজিবি টহল টিম জৈন্তাপুর সদর হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নেন। গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে আহতদের পরিবার ও স্থানীয়রা হাসপাতালে ছুটে আসেন।

পুনরায় হাসপাতালে বিজিবি ও গ্রামবাসীর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা বিজিবির ওপর চড়াও হন। খবর পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার সালমান নুর আলম, জৈন্তাপুর মডেল থানার ওসি মাহবুবুর রহমান মোল্লা, তদন্ত কর্মকর্তা উসমান গনি এবং অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশের ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগিতায় রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

রাত ১২টার দিকে সেনাবাহিনীর টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে। সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহযোগিতায় বিজিবি সদস্যরা হাসপাতাল ত্যাগ করেন।

গুলিবিদ্ধ আতিক (২২), নুরনবী মিয়ার পুত্র, এবং বিজিবি সদস্য সাহাঙ্গীর আলম (৪৩) সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। অন্য আহতরা হলেন বিজিবির ল্যান্স নায়েক মো. ওমর ফারুক, স্থানীয় রায়হান মিয়া (২৪) ও নুরজাহান বেগম (৪০)। গুলিবিদ্ধ আতিকের গায়ে পাঁচ রাউন্ড গুলির আঘাত রয়েছে। বিজিবি সদস্য সাহাঙ্গীর আলম মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিজিবি সদস্যরা টহল দেওয়ার সময় স্থানীয় যুবকদের সঙ্গে বাক-বিতণ্ডা হয়। বিজিবি সীমান্তবর্তী বসতবাড়ি তল্লাশি ও কয়েকজনকে লাঠিচার্জ করলে জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষ শুরু করে। এ ছাড়া ২০ জানুয়ারি টিপরাখলা সীমান্তে গরু চোরাচালান আটকানো নিয়ে বিজিবি ও স্থানীয়দের মধ্যে মারামারি হয়, যার ফলে অন্তত ৩০-৪০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

এই মামলার প্রেক্ষিতে ও বৃহস্পতিবারের ঘটনার পর বিজিবি সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে বিজিবি সদস্য সাহাঙ্গীর আলম আহত হন। পরে বিজিবি গুলি চালায়, এতে আতিক গুলিবিদ্ধ ও আরও কয়েকজন আহত হন। ঘটনার পর বিজিবি অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করেছে। রাতেই ১৯ বিজিবি জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং তদন্ত শুরু করেন।

জৈন্তাপুর মডেল থানার ওসি মাহবুবুর রহমান মোল্লা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধসহ আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে।

Continue Reading

top2

অজানা ভাইরাসের আতঙ্কে গাজা, বেড়েছে মৃতের সংখ্যা

Published

on

By

ফিলিস্তিনের গাজায় স্বাস্থ্যব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। সর্দি-জ্বরেই মৃত্যু হচ্ছে বাসিন্দাদের। আর এ সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে।

মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে এমন একটি ঘটনার উল্লেখ করা হয়। তাতে বলা হয়, ফ্লুয়ের উপসর্গ নিয়ে মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছিলেন মারওয়া কালুব। সাধারণ সর্দি-জ্বরের চিকিৎসা শেষে মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ফিরবেন—এটাই ছিল তার বিশ্বাস। কিন্তু হাসপাতাল থেকে বের হতে হয়েছে আট বছরের মরিয়মের নিথর দেহ নিয়ে।

৩৮ বছর বয়সী এই মা ভেবেছিলেন, প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধক্ষমতা আর সাধারণ ওষুধেই মেয়ের সেরে ওঠা সম্ভব। বাস্তবে তা হয়নি। দীর্ঘ যুদ্ধ, অনাহার ও চিকিৎসাসেবার সংকটে বিপর্যস্ত গাজায় একটি সাধারণ অসুস্থতাই হয়ে উঠেছে প্রাণঘাতী।

প্রায় দুই বছর ধরে চলা ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থা কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে। গত বছর অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও হামলা ও অবরোধ অব্যাহত রয়েছে। ত্রাণ প্রবেশে বাধার কারণে মাসের পর মাস অপুষ্টিতে ভুগছে সাধারণ মানুষ, যার ফলে তাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে।

মরিয়মের খালা ইমান কালুব মিডলইস্ট আইকে বলেন, মেয়েটির আগে কোনো জটিল রোগ ছিল না। মৃত্যুর আগে তার তীব্র কাশি, বমি ভাব ও উচ্চ জ্বর দেখা দেয়। ধীরে ধীরে সে খাওয়া বন্ধ করে দেয়। পরিবারের ধারণা ছিল, ভাইরাসজনিত অসুস্থতা—সময় লাগলেও সেরে যাবে। কিন্তু পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

কয়েক সপ্তাহ ধরে গাজাজুড়ে একটি রূপান্তরিত ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এখনো ভাইরাসটি শনাক্ত করতে পারেনি। সীমিত পরীক্ষার সুযোগ এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

১১ জানুয়ারি মরিয়মকে গাজার রানতিসি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একসময় এটি কিডনি ও ক্যানসারে আক্রান্ত শিশুদের প্রধান চিকিৎসাকেন্দ্র ছিল। ধারাবাহিক হামলায় হাসপাতালটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এখন সেখানে মূলত শ্বাসনালি ও অন্ত্রসংক্রান্ত সংক্রমণের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হাসপাতালটির সেবা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালালেও রোগীর চাপ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

ইমান কালুব জানান, হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর সংখ্যা এত বেশি ছিল যে একজন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের দেখা পেতে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। পরীক্ষা শেষে চিকিৎসকেরা জানান, মরিয়মের ফুসফুসের অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক। কার্যকর চিকিৎসা দেওয়ার মতো অবস্থা তখন আর ছিল না।

তিনি বলেন, মরিয়মকে শুধু অক্সিজেন দেওয়া সম্ভব হয়েছিল। স্যালাইন দেওয়ার মতো সুযোগও ছিল না। পরিবারের ধারণা, তখন চিকিৎসকেরা বুঝে গিয়েছিলেন—এই শিশুটিকে আর বাঁচানো যাবে না।

গাজার বর্তমান বাস্তবতায় মরিয়মের মৃত্যু কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। অবরোধ, অনাহার ও ভেঙে পড়া স্বাস্থ্যব্যবস্থার মধ্যে সাধারণ রোগই প্রতিদিন কেড়ে নিচ্ছে শিশুদের প্রাণ

Continue Reading

Trending