Connect with us

top1

সংস্কার ইস্যুতে বিএনপি কোনো লুকোচুরি করেনি, ‘জুলাই সনদ’ রক্ষা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব: তারেক রহমান

Published

on

সংস্কার ইস্যুতে বিএনপি কোনো ধরনের লুকোচুরি করেনি বলে মন্তব্য করেছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বিএনপি যে ‘জুলাই সনদে’ স্বাক্ষর করেছে, সেই সনদকে অবশ্যই সম্মান করতে হবে। আবু সাঈদ ও চট্টগ্রামের ওয়াসিমসহ প্রায় ১ হাজার ৪০০ শহীদ যে স্বপ্ন নিয়ে জীবন উৎসর্গ করেছেন, সেই জুলাই সনদ রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাত পৌনে নয়টায় রংপুরের ঐতিহাসিক কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে বিএনপি আয়োজিত বিভাগীয় জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামু।

তারেক রহমান বলেন, রংপুর শহীদ আবু সাঈদের পবিত্র রক্তে রঞ্জিত। জুলাইয়ের পরিবর্তন ধরে রাখতে হলে জনগণকে সামনের কাতারে এসে দাঁড়াতে হবে। সামনের কাতারে দাঁড়ানোর অর্থ হলো নিয়মতান্ত্রিক পথে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু করা। এজন্য দেশের আইন ও সংবিধান অনুযায়ী যে নির্বাচন হচ্ছে, তাতে সবাইকে ঘর থেকে বের হয়ে অধিকার প্রয়োগ করতে হবে।

তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি সংস্কারের পক্ষে গণভোটে ‘হ্যাঁ’-তে রায় দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ভোটের দিন কোনো ষড়যন্ত্র যেন না হয়, সে জন্য সকাল থেকে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন, একটি দল আমাদের সঙ্গে পাঁচ বছর সরকারে ছিল, তাদের মন্ত্রীও ছিল। তখন আমরা ভালো ছিলাম, এখন নাকি খারাপ। প্রশ্ন হলো—আমরা যদি খারাপই হই, তাহলে তারা কেন পাঁচ বছর আমাদের সঙ্গে ছিল?

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান—সব ধর্মের ভোটারদের ভোরে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে লাইনে দাঁড়াতে হবে। নিশিরাত বা ডামি নির্বাচনের দিন শেষ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি জনগণকে অধিকার প্রয়োগে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।

রংপুরের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, রংপুরকে অনেকেই গরিব অঞ্চল বললেও এটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় এলাকা। এখানে প্রাকৃতিক সম্পদ ও কৃষিভিত্তিক বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। কয়লা ও কৃষিজাত সম্পদ সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে এই অঞ্চলের চিত্র পাল্টে দেওয়া সম্ভব। তিনি বলেন, রংপুর বিভাগে কৃষিজাত পণ্যের শিল্পকারখানা গড়ে তোলা হবে, ব্যবসায়ীদের বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে এবং আইটি প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দিষ্ট মেয়াদে কর ছাড় দেওয়া হবে, যাতে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।

কৃষক ও নারীদের কল্যাণে বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ করা হবে, কৃষি কার্ড চালু করা হবে এবং অন্তত এক ফসলের বীজ ও কীটনাশক বিনামূল্যে দেওয়া হবে। পাশাপাশি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর মাধ্যমে নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা হবে। তিনি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও খাল খনন প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেন।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর) অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু প্রমুখ। এর আগে রংপুর বিভাগের ৩৩টি আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থীরাও বক্তব্য দেন।

এর আগে বিকেলে তারেক রহমান রংপুরের পীরগঞ্জে শহীদ আবু সাঈদের গ্রামের বাড়িতে যান। সেখানে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানান।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

যৌতুক মামলায় আইনজীবী-আসামিকে মারধোর

Published

on

By

আদালত প্রতিবেদক

ঢাকার সিএমএম আদালতে যৌতুক মামলায় অভিযোগ গঠনের পর আসামি ও তাঁর আইনজীবীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বাদীপক্ষের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) আদালত প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন যৌতুক নিরোধ আইনের মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। বাদী ও আসামিপক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তাফিজুর রহমান আসামি আবির ইবনে হারুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

অভিযোগ গঠনের পর আসামিকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর আইনজীবী মেহেদী হাসান আদালত থেকে বের হওয়ার সময় আগে থেকে অবস্থান নেওয়া ২০ থেকে ২৫ জন ব্যক্তি তাদের ওপর হামলা করেন বলে অভিযোগ। বাদীনির বাবা হুমায়ুন কবির ও মামা মো. আশরাফুল আলম খানের নেতৃত্বে এ হামলা হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী হারুন অর রশিদ দাবি করেন।

তিনি জানান, হামলাকারীরা আসামি ও তাঁর আইনজীবীকে মারধর করেন। একপর্যায়ে আইনজীবীর পোশাকও ছিঁড়ে ফেলা হয়। তাঁদের চিৎকার শুনে আশপাশের আইনজীবী ও অন্যরা এগিয়ে এলে হামলাকারীদের কয়েকজন পালিয়ে যান। কয়েকজনকে আইনজীবীরা আটক করে আইনজীবী সমিতিতে নিয়ে যান। পরে মুচলেকা নিয়ে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

