Connect with us

top1

জামাতের শোডাউনে এলোমেলো বিনপি

Published

on

ঢাকা, ১ নভেম্বর ২০২৫: শুক্রবার ৩১ অক্টোবর দিন ব্যাপী ঢাকাতে জামাত ইসলামের মনোনীত বিভিন্ন প্রার্থীদের হাজার হাজার মোটরসাইকেল শোডাউন এবং রান উইথ ক্যান্ডিডেটদের মতো শোডাউন, এছাড়া খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার স্বাধীনতা চত্বরে জামায়াতে ইসলামীর হিন্দু কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত হিন্দু সম্মেলন নজর কাড়ে বিশ্বব্যাপী। পর হঠাৎ করে শনিবার মুখ খুলেছে বিএনপির মহাসচিব ফকরুল ইসলাম আলমগীরসহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা। একদিন পরেই এই ঘটনায় হঠাৎ করেই রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হচ্ছে। দীর্ধদিন জামাতে ইসলামীর সাথে জোট থেকে তারা জামায়াতকে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে ভোটের অধিকারকে বাধাগ্রস্ত করার অভিযোগ তোলেন।

অনেকটা লাগামহীন বক্তব্যে দলের মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে বলেন: “আপনারা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছেন, এখন জনগণের ভোটের অধিকারেও বাধা দিচ্ছেন। এটা মেনে নেওয়া যায় না।”
তিনি আরও বলেন, “ভোটের আগে কোনো গণভোটের সুযোগ নেই। নির্বাচনই হবে গণভোট।”
এ বক্তব্যে তিনি জামায়াতের রাজনৈতিক পুনরাগমনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন এবং জনগণের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ তোলেন।

ঐতিহ্যবাহী দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন:“জামায়াত বিভিন্ন ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠান দখল করছে, টেন্ডার বাণিজ্যে জড়িত। তারা ভারতসহ স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির সঙ্গে মিলে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।”
তিনি জামায়াতকে “রাজাকার” আখ্যা দিয়ে বলেন, “তাদের অতীতের ভূমিকা ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই।”

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন,“জামায়াত ১৯৭১ সালের ভূমিকার জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা না চেয়ে উল্টো তা যুক্তিযুক্ত করার চেষ্টা করছে। এটা জাতির সঙ্গে প্রতারণা।”

জামায়াতের শোডাউনকে বিএনপি নেতারা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা হিসেবে দেখছেন। বিএনপি নেতারা জামায়াতের স্বাধীনতা বিরোধী অতীত এবং বর্তমান রাজনৈতিক কৌশলকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন।
জামায়াতের পুনরাগমনকে গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বিএনপি নেতারা। জামায়াতে ইসলামীর ৩১ অক্টোবরের শোডাউনের পর বিএনপি নেতারা সরাসরি ও কড়া ভাষায় তাদের সমালোচনা করেছেন। তারা জামায়াতকে ভোটের অধিকার, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি হিসেবে চিহ্নিত করে রাজনৈতিক দূরত্ব স্পষ্ট করেছেন। এই অবস্থান আগামী নির্বাচনে রাজনৈতিক মেরুকরণকে আরও তীব্র করতে পারে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ইরানে ভয়াবহ হামলা চলছে, সহস্রাধিক নাগরিক নিহত

Published

on

By

ইরানে হামলার মাত্রা ভয়াবহ পর্যায়ে নিয়ে গেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি বেসামরিক স্থাপনায় চলছে ব্যাপক হামলা। এতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে ১ হাজার ৯৭ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটি জানায়, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ১০ বছরের কম বয়সী শিশুর সংখ্যা ১৮১।

এইচআরএএনএ আরও জানিয়েছে, বেসামরিক মানুষ আহত হওয়ার সংখ্যা ৫ হাজার ৪০২ এ পৌঁছেছে। এর মধ্যে ১০০ শিশু। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানে অন্তত ১০৪টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলা সামরিক ঘাঁটি, চিকিৎসাকেন্দ্র এবং আবাসিক এলাকায় আঘাত হেনেছে।

ধারণা করা হচ্ছে, আরও কয়েকশ মানুষ নিহত হয়েছেন। দেশের প্রায় সব স্থানে বিপর্যয় পরিস্থিতি দেখা দেওয়ায় তথ্য সংগ্রহে বেগ পাচ্ছেন অধিকারকর্মীরা।

এদিকে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) প্রধান রাফায়েল গ্রোসি দেশটির পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে পরিদর্শকদের পূর্ণ প্রবেশাধিকার না দেওয়াকে ‘গভীর উদ্বেগের বিষয়’ বলে অভিহিত করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে গ্রোসি বলেন, ‘ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আমার প্রতিবেদনে আমি সবসময়ই স্পষ্ট থেকেছি। দেশটিতে পারমাণবিক বোমা তৈরির কোনো প্রমাণ না মিললেও, অস্ত্র তৈরির উপযোগী প্রচুর পরিমাণ ইউরেনিয়াম মজুত রাখা এবং আমাদের পরিদর্শকদের বাধা দেওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’

