Connect with us

top1

সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি মেধা ও যোগ্যতায় হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী

Published

on

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সময়ের চাহিদানুযায়ী আধুনিক এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, পদোন্নতি কিংবা পদায়নের ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করলে পেশাদারিত্ব প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ‘সেনাসদর সিলেকশন বোর্ড’ যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করতে পারে। মেধা এবং যোগ্যতাই হয়ে উঠুক একজন সেনা অফিসারের পদোন্নতি অর্জনের প্রধান মাপকাঠি।

তিনি বলেন, পদোন্নতির জন্য একজন অফিসারের শারীরিক যোগ্যতা এবং ফিজিক্যাল এপিয়ারেন্স অন্যতম প্রধান বিবেচ্য বিষয় হওয়া উচিত।

রোববার (২৬ জুলাই) ঢাকা সেনানিবাসে সেনাসদর দপ্তরে আয়োজিত ‘সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬’-এর উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা, সীমান্ত নিরাপত্তা, আন্তঃরাষ্ট্রীয় ও আন্তঃসীমান্ত হুমকি, সাইবার ও তথ্যভিত্তিক নিরাপত্তা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রমসহ বহুমাত্রিক ও জটিল নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। ফলে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান, অর্থনৈতিক সক্ষমতা, জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা এবং জনগণের প্রত্যাশা ও সহনশীলতাকে বিবেচনায় রেখে প্রতিরক্ষা আধুনিকায়নের একটি বাস্তবসম্মত ও টেকসই মডেল অনুসরণ করা এখন সময়ের দাবি।

তারেক রহমান বলেন, ‘সরকারপ্রধান এবং একই সঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে আমার বিশ্বাস, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মূল শক্তি কেবল সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতায় নয়, বরং সমগ্র জাতির ঐক্য, প্রস্তুতি ও সহনশীলতায় নিহিত।’

তিনি বলেন, ‘সে লক্ষ্যেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ধারণার আলোকে একটি আধুনিক নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। যেখানে সশস্ত্র বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বেসামরিক প্রশাসন, শিল্প, প্রযুক্তি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ জনগণ একটি সমন্বিত জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোর অংশ হিসেবে কাজ করবে। এই নীতিমালার উদ্দেশ্য যুদ্ধকে উৎসাহিত করা নয়, বরং সম্ভাব্য যে কোনো সংকট, আগ্রাসন বা দুর্যোগ মোকাবিলায় সদাপ্রস্তুত, স্থিতিশীল এবং আত্মনির্ভরশীল সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা, যাতে দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও জাতীয় স্বার্থ সর্বতোভাবে সুরক্ষিত থাকে।’

উপস্থিত জেনারেলদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে যুদ্ধের ধরণ বদলেছে। নিরাপত্তা মানে কেবল ভৌগোলিক সীমান্ত রক্ষা নয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সাইবার স্পেস, তথ্যযুদ্ধ, ড্রোন প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং আঞ্চলিক ভূ-কৌশলগত প্রতিযোগিতা। তাই ড্রোন প্রযুক্তি, স্যাটেলাইট নজরদারি, সাইবার এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সরকার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে চায়।

তিনি বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় সরকার সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও উন্নয়নের জন্য একটি রূপরেখা প্রণয়নের কাজ করছে। আমাদের লক্ষ্য হলো বাহিনীর ভবিষ্যৎ উন্নয়ন। যেখানে গুরুত্ব পাবে সংখ্যার পরিবর্তে সক্ষমতা, সম্প্রসারণের পাশাপাশি কার্যকারিতা, প্ল্যাটফর্ম বৃদ্ধির পরিবর্তে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং একক বাহিনীকেন্দ্রিক উন্নয়নের পরিবর্তে যৌথতার ওপর গুরুত্বারোপ।

