Connect with us

top3

সিলেট সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে বিপুলসংখ্যক ভারতীয় গরু

Published

on

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে এ বছর হাটগুলোতে ভারতীয় গরুর আধিক্য কম বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে গত কয়েক দিন ধরে বিপুলসংখ্যক ভারতীয় গরু ও মহিষ সিলেটের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে। অবৈধভাবে ভারতীয় গরু-মহিষ আমদানি কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না।

সীমান্ত এলাকার বাসিন্দা, খামারি ও পশু ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, পশুরহাট এখন ভারতীয় গরুতে জমজমাট। অবৈধভাবে আনা ভারতীয় এসব গরু-মহিষ ছড়িয়ে পড়ছে সারা দেশের হাট-বাজারগুলোতে।

খামারিদের অভিযোগ, ভারতীয় গরুর ভিড়ে তারা নিজেদের গরু নিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। এসব পশু অবাধে প্রবেশ করায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন খামারিরা।

জানা যায়, স্থানীয় প্রভাবশালী এবং প্রশাসনের কিছু অসাধু সদস্যের যোগসাজশে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় পশু আনা হচ্ছে। এরপর এসব পশু নির্বিঘ্নে পৌঁছে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, জেলার কানাইঘাট, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর ও জকিগঞ্জ সীমান্ত এখন চোরাকারবারিদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন রাত থেকে ভোর পর্যন্ত কমপক্ষে হাজারখানেক গরু-মহিষ বাংলাদেশে আনা হচ্ছে। প্রতিটি সীমান্তের সংশ্লিষ্ট বিট অফিসার (পুলিশ) লাইনম্যানের সঙ্গে যৌথ অংশীদার হিসেবে কাজ করছে।

সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা জানান, চোরাই পথে আসা গরু-মহিষের চালান রাত থেকে সকাল পর্যন্ত শত শত ট্রাকে ঢুকছে নগরীতে। গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত একাধিক দলে ভাগ হয়ে চোরাকারবারিরা গরু আনে। গ্রামীণ সড়ক, ফসলি জমির পথ ও দুর্গম সীমান্ত এলাকা ব্যবহার করায় তাদের শনাক্ত করা কঠিন।

তাদের অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে পুলিশের চেকপোস্টের সামনে দিয়েই এসব পশুর গাড়ি চলে যায়। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। এর পেছনে থাকা চোরাই সিন্ডিকেটের স্থানীয় প্রভাবশালী চক্রের ভয়ে সাধারণ মানুষ এ নিয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না।

সূত্র জানায়, ভারতীয় গরু-মহিষের চোরাচালান রোধে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। নগরীর প্রবেশদ্বারগুলোতে বসানো চেকপোস্ট ও সিসি ক্যামেরা ফাঁকি দিয়ে নির্বিঘ্নে ভারতীয় গরু আসছে দেশে। রাজনৈতিক প্রভাবশালী চক্র ও প্রশাসনের যোগসাজশ থাকায় ওপর মহলের ভয়ে সাধারণ মানুষও কথা বলতে সাহস করেন না।

জানা যায়, সবচেয়ে বেশি চোরাই পশু আসছে গোয়াইনঘাটের দুর্গম সীমান্ত দিয়ে। গোয়াইনঘাটের বিছানাকান্দি সীমান্ত পিলার ১২৬৩ এবং ১২৬৪ নং পিলার চোরাচালান রুট দিয়ে ভারতীয় পশু প্রবেশ করে। এখানে লাইনম্যান হিসেবে কাজ করেন যুবদল নেতা হেলাল, জালাল মেম্বার ও গোলাম হোসেন। এসব গরু ও মহিষ গোয়াইনঘাট সদর হয়ে দরবস্ত বাজার এবং সিলেটের বিভিন্ন স্থানে পাচার হয়ে থাকে।

এছাড়া, উপজেলার পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের সীমান্ত দিয়েও চোরাই গরু আসছে। মধ্য জাফলং ও পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের সীমান্ত পিলার ১২৬৩ ও ১২৬৪ নং পিলার দিয়েও ভারতীয় গরু আসে। এসব পশু জাফলং-গোয়াইন সড়ক হয়ে গোয়াইনঘাট সদর দিয়ে দরবস্ত বাজার এবং সিলেটের বিভিন্ন স্থানে পাচার হয়ে থাকে।

গোয়াইনঘাট ছাড়াও কানাইঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জৈন্তাপুরসহ জকিগঞ্জের বাল্লাহ ও আটগ্রাম সীমান্ত এলাকা চোরাকারবারীদের অন্যতম সক্রিয় রুট হিসেবে পরিচিত।

জকিগঞ্জ থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ভারতীয় গরু সীমান্ত দিয়ে যেন প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য পুলিশ এবং বিজিবির কঠোর নজরদারি রয়েছে। কোনো ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সম্রাট তালুকদার বলেন, আমরা প্রতিটি রাস্তায় চেকপোস্ট করছি। সন্দেহজনক কিছু পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আগামীতে চেকপোস্ট কার্যক্রম আরো বাড়ানো হবে।

মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মনজুরুল আলম বলেন, প্রতিটি থানাকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে কোনো বাজারে চোরাই গরু প্রবেশ করতে না পারে। এছাড়া বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আমরা অভিযান চালাতে প্রস্তুত।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ইবির পুকুর থেকে ডুবন্ত শিক্ষার্থী উদ্ধার, সদর হাসপাতালে প্রেরণ

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পুকুর থেকে এক শিক্ষার্থীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আজিজুর রহমান হল সংলগ্ন পুকুরে এ ঘটনা ঘটে। ডুবে যাওয়া শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইয়াসীর আরাফাত সাজ্জাদ।

জানা গেছে, বৃষ্টিতে ভিজে দুই বন্ধ (ইউসুফ আর সাজ্জাদ) পুকুরে যায়। দুই জনের সিদ্ধান্ত হয় সাঁতার কেটে পুকুরটি পার হবে। যথারীতি সাঁতার শুরু করলে মাঝপথে ডুবে যায় এক বন্ধু (সাজ্জাদ)। আরেক বন্ধু (ইউসুফ) কোনো মতে অপর পাড়ে গিয়ে দেখে সাজ্জাদ ডুবে যাচ্ছিল। তখন চিল্লাচিল্লি করলে ঘটনাস্থলের কয়েকজন মিলে উদ্ধার করে মেডিকেলে নিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কুষ্টিয়া সদরে পাঠানো হয়।

ট্যুরিজম বিভাগের শিক্ষার্থী ওয়াসিফুর রহমান বলেন, আমরা জিয়া মোড়ে মিটিং করছিলাম। বৃষ্টি বৃষ্টি আবহাওয়ার কারণ ওরা বলছিল পুকুরে নামতে হবে। আমরা নিষেধ করার পরও ওরা পুকুরে নামছে। পরে এই ঘটনার সম্মুখীন হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী ইউসুফ বলেন, আমি আর ও সাঁতার কেটে পার হওয়ার জন্য একসাথে পানিতে নেমেছিলাম। আমি ওকে আগেই সতর্ক করেছিলাম, কিন্তু পানিতে নামার পর ও পিছিয়ে পড়ে আর আমি অর্ধেক পথ যেতেই প্রচণ্ড হাঁপিয়ে যাই। কোনোমতে শ্বাস নিয়ে ভেসে ভেসে অন্য পাড়ের কাছাকাছি পৌঁছালেও পায়ে দেওয়ার মতো কোনো মাটি পাচ্ছিলাম না। এমন সময় ও পিছন থেকে ডেকে বলল, “ইউসুফ, আমি পারতেছি না, আমাকে একটু নিয়ে যাও।” ওর ডাক শুনে আমি প্যানিক হয়ে যাই এবং ওকে বাঁচাতে পিছনে ফিরতে গিয়ে আমার মুখে পানি ঢুকে যায়। আর না পেরে বাধ্য হয়ে আমি পাড়ে ফিরে আসি এবং চিৎকার করে সবাইকে ওকে বাঁচাতে বলি। পাড়ের একজন ওরে ধরতে যাওয়ার আগেই চোখের সামনে ও পানিতে ডুবে যায়; আমি দিশেহারা হয়ে হাতের কাছে কিছু না পেয়ে নিজের শার্টটা খুলে ওরে উদ্ধারের শেষ একটা চেষ্টা চালাই। পরে পাড়ের শিক্ষার্থীরা এসে ওকে উদ্ধার করেন।

ইবি মেডিকেল সেন্টারের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. জাকিয়া বলেন, ওই শিক্ষার্থীকে এখানে আনা হয় অচেতন অবস্থায়। পরে আমরা পেটে চাপ দিয়ে পানি বের করি। তারপর অক্সিজেন দিলাম। এখন মোটামুটি একটু ভালো আগের চেয়ে। আমরা প্রাইমারি ট্রিটমেন্ট দিয়ে দিছি। ভেতরের ফুসফুসের পানি বের করার ইন্সট্রুমেন্ট তো আমাদের এখানে ওরকম ব্যবস্থা নাই। এখন শ্বাসকষ্ট হচ্ছে দেখে অ্যাম্বুলেন্সে পাঠায়ে দেয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পুকুরে না নামার জন্য আগে থেকেই নোটিশ দেওয়া ছিল। আমি সদরে শিক্ষার্থীর সাথে আছি। ডাক্তার পালস ও অক্সিজেন চেক করেছে। এখন মেডিসিন দেওয়া হয়েছে সাথে ২৪ ঘণ্টা অবজারভেশনে রাখা হয়েছে। তবে, শিক্ষার্থীদের পুকুরে নামার বিষয় আরও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

