Connect with us

top1

সড়ক বাতির বিদ্যুৎ সাশ্রয় শিখতে ফ্রান্সে যেতে চান রাজশাহী সিটির প্রশাসক, প্রধানমন্ত্রীর ‘না’

Published

on

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমানের ফ্রান্স সফরের প্রস্তাব অনুমোদন দেননি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি মন্তব্য করেছেন, প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনের সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নন এমন কর্মকর্তার বিদেশ সফরের যৌক্তিকতা নেই। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী এ ধরনের সফরে অংশ নিতে পারেন।

স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ফ্রান্সভিত্তিক আউটডোর লাইটিং অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার (এএলএসি) পরিদর্শন এবং বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী স্ট্রিট লাইটিং প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা নিতে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান ও নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) এ বি এম আসাদুজ্জামান সুইটের ফ্রান্স সফরের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছিল। সোমবার এ বিষয়ে অনুশাসন দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রস্তাবের নোটে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, স্ট্রিট লাইটিং প্রযুক্তি বিষয়ে প্রকৌশলীর অর্জিত জ্ঞান সিটি করপোরেশনের কাজে লাগবে। তবে প্রশাসক প্রকৌশলী নন, তাই তার এ সফরে অংশগ্রহণের বিশেষ গুরুত্ব নেই। প্রয়োজনে শুধু নির্বাহী প্রকৌশলীকে সফরের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।

একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের উদ্ভাবনী প্রকল্পে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও অন্যান্য প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শও দেন তিনি।

এর আগে মশকনিধন-সংক্রান্ত উদ্ভাবনী কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেনসহ পাঁচ কর্মকর্তার যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়নি। সে সময় প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন, মশকনিধনের উপায় জানতে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার প্রয়োজন নেই; দেশের বাস্তব পরিবেশ থেকেই কার্যকর পদ্ধতি উদ্ভাবন সম্ভব।

সরকারি প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও একই ধরনের অবস্থান নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঈদুল আজহার আগে কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্রের নাম পরিবর্তন করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নামে করার একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়নি। পরিবর্তে নতুন প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে নামকরণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সরকারি সূত্রগুলোর মতে, সাম্প্রতিক এসব সিদ্ধান্তে বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়তা ও পেশাগত সংশ্লিষ্টতাকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি বিদ্যমান রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের পরিবর্তে নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার নীতির প্রতিফলন ঘটেছে

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

শিশুদের টিকার সংখ্যা কমানোর নির্দেশে সই করলেন ট্রাম্প

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নির্দেশে স্বাক্ষর করেছেন, যেখানে শিশুদের জন্য কম টিকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং মাম্পস, হাম ও রুবেলা (এমএমআর) টিকাগুলো আলাদা করে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। সংবাদ বিবিসি বাংলার।

সোমবার ট্রাম্প বলেন, “আজ যেসব টিকা দিতে হয়, কয়েক দশক আগে এর মাত্র একটি ক্ষুদ্র অংশ দেওয়া হতো শিশুদের। সেই সময় মানুষ অনেক বেশি সুস্থ ছিল এবং অবশ্যই বর্তমানে যে উচ্চ হারে অটিজম দেখা যাচ্ছে, তা ছিল না।”

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই এমএমআর টিকার নিরাপত্তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে আসছেন। তবে একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই টিকা এবং অটিজমের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই।

এই নির্দেশে আরও সুপারিশ করা হয়েছে যে, শিশুদের জন্য টিকার সংখ্যা আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিকস বা এএপি-এর বর্তমান সুপারিশকৃত ১৮টি থেকে কমিয়ে ১১টি করা হোক।

ট্রাম্পের এই আদেশটি একটি নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করে, কোনো বাধ্যতামূলক নির্দেশ হিসেবে নয়। কারণ স্কুলে উপস্থিতির জন্য প্রয়োজনীয় টিকার বিষয়টি কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবর্তে রাজ্য পর্যায়ে নির্ধারণ করা হয়।