তিনি আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নে সরকারের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়গুলো হলো- সুশৃঙ্খল, আধুনিক ও শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী গঠন, সমন্বিত প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা জোরদার, যুগোপযোগী প্রতিরক্ষা নীতি ও কৌশল প্রণয়ন, দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশ এবং গণতান্ত্রিক সামরিক-বেসামরিক সম্পর্ক সুদৃঢ়করণ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা ও সততার মূল্যায়নে যথানিয়মে যোগ্যদের বাছাই করে স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে গঠিত এই সিলেকশন বোর্ডের মাধ্যমেই পদায়ন কিংবা পদোন্নতির ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে সেনাবাহিনীতে আগামী দিনের দূরদর্শী এবং পেশাদার নেতৃত্বের সুদৃঢ় ভিত্তি স্থাপিত হবে বলে বিশ্বাস করি।’

তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীর যেকোনো সাফল্যে আমি একধরনের গৌরববোধ করি। আবার সেনাবাহিনীর কোনো নেতিবাচক খবরে অস্বস্তি অনুভব করি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ক্যান্টনমেন্ট আমার গভীর আবেগ এবং স্মৃতিময় স্থান। আপনারা জানেন, ঘরে-বাইরে সেনা পরিবেশেই আমার কিশোর ও তারুণ্যের দিনগুলো কেটেছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সেনাবাহিনীর নিয়ম-শৃঙ্খলা এবং বিধিবিধান সম্পর্কেও আমি অনেকটা ওয়াকিবহাল। এসব কারণে সেনাবাহিনী সম্পর্কে কিছু বলতে গেলে আমি কিছুটা স্মৃতিকাতর হই।’

তিনি বলেন, ‘সেনা পরিবেশে অনুসৃত শৃঙ্খলা এবং নিয়মতান্ত্রিক অনুশাসনের মধ্যেই আমি আমার বাবা-মা এবং একমাত্র ছোট ভাইয়ের সঙ্গে বেড়ে উঠেছি। সেনাবাহিনীকে বরাবরই আমার বৃহত্তর পরিবারের অংশ বলেই মনে করি’।

তারেক রহমান আরও বলেন, ‘আজকের এই অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার ঘোষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। একজন সেনা কর্মকর্তা হিসেবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে তৎকালীন মেজর জিয়া সেনাবাহিনীকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের অবিচ্ছেদ্য ইতিহাসে পরিণত করেছেন। নিঃসন্দেহে দেশের সেনাবাহিনীর জন্য এটি একটি গৌরবময় অধ্যায়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধে সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা থাকলেও স্বাধীনতার পরপরই সেনাবাহিনীর ইমেজ বিনষ্ট এবং সেনাবাহিনীতে অস্থিরতা সৃষ্টির একধরনের অপপ্রয়াস লক্ষ্যণীয় ছিল। সেই অস্থির সময়েও সাবেক সেনাপ্রধান শহীদ লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমানের দৃঢ় ও দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমেই সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের এক নতুন যুগের সূচনা হয়েছিল।

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার সূচনালগ্ন থেকেই সেনাবাহিনীর সদস্যরা পার্বত্য চট্টগ্রামের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করছেন। পার্বত্য ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলে চলমান প্রায় ১ হাজার ৩৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘বর্ডার রোড’ প্রকল্প শুধু সীমান্ত নিরাপত্তাই নিশ্চিত করছে না, বরং দুর্গম এলাকার মানুষের জীবনযাত্রা ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।’

এছাড়া পার্বত্য এলাকায় সেনাবাহিনীর মাধ্যমে ১২শ বর্গমিটার এলাকা মাইন ও বিস্ফোরকমুক্ত করার কাজ চলমান রয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তিরক্ষা ও সন্ত্রাস দমনে নিয়োজিত থেকে শাহাদতবরণকারী ২১৭ জন বীর সেনা সদস্যের পরিবারের প্রতি আমি গভীর সমবেদনা এবং কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সুনাম আজ সুপ্রতিষ্ঠিত। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ বিগত বছরগুলোতে সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বিশ্বদরবারে বিশেষ গৌরব ও মর্যাদা অর্জন করেছে।’

