Connect with us

top1

১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা কবে, জানালেন জামায়াত আমির

Published

on

আগামী এক-দু’দিনের মধ্যে ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানীর বসুন্ধরায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস আইজাবসের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করতে গত কয়েক মাসে দফায় দফায় আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করে আটটি দল।

দলগুলো হলো- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি)। এরপর সেই সমঝোতায় যুক্ত হয় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) এবং আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। সব মিলিয়ে দলের সংখ্যা দাঁড়ায় ১১।

আলোচনা চলমান অবস্থায়ই জামায়াত ২৭৬টি আসনে এবং ইসলামী আন্দোলন ২৬৮টি আসনে প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। এর পাশাপাশি এনসিপি ৪৭টি, এবি পার্টি ৫৩টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৯৪টি, খেলাফত মজলিস ৬৮টি, এলডিপি ২৪টি, খেলাফত আন্দোলন ১১টি, নেজামে ইসলাম পার্টি ৬টি, জাগপা ৩টি এবং বিডিপি ২টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়।

আসন বণ্টন নিয়ে অসন্তোষ দেখা দেওয়ায় জোট থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বের হয়ে যাচ্ছে বলে গুঞ্জনও ওঠে। কিন্তু শেষমেষ দলগুলো আসন সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বিষয়ে অনেকটা একমত হয়। দু-একদিনের মধ্যে তা ঘোষণা করা হবে বলে জানান জামায়াত আমির।

শফিকুর রহমান বলেন, দু-একদিনের মধ্যে ১১ দলের আসন সমঝোতা দৃশ্যমান হবে।

সমতার ভিত্তিতে প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্ব করবে জামায়াত

নির্বাচনে জয়ী হলে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিবেশী সুলভ আচরণ করার কথা জানান জামায়াত আমির। শফিকুর রহমান বলেন, সবার সঙ্গে সমতার ভিত্তিতে বন্ধুত্ব করা হবে৷

জনগণের প্রতি শতভাগ আস্থা আছে জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, দেশের মা-বোনেরাও আগামী নির্বাচনে জামায়াতকে বেছে নেবে।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে দেশের জনগণ সুশাসন নিশ্চিত করবে। জনগণের প্রতি আমাদের শতভাগ আস্থা রয়েছে। আমরা শুধু চাই নির্বাচনটা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হোক।’

নির্বাচন সুষ্ঠু হতে হবে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ যদি অন্য কোনো দলকে পছন্দ করে আমরা তাদেরকে সহযোগিতা করব৷ দুর্নীতির বিরুদ্ধে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং সংস্কারের পক্ষে যারা থাকবে আমরা তাদের সঙ্গে থাকব।’

শফিকুর রহমান আরো বলেন, এবারের নির্বাচন যদি জনগণের হাতছাড়া হয়ে যায় তবে আর কবে জনগণ তাদের ভোটাধিকার ফিরে পাবে আমাদের জানা নেই৷

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের গণমাধ্যম একটি দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘এই গণমাধ্যমগুলো অভ্যুত্থানের সময়েও একটি দিকে ঝুঁকে ছিল।’

‘আমরা চাই গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করুক। তারা যদি নিজেরাই পরাধীনতার শৃঙ্খল গলায় পরে তবে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে৷ প্রশাসন বা গণমাধ্যম যে যেই ভূমিকা পালন করছে জনগণ সবই মনে রাখছে৷ জনগণকে বোকা ভাবার কোনো কারণ নেই।’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ঈদের পর সংসদের ভেতরে-বাইরে থেকে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করবে বিরোধীদল: নাহিদ

Published

on

By

সরকার সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করলে ঈদের পর সংসদের ভেতরে-বাইরে থেকে বিরোধী দল সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, সংবিধানের দোহাই দিয়ে জুলাই সনদকে অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।

শনিবার (২১ মার্চ) সকালে রাজধানীর বেরাইদ এলাকার পূর্বপাড়া জামে মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রথমেই সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ পাঠ করার থাকলেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।

এটি বাস্তবায়নের জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা জরুরি।

এক প্রশ্নের জবাবে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘একটি সরকারের কাজের মূল্যায়ন বা সমালোচনা জন্য এক মাস যথেষ্ট সময় নয়। তাদের আরো পর্যবেক্ষণ করতে হবে।’

তিনি বলেন, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণসহ বেশ কিছু কাজ সরকার দ্রুততার সঙ্গে করেছে।

এগুলো অবশ্যই ইতিবাচক। আমরা তাদের গতিবিধি আরো লক্ষ করতে চাই।’

Continue Reading

top1

বছর ঘুরে এলো খুশির ঈদ

Published

on

By

বছর ঘুরে মুসলিম উম্মাহর দুয়ারে আবারো হাজির হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। সারা মাস সিয়াম সাধনার পর একফালি চাঁদ ঘোষণা দিল ‘এলো খুশির ঈদ’। রোজার মাস জুড়ে সংযম, ধৈর্য আর আত্মশুদ্ধির যে শিক্ষা, তারই পরিণতি এই ঈদ। তাই ঈদের আনন্দ শুধু নতুন পোশাক বা সুস্বাদু খাবারে নয়, বরং একে অপরের প্রতি ভালোবাসা আর সহমর্মিতায়।

ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় খুশির দিন। আজ শনিবার ঈদের আনন্দ উৎসবে মেতে উঠবে সারা দেশ।

ইতোমধ্যে ঢাকাসহ দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে ঈদুল ফিতরের আবহ। সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার পরপরই রেডিও-টেলিভিশনে বেজে উঠেছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী সেই গান, ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এল খুশীর ঈদ…।’