Continue Reading

top3

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে তারুণ্যের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়র (ইবি) অরাজনৈতিক, স্বেচ্ছাসেবী ও জনকল্যাণমূলক সংগঠন ‘তারুণ্যে’র ১৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপণ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের নিয়ে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।

বুধবার (২৩ জুলাই) দুপুর দেড়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসি করিডোরে কেক কাটার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করা হয়। তারুণ্যের সভাপতি ইমন হোসাইনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন ইবি ঐক্যমঞ্চের সভাপতি নাজমুল হোসাইন,তারুণ্যের সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আহমেদ হিমেল ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ফারহানা আইরিন। এছাড়াও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও নবীন সদস্যবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের মধ্যবর্তী সময়ে চিত্রাঙ্কন করার জন্য ৩০ মিনিট সময় দেওয়া হয়। প্রতিযোগিতায় প্রথম তিন জনই ছিলেন তৃতীয় শ্রেনীর ক্ষুদে শিক্ষার্থী। প্রথম হয়েছেন আয়েশা তাকিয়া, দ্বিতীয় রাইসা ও তৃতীয় সুইটি আক্তার। প্রথম তিনজনকে ক্রেস্টসহ সকল চিত্রশিল্পীদের সার্টিফিকেট ও কলম প্রদান করা হয়। এমন পরিবেশ বান্ধব কলমের দেয়া হয় সেসব কলমের কালি শেষ হওয়ার পর মাটিতে রোপণ করলে গাছের চারা উৎপাদন করা যাবে।

নবীন সদস্যরা বলেন, তারুণ্যের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আশেপাশের ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা যেটি একটি আসলেই চমৎকার আয়োজন। আমরা আগামীতে চেষ্টা করব এরকম শিশুদের বিকশিত করার জন্য প্রতিযোগিতামূলক বিভিন্ন আয়োজন।

সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আহমেদ হিমেল বলেন, আমাদের সংগঠনটি মূলত স্বেচ্ছাসেবী ও জনকল্যাণমূলক সংগঠন। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করি ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে আশেপাশের মানুষদের বিশেষ করে কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ জেলায় আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করা।

এ সময় তারুণ্যের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ফারহানা আইরিন বলেন, তারুণ্যে’র সাথে এতোদিন থেকে যেটা বুঝেছি সেটা হচ্ছে মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। আর মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে কখনো রক্তের জন্য ছুটেছি, শীতের সময় শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি ও দেশের ক্রান্তিকালীন সময়ে দেশের মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আমদের মানবিক কাজের ধারাবাহিকতায় শিশুদের নিয়ে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা। আমরা সবসময় ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের ও বাইরের মানুষদের আমাদের সাধ্যমতো সাহায্য করার চেষ্টা করি এবং আমদের এ ধারা অব্যাহত রাখার আগামীতে আপ্রাণ চেষ্টা করব।

সর্বশেষে সভাপতি ইমন হোসাইন বলেন, তারুণ্য সংগঠন সবসময় স্বেচ্ছাসেবা ও জনকল্যাণমূলক কাজ করে থাকে তার মধ্যে অন্যতম রক্তদান ও শীতকালে দুস্থ-গরীব মানুষদের শীতবস্ত্র বিতরণ করার মাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। আমরা আশা করি, শুধু ইবিতে নয় সারা দেশের মধ্যে একসময় তারুণ্যের প্রতিনিধিরা কাজ করবে।

উল্লেখ্য, ইবিতে ‘তারুণ্য’ ২০০৯ সালের ২৯জুলাই যাত্রা শুরু করে এসব স্বেচ্ছাসেবীমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তারুণ্য সংগঠনের উদ্যোগে রক্তদান, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, শীতবস্ত্র ও ত্রাণ বিতরণ, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান, লিডারশিপ ট্রেনিং ও তারুণ্য লাইব্রেরি ইত্যাদি কার্যক্রম গুলো পরিচালনা করে যাচ্ছে।

Continue Reading

top3

কুবি শিক্ষক সমিতির নতুন আহ্বায়ক ড. শামীমা নাসরিন

Published

on

By

সানজিদা আক্তার সাথী, কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শিক্ষক সমিতির নতুন আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শামীমা নাসরিন।
বর্তমান আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় তাঁর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ড. শামীমা নাসরিনকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) শিক্ষক সমিতির সদ্য সাবেক আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার ও সদস্য সচিব ড. মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৭ জুলাই অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর শিক্ষক সমিতির আহ্বায়ক পদ শূন্য হওয়ায় কার্যনির্বাহী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শামীমা নাসরিনকে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সর্বসম্মতিক্রমে শিক্ষক সমিতির আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

এছাড়া, শিক্ষক সমিতির ব্যাংক হিসাব পরিচালনার স্বাক্ষরকারী হিসেবেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকারের পরিবর্তে নতুন আহ্বায়ক ড. শামীমা নাসরিনকে স্বাক্ষরকারী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

Continue Reading

Trending