Connect with us

খেলাধুলা

রোহিতকে সরিয়ে ফের ওয়ানডে সিংহাসনে কোহলি

Published

on

ওয়ানডে ক্রিকেটে আবারও শুরু হলো ‘বিরাট’ রাজত্ব। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে টপকে আইসিসি ওয়ানডে ব্যাটিং র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করেছেন বিরাট কোহলি। তবে সিংহাসন দখলের এই লড়াইয়ে কোহলির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন কিউই ব্যাটার ড্যারিল মিচেল।

সিংহাসনে ফেরার সেই ইনিংস

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ৯১ বলে ৯৩ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেন কোহলি। এই এক ইনিংসেই কপাল পুড়েছে রোহিতের। সাম্প্রতিক সময়ে স্বপ্নের ফর্মে থাকা কোহলির শেষ পাঁচ ওয়ানডে ইনিংস ছিল যথাক্রমে— ৭৪*, ১৩৫, ১০২, ৬৫* এবং সর্বশেষ ৯৩ রান। এই ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবেই ক্যারিয়ারে ১১তম বারের মতো র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠলেন তিনি।

রেকর্ডবুক ওলটপালট

২০১৩ সালের অক্টোবরে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর ব্যাটার হয়েছিলেন কোহলি। নতুন হালনাগাদ অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৮২৫ দিন শীর্ষস্থানে কাটালেন তিনি, যা ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ রেকর্ড। সর্বকালের তালিকায় তিনি এখন ১০ নম্বরে। এই তালিকায় ২ হাজার ৩০৬ দিন শীর্ষে থেকে সবার উপরে রয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংবদন্তি স্যার ভিভ রিচার্ডস।

পয়েন্টের লড়াই যখন সমানে সমান

বর্তমানে শীর্ষ তিনে থাকা ব্যাটারদের মধ্যে ব্যবধান খুবই সামান্য। কোহলির বর্তমান রেটিং পয়েন্ট ৭৮৫। অন্যদিকে, প্রথম ওয়ানডেতে ৮৪ রান করে র‍্যাঙ্কিংয়ের দুই নম্বরে উঠে এসেছেন নিউজিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেল, যার পয়েন্ট ৭৮৪। অর্থাৎ, কোহলির চেয়ে মাত্র ১ পয়েন্ট পিছিয়ে তিনি।

শীর্ষস্থান হারিয়ে তিনে নেমে যাওয়া রোহিত শর্মার পয়েন্ট ৭৭৫। প্রথম ওয়ানডেতে মাত্র ২৬ রান করায় তার এই অবনমন। সিরিজের পরবর্তী ম্যাচগুলোতেই এই অবস্থানে বড় ধরনের রদবদল আসার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

ব্রাজিলের হাতে বিশ্বকাপ দেখতে চান বাংলাদেশ অধিনায়ক

Published

on

By

ভারতের দিল্লি ও গুয়াহাটিতে তিন দিনের ভ্রমণ শেষে আজ ঢাকায় পৌঁছেছে বিশ্বকাপ ট্রফি। সকালে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে স্বাগত অনুষ্ঠানে কাচঘেরা ট্রফির ওপর কালো কাপড় সরিয়ে উপস্থিত সবাইকে ট্রফি দেখার সুযোগ করে দেন ব্রাজিলের হয়ে ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। সেখানে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অন্য সবার মতো তিনিও সোনালি ট্রফির দিকে তাকিয়ে ছিলেন মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে।

আগে কখনো সরাসরি ট্রফি দেখার সুযোগ হয়নি জামালের। ডেনমার্কে জন্ম নেওয়া এই ফুটবলার তাই প্রথম দেখার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে খানিকটা ভাষা হারিয়ে ফেলেন বটে। আগামী ১১ জুন থেকে তিন দেশ মেক্সিকো, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হবে বিশ্বকাপ। এবারের আসরে ট্রফি ডেনমার্ক উঁচিয়ে ধরুক এটাই জামালের চাওয়া। যদি তা না হয়, তাহলে ব্রাজিলের হাতে ষষ্ঠ শিরোপা দেখতে চান তিনি।

বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের জামাল বলেন, ‘সত্যি বলতে, অভিজ্ঞতাটা জোশ ছিল! গিলবার্তো সিলভা বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে এসেছেন আর আমি এই প্রথম সামনাসামনি ট্রফিটা দেখলাম। আমার খুব ভালো লাগছে। আমি তো মনে করছি ট্রফি একটু ছোট, কিন্তু এটা আসলে অনেক বড়। আর জিজ্ঞেস করছি মানে ওজন কেমন? প্রায় ৭ কেজি খাঁটি সোনা! আমি অভিভূত ছিলাম।’

জামাল আরও বলেন, ‘ট্রফি টিভিতে দেখলে এক কথা আর সামনে দেখলে আরেক কথা। আমি চাই ডেনমার্ক (বিশ্বকাপ জিতুক)। কারণ, ডেনমার্ক তো যেখানে আমার জন্ম। তবে ডেনমার্ক যদি না পারে, অবশ্যই আমি চাই ব্রাজিলের হাতে (ট্রফি দেখতে)।’