ইসলামের ধর্মীয় বিধান অনুসরণ করা হয় সাধারণত হিজরি বর্ষপঞ্জির চান্দ্র মাসের হিসাবে। ২৯ রমজান (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় বাংলাদেশে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি বৈঠক বসে। সেই বৈঠক থেকেই ঈদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।

এদিকে শুক্রবার সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্য ও পৃথিবীর অন্যান্য প্রান্তের কিছু দেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বাংলাদেশের বেশকিছু জেলাতেও ঈদ উদযাপন করেছেন মুসল্লিরা। তারা দেশটির সঙ্গে মিলিয়ে এক দিন আগে রোজাও রাখেন।

হাদিসে আছে, মহানবী (সা.) বলেছেন, প্রত্যেক জাতিরই উৎসবের দিন আছে। আমাদের উৎসব হলো ঈদ।

ঈদুল ফিতরের মধ্যে ফিতর শব্দের অর্থ ভঙ্গ করা। ঈদুল ফিতরের অর্থ— রোজার সমাপ্তি ঘটানোর আনন্দ। দীর্ঘ এক মাস তারাবির নামাজ, সাহরি, ইফতার, জাকাত-ফিতরা, এবাদত-বন্দেগিসহ সিয়াম সাধনার মধ্যে দিয়ে পার করার পর মুসলিম উম্মাহ রোজা ভঙ্গ করে মহান আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে বান্দারা উপহার স্বরূপ পান এই ঈদুল ফিতর। ঈদের আনন্দ সর্বজনীন। এই আনন্দ আল্লাহর তাকওয়া অর্জনের সাফল্যের আনন্দ। এই আনন্দ রূপ নেয় সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় উৎসবে।

ঈদ উপলক্ষে জাতীয় পতাকা ও ঈদ মোবারক খচিত ব্যানার দিয়ে সাজানো হয়েছে রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়ক, মোড়সহ গুরত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো।

ঈদের দিনে উন্নত মানের খাবার সরবরাহ করা হবে হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, ভবঘুরে কেন্দ্র ও এতিমখানায়। সরকারি-বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও রেডিওতে প্রচারিত হবে বিশেষ অনুষ্ঠান। টিভি চ্যানেলগুলো ইতোমধ্যে পাঁচ থেকে সাত দিনের বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে। ঈদ উপলক্ষে বিশেষ সংখ্যা, ঈদ ম্যাগাজিন প্রকাশ করেছে অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সংবাদপত্রগুলো।

ঈদ ঘিরে বাজারে শেষমুহূর্তের কেনাকাটায় ব্যস্ত মানুষ। নতুন জামার গন্ধ, আতরের সুবাস, সেমাই-চিনির হিসাব-সব মিলিয়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশ। দর্জির দোকানে এখনো শেষ মুহূর্তের কাজ চলছে, আর শিশুদের চোখে-মুখে শুধুই আনন্দের ঝিলিক-‘ঈদ’।

ঈদ উপলক্ষে পরিবারগুলোতে সাধ্যমতো ভালো খাবার রান্নার চেষ্টা করা হয়। শিশুরা নতুন পোশাক পরে হৈ হুল্লোড় করবে, বেড়াতে যাবে নিকটাত্মীয়দের বাড়িতে। ঈদের দিন ঘুম থেকে উঠে গোসল-অজু করে দিনের শুরুতে সেমাই, মিষ্টিমুখ করে মুসল্লিরা যাত্রা শুরু করবেন ঈদের জামাতে অংশ নিতে। নামাজ আদায় শেষে ঈদগাহ ময়দানে বুকে বুক মেলাবেন। নামাজ আদায় শেষ করে মুসল্লিরা যাবেন কবরস্থানে প্রিয়জনের বিদেহী আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করতে। কবরস্থান থেকে মুসল্লিরা বাসায় ফিরে খাবার খেয়ে বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা করবেন। প্রিয়জনের সঙ্গে আনন্দ-আড্ডায় মেতে উঠবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

এক মাসের সংযম, ধৈর্য আর আত্মশুদ্ধির পর আসে এই উৎসব। তাই ঈদের আনন্দ শুধু নতুন পোশাক বা সুস্বাদু খাবারে সীমাবদ্ধ নয়এটি একে অপরের প্রতি ভালোবাসা, ক্ষমা আর সহমর্মিতার প্রকাশ।

Continue Reading

top1

আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর

Published

on

By

এক মাসের সিয়াম সাধনা শেষে শনিবার (২১ মার্চ) সারা দেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঈদের জামাত আদায়ের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

রাজধানীর প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায়। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে বিকল্পভাবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে সকাল ৯টায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক। বিকল্প হিসেবে প্রস্তুত থাকবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফাসসির ড. মাওলানা মো. আবু ছালেহ পাটোয়ারী।

ঈদগাহ ময়দান ও আশপাশের এলাকায় নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সিসিটিভি নজরদারি, আর্চওয়ে, মেটাল ডিটেক্টর, ডগ স্কোয়াড ও বিশেষ টিম মোতায়েন থাকবে। যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে ব্যারিকেড স্থাপন করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট নিরাপত্তা হুমকি না থাকলেও সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা হয়েছে।

জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্য, বিচারপতি ও কূটনীতিকদের অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির জন্য ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যার মধ্যে নারীদের জন্য পৃথক নামাজের স্থান, প্রবেশপথ ও ওজুর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

দেশের সব বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, আলোকসজ্জা এবং বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

এছাড়া হাসপাতাল, কারাগার, শিশু সদন, বৃদ্ধাশ্রমসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে উন্নত খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য পার্ক ও দর্শনীয় স্থানে বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

Continue Reading

Trending