Connect with us

top1

সিলেটের যা অবস্থা, শফিকুর রহমানের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে যাবে

Published

on

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন এর পরিচালক সাংবাদিক সাঈদ খান বলেছেন, ধর্মের দোহাই দিয়ে বিএনপি রাজনীতি করে না। বিএনপি ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাসী দল। বিএনপি সাম্প্রদায়িকতাকে শ্রদ্ধা করে, বিএনপি সম্প্রীতিকে লালন করে, বিএনপি মনে করে ৫৬ হাজার বর্গমাইলে যত নাগরিক সকলের সমান অধিকার। ধর্মীয় বিবেচনায় জান্নাত জাহান্নাম ফরিয়াদি করার সুযোগ নেই। এখানে পিআর এর নামে একটি লক্ষ্য তাদের দলের আমির এবং সেক্রেটারি জেনারেল তারা কিন্তু তাদের এলাকায় ভোটে জিততে পারবে না।

সিলেটের যা অবস্থা, ডা. শফিকুর রহমানের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে যাবে। জামায়তে আমির মাওলানা শফিকুর রহমানের সংসদে যাওয়া নিশ্চিত করার জন্য পিআর এর ফেতনা পাতিয়েছে। পিয়ার এর বায়না ধরেছে, যেন মামা বাড়ির আবদার। জনগণ ভোট দিবে, ভোট দিবে ঘোড়ায় এমপি হবে গাধায়। ভোট দিবেন পিরকে এমপি হবে চোর, এটাই হলো তাদের পিআর। তাদের নেতাদের সংসদে যাওয়া নিশ্চিত করার জন্য এই পিআর এর অজুহাত নিয়ে নেমেছে। বৃহস্পতিবার(২৩ অক্টোবর)সন্ধ্যায় পিরোজপুর সদর উপজেলার নামাজপুর গ্রামে এক উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

তিনি আরো বলেন, এই পিআর দিয়ে তারা নির্বাচন আটকাতে চায়। কারণ কি জানেন? এই বাংলাদেশে যেন নির্বাচন না হোক, শান্তি শৃঙ্খলা না ফিরুক, গণতন্ত্র না ফিরুক, এটি কারা চায় জানেন? এটি চাই দিল্লি। ইন্ডিয়া চায় বাংলাদেশে শান্তি না আসুক। আর একজন চায়, সে কে জানেন? যে কিনা পালিয়ে গেছে, যে কিনা পালিয়ে তার বাবার শ্বশুর বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন, মামা বাড়িতে। সেই মামা বাড়িতে বসে মামা বাড়ির আবদার করছেন। যখন হাজার হাজার শিশুকে রাজপথে গুলি করে মারা হয়েছে, যখন দাড়ি-টুপিওয়ালা মানুষকে জঙ্গি তকমা দেওয়া হয়েছে। 

ভিন্ন মত প্রকাশ করার অপরাধে শিক্ষককে কোমরে দড়ি বেঁধে জেলখানায় নেওয়া হয়েছে। থানা পুলিশকে বানানো হয়েছে ছাত্রলীগ যুবলীগের মতো পুলিশ লীগ। শেখ হাসিনা চায়না এখানে নির্বাচন হোক। আরেকটি পক্ষের সাথে কন্ঠ মিলে যায়, ওই দিল্লী এবং হাসিনার সাথে কন্ঠ মিলে যায়।

যারা পিআর চায়। যারা পিআর না হলে ভোট হতে দেবে না। এদের ব্যাপারে আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে। পিয়ার টিয়ার কিছু না, তাদের যদি কয়টা আসন ছেড়ে দেয়া হয়, তাদের যদি বিজয় নিশ্চিত করা হয়, শুরশুর করে নির্বাচনে চলে যাবে। আরে বাবা তোমরা পিআর ছাড়া নির্বাচনে যাবা না, তাহলে ৩০০ আসনে প্রার্থী দিচ্ছ কেন? ৩০০ আসনে প্রার্থী দিয়ে মানুষের কাছে ভোট চাও কেন, এসব ভন্ডামি সুতরাং মোনাফেকদের থেকে সাবধান থাকবেন। 