Continue Reading

top1

বিদায়ের আগে বিশেষ গেজেট: এক বছরের জন্য নিজেকে ‘ভিভিআইপি’ ঘোষণা করে গেছেন ইউনূস

Published

on

By

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে এক বিশেষ সরকারি গেজেটের মাধ্যমে বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘ভিভিআইপি’ (ভেরি ভেরি ইম্পর্ট্যান্ট পারসন) মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। এই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দায়িত্ব হস্তান্তরের তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছর তিনি স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সুবিধা পাবেন।

গেজেট ও আইনি ভিত্তি

গত ১০ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লাহ পান্না স্বাক্ষরিত এই গেজেটটি জারি করা হয়। এতে ‘বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইন, ২০২১’-এর ধারা ২(ক) প্রয়োগ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই আইনে বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানের পাশাপাশি সরকার ঘোষিত যেকোনো ব্যক্তিকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রয়েছে। সাধারণত বিদায়ী সরকারপ্রধানরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এসএসএফ নিরাপত্তা পান না; এর জন্য পৃথক গেজেট জারির প্রয়োজন হয়।

ওয়েবসাইট থেকে আড়াল ও গোপনীয়তা

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বাংলাদেশ গভার্নমেন্ট প্রেসের (বিজি প্রেস) ২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারির অনলাইন আর্কাইভে এই গেজেটটির তালিকা নেই। সাধারণত সরকারি সব গেজেট স্বচ্ছতার স্বার্থে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

এ বিষয়ে বিজি প্রেসের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আবু ইউসুফ জানান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের রিকোয়ারমেন্ট বা নির্দেশনার কারণেই এটি ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়নি। তবে তিনি দাবি করেন, যথাযথ প্রক্রিয়া মেনেই এটি মুদ্রিত হয়েছে এবং গোপনীয়তার স্বার্থে কোনো গেজেট অনলাইনে না রাখার সুযোগ রয়েছে।

ভিভিআইপি হিসেবে যে সুবিধা পাবেন

‘রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা প্রধান উপদেষ্টা এবং অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা বিধিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ী, এই মর্যাদাপ্রাপ্ত ব্যক্তির জন্য রয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা বলয়:

বাসভবন ও কর্মস্থল: স্থায়ীভাবে এসএসএফ নিরাপত্তা মোতায়েন থাকবে।

ভ্রমণ: দেশ-বিদেশে ভ্রমণের সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের সমন্বয়ে বিশেষ প্রোটোকল।

যাচাই: ভিভিআইপির সংস্পর্শে আসা যেকোনো ব্যক্তির ব্যাকগ্রাউন্ড এসএসএফ কর্তৃক কঠোরভাবে যাচাই করা হবে।

তল্লাশি: তার উপস্থিতিতে আয়োজিত যেকোনো অনুষ্ঠানের স্থান নিরাপত্তা তল্লাশির আওতায় থাকবে।

প্রেক্ষাপট

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব নেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রায় ১৮ মাস দায়িত্ব পালনের পর ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তিনি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ত্যাগ করেন। বর্তমানে সচিব মো. সাইফুল্লাহ পান্না জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত থাকলেও এই গেজেট বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

Continue Reading

top1

অত্যাধুনিক অস্ত্রগুলো এখনও ব্যবহার করেনি ইরান

Published

on

By

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই ইরান দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং এখন পর্যন্ত তারা তাদের সবচেয়ে উন্নত বা অত্যাধুনিক অস্ত্রগুলো ব্যবহার করেনি বলে দাবি করেছে।

ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রেজা তালাই-নিক এ বিষয়ে বলেন, ‘আমাদের প্রতিরোধ করার এবং এই চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে শত্রুপক্ষ যা পরিকল্পনা করেছে, তার চেয়েও দীর্ঘ সময় ধরে আক্রমণাত্মক প্রতিরক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রয়েছে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা প্রথম কয়েক দিনেই আমাদের সব অত্যাধুনিক অস্ত্র ও সরঞ্জাম মোতায়েন করার ইচ্ছা রাখি না।’

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে এই বড় ধরনের সামরিক সংঘাত শুরু হয়। চলমান এই সংঘাতের চতুর্থ দিনে এসে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা এল।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধের কৌশল হিসেবে ইরান এখনো তাদের সামরিক সক্ষমতার বড় একটি অংশ গোপন রেখেছে এবং চূড়ান্ত পর্যায়ের মোকাবিলার জন্য তা সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।

Continue Reading

Trending