ওভাল অফিসে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, তার প্রশাসন শিশুদের জন্য “সবচেয়ে গুরুতর ও বিপজ্জনক রোগের বিরুদ্ধে মাত্র ১১টি মূল টিকাদান” সুপারিশকে স্বীকৃতি দিচ্ছে।

এই নির্দেশ অনুযায়ী সব শিশুর জন্য সুপারিশকৃত টিকাগুলো হলো হাম, মাম্পস, রুবেলা, ডিপথেরিয়া, টিটেনাস, হুপিং কাশি, পোলিও, হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ বি, নিউমোকক্কাল রোগ, হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস এবং ভ্যারিসেলা বা চিকেন পক্স।

ট্রাম্প বলেন, “আমরা সেগুলো কমাচ্ছি। বিষয়টি শুধু এই নয় যে আপনি কম টিকা, অথবা যেমন বলা হয়, কম ‘সুঁইয়ের খোঁচা’ দিচ্ছেন; বরং সেগুলো চিকিৎসকের কাছে বার বার গিয়েই দেওয়া হচ্ছে।”

প্রেসিডেন্ট ইঙ্গিত দেন যে এমএমআর টিকা একসঙ্গে দেওয়া হলে তা “বেশ প্রাণঘাতী” হতে পারে। তিনি এটিকে একটি শিশুর শরীরে এক বোতল সোডা ঢেলে দেওয়ার সঙ্গে তুলনা করেন।

একজন সাংবাদিক ‘প্রাণঘাতী’ দাবির প্রমাণ জানতে চাইলে ট্রাম্প বললেন, “আমি যা শুনেছি, কিছু লোক বলে যে বিষয়টি সেরকমই।”

সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশান (সিডিসি)-এর মতে, ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে এমএমআর টিকার কারণে জ্বরজনিত খিঁচুনির খুব সামান্য ঝুঁকি থাকে। যাদের গুরুতর অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া বা দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার মতো স্বাস্থ্যগত সমস্যা রয়েছে, তাদের টিকা নেওয়ার আগে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর সাথে পরামর্শ করার উপদেশ দেওয়া হয়।

সংস্থাটি জানায়, “যারা এমএমআর টিকা নেন, তাদের বেশিরভাগেরই এতে কোনো গুরুতর সমস্যা হয় না” এবং এই টিকা গ্রহণ করা “হাম, মাম্পস বা রুবেলা হওয়ার চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ”।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকার মধ্যে বেশি সময়ের ব্যবধান রাখলে শিশুরা সেই সময়ের মধ্যে রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে, অথবা একাধিকবার টিকা নিতে যাওয়ার প্রয়োজন হওয়ায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট মিস করার আশঙ্কা বাড়ে।

সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন বা সিডিসি-এর মতে, “সমন্বিত এমএমআর টিকাকে তিনটি পৃথক টিকায় ভাগ করার কোনো উপকারিতা আছে, এমন কোনো প্রকাশিত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।”

ট্রাম্পের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের (এইচএইচএস) সচিব রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র বলেছেন, প্রস্তাবিত পরিবর্তনের লক্ষ্য অভিভাবকদের পছন্দের সুযোগ দেওয়া, শিশুদের টিকার প্রাপ্যতা বন্ধ করা নয়।

২০২৫ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কেনেডি টিকা-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ পরিবর্তন ও শিথিল করার চেষ্টা করে আসছেন।

গত সপ্তাহে সিএনএনের স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন অনুষ্ঠানে ডানা ব্যাশের সঙ্গে ২০ মিনিটের এক উত্তেজনাপূর্ণ সাক্ষাৎকারে কেনেডি বলেন, তিনি “কখনোই এমএমআর টিকার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেননি।”

ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলেছেন, এই নির্দেশ কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রের শিশুরা আগের টিকাদান সূচির অধীনে সুপারিশকৃত ৭২টি ডোজের তুলনায় অনেক কম টিকা পাবে।

তবে টিকা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংখ্যা অতিরঞ্জিত। কারণ এতে এমএমআর-এর মতো সমন্বিত টিকাকে একাধিক ইনজেকশন হিসেবে গণনা করা হয়েছে এবং বার্ষিক ফ্লু ও কোভিড-১৯ টিকাও ধরে নেওয়া হয়েছে।