তিনি আরো বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসছে, সেই নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী দল, জনগণের প্রতি শ্রদ্ধাশীল দল, বাংলাদেশকে শান্তি ও সমৃদ্ধিতে শক্তিশালী করার দল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভিশন টুয়েন্টি থার্টি এবং এই প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা আশার আলো মুক্তির সনদ, ৩১ দফা নিয়ে আপনাদের কাছে হাজির হয়েছি। আমি আমার জন্য ভোট চাই না, আমি ধানের শীষের জন্য ভোট চাই।

আমার মত আরো পাঁচজন এই পিরোজপুরে ভোট চাইছে। আমরা সবাই ধানের শীষের কর্মী। আমিও একজন সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশী। আমি প্রার্থী না, আমি প্রত্যাশী। আমার কর্মকাণ্ড এবং আমার যোগ্যতা দেখে যদি দল মনে করে যে, আমি নির্বাচন করার মতন যোগ্য, তাহলে আমাকে দল মনোনয়ন দিতেও পারে। আমি কাজ করছি দলের জন্য।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

জামায়াতের সঙ্গে বৈঠককে স্বাভাবিক কূটনৈতিক যোগাযোগ বলছে ভারত

Published

on

By

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ভারতের একজন কূটনীতিকের বৈঠক নিয়ে সম্প্রতি আলোচনা শুরু হয়। এ বিষয়ে এবার আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের অবস্থান জানিয়েছে ভারত। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ ধরনের বৈঠককে নিয়মিত কূটনৈতিক যোগাযোগের অংশ হিসেবেই দেখা উচিত।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হয় মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালকে। জবাবে তিনি জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে এবং ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক পক্ষের সঙ্গে সংলাপে অংশ নেন। তিনি বলেন, জামায়াতের সঙ্গে হওয়া বৈঠকটিও সেই ধারাবাহিকতার মধ্যেই পড়ে।

এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান জানান, চলতি বছরের শুরুতে তিনি ভারতের একজন কূটনীতিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। তিনি বলেন, অন্য দেশের কূটনীতিকেরা প্রকাশ্যে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেও ওই ভারতীয় কর্মকর্তা বৈঠকটি গোপন রাখার অনুরোধ করেছিলেন।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য একে অপরের সঙ্গে খোলামেলা যোগাযোগ জরুরি এবং এ ক্ষেত্রে বিকল্প কোনো পথ নেই।

এই মন্তব্য প্রকাশের পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়েছিল রয়টার্স। তবে সে সময় কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। প্রায় দুই সপ্তাহ পর ভারতের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য এলো

Continue Reading

top1

জামায়াতের জোট থেকে দলগুলোকে বেরিয়ে আসতে চরমোনাই পীরের আহ্বান

Published

on

By

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোট থেকে অন্যান্য ইসলামী দলগুলোকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের জোটে না যাওয়ার ঘোষণা দেন ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান। এ সময় তিনি এ আহ্বান জানান।

গাজী আতাউর রহমান বলেন, জামায়াত শরিয়াহ আইনে রাষ্ট্র পরিচালনা নীতি থেকে সরে এসেছে। তাই ১১ দলীয় জোট থেকে অন্যান্য ইসলামী দলগুলোকেও বেরিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

ইসলামপন্থী দলগুলোর জন্য আলোচনার দরজা খোলা আছে, বলেও জানান তিনি।

ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র আরও অভিযোগ করেন, জামায়াতের আমির বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে জাতীয় সরকার গঠনের কথা বলছেন, যার অর্থ দাঁড়ায়, সমঝোতার নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে জামায়াত।

দীর্ঘ সময় পর দেশের মানুষ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের আশায় ছিলেন, এর ফলে সেই প্রত্যাশা পূরণ পূরণ হওয়া নিয়ে সন্দেহ থেকে যায়।

ইসলামের নীতি থেকে জামায়াত সরে এসেছে দাবি করে একলা পথে গিয়ে ২৬৮টি আসনে লড়ার কথা জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন।
বাকি আসনগুলোতে বিএনপি কিংবা জাতীয় পার্টির সাথে আসন সমঝোতার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন চরমোনাই পীরের দল।