হামলায় আহত আইনজীবী মেহেদী হাসান ও আসামি আবির ইবনে হারুনকে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী আইনজীবী মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমাকে অযথা মেরেছে।’ তিনি অভিযোগ করেন, বাদীপক্ষের সঙ্গে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সম্পর্ক থাকায় হামলার পরও তিনি কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেননি। একই সঙ্গে আইনজীবীদের নিরাপত্তার জন্য দ্রুত আইনজীবী সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবি জানান তিনি।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বাদিনীর কাছে এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি করেন আসামি। দাবিকৃত টাকা না দিলে তাঁকে বাসায় নেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়। এ অভিযোগে গত ৫ এপ্রিল আসামির বিরুদ্ধে মামলা করেন বাদী।

এ বিষয়ে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম খান বলেন, আইনজীবীকে মারধরের বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে সমাধান হয়ে গেছে।

Continue Reading

top1

বাণিজ্যিক কোচিং কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হতে পারবেন না বিচারকরা

Published

on

By

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের কোনো সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালিত সরাসরি কিংবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কোচিং কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারবেন না। এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসে কর্মরত সদস্যদের পেশাগত শৃঙ্খলা, নিরপেক্ষতা ও মর্যাদা সমুন্নত রাখা এবং বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের সুদৃঢ় আস্থা অক্ষুণ্ণ রাখার লক্ষ্যে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালিত সরাসরি বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কোচিং কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার বিষয়ে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে—

ক) সার্ভিসের কোনো সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালিত সরাসরি বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কোচিং কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারবেন না।

খ) কোনো সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে তার নাম, পদবি, ছবি বা পরিচয় সরাসরি বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কোচিং-সংক্রান্ত প্রচার-প্রচারণায় ব্যবহার করতে পারবেন না। এ ধরনের ব্যবহার অনুমোদনও করতে পারবেন না।

গ) বিচারিক দায়িত্ব পালনের সুবাদে প্রাপ্ত কোনো গোপনীয়, অপ্রকাশিত বা দাপ্তরিক তথ্য সরাসরি বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কোচিং কার্যক্রমে প্রকাশ, সরবরাহ বা ব্যবহার করতে পারবেন না।

ঘ) কোনো সদস্য বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালিত সরাসরি বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কোচিংয়ের জন্য শিক্ষা উপকরণ প্রস্তুত, সম্পাদন, প্রকাশ বা সরবরাহ করতে পারবেন না।

ঙ) এ পরিপত্রের কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত প্রযোজ্য আইন ও বিধি অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Continue Reading

top1

শিশু আছিয়া হত্যা-ধর্ষণ মামলার রায় পিছিয়ে সোমবার

Published

on

By

বহুল আলোচিত মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায়ের দিন পিছিয়ে আগামী সোমবার ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ নতুন এ দিন ধার্য করেন।

এদিন মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন নির্ধারিত ছিল। আদালতের কার্যক্রমের শুরুতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক সময় আবেদন করেন। তিনি জানান, মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল শুনানি করেছেন। বর্তমানে তিনি দেশের বাইরে থাকায় রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষ থেকে সময় চাওয়া হয়। পরে আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে আগামী সোমবার রায়ের নতুন দিন ধার্য করেন।

এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) হাইকোর্ট এই মামলায় হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর মঙ্গলবার রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেছিলেন।

আদালতে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে রয়েছেন হাফিজুর রহমান খান। রাষ্ট্রপক্ষে রয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক।

যেভাবে ঘটে আছিয়ার সঙ্গে নির্মম ঘটনা

গত বছরের ৫ মার্চ রমজানের ছুটিতে বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে মাগুরা সদর উপজেলার নিজনান্দুয়ালী এলাকায় ধর্ষণের শিকার হয় আট বছর বয়সী শিশু আছিয়া। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখ তাকে ধর্ষণের পাশাপাশি হত্যার চেষ্টা করেন।

গুরুতর অবস্থায় শিশুটিকে ঢাকায় নেওয়া হয়। পরে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ মামলার সব আসামিকে গ্রেপ্তার করে।

২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। ২৭ এপ্রিল শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৯ জন সাক্ষ্য দেন।

গত বছরের ৭ মে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মাত্র ১৩ কার্যদিবসে শেষ হয় মামলার বিচারিক কার্যক্রম। ১৩ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার শেষ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়।

হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড

যুক্তিতর্ক শেষে ২০২৫ সালের ১৭ মে রায় ঘোষণা করেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান। রায়ে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে প্রধান আসামি হিটু শেখকে (৪৭) মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

তবে মামলার অপর তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। তারা হলেন—নিহত শিশুর বোনের স্বামী সজীব শেখ (১৯), সজীব শেখের ছোট ভাই (১৭) এবং সজীবের মা জাহেদা বেগম (৪০)।

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, কোনো বিচারিক আদালত মৃত্যুদণ্ড দিলে তা অনুমোদনের জন্য মামলার নথি উচ্চ আদালতে পাঠাতে হয়। সেই অনুযায়ী, গত বছরের ২১ মে মামলার নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

যাচাই-বাছাই শেষে নথিপত্র পেপারবুক তৈরির জন্য বিজি প্রেসে পাঠানো হয়। পেপারবুক প্রস্তুত হওয়ার পর গত ৮ জুন তা হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পরে মামলাটি শুনানির জন্য বিশেষায়িত বেঞ্চের কার্যতালিকায় ওঠে।

এখন হাইকোর্টে হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর রায় ঘোষণার জন্য আগামী সোমবার দিন নির্ধারিত রয়েছে।

Continue Reading

Trending