তারেক রহমান বলেন, সম্প্রতি সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, দক্ষিণ সুদান এবং মালিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা অত্যন্ত দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সম্মান সমুন্নত রেখেছেন। তবে এই গৌরবময় অর্জনের পেছনে রয়েছে আত্মোৎসর্গের ইতিহাস।

তিনি বলেন, ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর দক্ষিণ সুদানে সংঘটিত ড্রোন হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছয়জন শান্তিরক্ষী সদস্য শহীদ হন। আমি শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

তারেক রহমান বলেন, ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে এবং ৫ আগস্ট-পরবর্তী সংকটময় মুহূর্তে সেনাবাহিনী যে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে, গণতন্ত্রকামী জনগণ সেটি ইতিবাচকভাবেই মূল্যায়ন করবে বলে বিশ্বাস করি। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পুরো সময়জুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, স্থবির হয়ে পড়া অর্থনীতির চাকা সচল রাখার ক্ষেত্রেও সেনাবাহিনী প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছে।

তিনি বলেন, ‘গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর অকুণ্ঠ সহায়তা ছিল মূলত গণতান্ত্রিক বিধি-বিধানের প্রতি গভীর প্রাতিষ্ঠানিক বিশ্বাসের অনন্য বহিঃপ্রকাশ। এছাড়াও বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের সংকটময় পরিস্থিতিতেও তেল সংরক্ষণাগারগুলোতে দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনাবাহিনী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।’

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাস দমন এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, দুর্যোগ-পরবর্তী উদ্ধার অভিযান এবং জুলাই গণজাগরণ ও বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলাসহ যেকোনো জাতীয় সংকটে সেনাবাহিনী সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট শাসনের সময় দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান তাদের পেশাদারিত্ব হারিয়েছিল। সেনাবাহিনীকেও অনাকাঙ্ক্ষিত বিরূপ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। বর্তমানে গণতান্ত্রিক পরিবেশে সেনাবাহিনীকে পুনরায় নিজেদের যোগ্যতা, দক্ষতা এবং পেশাদারিত্ব দিয়ে জনগণের আস্থায় থাকতে হবে।

ফিজিক্যাল ফিটনেস তথা নিয়মিত শারীরিক কসরতের প্রসঙ্গটি উল্লেখ করতে গিয়ে প্রয়াত মার্কিন জেনারেল ‘নরম্যান সোয়ার্জকফ’-এর একটি মন্তব্য বেশ প্রাসঙ্গিক মনে হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, জেনারেল এইচ নরম্যান সোয়ার্জকফ বলেছিলেন ‘দ্য মোর ইউ সোয়েট ইন পিস, দ্য লেস ইউ ব্লিড ইন ওয়্যার।’ তাই সেনাবাহিনীতে নিয়মানুবর্তিতা আর ফিটনেসের ব্যাপারে কোনো পর্যায়েই আপসের সুযোগ নেই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই নির্বাচন পর্ষদের মাধ্যমে নির্বাচিত কর্মকর্তারা ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাফল্য, গৌরব ও পেশাদারিত্বের ধারাবাহিকতা আরও সুদৃঢ় করবেন। বর্তমান সরকারের দর্শন হচ্ছে, দেশের স্বার্থ রক্ষায় ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। জনগণের স্বার্থ রক্ষায় ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

সাভারে পুলিশ কর্মকর্তাকে পিটিয়ে হত্যা

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

সাভারের আমিনবাজারে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) এক উপপরিদর্শককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত আলতাফ হোসেন (৫৮) এসবির ঢাকার মালিবাগ জোনে কর্মরত ছিলেন। এ ঘটনায় তার ছেলে আরিফুল ইসলাম (২৬) গুরুতর আহত হয়েছেন।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে আমিনবাজারের বড়দেশী এলাকার মদিনা হাউজিংয়ে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, একটি গেঞ্জি কারখানার সামনে প্রাইভেটকার পার্কিং করা নিয়ে আলতাফ হোসেন ও তার ছেলে আরিফুলের সঙ্গে ১০ থেকে ১৫ জনের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।

পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাবা ও ছেলেকে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

সাভার মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল আলম জানান, আমিনবাজারে একজন এসবি সদস্যকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।

ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন বলেন, গাড়ি পার্কিং নিয়ে সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিজ বাসার কাছেই ওই এসআই ও তার ছেলে হামলার শিকার হন। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এসবির সাভার জোনের এএসআই মাসুদ রানা জানান, আলতাফ হোসেন এসবির এসআই হিসেবে কর্মরত ছিলেন, তবে সাভার জোনে তার দায়িত্ব ছিল না। আমিনবাজারে তার একটি জায়গা রয়েছে। কী কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

Continue Reading

top1

দ্য হিন্দুর এক্সপ্লেইনার/২০১৩ সালের চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে কি ফেরত পাঠাবে ভারত

Published

on

By

কল্লোল ভট্টাচার্য

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের আগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ। ঢাকা বলছে, তারেক রহমানের সফরের জন্য নয়াদিল্লিকে একটি ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরি করতে হবে। আর এই পরিবেশ তৈরির প্রধান শর্ত হলো শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়া।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। তখন থেকেই তিনি সেখানে অবস্থান করছেন। গত ৫ আগস্ট (২০২৬) দিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেন শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি দাবি করেন, ‘বাংলাদেশে আবার ভয় ফিরে এসেছে।’

তার এই বক্তব্যের পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এক বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় শেখ হাসিনাকে ‘দণ্ডপ্রাপ্ত গণহত্যাকারী’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। একই সঙ্গে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের সময় শিশুসহ নিরীহ মানুষ হত্যার জন্য সরাসরি তাকে দায়ী করেছে ঢাকা।

ওসমান হাদির খুনিদের ফেরত চায় বাংলাদেশ

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম গত রোববার আরেকটি দাবি সামনে এনেছেন। তিনি ওসমান হাদির সন্দেহভাজন খুনিদের ফেরত দেওয়ার জন্য ভারতের প্রতি আহ্বান জানান।

ওসমান হাদি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। পরে ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তখন বাংলাদেশে বড় ধরনের আইনশৃঙ্খলার সংকট তৈরি হয়েছিল।

চীন কেন ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মানবে না

অভিযুক্ত খুনিরা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছে বলে ঢাকা দাবি করছে। বর্তমানে দেশের রাজপথে প্রভাবশালী ইসলামপন্থিরা এই মামলার ওপর কড়া নজর রাখছেন। সংসদে ৬৭টি আসন থাকা দল জামায়াতে ইসলামীও হাদির বিচারের দাবিতে সোচ্চার। ফলে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীকরণে এই মামলাটি বর্তমান বিএনপি সরকারের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

চুক্তির ৬ নম্বর অনুচ্ছেদ ও আইনি জটিলতা

দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী, ভারত যে কোনো অপরাধীকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দিতে পারে। দুই দেশের পারস্পরিক এই চুক্তিতে এমন বিধানই রয়েছে। তবে চুক্তির ৬ নম্বর অনুচ্ছেদে রাজনৈতিক অপরাধীদের হস্তান্তরের ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে।

‘পলিটিক্যাল অফেন্স এক্সেপশন’ বা রাজনৈতিক অপরাধের ব্যতিক্রম নামের এই ধারা অনুযায়ী, অপরাধটি রাজনৈতিক চরিত্রের হলে প্রত্যর্পণের অনুরোধ নাকচ করতে পারে যে কোনো পক্ষ।

অবশ্য খুন, অপহরণ ও নরহত্যার মতো গুরুতর অপরাধকে রাজনৈতিক অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে না। তবে মূল সমস্যা হলো, চুক্তিতে ‘রাজনৈতিক অপরাধ’-এর কোনো স্পষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া নেই। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারত যে কোনো অপরাধকে নিজেদের মতো করে ‘রাজনৈতিক’ হিসেবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ পেতে পারে।