ফেডারেল সরকারের এই নতুন সুপারিশ বাস্তবায়নের ক্ষমতা নেই। বিদ্যালয়ে উপস্থিতির জন্য যেসব টিকা বাধ্যতামূলক, সেগুলো রাজ্য পর্যায়ে নির্ধারিত হয়।

Continue Reading

top1

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠকে বসছেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার-সিইসি

Published

on

By

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে বৈঠকে বসছেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল ও প্রধান নির্বাচনী কর্তা (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। এদিন বেলা ১১টায় ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠেয় এ বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবালয় ও সংসদ সচিবালয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও অংশ নেবেন।

বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এক কর্মকর্তা বলেন, ভারপ্রাপ্ত স্পিকার, সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে সিইসিসহ নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হবে।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, একাধিক প্রার্থী হলে আগামী ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংসদকক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এরই মধ্যে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে মনোনয়ন দিয়েছে জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জামায়াত ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন বিএনপি এখনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি।

শেষ পর্যন্ত দুজন প্রার্থী থাকলে ১৯৯১ সালে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পর দ্বিতীয়বার ভোট অনুষ্ঠিত হবে। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে তৎকালীন ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে পরাজিত করেছিলেন। তবে সেই নির্বাচনে ভোটদান থেকে বিরত থাকেন জাতীয় পার্টি, জামায়াতসহ কয়েকটি দলের সংসদ সদস্যরা।

বিগত সাতটি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছিলেন। এবারও তেমনটা হবে বলে মনে করেছিলেন অনেকে। তবে গতকাল রোববার জামায়াত জোট প্রার্থী ঘোষণার পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে ইসি।

এ নিয়ে গতকাল অনির্ধারিত বৈঠকও করে নির্বাচন কমিশন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন সিইসিসহ নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

Continue Reading

top1

লিবিয়ার সবচেয়ে বড় তেল শোধনাগারে আগুন

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

লিবিয়ার সবচেয়ে বড় জাওয়িয়া তেল শোধনাগারের একটি জ্বালানি ট্যাংকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১১ আগস্ট) আগুন লাগার পর দমকলকর্মীরা তা নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন। তবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি ন্যাশনাল অয়েল করপোরেশনের (এনওসি) সহযোগী প্রতিষ্ঠান ব্রেগা পেট্রোলিয়াম মার্কেটিং কোম্পানি জানিয়েছে, আগুনে শোধনাগারের কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

এনওসি জানিয়েছে, আগুন লাগা ট্যাংকটিতে প্রায় ৪৫ লাখ লিটার পেট্রল ছিল। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ট্যাংকটি সরাসরি হামলার শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় সর্বোচ্চ মাত্রার জরুরি অবস্থা জারি করে দ্রুত তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে এনওসি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে জাওয়িয়া শহরের আকাশে আগুনের বিশাল শিখা ও ঘন কালো ধোঁয়া দেখা গেছে। তবে ভিডিওগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

রাজধানী ত্রিপোলি থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত জাওয়িয়া শোধনাগারটি লিবিয়ার সবচেয়ে বড় তেল শোধনাগার। প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার ব্যারেল তেল পরিশোধনের সক্ষমতা রয়েছে এর। শোধনাগারটি দেশটির দৈনিক ৩ লাখ ব্যারেল উৎপাদনক্ষম শারারা তেলক্ষেত্রের সঙ্গেও যুক্ত।

আগুন নিয়ন্ত্রণে দমকলকর্মীরা কাজ করলেও শোধনাগারের কার্যক্রম বন্ধ হয়নি বলে জানিয়েছেন সেখানে কর্মরত দুই প্রকৌশলী। অর্থাৎ আগুন লাগার পরও শোধনাগারটির কার্যক্রম চলমান ছিল।

এর মাত্র দুই দিন আগে, শনিবার ভোরে শোধনাগারে অপরিশোধিত ন্যাফথা সংরক্ষণের একটি ট্যাংকে ড্রোন হামলা হয়। এতে ট্যাংকটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ন্যাফথা ছড়িয়ে পড়লেও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন কর্মীরা।

সূত্র: আরব নিউজ

Continue Reading

Trending