ব্রাজিল ছোটবেলা থেকে প্রিয় দল জামালের কাছে। ২০০২ বিশ্বকাপের সময় তিনি ছিলেন কিশোর। বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলের দলটি বেশ অনুপ্রাণিত করেছে তাঁকে, ​ ‘আমি ছোটবেলা থেকে আমি ব্রাজিলকে অনুসরণ করছি। কারণ, আমার প্রথম প্রিয় ফুটবলার ছিলেন রোনালদো। ২০০২ সালের ব্রাজিল দলটা আমাকে খুব অনুপ্রাণিত করেছিল। তখন আমার বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর। সেই দলে রোনালদো, রিভালদো, রোনালদিনহোর পাশাপাশি আজকের এই গিলবার্তোও ছিলেন।’

জামাল এখন ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে। তবে নতুন প্রজন্ম নিয়ে তাঁর প্রত্যাশা, ‘বিশ্বকাপ ট্রফি বাংলাদেশে এসেছে—এটা আমাদের ফুটবলারদের জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা হবে। যারা কঠোর পরিশ্রম করে ফুটবলার হতে চায়, এই ট্রফি তাদের আরও অনুপ্রাণিত করবে। আমার বিশ্বাস, নতুন প্রজন্মের হাত ধরে একদিন বাংলাদেশও বিশ্বকাপে নতুন কোনো ইতিহাস লিখবে।’

আজ দুপুর থেকে হোটেল র‍্যাডিসন ব্লুতে প্রদর্শনীর জন্য রাখা হবে ট্রফি। তা দেখার সুযোগ পাচ্ছেন কেবল কোকা-কোলার ‘আন্ডার দ্য ক্যাপ’ ক্যাম্পেইনের বিজয়ীরা। দর্শকদের প্রবেশের জন্য বৈধ টিকিটের পাশাপাশি যাচাইয়ের জন্য কোকা-কোলার ক্যাপ সঙ্গে আনা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আয়োজক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে দর্শকদের জন্য বেশ কিছু কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো অবস্থাতেই ট্রফি স্পর্শ করা যাবে না। আজ রাতেই ঢাকা ত্যাগ করে ট্রফিটি নিয়ে যাওয়া হবে পরবর্তী গন্তব্যে।

কোমলপানীয় কোম্পানি কোকা-কোলার উদ্যোগে ট্রফির বিশ্বভ্রমণ কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে, যা বিশ্বের ৩০ সদস্যদেশে ১৫০ দিন চলবে।

Continue Reading

top1

বড় বিদেশি তারকা ছাড়াই তাহলে বিপিএলের শেষ পর্ব

Published

on

By

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) বড় বা ভালো মানের বিদেশি তারকা ক্রিকেটারের সংকট নতুন কিছু নয়। মঈন আলী, মোহাম্মদ নবি, জিমি নিশাম, আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের মতো হাতে গোনা কয়েকজন বিদেশি তারকা ২০২৬ বিপিএলে থাকলেও তাতে টুর্নামেন্টের জৌলুশ বাড়ছে না। এমনও কিছু কিছু ক্রিকেটার আছেন, যাঁরা নিজেদের জাতীয় দলে তো দূরে থাক, স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতেও খুব একটা নিয়মিত না।

প্রায় একই সময়ে চলা বিগ ব্যাশ, এসএ টোয়েন্টি, আইএল টি-টোয়েন্টির মতো একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট নিয়মিতই চ্যালেঞ্জে ফেলে দেয় বিপিএলকে। জিম্বাবুয়ের তারকা অলরাউন্ডার সিকান্দার রাজা গত মাসে শারজা ওয়ারিয়র্সের হয়ে খেলেছিলেন আইএল টি-টোয়েন্টিতে। একই দলে ছিলেন তাসকিন আহমেদও। আইএল টি-টোয়েন্টির পর এবার এসএ টোয়েন্টির পার্ল রয়্যালসে খেলছেন সিকান্দার রাজা। আন্তর্জাতিকভাবে গত ১৪ বছরে বিপিএল এমন কোনো ব্র্যান্ড ভ্যালু তৈরি করতে পারেননি, যেটার আকর্ষণে একই সময়ে শুরু হওয়া অন্য লিগ ছেড়ে বাংলাদেশে খেলতে আসবেন। পারিশ্রমিক ইস্যুসহ নানা অপেশাদারি কারণে বেশির ভাগ ভালো মানের বিদেশি তারকা ক্রিকেটার বিপিএলে খেলার আগ্রহবোধ করেন না।

একই সময়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সূচিও এবার বিপিএলে তারকা ক্রিকেটারদের লম্বা সময় ধরে না পাওয়ার অন্যতম একটা কারণ। সাহিবজাদা ফারহান, মোহাম্মদ নাওয়াজ, উসমান খান, সালমান মির্জা, সাইম আইয়ুব, ফাহিম আশরাফ, খাজা নাফি—এই সাত পাকিস্তানি ক্রিকেটার শুরুতে বিপিএলে খেললেও পরে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে সিরিজ থাকায় বিপিএল চালিয়ে যেতে পারেননি। ফারহান রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের হয়ে ঝোড়ো শুরু এনে দিতেন। রংপুর রাইডার্সের ফাহিম আশরাফ ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন।