বিশেষ করে ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই অনেক মামলা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি আন্তর্জাতিক আদালতও (আইসিজে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্রক্রিয়া এবং ২০২৫ সালের নভেম্বরের রায় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। আইসিজে ট্রাইব্যুনালের সদস্যদের সততা ও নিরপেক্ষতা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছে।

আইসিটির রায় ও দিল্লির অবস্থান

২০২৪ সালের আগস্টে দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শেখ হাসিনাকে পুলিশি দমন-পীড়নের জন্য দায়ী করে। পরে একটি দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে।

আমি স্বাধীনতা উপভোগ করছি, তারা আফগানিস্তানে ‘বন্দি’

২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগ সরকারের তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেন। জাতিসংঘের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই সময় দমন-পীড়নে নিহতের সংখ্যা ছিল প্রায় ১ হাজার ৪০০।

রায়ের পর শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ভারতের কাছে কূটনৈতিক চিঠি পাঠায় বাংলাদেশ। তবে নয়াদিল্লি এ নিয়ে সরাসরি কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কেবল জানিয়েছে, তারা রায়টি পর্যবেক্ষণ করছে। ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ভারত বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণ কামনা করে।

তারা সেখানে শান্তি, গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতা দেখতে চায়। এই লক্ষ্য অর্জনে তারা সবসময় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করবে। অন্যদিকে জাতিসংঘ নীতিগতভাবে মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা করলেও বাংলাদেশে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছে।

৮ নম্বর অনুচ্ছেদের বাধা

প্রত্যর্পণ চুক্তির ৮ নম্বর অনুচ্ছেদটি ভারতের জন্য আরেকটি আইনি পথ খুলে দিয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী, কোনো অভিযোগ যদি ‘সৎ উদ্দেশ্যে’ বা ‘ন্যায়বিচারের স্বার্থে’ করা না হয়, তবে প্রত্যর্পণের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা যাবে। শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগ ইতোমধ্যেই আইসিটির রায়কে ‘পূর্বনির্ধারিত’ বলে আখ্যায়িত করেছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে। অনেকে ট্রাইব্যুনালের সদস্যদের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সহানুভূতিশীল থাকার অভিযোগ তোলেন।

স্পেন কি কোনো ‘শাস্তি’ পাচ্ছে?

তৎকালীন সরকার জামায়াতের পক্ষে বহু মামলা লড়া ব্যারিস্টার তাজুল ইসলামকে ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। শেখ হাসিনা নিজেও এক বিবৃতিতে এই রায় প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার দাবি করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হলে ১৯৭৩ সালের ট্রাইব্যুনাল আইনের সংশোধন প্রয়োজন।

বাস্তবতা ও সম্পর্কের উষ্ণতা

দুই দেশের সীমান্তে অপরাধীদের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করতে ২০১৩ সালের ২৮ জানুয়ারি ঢাকা ও দিল্লি এই প্রত্যর্পণ চুক্তি সই করে। একই বছরের ২৩ অক্টোবর থেকে এটি কার্যকর হয়। ইতোপূর্বে এই চুক্তির আওতায় ২০২২ সালে ১১টি হত্যা মামলার আসামি নূর নবী ম্যাকসনের মতো বেশ কয়েকজন অপরাধীকে ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে। পলাতক আসামিদের হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এই চুক্তিটিই দুই দেশের একমাত্র কার্যকর আইনি মাধ্যম।

তাত্ত্বিকভাবে প্রত্যর্পণ সম্ভব হলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর মামলার ক্ষেত্রে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কই প্রধান ভূমিকা রাখে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আভাস দিয়েছেন, শেখ হাসিনাকে হঠাৎ ফেরত পাঠালে বাংলাদেশে বড় ধরনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে। তা ছাড়া যখন দুই দেশের সম্পর্ক সর্বোচ্চ চূড়ায় ছিল, তখন এই চুক্তি সই হয়েছিল। বর্তমানের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়াটি দিল্লির জন্য বেশ জটিল।