Continue Reading

top1

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার সব নথি জব্দের দাবি চিকিৎসকদলের প্রধানের

Published

on

By

বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা-সংক্রান্ত বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সব নথিপত্র জব্দ ও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তার বর্তমান চিকিৎসকদলের প্রধান অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী।

শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় তিনি এ দাবি তুলে ধরেন।

ডা. সিদ্দিকী বলেন, ২০২১ সালের ২৭ এপ্রিল কোভিড-১৯–এর জটিলতা নিয়ে খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর বর্তমান মেডিকেল বোর্ড চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়। 

পরীক্ষা-নিরীক্ষার শুরুতেই তারা দেখতে পান, খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত, অথচ বিএমইউর ছাড়পত্রে তাকে রিউমাটয়েড আর্থাইটিসের জন্য ‘মেথোট্রেক্সেট’ নামের ওষুধ নিয়মিত সেবনের নির্দেশ দেওয়া ছিল এবং ভর্তি অবস্থাতেও সেটি খাওয়ানো হয়েছে।

তিনি বলেন, “মেথোট্রেক্সেট সেবনের ক্ষেত্রে নিয়মিত লিভার ফাংশন পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক। পরীক্ষায় অস্বাভাবিকতা ধরা পড়লে ওষুধ বন্ধ করে ন্যূনতম একটি আলট্রাসনোগ্রাম করানো প্রয়োজন। কিন্তু সরকার গঠিত মেডিকেল টিম ম্যাডামের লিভার ফাংশন খারাপ দেখার পরও কোনো আলট্রাসনোগ্রাম করেনি এবং ওষুধটিও বন্ধ করেনি।”

তিনি দাবি করেন, এই অবহেলার কারণেই ফ্যাটি লিভার দ্রুত সিরোসিসে রূপ নেয়। “মেথোট্রেক্সেট তার লিভারের জন্য কার্যত ‘স্লো পয়জন’ হিসেবে কাজ করেছে”—বলেন তিনি।

ডা. সিদ্দিকী আরও বলেন, তৎকালীন চিকিৎসকদের প্রতি আস্থাহীনতার কারণে খালেদা জিয়া সেখানে আলট্রাসনোগ্রাফিতে রাজি হননি, তবে বেডসাইড ‘পয়েন্ট-অব-কেয়ার’ আলট্রাসনোগ্রাম সহজেই করা যেতো।

তিনি অভিযোগ করেন, “চিকিৎসায় এমন অবহেলা খালেদা জিয়ার অবস্থাকে দ্রুত অবনতির দিকে ঠেলে দিয়েছে। এটি ইচ্ছাকৃত অবহেলা কি না বা পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টার অংশ কি না—তা বিশদভাবে তদন্ত করা জরুরি।”

তার ভাষ্য, মেডিকেল বোর্ডের কাছে ডায়াবেটিস ও আর্থাইটিসের চিকিৎসায় অবহেলারও সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে। এজন্য উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন একটি কমিটির মাধ্যমে তিনটি বিষয়ে তদন্ত প্রয়োজন— সরকার গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা কারা ছিলেন, কোন দক্ষতার ভিত্তিতে তারা দায়িত্ব পান, এবং ব্যর্থতার দায় তাদের ওপর বর্তায় কি না; ভর্তিকালে কারা চিকিৎসায় যুক্ত ছিলেন এবং তাদের বিরুদ্ধে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া যায় কি না; বিএমইউতে চিকিৎসার সময় খালেদা জিয়া তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের অন্তর্ভুক্ত করতে আইনজীবীর মাধ্যমে যে অনুরোধ করেছিলেন, তা কেন গ্রহণ করা হয়নি এবং কারা বাধা দিয়েছিল।

ডা. সিদ্দিকী আরও বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে বিএমইউয়ের সব চিকিৎসা-নথি জব্দ এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্টদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত।

Continue Reading

Trending