বিদেশিদের মধ্যে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় সেরা পাঁচে অ্যাডাম রসিংটন। চট্টগ্রাম রয়্যালসের হয়ে ৬ ম্যাচে ১৩৯.৪৫ স্ট্রাইকরেটে করেছেন ২৫৮ রান। তবে আঙুলের চোটে পড়ায় টুর্নামেন্টের মাঝপথেই ছিটকে গেছেন তিনি। তাঁর বিকল্প ক্রিকেটার চট্টগ্রাম খুঁজছে বলে গতকাল সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ফ্র্যাঞ্চাইজিটির পরামর্শক হাবিবুল বাশার সুমন। তিনি বলেন, ‘রসিংটন যেভাবে ব্যাটিং করত, তাকে নিয়েই আমাদের ব্যাটিং পরিকল্পনা ছিল। নাঈম শেখও তাঁর সঙ্গে খেলে স্বচ্ছন্দে থাকত। আমরা লাথাম, ফিল সল্টসহ কয়েকজন তারকা ক্রিকেটারদের চেষ্টা করেছি। মোহাম্মদ হারিসের সঙ্গে কথাবার্তা মোটামুটি এগিয়েছে। সম্ভবত সে চলে আসবে।’

আজমতউল্লাহ ওমরজাই, মঈন আলীর মতো তারকারা এবার সিলেট টাইটানসের হয়ে দুর্দান্ত খেলছেন। সামনে নাকি ক্রিস ওকসও যোগ হতে পারেন সিলেটে। শিরোপার লড়াইয়ে নামার সময়ে অনেক ফ্র্যাঞ্চাইজি তাড়াহুড়ো করে বড় তারকা এনে থাকেন। কিন্তু সেটি টুর্নামেন্টের ভাবমূর্তি বাড়াতে টেকসই কোনো সমাধান নয়।

Continue Reading

top3

বাংলাদেশের ভারতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ক্ষতির আশঙ্কায় কলকাতা

Published

on

By

আসন্ন আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের সব থেকে বেশি ম্যাচ খেলার কথা ছিল কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে। তবে বাংলাদেশ ভারতে খেলতে না আসার সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় কলকাতার ক্রিকেট মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, বাংলাদেশের ভারতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ক্ষতির মুখে পড়বে কলকাতা।

সাবেক ক্রিকেটার, জাতীয় নির্বাচক থেকে শুরু করে ক্রিকেট সংবাদদাতা বা সাধারণ ক্রিকেট ভক্তরা অনেকেই বলছেন, বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্তের পিছনে তো ছিল মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএলে খেলতে দেওয়া হবে না বলে বিসিসিআইয়ের যে ঘোষণা, সেই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত খেলার মাঠে চাপিয়ে না দেওয়াটাই বাঞ্ছনীয় ছিল। তবে এই মতও আছে যে, রাজনীতি আর কূটনীতি সব খেলাকেই প্রভাবিত করে, তাই ক্রিকেট মাঠ তার থেকে আলাদা কীভাবে থাকবে?

আবার বাংলাদেশের জার্সি গায়ে সমর্থকদের নিরাপত্তা দেওয়া যাবে কিনা বলে যে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, সেটিকে অবান্তর বলছেন কেউ কেউ। কারণ ভারত তো এখন মেডিকেল ভিসা ছাড়া বাংলাদেশিদের একরকম ভিসা দেওয়াই বন্ধ রেখেছে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে ক্রিকেট ভক্তরা ভারতে আসবেন কী করে?

কলকাতার ক্রিকেট ভক্ত আর বিশেষজ্ঞদের বেশিরভাগই মানছেন যে, মুস্তাফিজকে নিলামে তুলে, দলে নিয়েও তারপরে না খেলতে দেওয়াটা অনুচিত হয়েছে বিসিসিআইয়ের। বাংলাদেশি প্লেয়ারদের খেলতে না দেওয়ার সিদ্ধান্তটা আগেই কেন নেওয়া হলো না? আর ভারতে খেলতে না আসার যে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ নিয়েছে, তার ফলে কলকাতাকে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে বলে মনে করছেন সবাই।

কারণ হিসেবে তারা বলছেন, কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে বাংলাদেশের যে তিনটি ম্যাচ খেলার কথা ছিল, কিন্তু এখন হয়তো বদলি ম্যাচ আর নাও পেতে পারে কলকাতা।

কলকাতার ক্রিকেট ভক্তদের একাংশও মনে করেন, মুস্তাফিজকে খেলতে না দেওয়া অনুচিত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘মুস্তাফিজের ব্যাপারে বিসিসিআই যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটা তো আদতে কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত। এটা অনুচিত হয়েছে। বিসিসিআই তো আগে ঠিক করতে পারত যে পাকিস্তানের মতোই বাংলাদেশের কোনো প্লেয়ারকে নিলামে তোলা যাবে না।’

সূত্র : বিবিসি বাংলা

Continue Reading

Trending