Continue Reading

top1

কুমিল্লা-নোয়াখালীকে আলাদা বিভাগ ঘোষণার দাবি জামায়াত আমিরের

Published

on

By

কুমিল্লা ও নোয়াখালীকে আলাদা বিভাগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারকে পরিষ্কারভাবে বলছি, কুমিল্লা বিভাগ নিয়ে আর ধানাই-পানাই করবেন না। কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন হোক। পাশের নোয়াখালী, বৃহত্তর নোয়াখালীর মানুষও বিভাগ চাচ্ছেন। তারাও একটি বিভাগ পাওয়ার দাবিদার। তাদেরও দিন। কিন্তু কুমিল্লার দাবি যেহেতু ১৯৯৪ সাল থেকে চলে আসছে, আগে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন করুন।’

শনিবার (৫ আগস্ট) কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খন্দকার মোশতাক আহমেদের বাড়ি কুমিল্লায় উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘এই কারণে গোঁসা করে কুমিল্লার নামে বিভাগ দেওয়া হবে না, আগে এ নিয়ে ধানাই-পানাই করা হয়েছে। আমরা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, কোনো জেলার নাম নিয়ে যদি বাড়াবাড়ি করা হয়, তাহলে সেটা ওই জেলা এবং সেখানে বসবাসকারী প্রত্যেকটি মানুষকে অপমান করার শামিল।’

শফিকুর রহমান বলেন, ‘বর্তমান সরকারও বলেছে, কুমিল্লা বিভাগ দেওয়া হবে। তাহলে দিচ্ছেন না কেন? এটা দ্রুত বাস্তবায়ন করুন। বিভাগের প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করার যাবতীয় ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণ করুন।’

কুমিল্লায় বিমানবন্দর চালুর বিষয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এখানে বিমানবন্দর হওয়ার যে বিষয়টি আছে, সেটিও দেখতে হবে। এখানে একটি ইপিজেড আছে, একটি বিমানবন্দরও আছে। সেই বিমানবন্দরটি সম্ভাব্যতা যাচাই করে যদি সবদিক থেকে উত্তম হয়, তাহলে জনগণের জন্য সেটিও চালু করা হোক। তবে বিভাগটা আগে দেন। বিভাগের দাবিটা আগে পূরণ করুন।’

তিনি আরও বলেন, ‘কুমিল্লার মানুষকে এখন প্রশাসনিক কাজের জন্য চট্টগ্রামে দৌড়াতে হয়। এখানে বিভাগ হলে তাদের প্রশাসনিক কাজগুলো এখানেই হবে।’

লংমার্চ প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, ‘আজকের কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু হলো। প্রত্যেকটি বিভাগীয় শহরে ইনশাআল্লাহ আমাদের লংমার্চ যাবে। এরপর ঢাকায় মহাসমাবেশ হবে। সেই মহাসমাবেশ কি শুধু চিড়ামুড়ি খাওয়ার জন্য হবে, নাকি আমাদের দাবি আদায়ের জন্য হবে? কুমিল্লার মানুষ, আপনারা যাবেন। প্রয়োজনে চিড়ামুড়ি হাতে নিয়েই যাবেন। দাবি আদায় করে ইনশাআল্লাহ ঘরে ফিরবেন। আপনারা প্রস্তুতি নেন। আমরা আশাবাদী, জনতার বিজয় হবে, ইনশাআল্লাহ।’

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়টি উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী করেন? তিনি তো সংসদের সব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েছেন, কিন্তু নিজের মন্ত্রণালয়েরই কোনো খবর নেই।’

উল্লেখ্য, জুলাই গণহত্যার বিচার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ এবং সারের সংকট সমাধানসহ ছয় দফা দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করছে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্য। আজ সকাল ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে লংমার্চের কর্মসূচি শুরু হয়। চট্টগ্রামের লালদিঘীর মাঠে সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হবে।

Continue Reading

Trending